গত পনের ডিসেম্বর প্রথম পর্যায়ে ১০ হাজার ৭৮৯ জন রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে জনগনের একটি আন্তরিক চাওয়া আংশিক পূরণ হলো। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নথি পর্যালোচনা করে এই তালিকা করা হয়েছে বলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জানিয়েছেন। স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর এই তালিকা প্রকাশ করা হলো। ৭৫ এর আগষ্ট মাসের পট পরিবর্তনের পরে আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় আসতে ২১ বছর অপেক্ষা করতে হয়। যেহেতু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল না ২১ বছর, স্বাভাবিক ভাবেই যারা ক্ষমতাসীন ছিল তারা এই তালিকা প্রকাশ করার কথা ভাবেননি। বরং এই ২১ বছর ছিল রাজাকারদের পুনর্বাসন এর সময়। স্বাধীনতার পরে ৭৫ এর ১৫ আগষ্টের পূর্ব পর্যন্ত রাজাকাররা প্রকাশ্যে আসেনি। এরপরেই তারা প্রকাশ্যে আসতে আরম্ভ করে। জিয়াউর রহমান ৩১ ডিসেম্বর, ৭৫ সালে এক সামরিক অধ্যাদেশের বলে দালাল আইন বাতিল করলে সুনিদিষ্ট অভিযোগে আটক বিচারাধীন ১১ হাজারের অধিক রাজাকারকে মুক্ত করে দেন।  একই সাথে ৭৫২ জন সাজাপ্রাপ্ত রাজাকারকে কোন প্রকার আদেশ ব্যতীত ই মুক্ত করে দেন।

৭৫ থেকে  ৯৬ এই ২১ বছরে রাজকাররা রাজনৈতিক , সামাজিক ভাবে শক্ত হয়ে ওঠে। প্রশাসনে অত্যন্ত শক্ত একটি অবস্থান তৈরী করে, যারা প্রশাসনে এখনো শক্তিশালী অবস্থানে আছে। এরা বিভিন্ন সময়ে এই রাজাকারের তালিকা যাতে প্রকাশিত না হয় তার চেষ্টা করে আসছে। সবশেষে যখন তালিকা প্রকাশ করার চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়, তখন এটিকে বিতর্কিত করার চেষ্টায় তারা তৎপর হয়, এবং এই তালিকা বিতর্কিত করার উদ্দেশ্য সফল হয়েছে মোটামুটি। চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পূর্বে তারা এই তালিকার মধ্যে কিছু মুক্তিযোদ্ধার নাম অন্তর্ভুক্ত করে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের শীর্ষ আইনজীবি, বরিশালের একজন হিন্দু মুক্তিযোদ্ধা এবং নারী যার স্বামী ১৯৭১ এ শহীদ হন, বরগুনার পাথরঘাটার একজন মুক্তিযোদ্ধার নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রশাসনে লুকিয়ে থাকা রাজাকারদের অনুসারীদের উদ্দেশ্য সফলই হয়েছে বলা যায়, বিতর্কের কারণে আজ সংশোধনের জন্য তালিকাটি স্থগিত করা হয়। আমরা আশা করব যে সংশোধনের পরে সঠিক ভাবে তালিকাটি পুনরায় প্রকাশিত হবে।

এই বিতর্ক এড়ানো যেত যেভাবেঃ
১৯৭২ সনের ২৪ জানুয়ারি দালাল আইন বিশেষ ট্রাইবুনাল আদেশ জারী করা হয়। এই দালাল আইনের আলোকে সর্ব মোট ৩৭ হাজারের বেশী সন্দেহ ভাজন মানুষকে আটক করা হয়।সমস্ত দেশে ৭৩ টি বিশেষ আদালতে এদের অপরাধের বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৭৩ সনের ৩০ নভেম্বর দালাল আইনে যে সমস্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তাদের জন্য সরকার সাধারণ ক্ষমা ঘোষনা করে্ণ। এ ঘোষণার পর দালাল আইনে আটক ৩৭ হাজারের অধিক ব্যক্তির ভেতর থেকে ২৫ হাজার ৭১৯ জন আসামি ছাড়া পায় ।
সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার ৫ নং ধারায় বলা হয়, ‘যারা বর্ণিত আদেশের নিচের বর্ণিত ধারাসমূহে শাস্তিযোগ্য অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত অথবা যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে অথবা যাদের বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত ধারা মোতাবেক কোনটি অথবা সব ক’টি অভিযোগ থাকবে।
ধারাগুলো হলো:
১২১ (বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানো অথবা চালানোর চেষ্টা),
১২১ ক (বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানোর ষড়যন্ত্র),
১২৮ ক (রাষ্ট্রদ্রোহিতা),
৩০২ (হত্যা),
৩০৪ (হত্যার চেষ্টা),
৩৬৩ (অপহরণ),
৩৬৪ (হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ)
৩৬৫ (আটক রাখার উদ্দেশ্যে অপহরণ),
৩৬৮ (অপহৃত ব্যক্তিকে গুম ও আটক রাখা),
৩৭৬ (ধর্ষণ),
৩৯২ (দস্যুবৃত্তি),
৩৯৪ (দস্যুবৃত্তিকালে আঘাত),
৩৯৫ (ডাকাতি),
৩৯৬ (খুনসহ ডাকাতি),
৩৯৭ (হত্যা অথবা মারাত্মক আঘাতসহ দস্যুবৃত্তি অথবা ডাকাতি),
৪৩৫ (আগুন অথবা বিস্ফোরক দ্রব্যের সাহায্যে ক্ষতিসাধন),
৪৩৬ (বাড়িঘর ধ্বংসের উদ্দেশ্যে আগুন অথবা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার), ফৌজদারি দণ্ডবিধির
৪৩৬ (আগুন অথবা বিস্ফোরক দ্রব্যের সাহায্যে কোন জলযানের ক্ষতিসাধন) অথবা এসব কাজে উৎসাহ দান।
এসব অপরাধী কোনোভাবেই ক্ষমার যোগ্য নন।’
এই ক্ষমাকে বিএনপি এবং রাজাকাররা সাধারণ ক্ষমা হিসেবে প্রচার করে এবং দীর্ঘ বছর এই মিথ্যে প্রচারটি প্রচারিত হতে থাকায় এটি প্রায় গ্রহণযোগ্য হয়ে যায়। ক্ষমা ঘোষণার পরেও ১১ হাজার আসামী যাদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ( উপরে বর্নিত ) অপরাধের অভিযোগ ছিল , তাদের মামলা গুলো চলতে থাকে ।

৭৩ সন পর্যন্ত ৭৫২ জন অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসী,যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সহ বিভিন্ন মেয়াদের সাজা হয় এবং আটক ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারিক কার্যক্রম চলতে থাকে।
১৯৭৫ এর ৩১ ডিসেম্বর জেনারেল জিয়া সামরিক অধ্যাদেশ জারী করে দালাল আইন বাতিল করেন। থেমে যায় যুদ্ধাপরাধের বিচার কার্যক্রম। আটক ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি দিয়ে দেয়া হয়। দন্ডিত যুদ্ধাপরাধী ৭৫২ জনের সাজা মওকুফ করা না হলেও কোন কিছু তোয়াক্কা না করে এদেরকেও মুক্ত করে দেয়া হয়।

** পনেরই ডিসেম্বরে প্রকাশিত তালিকায় ৭৩ সন পর্যন্ত ৭৫২ জন অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসী,যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সহ বিভিন্ন মেয়াদের সাজা হয়, এদের নাম প্রথমে আসা উচিৎ ছিল এবং সরকারের কাছে সুপারিশ করা উচিৎ ছিল এই সাজাপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীদের গ্রেফতার পূর্বক তাদের দন্ড কার্যকর করা।
** ৭৫২ জনের পরে ১১ হাজার অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধী যাদের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম চালু ছিল এদের নাম সহ প্রথম ধাপে ১১৭৫২ জনের তালিকা দিলে কোনো বিতর্ক হবার অবকাশ থাকতো না। 

এর পরের ধাপে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা এবং উপজেলা কমান্ড এর সমন্বয়ে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের নথিভুক্ত রাজাকারদের নাম মিলিয়ে নিয়ে দ্বিতীয় ধাপে আর একটি তালিকা করা যেত।

* বর্তমান তালিকায় যে ভুলগুলো আছে তা ঠান্ডা মাথায় সংশোধন করা উচিত।
* এই প্রথম রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ করা হলো, প্রশাসনে ঘাপটি মেরে থাকা রাজাকার সমর্থকরা এটিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করবেই।
* তদন্ত হওয়া দরকার কিভাবে মুক্তিযোদ্ধার নাম রাজাকারের তালিকায় এলো। তালিকাটি শেষ এডিট কে করেছে?
* এটি তো দিবালোকের মতই স্পষ্ট যে বিতর্কিত করার জন্যই মুক্তিযোদ্ধাদের নাম রাজাকার তালিকায় উঠানো হয়েছে।

গ্রেফতার করা হোক ৭৫২ জন অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীদের যারা ফাঁসী,যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সহ বিভিন্ন মেয়াদের সাজাপ্রাপ্ত । যাদের ৭৫ এর  ১৫ আগষ্টের পরে এমনিতেই মুক্তি দিয়ে দেয়া হয়েছিল । তাদের দন্ড কার্যকর করা হোক।
তালিকা করা হোক ১১ হাজার রাজাকারের যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা ছিল।

 

আমার লেখা নিম্নের লেখা দুটো পড়তে পারেন। এটি ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু ধারাবাহিক লেখাটি আর শেষ করা হয়নি।

৭২ থেকে ৭৫ দালাল আইনে সাজাপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীদের নাম ও অপরাধের বিবরন-১

রাজাকার চিকন আলীর ফাঁসি,যুদ্ধাপরাধী বিচারের প্রথম রায়ঃসাজাপ্রাপ্তদের নাম ও অপরাধ-২

৫৬২জন ৩০৭জন
82 Shares

১৮টি মন্তব্য

  • কামাল উদ্দিন

    * বর্তমান তালিকায় যে ভুলগুলো আছে তা ঠান্ডা মাথায় সংশোধন করা উচিত।
    * এই প্রথম রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ করা হলো, প্রশাসনে ঘাপটি মেরে থাকা রাজাকার সমর্থকরা এটিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করবেই।
    * তদন্ত হওয়া দরকার কিভাবে মুক্তিযোদ্ধার নাম রাজাকারের তালিকায় এলো। তালিকাটি শেষ এডিট কে করেছে?
    * এটি তো দিবালোকের মতই স্পষ্ট যে বিতর্কিত করার জন্যই মুক্তিযোদ্ধাদের নাম রাজাকার তালিকায় উঠানো হয়েছে।

    স্পর্শকাতর এই বিষয়টাতে সরকারকে আরো অনেক বেশী সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ ছিল। আর ঘাপটি মারা রাজাকাররা যদি ইচ্ছে করে এটাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করে থাকে তাদেরকে খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনাটা জরুরী। তবে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায়ও কিছু রাজাকারের প্রবেশের খবর শোনা যায়, সেটাও অবশ্যই সরকারের সুক্ষ ভাবে দেখে সংশোধন করাটা জরুরী।

  • মোঃ মজিবর রহমান

    আমার কথা তালিকা প্রকাশের পুর্বে তালিকা করার কমিটিই সঠিকভাবে হইনি। আর এই তালিকা তৈরির পর ইউনিয়ন, থানা ও জেলা মুক্তিজোদ্ধা কমান্ডারগনের দ্বারা সহজেই যাচাই৷বাছাই করা যেত।
    এই তালিকা সরকারি প্রশাসনের আমলা দ্বারা বিতর্কিত হবেই কারণ তারা চামচা বা ধামাধরা।
    আর এই তালিকা প্রকাশ এই সরকারের জন্য কতখানি লজ্জা তা এই সরকার ভাবতেই পারবেনা। আমি হতবম্ব। এটা কি হল! ইজ্জত থাকল কোথায়?

  • তৌহিদ

    আমাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে আসলে জবাবদিহিতার কোন বালাই নেই। কোন কাজে কথায় কোনো জবাবদিহিতা কাউকে করতে হয় না বলেই গা ছাড়া মনোভাব নিয়ে অনেকেই মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীনতা, রাজাকার এমন স্পর্শকাতর বিষয়গুলিকে অপরিপক্বভাবে নাড়াচাড়া করে বিতর্কিত করে ফেলছেন। যার ফলাফল আমরা দেখছি রাজাকারদের তালিকা প্রণয়নের বিষয়ে। মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তাড়াহুড়া করে প্রকাশ করতে গিয়ে যেমন বিতর্কিত অবস্থা তৈরি হয়েছে তেমনি লোকদেখানো উদ্দেশ্যে তাড়াহুড়া করে রাজাকারদের তালিকা প্রণয়ন করতে গিয়ে একেও প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলা হচ্ছে।

    এ অবস্থার উত্তরণ জরুরী। আপনার সুচিন্তিত মতামত মনোপূত হয়েছে ভাইজান। আমার লেখায় কোট করে সেটি দিয়েছি।

    ভালো থাকবেন।

  • সুপায়ন বড়ুয়া

    “গ্রেফতার করা হোক ৭৫২ জন অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীদের যারা ফাঁসী,যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সহ বিভিন্ন মেয়াদের সাজাপ্রাপ্ত । যাদের ৭৫ এর ১৫ আগষ্টের পরে এমনিতেই মুক্তি দিয়ে দেয়া হয়েছিল । তাদের দন্ড কার্যকর করা হোক।
    তালিকা করা হোক ১১ হাজার রাজাকারের যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা ছিল।“

    সহমত আপনার সাথে ।
    প্রতীক্ষার আছি সারা দিনমান
    ঘাতক দালালের হোক অবসান !
    শুভ কামনা

  • মোঃ মজিবর রহমান

    এই মন্ত্রীর স্বইচ্ছায় পদত্যাগ করা উচিত ছিল। গাজিপুরে অনেক আওয়ামীলীগ নেতা সদস্য আকাম্যায়া মোজাম্মেল বলে।
    তাঁর ভুলের কোন ক্ষমা নেই আমার নিকট।

  • প্রদীপ চক্রবর্তী

    গ্রেফতার করা হোক ৭৫২ জন অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীদের যারা ফাঁসী,যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সহ বিভিন্ন মেয়াদের সাজাপ্রাপ্ত । যাদের ৭৫ এর ১৫ আগষ্টের পরে এমনিতেই মুক্তি দিয়ে দেয়া হয়েছিল । তাদের দন্ড কার্যকর করা হোক।
    তালিকা করা হোক ১১ হাজার রাজাকারের যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা ছিল।
    .
    সহমত প্রকাশ করছি দাদা।
    অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করা হোক।
    এরসাথে নামদারী ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযোগ্য সম্মাননা করা হোক।
    .
    রাজাকার হোক মুক্তিযোদ্ধা আমরা এমন চাই না।
    যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নাম রাজাকারের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

  • নুরহোসেন

    রাজাকাররা সরকারী দলের সুবিধা নিয়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের পদদলিত করছে;
    আমাদের মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক মন্ত্রী রাজাকার কিনা সেটাও খুতিয়ে দেখার দরকার।
    একজন গার্বেজ লোককে এত মহান দায়িত্ব দেওয়া উচিত নয়-
    অবিমল্বে উনার উচিত জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া।

  • সুরাইয়া পারভিন

    গ্রেফতার করা হোক ৭৫২ জন অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীদের যারা ফাঁসী,যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সহ বিভিন্ন মেয়াদের সাজাপ্রাপ্ত । যাদের ৭৫ এর ১৫ আগষ্টের পরে এমনিতেই মুক্তি দিয়ে দেয়া হয়েছিল । তাদের দন্ড কার্যকর করা হোক।
    তালিকা করা হোক ১১ হাজার রাজাকারের যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা ছিল।

    একদম সঠিক বলেছেন। এটাই হোক সবার মত

  • সাবিনা ইয়াসমিন

    আপনার পোস্টের মাধ্যমে অনেক কিছুই জানলাম। প্রায় সবাই জানতো বঙ্গবন্ধু সাধারণ ক্ষমা ঘোষনার মাধ্যমে সমস্ত স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার, আল শামস, আলবদর, শান্তি কমিটির লোকজনদের মাফ করে দিয়েছিলেন। এটি যে মিথ্যে তা আপনার পোস্টের মাধ্যমে জানলাম। ৭৫২ জন রাজাকারের বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি হয়েছিল এবং ১১ হাজার রাজাকারদের বিচারিক কার্যক্রম চলছিল। এই অবস্থায় ৭৫ এর আগষ্টের পরে সামরিক অধ্যাদেশ বলে ১১ হাজার অপরাধীকে মুক্ত করে দেয় তৎকালীন সরকার। কিন্তু ৭৫২ জন সাজাপ্রাপ্ত রাজাকার এমনি এমনি মুক্ত হয়ে যায়! খুবই আশ্চর্য হলাম। সাজাপ্রাপ্ত আসামী মুক্ত হয়ে বিচরণ করছে সাধারণ মানুষের মতই? এই হচ্ছে আমাদের দেশের আইন?! আর আইনের শাসন?
    অবিলম্বে ” গ্রেফতার করা হোক ৭৫২ জন অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীদের যারা ফাঁসী,যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সহ বিভিন্ন মেয়াদের সাজাপ্রাপ্ত । যাদের ৭৫ এর ১৫ আগষ্টের পরে এমনিতেই মুক্তি দিয়ে দেয়া হয়েছিল । তাদের দন্ড কার্যকর করা হোক।
    তালিকা করা হোক ১১ হাজার রাজাকারের যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা ছিল।”

    এমন লেখা আরো চাই, শুভেচ্ছা আপনাকে।

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য