বিভাগ: গল্প

একটি প্রতারণার গল্প

নীরা সাদীয়া ১৪ জুন ২০২০, রবিবার, ০৮:৫৩:৩০পূর্বাহ্ন গল্প ১০ মন্তব্য
ইরা : জালাল, কেমন আছো? জালাল : (থতমত হয়ে) জ্বী ম্যাডাম, ভালো।   জালাল আর ইরার চোখের দিকে তাকাতে পারলো না। মাথা নীচু করে রইলো।   ইরা অরণ্যের স্ত্রী। অরণ্য এই অফিসের বস। জালাল হলো দারোয়ান। দারোয়ানের চাকরি ব্যতীত জালালের একটি ব্যবসাও আছে। ইরা আজ দ্বিতীয়বার অরণ্যের অফিস ঘুরে দেখতে এসেছে। এসেই জালালের সাথে দেখা। [ বিস্তারিত ]
দিনের পর দিন জমিদারবাড়িতে ভূতের রহস্য বেড়ে চলছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ ভূতের দেখা পায়নি। যদিও প্লানচেটে ভূতের অশরীর আত্মার আহ্বান করা হয়েছে। এমন আহ্বানে ভূতের আত্মা আসে কিন্তু আপাদমস্তক নিয়ে ভূত আসেনা। পুরনো বাগানবাড়ির রক্ষীপ্রাচীর ভেঙ্গে পড়েছে। একমাত্র ঠিকে আছে ঐতিহ্যবাহী সিন্দুক। সিন্দুকের ভেতর অনেক পুরনো পুরনো বইপত্র। বইগুলোতে ভূতপ্রেতের আবাহনী তন্ত্রমন্ত্র আছে। এছাড়া [ বিস্তারিত ]
সপ্তাহের ব্যবধানে প্রদীপের বাপি শারীরিকভাবে বেশ অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠলেন যদিও মানসিকভাবে ততটা নয়।ছেলেকে ঘিরে উনার মানসিক যাতনা যেন বিষাক্ত পোকার মত খুরেখুরে খাচ্ছিল মনটাকে।ছেলেটাকে সুপথে ফেরানোর আশাবাদিতার ব্যাপারে উনি ছিলেন অনেকাংশেই সন্ধিহান।অন্যদিকে বাপির স্বাস্থ্যের দৃশ্যমান উন্নতিতে প্রদীপ বাড়ি ছেড়ে ফের শহরে যেতে মনঃস্থির করল।প্রতিবারই যাবার প্রাক্কালে চলন পড়নের খরচার জন্য তাকে প্রয়োজনেরও বেশি টাকা [ বিস্তারিত ]
অন্যান্য গ্রামের চেয়ে আনন্দপুরে সন্ধ্যা হয় খুব একটা দেরিতে। আকাশ গোধূলিতে পরিপূর্ণ। মুখে কালো দাঁড়ি,চোখে কালো রঙের চশমা আর মাথায় লালরঙের টুপি। দেখে মনে হচ্ছে লোকটি পুলিশে চাকরি করে। বয়স প্রায় পঁচিশ ত্রিশ এর কাছাকাছি। কাকতালীয়া ভাবসাব দেখে বিনু মনেমনে ভাবছে লোকটির ভেতর রহস্য আছে। লোকটিকে জমিদার হরিবাবুর বাগানবাড়িতে থাকার জায়গা দেওয়া হয়েছে। চারদিনের জন্য [ বিস্তারিত ]
তার পর থেকে ঘনিয়ে এলো মামার জীবনে অমাবস্যা।  কিন্তু এই অন্ধকার অমাবস্যার আগে ঘটতে থাকলো একটার পর একটা হাস্যকর ঘটনা। মামা অদ্ভুত সব আচরণ করতে শুরু করলেন। ছোট মানুষের মতো ছেলেমানুষি করতে শুরু করলেন। আস্তে আস্তে যেন মানসিক রোগীতে পরিণত হচ্ছেন তিনি। একদিন সন্ধ্যার কিছু পরে বের হলেন বাড়ি থেকে। বাড়ির সামনে বাঁশঝাড় আছে। ইদানিং [ বিস্তারিত ]
প্রদীপ দূর্গো পূজোর ছুটিতে বাড়িতে গেল কিছুদিনের জন্য।তার বাপি ছিলেন তাদের গ্রামের সবার পরিচিত হোমিওপ্যাথি ডাক্তার।লোকমুখে “ডাক্তার বাবু,ডাক্তার বাবু” ডাকেই তিনি সুপরিচিত।প্রদীপ রাতে খাবার টেবিলে খেতে বসে তার বাবুকে নানান বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে লাগল কৌতূহলবশত।জিজ্ঞাসাতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছিল নিম্নোক্ত প্রশ্নাবলী- উনি যখন টগবগে যুবক ছিলেন,তখন যৌবনে জীবনকে কিভাবে দেখেছেন?রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস তিনি কিভাবে কাটিয়েছিলেন?একটি ক্ষুধা,দারিদ্র্য [ বিস্তারিত ]

ও কার বোন চিনিস তো? //

বন্যা লিপি ৭ জুন ২০২০, রবিবার, ০৮:০৮:৪১অপরাহ্ন গল্প ২২ মন্তব্য
সক্কাল সক্কাল মেজাজটা বিগড়ে বকর বকর করেই যাচ্ছে মা। সবজিগুলো চটের থলে থেকে বেসিনের পাশে রাখতে রাখতে দীপার সাথে গরম গরম বাক্যব্যায়ে ব্যস্ত হাত চালাচ্ছে। দীপা ও মধ্যম গলায় জবাব দিয়ে যাচ্ছে আর মায়ের কাজে হাত লাগাচ্ছে। : দীপা : ও সুতপা দি! এসো না, বসো! : নারে, কাল যে আচার দিয়েছিলি! বাটি টা দিতে [ বিস্তারিত ]
অর্ধ খোলা জানালার পথ জেনে আসা রৌদ্রজ্বল আলো প্রদীপের গায়ে মেখে ঘুম ভাঙিয়ে দিল।নীলয় ছাড়াও আরো দু’জন তখনো তার কক্ষে এলেমেলো অবস্থায় শুয়ে রয়েছিল।সুনীল ততক্ষণে তার বাসায় চলে গেছে বলেই তার অনুমান হল।এমন অনভ্যস্ত জীবনাচরণে কি করবে বুঝে উঠতে পারছিল না।তবে এতটুকু শুধু বুঝতে পারল যে এমন খামখেয়ালি,ঢং,পাগলামির সঙ্গে সঙ্গী হয়েই বাকি অনেকটা পথ পাড়ি [ বিস্তারিত ]
জমিদারবাবু সর্বদা শৌখিন লোক। মস্তিষ্ক ভরা তাঁর কুটকৌশলে। তদ্রূপ বাড়ির কালো বিড়ালটাও ধূর্ত ও ফিজিক্যালি। আকাশ কুয়াশায় আচ্ছন্ন। রাঘব অনিবার্ণ প্রদীপ জ্বালিয়ে বসে আছে আজ ভূত ধরে ছাড়বেই। কত প্ল্যানিং, প্লানিং করেও বিড়াল ধরা যাচ্ছেনা আর ভূত ধরা তো দূরের কথা। কালো বিড়াল লুকিয়ে আছে একটা বটগাছের মগডালে। তাকে তো খুঁজেই পাচ্ছে না কেউ। রাঘব [ বিস্তারিত ]
সুনীল আনন্দের হাসি চেপে রাখতে পারল না প্রদীপের নতুন বোর্ডিং এ উঠার বিষয়ে তড়িৎ সিদ্ধান্ত নিতে দেখে।প্রদীপকে ফেরার পথে এগিয়ে দিচ্ছিল সুনীল।প্রদীপের মনের কোনে পলকে সুনীল স্থায়ী আসন করে নিল।প্রদীপের জিজ্ঞাসু মনের অসংখ্য জিজ্ঞাসার প্রতিত্তোরে সুনীল বলছিল যে ছাত্র রাজনীতির হাতেখড়ি নিয়েছিল বিশিষ্ট কবি,ছোট গল্পকার কামরুজ্জামান ভাইয়ের নিকট থেকে।বেশ রসবোধ সম্পন্ন একজন মানুষ কামরুজ্জামান ভাই।উনার [ বিস্তারিত ]
রাতভর ঘুম হয়নি প্রদীপের।বিছানায় এপাশ ওপাশ করতে করতেই অস্বস্তিতে রাতটা কোনরকম কাটল তার।বড় বাজারের বড় মাছের আড়তের পশ্চিম দিকে কলোনি বলে লোকমুখে প্রচলিত এক পাড়ায় বিশ্রী পরিবেশে থাকতে হত প্রদীপকে।জেলা ওই শহরে নিকটাত্মীয় না থাকায় তাকে বেশ বেকায়দায় পড়তে হয়েছিল একমোডেশন(থাকা-খাওয়া)সংক্রান্ত বিষয়ে।নিরুপায় হয়ে মন্দের ভাল সিদ্ধান্তে ওই জায়গাটাতেই উঠতে হয়েছিল।ভীষণ বইপড়ুয়া প্রদীপের ওই গিঞ্জি পরিবেশে [ বিস্তারিত ]

মীরার কথা-১

নীরা সাদীয়া ৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার, ০৯:৫২:৪৭অপরাহ্ন গল্প ২৪ মন্তব্য
অনেক দিনের লালিত স্বপ্ন মীরার কথা লিখব। কিন্তু কিভাবে লিখব, কি লিখব গুছিয়ে উঠতে পারছিলাম না। আজ ভাবলাম, যেমনই হোক, তা লিখেই ফেলি। মীরার গ্রামের বাড়ি পলাশডাঙা। সেখানে ছায়াঘেরা ঘন সবুজ প্রকৃতির নিবিড় পরিবেশে বেড়ে উঠেছিল মীরা। বয়স চার কি পাঁচ। বাড়িতে মা, চাচী, চাচাতো ভাই, বোন সহ অনেক মানুষ। সবার আগ্রহের কেন্দ্র বিন্দু ছিলো [ বিস্তারিত ]

ক্রাইম রিপোর্টার শান্তা : পর্ব ৩ ও শেষ

আরজু মুক্তা ৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার, ০১:০৭:৩৪পূর্বাহ্ন গল্প ১৮ মন্তব্য
কালাম দরজা খোল। না, আপা। নিজের জীবন তো নিজেই শেষ করছি। তারপরেও চাইনা, আপনার রিপোর্টের কারণে আমার বাচ্চা দুটার জীবন নষ্ট হোক। কথা দিচ্ছি,  আমি তোমার ছবি ছাপাবো না। না, আপা! আপনি নামও দিতে পারবেন না। ঠিক আছে। আপা, কীভাবে এই পেশায় আসলাম সেটার থেকে বড় কথা হলো, কখনো ছেলেমেয়েকে বাস স্ট্যান্ড, রেলস্টেশন, চায়ের দোকান [ বিস্তারিত ]

এক মুঠো ভালোবাসা (শেষ পর্ব)

ইঞ্জা ২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, ০২:০৫:৪২অপরাহ্ন গল্প ২৭ মন্তব্য
এরপর কি হলো মম? এরপর ছায়ার পেটে তুই যতই বড় হচ্ছিলি ততই ছায়ার মেজাজ খিটখিটে হয়ে উঠতে লাগলো, মেজাজ উঠলে হাতের কাছে যা ছিলো তাই ছুড়ে ভেঙ্গে ফেলতো, মাঝে মাঝে একদম চুপ মেরে যেতো। ডাক্তার বলেছিলো তোর বাবাকে, তোকে নেওয়াটাই চরম ভুল ছিলো ছায়ার, কারণ ছায়ার অপারেশনের পর ও বাচ্চা নেবে তাই কল্পনা করতে পারেনি [ বিস্তারিত ]
জমিদার হরিবাবুর এক বাল্যবন্ধু নবীনবাবু তাঁর বসবাস উত্তরবঙ্গে। বয়স প্রায় আশির কাছাকাছি। ওকালতি করে সংসার চলে। বড্ড পেঁচুক মানুষ। লোকে প্যাঁচাল নবীন বলে ডাকে। কথায় কথায় প্যাঁচ ছাড়া আর কিছু বলার থাকে না তাঁর। আজ ছুটি বিধায় বাড়িতে বসে পত্রিকা পড়ছেন। পত্রিকার হেড লাইনে ভেসে উঠলো, আনন্দপুরের জমিদার হরিবাবুর বাড়ি আজ হতে ভূতবাড়ি নামে নামকরণ [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ