কামাল উদ্দিন

মায়ের খাতায় লিখে রাখা হিসেব বলে আমার জন্ম ১৯৭১ সালের ১লা জানুয়ারী। মাস্টাররা সার্টিফিকেটে লিখে দিয়েছে ২রা ফেব্রুয়ারী ১৯৭৬ সাল। আমি কিন্তু মায়ের লিখাটা নিয়াই আছি। নিজেকে নিয়ে বলার কিছু নাই। কাজ করতে ভালোলাগে না, পেটের জ্বালায় করি। ঘুরতে ভালোলাগে, ছবি তুলতেও ভালোবাসি। কিন্তু সংসারের যাতাকল থেকে বেড়িয়ে সখের কাজে সময় দেওয়ার সুযোগ খুবই কম। তাই সুযোগের অপেক্ষায় থাকি, আর পেয়ে গেলে পালাই ঘর ছেড়ে...............

"বিশ্ব জোড়া পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র --নানা ভাবে নতুন জিনিস শিখছি দিবা রাত্র"

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ৭ মাস ৮ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ১২৮টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ৩৫৫৩টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৩১১২টি
একদিন বিকেল বেলা কয়েক বন্ধু মিলে রেল লাইনে হেটেছিলাম, আশেপাশের চমৎকার পরিবেশ ও গ্রাম্য প্রকৃতি আমাকে পাগল করেছিল, তারপর আরো কিছু পাগলের সাথে শলা-পরামর্শ করে বেড়িয়ে পড়ি রেল লাইনে হেটে হেটে গ্রাম বাংলাকে দেখার জন্য। এবং সিদ্ধান্ত নেই ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেল লাইন ধরে হাটবো। এটাই ছিলো আমাদের রেল লাইন পরিকল্পনা, ইতিমধ্যেই আমরা চট্টগ্রাম [ বিস্তারিত ]

রাতের স্টেশন

কামাল উদ্দিন ১ জুন ২০২০, সোমবার, ০৯:০৬:৫৯অপরাহ্ন স্মৃতিকথা ৩১ মন্তব্য
ট্রেনের লম্বা হর্ণটা বাজার সাথে সাথেই আমার ব্যগটা টেনে নিয়ে ভো দৌড়। আগুপিছু না ভেবে আমিও লাফিয়ে নামলাম ট্রেন থেকে, ছুটলাম চোরের পেছনে। সন্ধার অন্ধকার তখন সবে মাত্র শুরু হয়েছে, তবে গাছপালার আঁধারে অন্ধকারটা ভালোই ঝেকে বসেছে। অপরিচিত ঝোপঝাড় ওয়ালা গ্রামীন পথে খুব দ্রুতই চোরটা হারিয়ে গেলো। হতাশ আমি ফিরে এলাম স্টেশনে। কিন্তু ততোক্ষণে আমাকে [ বিস্তারিত ]

ড্রুকগিয়াল জং

কামাল উদ্দিন ৩০ মে ২০২০, শনিবার, ০৯:১৮:৫১অপরাহ্ন ভ্রমণ ১৯ মন্তব্য
ভুটানের একমাত্র এয়ারপোর্ট রয়েছে পারো শহরে। পারো থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে তিব্বত সীমান্তে ড্রুকগিয়াল জং বা জং এর ধ্বংসাবশেষ। সেই পোড়া ধ্বংসপ্রাপ্ত জং নিয়াই আমার আজকের ছবি পোষ্ট। জং হল এমন এক ধরনের স্থাপনা যা একাধারে প্রশাসনিক কেন্দ্র, দূর্গ, উপাসনালয়। প্রাচীনকালে এগুলো মূলত দূর্গ ছিল। বর্তমানে জংগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহার হলেও ড্রুকগিয়াল জংটা শুধুই [ বিস্তারিত ]

বাংলার আমাজন, রাতারগুল জলাবন

কামাল উদ্দিন ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, ১০:৫৬:৫৮পূর্বাহ্ন ভ্রমণ ২৯ মন্তব্য
সারা পৃথিবীতে ফ্রেশওয়াটার সোয়াম্প ফরেস্ট বা স্বাদুপানির জলাবন আছে মাত্র ২২টি। ভারতীয় উপমহাদেশ আছে এর দুইটি…… একটা শ্রীলংকায় আর আরেকটা আমাদের সিলেটের গোয়াইনঘাটে। এই বনের আয়তন ৩,৩২৫.৬১ একর, আর এর মধ্যে ৫০৪ একর বনকে ১৯৭৩ সালে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়। অনেক এই বনকে বাংলার আমাজানও বলে থাকেন। নানা বৈশিষ্ট্যমন্ডিত এই মিঠাপানির জলাবনটিতে উদ্ভিদের [ বিস্তারিত ]
একদিন বিকেল বেলা কয়েক বন্ধু মিলে রেল লাইনে হেটেছিলাম, আশেপাশের চমৎকার পরিবেশ ও গ্রাম্য প্রকৃতি আমাকে পাগল করেছিল, তারপর আরো কিছু পাগলের সাথে শলা-পরামর্শ করে বেড়িয়ে পড়ি রেল লাইনে হেটে হেটে গ্রাম বাংলাকে দেখার জন্য। এবং সিদ্ধান্ত নেই ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেল লাইন ধরে হাটবো। এটাই ছিলো আমাদের রেল লাইন পরিকল্পনা, ইতিমধ্যেই আমরা চট্টগ্রাম [ বিস্তারিত ]
বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম নাক্ষিয়ং নামক স্থানে অবস্থিত বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর জলপ্রপাত আমিয়াখুম। পাহাড়ী সাঙ্গু নদী তার বয়ে চলার পথে অজস্রে স্থানে ছোট ছোট জলপ্রাপাতের সৃষ্টি করেছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে আমিয়াখুম। খুম মানে হচ্ছে যেখানে পানি কখনো একেবারে শুকায় না। ঝর্নার পানি শুকাবে কিন্তু খুমের না। এটার অবস্থান বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের পাশে। এ্যডভেঞ্চারের ষোলকলা যদি [ বিস্তারিত ]
অনেকদিন পূর্বে শুনেছিলাম ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মাটির নিচ থেকে বেশ কিছু মসজিদ উঠেছে। সেটা কতোটা বিশ্বাস করেছিলাম জানিনা। তবে ওখানে যাওয়ার আগ্রহটা প্রবল হয়ে উঠেছিল তখন থেকেই। মাথার ভেতরে কিছু একটা ঢুকলে ওটার সমাধান হওয়ার আগ পর্যন্ত মনে স্বস্তি পাইনা। তাই মনের শান্তির জন্য ছুটে গিয়েছিলাম বারোবাজারে। মিথঃ কথিত আছে বারোবাজার নামকরণ পীর খান জাহান আলীর [ বিস্তারিত ]

মাস্তানের কবলে একদিন

কামাল উদ্দিন ২২ মে ২০২০, শুক্রবার, ০৮:৫১:০৬অপরাহ্ন ভ্রমণ ২৬ মন্তব্য
একপাশে সু-উচ্চ পাহাড় শ্রেণী, অন্য পাশেও বিশাল গাছে গাছে পরিপূর্ণ এলাকা। মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে দুইটি সমান্তরাল রেলপথ। দূরে পাহাড়ের ঢালুতে ছাড়ানো ছিটানো কয়েকটি আধিবাসি কুড়ে দেখা যাচ্ছে, পাহাড়ের উপারে অস্তমিত সূর্যের আলোকচ্ছটার কিছু ভাঙ্গা অংশ কয়েকটি গাছের মাথায় শোভা পাচ্ছে। পাখিদের কিচির মিচির বাদ দিলে একেবারেই শুনশান। একটা রেল স্টেশন এতো শুনশান হয় কি [ বিস্তারিত ]

ভিক্টোরিয়া দর্শন

কামাল উদ্দিন ২০ মে ২০২০, বুধবার, ০৮:০১:০৫অপরাহ্ন ভ্রমণ ২৯ মন্তব্য
কলকাতায় প্রথম গিয়েছিলাম ১৯৮৭ সালে। তখন পাসপোর্ট ভিসা যেমন ছিলনা তেমনি ছিলনা আমার ক্যামেরাও। ভিক্টোরিয়ার সাথে সেই ১৯৮৭ সালেই আমার পরিচয় হয়েছিল, কিন্তু ছবি তোলা হয়নি। পরিচয়ের পর দীর্ঘ ৩১ বছরে আরো অনেক বারই কলকাতা চষে বেড়িয়েছি। কিন্তু ভিক্টোরিয়ার সাথে আবার দেখা হলো ৩১ বছর পর ২০১৮ সালে। এবার কিন্তু পাসপোর্ট, ভিসা ক্যামেরা কোন কিছুরই [ বিস্তারিত ]

মেঘের দেশ সাজেক

কামাল উদ্দিন ১৮ মে ২০২০, সোমবার, ০৩:০১:৫৩অপরাহ্ন ভ্রমণ ২১ মন্তব্য
সাজেক ভ্যালি বলতে রুইলুই ও কংলাক এই দুইটি আদিবাসি গ্রামকেই বুঝায়। মূলত সাজেক রাঙামাটি জেলার একেবারে উত্তরে বাঘাইছড়ি উপজেলার একটা ইউনিয়ন। রাঙামাটি জেলায় হলেও সাজেক যেতে হয় খাগড়াছড়ি থেকে। আর রাঙামাটি থেকে সাজেক যেতে হলে কাপ্তাই লেক পাড়ি দিয়া খাগড়াছড়ি জেলা হয়েই ওখানে যেতে হয়। সাজেকের উচ্চতা ১৫০০ ফুটের মতো। এই গ্রাম দুটিতে লুসাই,পাংখোয়া এবং [ বিস্তারিত ]
একদিন বিকেল বেলা কয়েক বন্ধু মিলে রেল লাইনে হেটেছিলাম, আশেপাশের চমৎকার পরিবেশ ও গ্রাম্য প্রকৃতি আমাকে পাগল করেছিল, তারপর আরো কিছু পাগলের সাথে শলা-পরামর্শ করে বেড়িয়ে পড়ি রেল লাইনে হেটে হেটে গ্রাম বাংলাকে দেখার জন্য। এবং সিদ্ধান্ত নেই ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেল লাইন ধরে হাটবো। এটাই ছিলো আমাদের রেল লাইন পরিকল্পনা, ইতিমধ্যেই আমরা চট্টগ্রাম [ বিস্তারিত ]
বাঙ্গির মাঠে যাওয়ার ইচ্ছেটা অনেক দিনের কিন্তু সময় সুযোগ করে যাওয়া হয়ে উঠছোলো না। খবর নিয়ে জানতে পারলাম আমার জেলা নরসিংদীতেই বাঙ্গির চাষ হয়। যেতে হবে রায়পুরা উপজেলার চর এলাকার মধ্য নগর গ্রামে। যখন গেলাম ততোদিনে দেরী হয়ে গেছে । তবু যেটুকু দেখলাম, যেটুকু ছবি তুললাম, তা আপনাদের সামনে উপস্থিত করার চেষ্টা করলাম আজকের ছবিব্লগের [ বিস্তারিত ]

ডিম পাথর ঝিরি

কামাল উদ্দিন ১৩ মে ২০২০, বুধবার, ০৭:৩৪:১৫অপরাহ্ন ভ্রমণ ২২ মন্তব্য
নামটা শুনে অনেকেরই খটকা লাগতে পারে। বান্দরবানের থানচি গেলে ওখান থেকে সাধারণত আমরা সাঙ্গু নদী ধরে চলে যাই রেমাক্রির দিকে। কিন্তু থানচির নৌকা ঘাটা থেকে বাম পাশের বিজিবি ক্যাম্প পার হলেই ছোট্ট একটা ঝিরি পথ, উল্টো দিক থেকে স্রোতের বেগে পানি এসে মিশছে সাঙ্গু নদীতে। এই ঝিরি পথ ধরে কিছুদূর ট্রলারে যাওয়া যায়, পরে আরো [ বিস্তারিত ]

রঙিন পাহাড়ের দেশে

কামাল উদ্দিন ১০ মে ২০২০, রবিবার, ০৬:২৯:৩০অপরাহ্ন ভ্রমণ ২৬ মন্তব্য
নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদ থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে কুল্লাগড়া ইউনিয়নের আড়াপাড়া ও মাইজপাড়া মৌজায় বিজয়পুরের সাদা মাটি অবস্থিত। বাংলাদেশের মধ্যে প্রকৃতির সম্পদ হিসেবে সাদা মাটির অন্যতম বৃহৎ খনিজ অঞ্চল এটি। ছোট বড় টিলা-পাহাড় ও সমতল ভূমি জুড়ে প্রায় ১৫.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ৬০০ মিটার প্রস্থ এই খনিজ অঞ্চল। খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী [ বিস্তারিত ]
টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নীল সমুদ্রের বুকে বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ দ্বীপ সেন্টমার্টিন। সেন্টমার্টিনের সর্ব দক্ষিণ বিন্দু তথা বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ বিন্দুর নামই ছেড়াদিয়া দ্বীপ বা ছেড়া দ্বীপ নামে পরিচিত। দক্ষিণ দিকে এর পরে বাংলাদেশের আর কোনো ভূখণ্ড নেই। সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে ৫ কি: মিটার দক্ষিণে এ [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য