মূল লেখায় যান

একদিনের ভ্রমণ আর কিছু ছবি – ৩

কামাল উদ্দিনছবিব্লগ১৭টি মন্তব্য

ঘোরাফেরার নেশাটা আমার অনেক পুরোনো। সুযোগ পেলেই বনে বাদাড়ে ঘুরে বেড়াই, পাখি দেখি, ফুল দেখি, আর মাঝে মাঝে ছবি তোলার চেষ্টা করি। ইচ্ছে করে পাহাড়ে হেলান দিয়ে নীল আকাশ দেখি, ইচ্ছে করে ঘাস ফুলদের সাথে চুপি চুপি কথা বলি, ইচ্ছে করে সাগর, নদী খাল-বিলে সাতার কাটি রাজহংসের মতো। ইচ্ছে করে ঝুম বৃষ্টির আলিঙ্গনে মনের ভেতর সজীবতার সৃজন করি। ইচ্ছে করে বাংলার প্রতিটি ইঞ্চি মাটির সুবাস নেই।

ইচ্ছেগুলো কতটা সফল হবে জানিনা, তবে সংসারের যাতাকল থেকে সুযোগ পেলেই আমি হারিয়ে যাই আমার ইচ্ছে ভুবনে। সেই সাথে আমার দেখা সৌন্দর্যকে ধরে রাখার জন্য তুলে রাখি অঢেল ছবি, আর সেই ছবিগুলো নিয়েই আমার “একদিনের ভ্রমণ আর কিছু ছবি” নামক সিরিজটা শুরু করলাম।

(নরসিংদীর শিবপুর, বেলাবো থানাও কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের কিছু অংশে ঘোরাঘুরির ছবি নিয়া আজকের পোষ্ট।)


(২) নরসিংদীর শিবপুরের আশ্রাফপুরে নাকি গায়েবী জামে মসজিদ আছে সেটা দেখতে গিয়ে মসজিদের গেইটে এই লেখাটা পেলাম।


(৩) এটাকে কেন গায়েবী মসজিদ বলা হয়েছে জানা হলো না।


(৪) আশ্রাফপুর গ্রামের একটা সোনালী ধান ক্ষেত।


(৫) একটা বিশাল দীঘি।


(৬/৭) দীঘির মাছের পাহাড়াদার পানকৌড়ি পাখি।


(৮) এগুলো সব ধর্ম জাল।


(৯) দুটো চিলের উড়াউড়ি প্রতিযোগিতা।


(১০/১১) এটা ফরিদপুরের মাজার, না আটরশি না। কুলিয়ারচরের ফরিদপুর ইউনিয়নে যার অবস্থান।


(১২) এসব মাজারে সময় কাটানোর জন্য এগুলো কিনতে হয়।


(১৩) মাজারগুলোর এমন সুযোগ সুবিধাগুলো কিন্তু বেশ। ইচ্ছে করলেই আপনি এখানে রান্নাবান্না করে খেতে পারেন।


(১৪) মা ও শিশু।


(১৫/১৬) আমরা বাড়ি থেকে রান্না করা খাবার নিয়ে গিয়েছিলাম, একটা ফাঁকা জায়গা দেখে সেসব গলাধঃকরণ করে ফেলি 🙂


(১৭) পাশেই ছিল এমন ছোট পানার বিশাল বন।


(১৮) আর মাঝে মাঝেই এমন উঁকিঝুঁকি মারছিলো ছোট পানার ফুলেরা।


(১৯) কচুরি পানার ফুলেরা তো সর্বদাই বিরাজমান।


(২০) সুর্য্যি মামা ডুবতে বসেছে, এবার ঘরে ফিরতে হবে।

মোট পড়েছেনঃ ১৪০০জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৭টি মন্তব্য

  1. ইস কতদিন পর ছবি দেখতে পেলাম। ৪,৫ আর ৯ নং ছবিটা অনেক অনেক বেশি সুন্দর। দারুন মুহুর্ত ক্যামেরায় বন্দি করেছেন। অফুরন্ত শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আর আরো বেশি বেশি ঘোরাঘুরি করে আমাদের জন্য এমন চমৎকার ছবি ব্লগ উপহার দিবেন

  2. কচুরিপানার ফুল দেখলাম বহুদিন পর। অনেক আগে এই ফুলগুলো সরাসরি দেখতে পেতাম, এখন ডোবা নালা থাকলেও এই ফুলের দেখা পাওয়া যায় না।

    ছবির কথা –
    গায়েবী মসজিদ/ মাজারের কথা প্রায়ই শোনা যায়, দেখাও যায়। ভেবে অবাক হই এইসব জনশ্রুত গায়েবী স্থাপত্য গুলোর সাথে বাস্তবিক ভাবে নির্মিত স্থাপনার মাঝে কোনো পার্থক্য থাকে না কেন! গায়েবী মানেতো অলৌকিক ব্যাপার স্যাপার হওয়ার কথা 🤔🤔
    ৬ নং ছবি টা বেস্ট 🙂
    ১৩ নং – নিজের মতো করে রান্নাবান্নার সুযোগ কি সব মাজারেই আছে? নাকি নির্দিষ্ট কিছু মাজারে এই সুবিধা দেয়া হয়? আমি কয়েকটি মাজার ঘুরে দেখেছি, কিন্তু এমন ব্যবস্থা কোথাও পাইনি।

    সিরিজ চলুক, শুভ কামনা রইলো কামাল ভাই 🌹🌹

    1. কচুরী পানার ফুলে সত্যিই একটা অন্য রকম সৌন্দর্য্য থাকে, ওটা দেখলে মনটা ভালো হয়ে যায়। বিশ্লেষণী মন্তব্য করে উৎসাহিত করার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা আপু।

  3. অনেক দিন পরে হলেও আপনার ছবি দেখে ভাল লাগলো।
    তবে কেন যেন মনে হচ্ছে(ভুল হতে পারে) এবারে ছবি তোলায় আপনার মন ছিল না।
    পাহারাদার পানকৌড়ি কথাটি সুন্দর হয়েছে।
    ভাল থাকবেন, একটু উঁকিঝুঁকি দেবেন।

    1. গায়েবি বললে মানুষকে আকর্ষণ করা যায়, তাছাড়া ধর্মীয় বিষয়ে ভয়ে লোকজন সঠিক কথাটাও বলতে চায় না। এটা নিয়ে অনেকে ব্যবসা চালিয়ে যায়…….শুভ কামনা জানবেন আপু।

  4. ভ্রমন পিপাসু ও প্রকৃতি কে সাথে করে বন্দী করে নেয়া , যার সুবাদে আমরা সুন্দর চোখ জুড়ানো ছবি গুলো দেখে স্বস্তি পাই।প্রকৃতির কাছে যাওয়া হয়না।কিন্তু যেতে ইচ্ছে হয় শতভাগ। কিছু মানুষ ধর্মের নামে আড়ালে ব্যবসা করে।এই গায়েবী মসজিদ তার বাইরে নয়।তারা সঠিক নিয়ম না মেনে অনিয়ম কেই নিয়ম বানিয়ে চালিয়ে দেয়। শুভ কামনা রইলো।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।