মূল লেখায় যান

শেষ ট্রেনের যাত্রী

মাছুম হাবিবীগল্প২টি মন্তব্য

পর্ব ১: স্টেশনের ছায়া রাত দশটা বেজে পঁচিশ। ঢাকার কমলাপুর স্টেশন প্রায় ফাঁকা। একটা মাত্র ট্রেন ছাড়বে শেষ ট্রেন, চট্টগ্রামগামী। হালকা বৃষ্টি পড়ছে, প্ল্যাটফর্মে একটা অদ্ভুত নিস্তব্ধতা। রাহাত, একজন গোয়েন্দা, ট্রেনটায় উঠলেন। তার হাতে একটা পুরনো ছবি। একজন মধ্যবয়সী লোক, চোখে পুরু চশমা, গালভর্তি দাড়ি। লোকটার নাম সালেহ চৌধুরী। ১৫ বছর আগে নিখোঁজ হয়েছিলেন। সবাই… [বিস্তারিত]

কষ্ট মিশে শূন্যে- ( পর্ব-৪)

স্বপ্ন নীলাগল্প৩টি মন্তব্য

বৃহষ্পতিবার আসলেই মন বলতে থাকে আজ নাইটেই ঢাকা যেতে হবে। নীলা আর তার এক নারী কলিগ আছমা একসাথে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। আগেও নীলা প্রতি সপ্তাহে ঢাকা যেত, কিন্তু ইদানিং একটা টান অনুভব করে- এযে বিনে সুতার টান। মনের ভিতর পরাণ পুরে। খুব পরাণ পুরে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ে ও কর্ম জীবনে কয়েকটি ছেলেই ওকে প্রপোজ… [বিস্তারিত]

কষ্ট মিশে শুন্যে- ( পর্ব-৩)

স্বপ্ন নীলাগল্প৪টি মন্তব্য

রেশমাকে ইমারজেন্সেী ইউনিটে ভর্তি করানো হয়েছে। ডাক্তার রেশমাকে দেখছে। ভিতরে শুধুমাত্র রাহাতের বড় বোন আছে। আর সবাই বাইরে অপেক্ষা করছে।গভীর উৎকণ্ঠা নিয়ে রাহাতের বাবা বার বার জানতে চাইছে যে ডাক্তার কি বলছে ? একটু পরে ডাক্তার জানালো যে রেশমা আর নেই। বাক্যটা শোনার সাথে সাথে রাহাতের মনে হলো পৃথিবীটা যেন দুলছে। রাহাত আর দাঁড়াতে পারছে… [বিস্তারিত]

কষ্ট মিশে শূন্যে- ( পর্ব-২)

স্বপ্ন নীলাগল্প৪টি মন্তব্য

কুয়াশা একটু একটু করে ধোয়াসা হতে শুরু করেছে। গাছপালা ঘন কুয়াশা ঝেরে সূর্যের আদুরে তাপ মাখতে ব্যস্ত সময় পার করছে। যুবক মীরপুর এক নম্বরে একটি বাসায় একজন ছাত্র পড়ায়ে আড়ংএর সামনে এসে দাঁড়ায়। সে লাইটার দিয়ে একটি সিগারেট ধরায়। বাম হাতটা জ্যাকেটের পকেটে ঢুকিয়ে আয়েসী ভঙ্গিমায় সিগারেটে টান দেয়। কুন্ডলী পাকানো ধোয়া ছুড়ে দেয় শূন্যে-।… [বিস্তারিত]

কষ্ট মিশে শূন্যে- ( পর্ব-১)

স্বপ্ন নীলাগল্প৫টি মন্তব্য

চারিদিকে ঘন কুয়াশারা একজোট হয়ে দেয়াল তৈরি করে রেখেছে। এক হাত দূরে কি আছে তা কষ্ট করে দেখতে হয়। কুয়াশা, হিমেল হাওয়া আর ঠান্ডা সব যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে। এমনই এক কঠিনতম সময়ে একজন সুদর্শন যুবক ধীরলয়ে হাতে হাত ঘষতে ঘষতে চায়ের টং ঘরের দিকে এগিয়ে আসে। যুবকের ব্যাক ব্রাশ করা চুলগুলোতেও যেন কুয়াশারা… [বিস্তারিত]

প্রবঞ্চনার তীর্থ

খাদিজাতুল কুবরাগল্প২টি মন্তব্য

-হ্যালো! -মাধবীলতা! কেমন আছ তুমি? -এইত চলে যাচ্ছে। তা তুমি হঠাৎ কি মনে করে,পথ ভুল করে নয়ত! তারপর বল, কেমন আছ? -আমারও চলছে টেনেটুনে। প্রজেক্টের কাজ শেষ হল। আবার পুরোদমে অনলাইন ক্লাস নিব। -মাধবী! -হুম বলো -আমি লেখায় ফিরতে চাই! -অবশ্যই। কবিতা লিখে আমাকে পাঠিও। -কেউ যদি আমাকে জাগিয়ে তুলত, তাহলে ফেরাটা সহজ হত। _কি… [বিস্তারিত]

ভালোবাসা দিবস

রোকসানা খন্দকার রুকুগল্প৫টি মন্তব্য

আজ ভালোবাসা দিবস। ফাতিমা নামের ছোট্ট মেয়েটি খুব কাঁদছে কারন তার মা কাঁদছে। মায়ের কান্নার কারন হলো ফাতিমার বাবার চাকরী চলে গেছে। ফাতিমার বাবা এককোনে ঘাপটি মেরে বসে আছে। আজ বউকে একটা বসন্তের শাড়ি কিনে দেবে বলেছিল। সেই শাড়িতে বউসহ ধরলার পাড়ে গিয়ে নির্জনতা খুঁজে বসে বলবে- বউ তোমাকে আজ ভীষন সুন্দর লাগছে ; একটা… [বিস্তারিত]

সারপ্রাইজ

আতা স্বপনগল্প৪টি মন্তব্য

এক. ফুলের দোকানটার পাশে দাড়িযে আছে সে। আবু তালহা আদনান। বয়স ২৫কি ২৬ হবে। অনেক্ষন হলো দাড়িয়ে আছে। দোকানির দেখা নাই। কোথায় যে গেল ?বিশেষ একটি দিনে বিশেষ কিছু করতে হবে। আগামী কাল বছরের প্রথম দিন প্রথম বিবাহ বার্ষিকী।এই দিনে ফারজানা এসেছিল তার জীবনে। দিনটিকে কিভাবে স্মরনীয় করে রাখা যায়? ভেবে ভেবে ফুলের দোকনটার সামনে… [বিস্তারিত]

মায়া

রোকসানা খন্দকার রুকুগল্প৪টি মন্তব্য

আজ তিনদিন পর রান্নাঘরে ঢুকেছি। ছোট্ট বিলালু (রোদ বিড়াল ছানাকে বিলালু ডাকে) পা ঘেঁষে পেছন পেছন ঘুরছে। সাত সকালেই তার ক্ষিধে পেয়েছে। ইচ্ছে করছে ঝটকা মেরে পা দিয়ে সরিয়ে দেই। কিম্তু পারছি না। ক'মাস আগে কে বা কারা বিলালুকে এক পা ভাঙা অবস্থায় ফেলে রেখে গেছে। পোষা কোয়েলটি তার খোঁপে ডিম দিতে গিয়ে বিকট চিৎকারে… [বিস্তারিত]

একফোঁটা নীরদের অপেক্ষা

খাদিজাতুল কুবরাগল্প৬টি মন্তব্য

অপেক্ষা ও আজকাল ক্লান্ত! হ্যাঁ একদম তাই। আমি শুধু অভ্যস্ত হওয়ার চেষ্টায় নিরন্তর হেঁটে চলছি। কখনো সখনো হয়ত অনিমেষের নম্বর বেজে উঠে ফোন স্ক্রিনে, বুকের ভেতর দ্রিম দ্রিম শব্দ স্থির হওয়ার আগেই কথোপকথন শেষ! এটাকে ঠিক কথোপকথন বলা যায়না। হ্যালো বলতে বলতেই সে ব্যস্ত ত্রস্ত হয়ে জানতে চায়, __এই কি অবস্থা তোমার? কেমন আছ? আমি… [বিস্তারিত]

ফ্রেম ( দ্বিতীয় পর্ব)

খাদিজাতুল কুবরাগল্প৩টি মন্তব্য

পরের দিনের সূর্যোদয় ছিল একেবারে নতুন। আলোকচ্ছটা হারানো এক গ্রহণ লাগা সূর্য যেন ঋতুকে তিরস্কার করতে আকাশ ফুঁড়ে বেরিয়ে এসেছে। মা, ভাই -বোন সবাইকে আজ বড় অচেনা লাগছে। বাড়ি ঘর, পুকুর পাড়, গাছপালা সব যেন আজ বড্ড পর। সবাই কেমন ব্যঙ্গ দৃষ্টিতে যেন চেয়ে দেখছে ঋতুকে। সে যে অপরাধী। নিজের জন্য একফোঁটা বন্ধুত্বের খোঁজ করেছে… [বিস্তারিত]

ফ্রেম

খাদিজাতুল কুবরাগল্প১টি মন্তব্য

ঋতু ঘুরেফিরে দেখছে সেলফটা। খুব সুন্দর লাগছে!হরেক রঙের মলাটে সজ্জিত বইগুলো আপন ঠিকানায় সংসার পেতেছে! ঋতুর চোখে মুগ্ধতা! নতুন বৌ লালপেড়ে বাসন্তী শাড়ির সাথে সোনার গয়না পরলে যেমন সুন্দর লাগে তেমন। বুকসেলফটা অনলাইনে অর্ডার করেছে অব্দি এ মুহুর্তটার জন্য তর সইছিলোনা। কত অপেক্ষার পর এই প্রাপ্তি! সেই স্টুডেন্ট লাইফের স্বপ্ন ছিল, কোনো একদিন একান্ত নিজের… [বিস্তারিত]

তোর মতো একটা বন্ধু চাই- পর্ব ৪

রোকসানা খন্দকার রুকুগল্প১১টি মন্তব্য

দুরত্ব যে কোন সম্পর্ক না টেকার একটা বড় ইস্যু। আর অন্য ইস্যু হলো সম্পর্কের যত্ন না নেওয়া বা গুরত্ব না দেওয়া। পুস্পিতার বেলায়ও তাই, আমার জন্য তার দুরত্ব বিস্তর এবং গুরুত্ব একদমই নেই। যদি থাকতো তাহলে সেদিন কফি শপে অপমান করার পর আমাকে ফোন দিয়ে সরি বলতো। তবুও আমি দিনে বেশ কবার ফোনের দিকে তাকাই।… [বিস্তারিত]

হাতের রেখায়-পর্ব ২

রেজওয়ানা কবিরগল্প৬টি মন্তব্য

এই ছেলে এত সিগারেট খাচ্ছেন কেন? আজ না আমাদের ফুলশয্যা আসুন ! আমরা কতদিন এই রাতটার জন্য অপেক্ষা করেছি,ভুলে গেছেন ? শুনতে পাচ্ছেন কত সুন্দর গান বাঁজছে আহা! এই রাত তোমার আমার,,, এই চাঁদ তোমার আমার শুধু দুজনার,,, দারুন! বাইরে কি সুন্দর জোস্না! জোস্নার এই আলোতে তোমায় দেখতে রক্তিম সূর্যের মত লাগছে। মনে হচ্ছে একেবারে… [বিস্তারিত]

হাতের রেখায়-পর্ব ১

রেজওয়ানা কবিরগল্প৬টি মন্তব্য

বাটার দিয়ে পাউরুটি আর এক কাপ ঘন গাঢ় লিকারের দুধ চা দিয়েই শুরু হয় নিধির এক একটা সকাল। প্রতিদিনের মত আজও সকালে নিধির চায়ে চুমুক দেয়া মাত্রই কলিংবেলের আওয়াজে দঁড়জা খুলতে নিধি উঠে গেল। ইক্সকিউজ মি ! এটা কি নিধি সরকারের বাসা? নিধিঃ জ্বি,আমি নিধি সরকার বলুন। কুরিয়ার থেকে আপনার নামে একটা চিঠি এসেছে। নিধিঃ… [বিস্তারিত]