আরজু মুক্তা

লিখতে ভালো লাগেনা,তাও মনের জানালায় বসে কথা বলি।ছবি তুলতেও ভালো লাগে!বাকিটা অজানা থাক!

চুরিবিদ্যা

আরজু মুক্তা ১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ১২:১০:৩৩অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১১ মন্তব্য
“চুরিবিদ্যা বড় বিদ্যা,  না পরিলে ধরা।” সকালবেলা ঘুম ভাঙ্গলো, “বাবা গো, মা গো” “আর করবার নং চুরি!” ( আর করবো না চুরি।) চোখ কচলাতে কচলাতে গিয়ে দেখি চোরকে গাছের সাথে বেঁধে পিটাচ্ছে। আমাদের পাড়ার সব চোরকে মারার জন্য যিনি বিখ্যাত হয়ে আছেন। সেই গাজী ব্যাপারী।  মারের চোটে বেচারি পায়খানা, প্রসাব করে একাকার। চোর মসজিদের দান [ বিস্তারিত ]

ধরলা নদী

আরজু মুক্তা ৩০ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, ১০:০৪:৩৩অপরাহ্ন কবিতা ৪৪ মন্তব্য
ভুল করে কতো জায়গায় যাও একদিন ধরলার পাড়ে চলে এসো, আমি তো নদীর মতোই স্রোতস্বিনী উথাল পাথাল ঢেউয়ে মাতিয়ে রাখবো! পা ভিজিয়ে দেখবে—- বালি হাঁস আর মাছরাঙার ওড়াওড়ি তোমার মনও বাঁধা পরবে; চিৎকার করে বলো’ভালোবাসি’! মুখ ফিরিয়ে নিলে চর জমাট বাঁধবে বিরহে মৃণালিনী করুণ সুর বাজাবে! আমি ধরলাকে বিধবার চিৎকার হতে দেবোনা! তুমি হাত ধরো; [ বিস্তারিত ]

বন্দি শৈশব

আরজু মুক্তা ২৫ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার, ১০:০৪:৩১অপরাহ্ন গল্প ৩১ মন্তব্য
চুড়িওয়ালি হাঁক দিচ্ছে। চুড়ি লাগবে চুড়ি। নির্জন দুপুরকে ছিন্ন করে তার ডাক ভালো লাগছে। আমি অপরাজিতা। বাবা মা দুজনেই আমাকে তালা দিয়ে চলে যান কাজে। আমি ঐ জানলার ফাঁক দিয়ে আকাশ দেখি। কখনোও দুধ বিক্রেতা, কখনোও ফেরিওয়ালা, কখনো আইসক্রিম ওয়ালার সাথে কথা বলি। এই চুড়িওয়ালি! এই যে, শুনছেন? উনি এদিক ওদিক তাকাচ্ছেন আর আমি হাত [ বিস্তারিত ]

হেমন্ত বন্দনা —হেমন্ত এসে গেছে

আরজু মুক্তা ২২ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার, ১২:৩৭:৪৭পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩৫ মন্তব্য
ছয় ঋতুর বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। সৃষ্টিকর্তা অকৃপণ হাতে ছয়টি বর্ণে, ছয়টি সাজে সজ্জিত করেছেন। এর মাঝে হেমন্ত লাজুক ঋতু। দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠগুলো সোনালি আলোয় আরও তীব্র হয়। দিগন্তরেখা নীল বর্ণের সাথে মিশে হয় একাকার। ফসলের মাঠ প্রতীক হয় মানুষের আগামীর সম্ভাবনা। বৈষ্ণব পদকর্তা লোচন দাস লিখেছেন, “অগ্রানে নতুন ধান্য বিলাসে সর্বসুখ ঘরে প্রভু কি [ বিস্তারিত ]
হুমায়ুন আহমেদের অনেক বই আমার পছন্দ। তার মধ্যে ঐতিহাসিক কাহিনী সমৃদ্ধ বাদশাহ নামদার অন্যতম। এই বইটি ২০১১ সনের “একুশের বইমেলায়” প্রথম প্রকাশিত হয়। বাদশাহ হুমায়ূন ছিলেন এক বিচিত্র চরিত্রের অধিকারী। যেখানে তিনি সাঁতারই জানেননা, সেখানে সারাজীবন তাঁকে সাঁতরাতে হয়েছে স্রোতের বিপরীতে। তাঁর সময়টা ছিলো অদ্ভুত। সম্রাট বাবরের প্রথম পুত্র হুমায়ূন ছিলেন অলস ও আরামপ্রিয়।  সে [ বিস্তারিত ]

রুশোর কাছে চিঠি ১

আরজু মুক্তা ৮ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার, ১২:৫৪:৪৩পূর্বাহ্ন চিঠি ২৮ মন্তব্য
চট্টগ্রাম ৮/১০/১৯   প্রিয় রুশো, প্রতিদিন ভাবি এই চিঠিই হবে শেষ চিঠি কিন্তু শেষ আর হয়না। কবে, তুমি চলে গেলে, শীতের কম্পন আর হৃদয়ের কম্পন তখন এক হয়েছিলো। তুমি বুঝেছো কিনা জানিনা! ঐ দূর থেকে চোখ বুঝেছিলো মনের আঙ্গিনায় কি লিখা ছিলো? আমার সেই অঝরে কান্নাগুলো বৃষ্টিকে হার মানিয়েছিলো। তাই সময় করে বসি, মনের কথাগুলো [ বিস্তারিত ]

কেউ কারো নই

আরজু মুক্তা ৩ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ০৭:৩৫:০৮অপরাহ্ন কবিতা ১৮ মন্তব্য
আমি কেউ নই বা কারো নই তাহলে তুমি কে? আচ্ছা, এভাবে কি মিলানো যায়? কি চুপচাপ কেনো? কিছু তো বলো! ভালোবাসা কারও কাছে পেতে চাও? অথবা আদুরে সংলাপ? নাম ধরে ডাকো আমায় নতুবা চলে যাও!  

আমার বন্ধু সাইকেল

আরজু মুক্তা ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, ১১:১৬:১৪অপরাহ্ন গল্প ২৫ মন্তব্য
সাইকেল মানে স্মৃতি। স্মৃতি মানে কবিতা। কবি আল মাহমুদ লিখেছেন, “কবিতা তো কৈশরের স্মৃতি সেতো ভেসে ওঠা ম্লান আমার মায়ের মুখ; নিমডালে বসে থাকা হলুদ পাখিটি পাতার আগুন ঘিরে রাত জাগা ছোট ভাই বোন আব্বার ফিরে আসা, সাইকেলের ঘণ্টাধ্বনি——-রাবেয়া, রাবেয়া আমার মায়ের নামে খুলে যাওয়া দক্ষিণের ভেজানো কপাট!” ‘ দস্যিটা কই গেলো রে? মা চিল্লাচ্ছে। [ বিস্তারিত ]

আবৃত্তি সন্ধ্যা

আরজু মুক্তা ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার, ০৭:৪৬:৩৪অপরাহ্ন কবিতা ৩৬ মন্তব্য
প্রথম আলোতে বিজ্ঞাপন কাল তোমার আবৃত্তি সন্ধ্যা স্থান রমনা বটমূল। যুদ্ধ করে যথারীতি সামনের আসনে তোমার ইচ্ছেটাকে মূল্য দিলাম, শুরু হলো_————! আমার চোখে চোখ রেখে সাবলীলভাবে তুমি বলে চলেছো অনবদ্য———-! কথাগুলো প্রতিধ্বনিত্ব হচ্ছে আবহ সংগিত বাজছে ঘোর লাগা———-! চারদিক অন্ধকার শুধু গোল করে আলোটা তোমার মুখে আমি মনপ্রাণ ঢেলে শুনছি ছন্দের কারুকাজ ———–! কখনো প্রেম,কখনো [ বিস্তারিত ]

ক্ষণিকের পরিচয়

আরজু মুক্তা ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ০২:১৪:১৮পূর্বাহ্ন গল্প ৩০ মন্তব্য
বাস দুলছে আর আমি গাইছি, “আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো!” ভার্সিটি থেকে বাড়ি যেতে সময় লাগে ১ ঘণ্টা। মনে হয়, ১০০ গুণতে গুণতে বাড়ি যাওয়া যায়। সময়টা একটু বেশি হলে মন্দ হতো না। ৩ মাস পর বাড়ি যাচ্ছি। বাসায় পৌঁছে একটা লম্বা ঘুম। উঠেই দেখি, আমার ছোটটা জামা নিয়ে বসছে, কোন জামা কখন পরবে? [ বিস্তারিত ]

সোনেলার জন্মমাস

আরজু মুক্তা ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ০৮:৪৮:০০অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি, সোনেলা বার্তা ২৯ মন্তব্য
সোনেলায়, আমি কু্ঁড়ি মাত্র। বয়স পাঁচমাসের মতো হবে। এখানে এসেই একটি ঝড়ের সম্মুখীন হই। অনেকেই অনেক কথা বলে! আমার স্বভাবের একটা দিক হলো, কে কি বললো, তাতে পাত্তা না দিয়ে; নিজের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করা। আমি কতটুকু দিতে পেরেছি,  তা জানিনা! তবে সকল সদস্যের ভালোবাসা পেয়েছি। এখানকার এডমিন হয়ে যারা কাজ করেন, তাঁদের তুমুল অনুপ্রেরণা [ বিস্তারিত ]

অভিমানী ভালোবাসা

আরজু মুক্তা ৩০ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, ০৯:৪৩:৩৭অপরাহ্ন কবিতা ২২ মন্তব্য
(১) একদিন ভালোবাসা যদি হুট করে বলে চলে যাবো! বাধা দিবোনা তোমার প্রতিটা পদক্ষেপে চুমু খাবো।। (২) আমার মন খারাপ হলে ঘর অন্ধকার করে তোমাকে খুঁজি আর তুমি সুযোগ পেয়ে চোখ বেয়ে বৃষ্টি হয়ে নামো! বলোনা কেনো কিসের অভিমান? (৩) তুমি বিদায় বলাতে হৃদয়ে যে ক্ষত হয়েছে তা থেকে রক্ত বিচ্ছুরিত হয়! তুমি কি জানো? [ বিস্তারিত ]

সাতকাহন

আরজু মুক্তা ২৬ আগস্ট ২০১৯, সোমবার, ১১:০৯:০৫অপরাহ্ন বুক রিভিউ ৩৬ মন্তব্য
যখন ক্লাস নাইনে পড়ি, আব্বা কিনে দিতেন শরৎচন্দ্রের উপন্যাস গুলো। এর পরে দিলেন সমরেশ মজুমদারের ‘কালবেলা’,কালপুরুষ, সাতকাহন” এইসব উপন্যাস পড়ে বুঝলাম এই বিখ্যাত লেখকরা নারীকে অনেক উঁচু আসনে বসিয়েছেন।দেখিয়েছেন কীভাবে তারা সকল প্রতিকুলতাকে কাটিয়ে উঠতে পারে। আজ থাকছে, সমরেশ মজুমদারের বিখ্যাত উপন্যাস “সাতকাহনের” বুক রিভিউ! নায়িকা বলবোনা, সংগ্রামী নারীর প্রতিক বলবো দীপাবলি কে।  যার চাঞ্চল্যতা [ বিস্তারিত ]

নীলাম্বরী

আরজু মুক্তা ২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, ০৯:৩৪:৫২অপরাহ্ন কবিতা ২১ মন্তব্য
তোমার দুটি চোখ শান্ত, ফেনিল, সমুদ্র আমার চোখে সমস্ত নীল আকাশ প্রতিফলনে তুমিও নীলাম্বরী, নীলান্জনা! তুমি গ্রীষ্মে দাবানল দূরীভূত করে প্রশান্তি এনে দাও এই চোখে! বর্ষায় কথা নেই, ঝিরিঝিরি বৃষ্টি কবিতার বই, ধোঁয়া ওঠা চা! শরতে ভাসাবো ভেলা অজানায় হেমন্তে তোমার লাজুক মুখটা লুকাবে হিম হিম ঠান্ডায়______ মৌমৌ গন্ধে উঠোন ভরবে ধানে সকালে ভাবিদের ব্যস্ততা [ বিস্তারিত ]

কবি নজরুল আর আমি

আরজু মুক্তা ১৭ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, ১১:৪৯:৪৯অপরাহ্ন গল্প ৩৬ মন্তব্য
২০১৩! ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে মাগুরা যাচ্ছি। মাইক্রোতে করে ভোর চারটায় রওনা হয়ে পৌঁছিলাম বিকেল চারটায়। আনুষ্ঠানিকতা শেষে, পেটপুরে খেয়ে রওনা হলাম সন্ধ্যে ছ’টায়। তখন জানুয়ারি মাস। প্রচণ্ড ঠান্ডা।আমরা সবাই জড়োসরো হয়ে ঝিমাতে ঝিমাতে যাচ্ছি। ঘ্যাঁস শব্দ করে গাড়ি থামলো। এমন জায়গায় গাড়ি নষ্ট হলো।আশেপাশে খেজুর আর তালগাছ ছাড়া কিছু দেখা যাচ্ছেনা। ড্রাইভার বলে, কেউ নামিয়েন [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ