এক ছোটবেলায় সে কখনও রাগ করেনি এমন কেউ বলেনি। কিন্তু তার মধ্যে অদ্ভুত আচরণ ছোট থেকেই ছিলো। এখন তার বয়স একুশ বছর। "তোর মতো ছেলে কী একটা বিধবা নষ্টা মহিলাকে বিয়ে করে ? এ-ই বয়সে মন কতো সুন্দর থাকে ছেলে-মেয়েরা আনন্দ ফূর্তিতে থাকে। অথচ তুই দুই বাচ্চার মা'কে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে এসেছিস! তোর জায়গা… [বিস্তারিত]

দালান জাহান
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৭ বছর ৫ মাস ৭ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ৬৩টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ৫০৬টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৪৪৬টি
তিন সন্তানের জননী আছিয়া বেগম। তার দুই ছেলে ঢাকায় সোয়েটার কোম্পানিতে চাকরি করেন। গত মার্চে তার ছেলেরা বাড়িতে চলে এসেছেন। দুই ছেলেকে দেখে মায়ের মন অনেক খুশি। কিন্তু এটাও প্রশ্ন করে, "দুইজন একসাথে ক্যান বাজান? চাকরি কী চইল্যা গেছে ? " ছেলেরা কথা কয়না শুধু দুই ঠোঁটের মাঝখানে একটা শব্দ উচ্চারণ করেন একজনে। এর মানে… [বিস্তারিত]
সোনেলায় দরজা খুলে ছিলাম।লিখেও ছিলাম প্রায় তিরিশ-চল্লিশটি লাইন কিন্তু একটি ছবি আপলোড দিতে গিয়ে তা হারিয়ে ফেলি। এই ধরনের কষ্টগুলো খুব বিরক্তিকর হলেও এমন কষ্টই করে যাচ্ছি এখন। জীবনটা যেন ছোট্ট বেলার মার্বেল খেলার মতো জল্লা হয়ে গেলো। যাইহোক আমি আবারও সোনেলায় ফিরে এসেছি। দীর্ঘ দিন লেখালেখি থেকে আমি দূরেই ছিলাম একেবারে যে লিখিনি তা… [বিস্তারিত]
রাত বারোটায় ফোন এসেছে "সুজানার স্বামী আত্মহত্যা করেছেন" সুজানও তখনও উপন্যাসের পাতা উল্টাচ্ছিলেন। এমনকী যখন তার মা তটস্থ হয়ে দৌড়ে এসে বললেন, "শুনেছিস সুজানা তোর স্বামী আত্মহত্যা করেছেন" সুজানার মা তখন কাঁপছিলেন গলাকাটা কবুতরের মতো, তার কপাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ছিলো ভয়ের মতো আতঙ্ক জল। প্রচণ্ড রোদে পুড়ে যাওয়া কালো মুখের চেয়ে বিষন্ন কালো হয়েছে সুজানার… [বিস্তারিত]
নদীর নীরবতার ব্যাখ্যা জানেন দীপেন মাঝি কিন্তু আমি অন্য কারণে মোহন জেলের কাছে যাই। জালের মতো ছিদ্র চাদর গায়ে জড়িয়ে মোহন আমাকে দেখায় তার ছেঁড়া-ফাঁড়া জাল। জলহীন মাছের জীবন সংসারে ঠান্ডা বালিতে ঘুমায় জমাট অন্ধকার গাঙের হাড়ভাঙা বাতাসে শুকায় মোহন ভাবীর শীতল সীসার মতো শীত। মোহন বলেন, বাফে মরার আগে কয়ছিলো "শীত আর জাল সেলাই… [বিস্তারিত]
ভর দুপুরে তৃষ্ণার্ত পথ কাঁদি কাঁদি ডাবে ডোবে গেল । চৈত্রের রোদে ঘামের নদী থেকে হেঁটে এলো বর্ষার লালচে পুঁটি। প্রণয়ের সুর ভেসে গেলো কেন্দ্রে কেন্দ্রে । কমলার কোষে জ্বলে উঠলো অস্তিত্বের আগুন । তিন দিনের মাথায় তাবু চিরস্থায়ী হলো। কেউ পেল আর কেউ হারালো । স্নেহ আর ভালোবাসার দায়ে পৃথিবী ছেড়ে গেল ঘরের সবচেয়ে… [বিস্তারিত]
হেমন্ত ছাড়া আমার কোন বড়ো ক্ষতো নেই আমি তো হেঁটে যেতে চাই সে ধান কাটা মাঠ সন্ধ্যা রাতভর আকাশের নীরব কান্না শান্ত শিশিরের জল বঙ্গ-বধূর আঁচল ভরা ক্লান্তির অনল। হেমন্ত ছাড়া আমার কোন ভালো স্মৃতি নেই আমি তো খুঁজি বিজন মাঠে সে শালিকের রাণী দীঘির মাংসে মিশে যায় কুয়াশার অন্ধ অসীম আমি বহন করি হিম… [বিস্তারিত]
এখানে কেউ আসে কেউ চলে যায় এক মহা শূন্যতা নিয়ে আজন্ম কাল সে দাঁড়িয়ে থাকে রোদ ঝড় বৃষ্টিতে মৃত্যু-মহামারী অথবা নব সৃষ্টিতে কখনও তার আস্ফালন শোনা যায় না তার নীরবতা রাতের চেয়ে ও কালো তার মহানুভবতা আলোর চেয়ে আলো তার চোখে সাক্ষী হয়েছে হোমো স্যাপিয়েন্স ক্যারোলাস লিনিয়াসের পর লাইলাক ফুলেরা। তীব্র কুয়াশার ভেতরে তার ডাকে… [বিস্তারিত]
নিঃসঙ্গতা একটি বিলুপ্ত মুখ দালান জাহান নিঃসঙ্গতা সঙ্গমের চেয়ে মুখর জলের তলে নিঃশব্দ মাছ ধরার চেয়ে প্রস্তুতিপূর্ণ তার শিকারী হাত। নিঃসঙ্গতা এক জাল জামরুল মেঘ একটি অসম্পূর্ণ শব্দের কারুকার্যে পৃথিবীতে নিঃসঙ্গতা নেমে আসে। নিঃসঙ্গতা একটি বিলুপ্ত মুখ যে বার-বার শুকায় বাতাসে প্রেস হয় লন্ড্রিতে কেবলই অনুপস্থিতির শূন্য সাক্ষর দিতে নিঃসঙ্গতা আসে নিঃসঙ্গতা যায় নিঃসঙ্গ পাখি… [বিস্তারিত]
অনেক দিন যাবত খাসির নলি খাওয়ার ইচ্ছে ছিলো ইঞ্জা ভাইয়ের। সে জন্যই রাঙামাটিতে আয়োজন হলো এই ভূরিভোজের। সোনেলা পরিবারের পক্ষ থেকে এই এই নলি খাওয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করলেন , সোনেলা পরিবারের প্রিয় মুখ ইকরাম জিসান শামসুল ভাই। আয়োজনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছেন , তৌহিদুল ইসলাম ভাই ও ছাইরাছ হেলাল ভাই। এছাড়াও আরও অনেকর নাম… [বিস্তারিত]
ফারুক সাহেব দেখতে পেলেন ম্যাডামের হাত ব্যাগটা নিচে পড়ে আছে। ব্যাগটার উপরে আঁকা দুটো সূর্যমুখী ফুল। ফুল দুটো ধীরে ধীরে দুটো মানুষে পরিণত হয়ে রকেটের বেগে এগিয়ে আসছে তার দিকে। যতোই এগিয়ে আসছে ততোই যেন তারা বড় হচ্ছে এতোই বড়ো যে ফারুক সাহেব অনুভব করছেন এ-র ব্যাস ব্যাসার্ধ পৃথিবীর চেয়ে বেশি হয়ে ঢুকে যাচ্ছে তার… [বিস্তারিত]
চাকরি যাওয়ার কথা শোনে ফারুক সাহেব ভ্যাবাচেকা খেয়ে গেলেন। শুকনো খড় যেমন বাতাসে ওড়ে যায় তেমনি ওড়ে গেলো তার স্বপ্ন। মনে মনে বললেন যা ভেবেছিলাম তাই হলো। মস্তিষ্কে এড্রিলিনের স্রোত ঘুরপাক খেতে লাগলো। তার চোখে নেমে আসলো ভয়াবহ অন্ধকার। এমন একটা অন্ধকার রাত তার সমগ্র অস্তিত্বেও সংবহন করে না। আলো এবং আলো অতিরিক্ত আলোয় যখন… [বিস্তারিত]
কবি ও চিত্রকর দালান জাহান আদিব হাসলো ভালো ছবি আঁকেন। আম আঁকতে গিয়ে কখনো এঁকে ফেলেন মানুষের মুখ। তুলি ঘষতে ঘষতে মূহুর্তেই উপহার দেন জীবন্ত আকাশ। আবার আকাশ-আকাশ আঁকতে-আকতে একে ফেলেন সমুদ্র ভূমি চাঁদ গ্রহ-তারা। আদিবের রুমমেট পির্জ পার্বেল না ইংরেজ কেউ নন, বাঙালির ইংরেজি নাম আর কি! তিনি আবার কবিতা লিখেন। এ-ই দু'জনের সম্পর্কটা… [বিস্তারিত]
দেয়ালে লেখা আছে , " এখানে প্রস্রাব করা নিষেধ , প্রস্রাব করলে দশটা জুতার বাড়ি" ফারুক সাহেব ডায়াবেটিসের রোগী। টানা দুই কিলোমিটার ঘুরে ও এমন উপযুক্ত স্থান তিনি পাননি। এদিক-ওদিক তাকিয়ে, ফারুক সাহেব কাজটা সেরে ফেললেন। একটা শীতল প্রশান্তি নেমে এলো। এ-ই মাত্র যেন সমস্ত পৃথিবীর ওজন নেমে গেলো তার শরীর থেকে। কপাল বেয়ে গড়িয়ে… [বিস্তারিত]
সন্ত্রাসীরা চুল পাকার আগেই মরে যায় এমন একটা কথার জের-ধরে গুলাগুলি হয়। ছাব্বিশটা গুলি লাগলেও বিপুল ক্রেস্টের জীবন ছিলো। মৃত্যুর আগে বিপুল ক্রেস্ট ছেলে জাহিদ ক্রেস্টকে বললেন , বাবা তোর জন্য অঢেল সম্পত্তি রেখে যাচ্ছি। তুই একটা কাজ করবি বাপ! ভাড়া করা গুন্ডা মাস্তানদের বিশ্বাস করবি না। সেজন্য তুই দশটা বিয়ে করবি। প্রতি বছর সন্তান… [বিস্তারিত]













