খুব কষ্ট হচ্ছে ওর।আজ সারাটা দিন একটুও ঘরের বাহির হয়নি।শুধু ঘরের দখিনা জানালায় দাড়িয়ে ক্ষণিক পর পর দূর আকাশের দিকে তাকিয়ে কী যেন আনমনা হয়ে ভাবছিলো।আজকাল প্রায় সে এ ভাবে আনমনা হয়ে থাকেন।নতুন বউয়ের এমন দৃশ্য প্রায় দেখেন তার শ্বাশুরী।এক সময় সে ভেবেই বসেন এই মেয়ে! না জানি কখন কোন অঘট ঘটিয়ে ফেলে। অনন্যা গল্পের… [বিস্তারিত]
বিভাগ: গল্প
নীলাঞ্জনা নামে একটি মেয়ে ছিল সে বেলী, সাদা গোলাপ , দোলন চাপা,ও যে কোনো সাদা ফুলের পাশাপাশি শিউলি, বকুল খুব পছন্দ করতো। ষড়ঋতুর এই দেশে প্রতিটি সিজনেই তাই ফুলের তোড়া আনা ছিল বাধ্যতামূলক। এক সময় অভ্যাসেই পরিণত হয়। শরৎ এলে কাশফুলের কাছে যাওয়া অন্যরকম পাওয়া। প্রতিদিন সদ্য ফোটা ফুল বা কাঁচা ফুল যা ই বলিনা… [বিস্তারিত]
কেউ কাউকে এতোকরে মনে রাখার কোন কারণ ছিলো না। কিন্ত লীলাবতী আমায় মনে রেখেছে। সকালের কফির সাথে একটা মোর(সিগারেট) ধরানো আমার এ কবছরে অভ্যাসে পরিনত হয়েছে। সারাক্ষন খিটমিটে মেজাজ দমন না হলে আয়েশী মেজাজে সারাদিনের কলেজ, স্টুডেন্ট এসব করতে পারি না। টুকটুক করে দরজায় শব্দ হচ্ছে। কে, এতোসকালে একটু কনফিউজড হয়ে দরজা খুলতেই চোখ আকাশে।… [বিস্তারিত]
ম্যাডাম,এটাই সেই ঠিকানা । হুম,,,, নামবেন না ম্যাডাম? এসে গেছি! একেবারে আনমনে ভাব কাঁটিয়ে চেতনে ফিরে এসে অহনা ড্রাইভার কে বলল, ঠিকআছে তবে এখানেই গাড়ি সাইড করাও। ড্রাইভার অহনার কথা শুনে গাড়িটি পুরোনো তিনতলা বাড়ীটির পাশে সাইড করালো। অহনা গাড়ি থেকে নামার পর লাগেজ হাতে নিয়ে ড্রাইভারকে ধন্যবাদ জানালো। যদিও গাড়িটি তার ছেলের তবুও অহনা… [বিস্তারিত]
সান্তাহার রেল কলোনিতে বিহারিদের দাপটে বের হওয়া যেনো প্রাণটা হাতে নিয়ে বের হবার মতো। জানটা যেনো ঠোঁটের কাছে আটকে থাকে যেকোনো সময় বের হয়ে যেতে পারে কারো খামখেয়ালীতে। মানুষের জীবনটা কি অদ্ভুত! মানুষই কেড়ে নেয় আস্ত অনুভূতিপ্রবণ একজন মানুষের প্রাণ। কিবরিয়া সাহেব,, রেলওয়ে পুলিশে চাকরি করেন। সেই সুবাদে রেল কলোনিতে তার বাস। ছোট্ট দুই রুমের… [বিস্তারিত]
একটা কিছু লিখতে চাই ভাবতে ভাবতেই এই দিনগুলি হচ্ছে গত,,,, কিন্তু কালতো আর ফিরে পাবো না এমনটা ভাবতে ভাবতেই ট্রেনের ঝিকঝিক শব্দ থাকা স্বত্বেও চোখ দুটি ঘুমে বিভোর হয়ে যাচ্ছিল নিয়নের । দুই/তিন মিনিট ও যে গভীরভাবে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখা যায় তা নিয়নকে না দেখলে বোঝার কোন উপায় নেই। শুধুমাত্র এই লেখালেখির মাঝে নিজেকে খুঁজে… [বিস্তারিত]
ধানমন্ডী লেক পার হয়েই লেনের প্রথম গলির প্রথম দোতলা বাড়িটাই রহমান সাহেবের। বাড়ীর সামনে বিড়াট একটা সাইনবোর্ড টাঙ্গানো,যাতে বড় করে লেখা "রোড নাম্বার দুঃখ,বাড়ী নম্বর কষ্ট" কি অদ্ভুত নাম!!!যেমন বাড়ীর অদ্ভুত নাম ঠিক তেমনি বাড়ীর একেকজনের চরিত্র আরও অদ্ভুত। বাড়ীতে বাস করার ক্ষেত্রে প্রথম যে মানুষটার নাম বলতেই হয় তিনি হলো, রহমান সাহেব। দেখতে ফর্সা,লম্বা,… [বিস্তারিত]
করোনা পাল্টে দিয়েছে চেনা জীবনের ছক। বদলে দিয়েছে পৃথিবী। আগে যা ছিলো দূর কল্পনা, তা হয়তো এখন বাস্তব। লকডাউনে যেমন অনেক পরিবারের মানুষ নিকটে চলে এসেছে। তেমনি, আবার আর্থিক অনটন বা দুইজনের মাঝে বনিবনা না হওয়াতে যে যার পথ বেছে নিয়েছে। এমনি এক পরিবারের নীরব সাক্ষী আমি। আমার স্ত্রী করোনায় মারা গেলেন। নিজের একাকীত্ব ঘুচাতে… [বিস্তারিত]
দুপুরে খাবারের পর দু একজন ছাড়া ব্যাংকের সবাই মিষ্টি পান খায়।মেয়েদের ঠোঁট লাল হয়ে থাকে, দেখে মনে হয় এইমাত্র কেউ চুমু দিয়ে ঠোঁট লাল করে রেখে গেলো। বাসায় মামীমাও পান খান, এতো সব দেখে আমারও পান ভক্তি এসে গেছে। সবসময় খাওয়া হয় না, শুধু দুপুরে খাই। নিজের মধ্যে কেমন সুখী সুখী ভাব আসে। আমার ধারনা,… [বিস্তারিত]
বন ঘেঁষা এক কাঠুরিয়ার বাড়ি। বাঁশ-খুঁটিতে দাঁড় কারানো ছনের ছাউনি ঘরটা ছাড়া কাঠুরিয়ার আর কিছুই নেই। জীবিকার একমাত্র উপায় ছিলো, গহীন বন থেকে কাঠ সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করা। কাঠুরিয়ার ছেলেমেয়ে নেই। জায়গাজমিও নেই। বন থেকে কাঠ সংগ্রহ করে তা নিকটস্থ বাজারে বিক্রি করা কাঠুরিয়ার নিত্যদিনের কাজ। তা না হলে কাঠুরিয়ার ঘরে থাকা প্রাণপ্রিয় স্ত্রী-সহ… [বিস্তারিত]
তিন সন্তানের জননী আছিয়া বেগম। তার দুই ছেলে ঢাকায় সোয়েটার কোম্পানিতে চাকরি করেন। গত মার্চে তার ছেলেরা বাড়িতে চলে এসেছেন। দুই ছেলেকে দেখে মায়ের মন অনেক খুশি। কিন্তু এটাও প্রশ্ন করে, "দুইজন একসাথে ক্যান বাজান? চাকরি কী চইল্যা গেছে ? " ছেলেরা কথা কয়না শুধু দুই ঠোঁটের মাঝখানে একটা শব্দ উচ্চারণ করেন একজনে। এর মানে… [বিস্তারিত]
এক বিশাল ঘন জঙ্গলে দুটি সুন্দর সাদা পায়রা বাস করে ।খুব সুখেই চলছে তাদের সংসার। ভালোবাসার কোন কমতি নাই।একজনের প্রতি অন্যজনের ভালোবাসা সবকিছুকেই যেন হার মানায়।সময়মত দুজনের খাবার একজনে ভাগ করে খায় তবুও কোনকিছুর অভাব নেই।এক বেলা খাবার না জুটলেও কারো প্রতি কারো কোন অভিযোগ নেই।হাসিখুশিতে চলছে দিনের পর দিন।একদিন মেয়ে পায়রাটি বলছে আচ্ছা তুমি… [বিস্তারিত]
টেনসন আর উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে দিলরুবার।মাঝে মাঝে খবর আসে স্বামীর ভাল মন্দের।বিচলিত মন শান্তির নীড়ের অপক্ষেয়ায়।সেই কাঙ্খিত দিনটি আজ।আজ স্বামী মজনু মিয়ার মুখটি দেখবেন বহু দিন অপেক্ষার পর।কিন্তু কাঙ্খিত দিনটির জন্য তাকে টাকা জমা দিতে হবে আরো দেড় লক্ষ টাকা।টাকা সংগ্রহ করতে দিলরুবা তার ছেলে ও মেয়ের নামে সর্বোশেষ ব্যাংকে ডিপোজিট উত্তোলন করতে হবে।স্বামী স্ত্রী… [বিস্তারিত]
‘হ্যালো.. -বলো, -হ্যালো… -হ্যা বলো শুনছি,, -হ্যালো…. -আরে হ্যা,বলো না,শুনছিতো!! -কী বলব? -ফোন দিয়েছো কেন? -ভুলে গেছি, -ও আচ্ছা।আমি এখন একটু ব্যাস্ত-পরে কথা হবে,রাখছি। দিলরুবা তার স্বামীর সাথে বিশেষ একটি কথা বলবে বলবে বলে আজ প্রায় দুই তিন যাবৎ ফোন কল দিয়ে ট্রাই করছেন তবুও কাঙ্খিত কথাটা বলতে পারছেন না।ঐ গ্রাম্য এক প্রবাদ আছে না-নারীর… [বিস্তারিত]
প্রত্যেক সম্পর্কের শুরুতেই অনুভূতিগুলো থাকে একদম অন্যরকম। ভালো লাগা, ভালোবাসা সব এমনভাবে জঁড়ায় থাকে মনে হয়, এ যেন সুখের সাগরে ভাসা যায় একসাথে। মনে হয় এ যেন বিনিসুতার মালা একটা সুতার সাথে আরেকটা সুতা লাগানো। আবার অনেকসময় একে মনে হয় এটা অনেকটা গীটারের মত, যখন গীটারের তারে বাঁজাবেন তখন সুর বাঁজবে, ছন্দ হবে, গান ও… [বিস্তারিত]
























