কিন্তু এই মোতালেব কিন্তু মোতালেব ছিলো না। মোতালেব ছিলেন বাসু কুমার দেব। এর ও একটা সামান্য ইতিহাস আছে। তার বাবা সুন্দর কুমার দেব। বাসুদেব ছোট থেকেই একরোখা কোথাও হারমানে না সে যদি তা যৌক্তিক নাও হয়তবুও সে যৌক্তিক করে তুলতে চায়। সে যা চায় তাই করে করেই ছাড়ে। এজন্য পরিবারে তার গ্রহন যোগ্যতা নেই। একটা… [বিস্তারিত]

দালান জাহান
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৭ বছর ৫ মাস ৭ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ৬৩টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ৫০৬টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৪৪৬টি
হাড় কঙ্কাল দালান জাহান এক সারাদেশে এ কি অস্থিরতা এমন কথাও কি সহ্য করা যায় ? বিশ্বাস করতেও বিশ্বাসের ভয় যে , সমিলার মা সমিলার বাবাকে বলে , রাতে /বিরাতে তুমি এইসব কাজ করতে যাইওনা। তারচেয়ে ঢেড় ভাল , মানুষের জমিতে কাজ করো , চাষ করো, কুলি মজুরের কাজ করো , তবু ও এসব কইরোনা… [বিস্তারিত]
রানুর জ্বর হয়েছে অনেক দিন হলো। ভালো হচ্ছে না। বাজার থেকে নাপা এন্টিবায়োটিক এনে খাওয়ালেও কাজ হয়নি। খুকখুক কাশে সারারাত। লোকজন বলছে করোনা হয়েছে। বাড়ি লকডাউন হয়েছে । কিন্তু সুমঙ্গল লকডাউন বোঝে না। কাছে যাওয়া যাবে না ছোঁয়া যাবে না এসব বোঝে না সে । সে বলে "এতোদিন যে মানুষটা সারাজীবন দুঃখ কষ্টের মধ্যেও কাছে… [বিস্তারিত]
জাল (প্রথম পর্ব) হাতে একটি জাল নিয়ে দিনরাত শ্মশান ঘাটে বসে থাকেন জেলে পাড়ার সুমঙ্গল । সারাদিন সে জালটা সেলাই করে খুব যত্নে। আর সন্ধ্যার পরেই কী ভেবে নিজ হাতে ছিঁড়তে থাকে জালটা। আর মাঝে মাঝে ভীর ভীর করে কথা বলে জালের সাথে। উঠোন ভর্তি জল ঘর ভর্তি মাছ। মাছরা মাথায় সাঁতার কাটছে। মিছিলে যাচ্ছে… [বিস্তারিত]
জৌলুশ ও আমেজ হারিয়ে বর্তমান সাহিত্যে স্বেচ্ছাচারিতায় ভরপুর। সাহিত্যে সমাজে এখন বীরদর্পে বিরাজ করছে এক শ্রেণীর বুর্জোয়া সাহিত্য ব্যবসায়ীরা। ক্রেস্ট বাণিজ্য পুরষ্কার বিতরণ গুণীজন সম্মাননা নামক এক ধরনের ফালতু বানিজ্য। সেখানে আবার টাকার বিনিময়ে সময় দিচ্ছেন দেশের প্রতিষ্ঠিত কবি সাহিত্যকরা। তাদের ব্যবসা ও মানসিক প্রতিবন্ধীত্বের কারণে জাতীয় পুরষ্কার নির্বাচনের ক্ষেত্রে লেজুড়বৃত্তি ও যোগ্যদের বঞ্চিত করণের… [বিস্তারিত]
বর্তমান সাহিত্য যে জিনিসটা খুব স্পষ্ট করে লক্ষণীয় হচ্ছে তা হলো তরুণ এবং অগ্রজ লেখকের দুরত্ব। ঠিক দুরত্ব নয় এটা কে বলা যায় পৃথিবী এবং অন্ধকার কোন গ্রহের দুরত্ব। যার ফলে অগ্রজদের আলো তরুণ লেখকদের উপর পড়ছে না। বর্তমান সাহিত্যের অবনতির অন্যতম কারণ হলো তরুণ লেখকদের প্রমোট না করা। এর ফলে তরুণরা ইতিমধ্যেই পথহারা দিশেহারা… [বিস্তারিত]
ভোরের আবির মেখে প্রেমের গাড়ি চলতে থাকলো। পূর্ব থেকে পশ্চিমে গড়িয়ে পড়তেই সূর্যের বয়স।মেয়েটি এমনভাবে মিশে গেলো জীবনের উপর যেভাবে মিশে যায় কাঠের সাথে পেরেক। দু'হাতে আকাশ ছোঁয়ার জন্য তারা দুজনেই স্বপ্নসম্ভবা। তাদের পেন্সিল ভর্তি আকুলতা হৃদয়ের সমস্ত দুয়ার খোলে সেলাই করে বাবুইপাখির বাসা। তাদের মিশে যাওয়ার ব্যাকুলতা বন্যার অবাধ্য জলের চেয়ে ভয়ঙ্কর। চোখের উপরেই… [বিস্তারিত]
গতো তিন দিন ধরে স্বরুপের ঘুম হচ্ছে না। ছেলেটার জন্য অনুশোচনার মতো একটা নতুন উপসর্গ যোগ হয়ছে তার জীবনে। সকালে সে দেখতে পায়, ছেলেটি তার ঘরের এক কোণায় বসে কাঁদছে স্বরূপ বিছানা ছেড়ে দ্রুত তার কাছে যায়, "সুমন তুমি কাঁদছো কেন? কী হয়েছে তোমার?" "যাও তুমি ছোঁবে না আমায়, তুমি আমাকে খুব কষ্ট দিয়েছো!" স্বরূপ… [বিস্তারিত]
সুমন বিষ খেয়েছেন সংবাদটা আসার পর তিনি একদম নীরব হয়ে গেলেন। তার অতি চঞ্চল মুখখানা মুহূর্তেই বিষাদ হয়ে গেলো। হঠাৎ নীরব হওয়া মানুষের নীরবতা অনেকটা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো। আমাদের নিজস্ব কিছু মানুষ থাকে আত্মার ভেতরে ঘুপটি মেরে বসে থাকে সময়কে ধরে রাখে এবং একই সাথে সবার আনন্দের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে বসে থাকে মাথায়। স্বরুপ… [বিস্তারিত]
সফু মিয়া গরীব কৃষক। তিন ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে তার জীবন সংসার। নিজের জমি বলতে চার রাস্তার মাথায় দশ শতাংশের একটি ডোবা আছে। সফু মিয়া পরের জমি চাষ করে ফসল ফলায়। তাতে তার ভালোই চলে। ছেলেরা গ্রামের স্কুল কলেজ পাশ করে শহরে পড়ে। এখন তাদের খরচ আর তার দিতে হয় না। মেয়েটিরও চাকরি হয়েছে… [বিস্তারিত]
রক্তফুল! রক্তফুল ফুটে আছে ধরায় পবিত্র সে নাম যখনই ফোটে রক্ত ঝরায়! রক্ত ঝরায়! এই অশ্রুগঙ্গায় আজও সেই কণ্ঠ শুনি এই রক্তগঙ্গায় আজও ধ্বনিত সে সেই সংগ্রামী শিশুর বজ্রধ্বনি। এই বুক মিশে আছে যার রক্তধারায় বাঁচার শক্তি সে মিশুক পুরুষ আজও ঝলকায় দ্যুতি ছড়ায়। যে লোহার পর্বত ভেঙে সূর্য উঠাতে জানে মুক্তির ভয়াল স্রোতে হাঁটতে… [বিস্তারিত]
সমাজ একটি প্রাগৈতিহাসিক সংগঠন। পৃথিবীর শুরু অদ্যাবধি এই সংগঠনটি আমাদের সাথে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। মানুষ পশুপাখি সহ অন্যান্য জীবজন্তুর মাঝেও এই সংগঠনটির আবশ্যিকতা দেখা যায়। অর্থাৎ এই সংগঠনটি পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠন। যে যেকোনো সময় যে কারো উপর তার নীতি নিয়ম প্রবর্তিত করতে পারেন। যেকোনো সমাজে বসবাস করি ব্যাক্তি গোষ্ঠীর প্রতিবিম্ব দেখা যায়। তাই সমাজকে অনেকেই… [বিস্তারিত]
চার +++++ এরপর নিগুঢ়ের ঘোর ভাঙে। বড়শি থেকে ছোটে যাওয়া মাছের বেঁচে থাকার আনন্দ অন্যসব মাছের আনন্দের চেয়ে অন্যরকম হয় নিশ্চয়ই। কিন্তু মৃত্যু কিভাবে মানুষকে আনন্দ দিতে পারে ? এটা ভেবে পায় না নিগুঢ় কিন্তু মুক্তি একটা উপলক্ষ চায় সবসময় এটা সে বুঝতে পারে। দুর্গন্ধ যুক্ত জায়গায় যতোই প্রলেপ লাগানো হোক তার গন্ধ ছড়াবেই, আর… [বিস্তারিত]
পর্ব তিন দুই সন্তানের জননী নিগুঢ় নাহার একসময় মুশফিকের ক্লাসমেট ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলো মধুর সম্পর্ক তখনও মুশফিক এটাকে প্রেম বলে জানতো কীনা! এ বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে নিগুঢ়ের মনে। নিগুঢ় চেয়েছিলো তার মালিকানাহীন এবং অবারিত আকাশে পাখি উড়ুক। মেঘ বাদল ঝড় বৃষ্টি ভেঙে ঘরে ফিরুক সব পাখিরা। তাই বলে কী আমি আমার আকাশ সাজাবো না।… [বিস্তারিত]
দুই কুকুর মহিলাটিকে চেপে ধরে বসলেন। অনেক রুদ্ধশ্বাস অনেক বাক যুদ্ধ। একাকী খোলা প্রান্তরে হরিণ আর বাঘের লড়াই। একে অপরের বাঁচার লড়াই। এক পর্যায়ে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হলো। শব্দ শোনে গ্রামের উৎসুক মানুষেরা যখন এগিয়ে এলেন কিন্তু তখন চেয়ারম্যানকে পাওয়া গেলো না। যদিও মহিলাটির শরীরে ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেলো। কিন্তু তাতে মহিলার বিপদ আরও বেড়ে গেলো।… [বিস্তারিত]












