ছাইরাছ হেলাল

লেখালেখি আমার কম্ম নয় - সে আমি বুঝেছি জেনেশুনে বেশ আগে এবং ভালভাবেই, তবে পাঠক হওয়ার অদম্যতা দমনে অপারগ আমি বরাবরই......

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ৬ বছর ৮ মাস ১৪ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ৪৫৮টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ১২২৫৫টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১৪৭৫৬টি
  কোন এক বিরল সন্ধ্যায় ঠাটা-মৃত্যুর অভিশাপে ভারাক্রান্ত অন্তঃসত্ত্বা এ হৃদয়, খোঁজে একটুখানি উন্মুখ জানালা; বিনিদ্র রাত্রির শঙ্কায় একটু বাতাস, গলে-যাওয়া চাঁদের হিম-শ্রী হ্রদে খরতাপের অন্তহীন একাকীত্বে। ক্ষণ-জীবনের জল-বৃষ্টিতে নির্বাক বিস্ময়ে ভাবে, কে আর রাখিবে কারে আধার-স্মরণে! আচ্ছন্নের মসৃণ খুশি, অনুপকারী প্রত্যহের ফুটে থাকা কিরণ-কল্পন আফসোসের কারণ, সবেধন-নীলমণি চাঁদ, ফিকে আজ দূর আকাশে স্তব্ধতায় ডুবে [ বিস্তারিত ]
  হৃদয়-গভীরের-গহীনে অব্যক্ত সুর/কথার ছলে কবিতারা উঁকি দেয়, অসামান্য নিষ্ঠার হেয়ালী-পরায়ণতায়; বাগজালের বাগবিস্তারে তাদের ছুঁতে পারি না, এড়াতেও পারি না, হাতছানি!! সে-ও তো থেমে নেই; নেই, প্রতিভার আলোকসামান্যতা, তা-ও বুঝতে পারি। খর-বাস্তবতায় মিষ্টি রঙের অনুভূতিটুকু-ও হৃদয়ের সোনা-মুখে তুলে নিলে ছাইমাটি ছাইমাটি হয়ে ওঠে, অনুপুঙ্খানুপুঙ্খ-বিবরণে ধরা দিচ্ছে না, হাঁপিয়ে /লাফিয়ে ওঠা মন; সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম-অনুভূতি-আশ্রয়ী অন্তহীন-বর্ণনা-অর্চনায় গা –এলিয়ে [ বিস্তারিত ]
  ধ্বনিরা সব শূন্য ফু হয়ে উড়ে বেড়ায় চতুর্দিকে পার্থিবে, যূথ-চিন্তনের ভিড়-বাট্টায় নিঃসঙ্গ গৃহহীন নিবিড় ভাবে দু’ফোঁটা রক্তাশ্রু একান্তের এই নিগূঢ় গৃহযুদ্ধে; এই তো অবশ-বিবশ সবল-জানু মেলে রেখেছি, পরস্পরের কাঁড়াকাঁড়ি বিহীন, মন উজাড় করে রক্ত চোষ, কামের টঙ্কারে বলকে ছলকে ফোঁটায় ফোঁটায়, তরল হাসিতে টুং টাং শব্দ তুলে, নিরীহ পরাভবের ছল ধরে। প্লাটিলেট নেমে যাক, [ বিস্তারিত ]
  গেঁয়ো ভুল ছিল না, চাষাড়ে অবয়বের জন্য টলটলে স্বপ্ন-বৃষ্টি পুঞ্জিভূত মেঘের বাঁধ ভেঙ্গে নির্দোষ অনুভবে আছড়ে পরছে না; শুধু বেঁচে বর্তে থাকে, শুধু হাড়-জ্বালানোর মূল শর্তে; উধাও-বৃষ্টির নাগাল পেতে মেঘকে বুঝিয়ে শুনিয়ে উল্টে-পাল্টে নির্লজ্জের মত কত কী-না বলি! সঠিক ভাবে কষা অংকের মূল সমীকরণের বিচ্ছিন্ন সংযোগকে ভালোলাগা-না-লাগা ভুলে দ্রুত ছুটে-ফুটে মেঘের দেশে ঝুলে থাকি, [ বিস্তারিত ]

নীলের দংশনে

ছাইরাছ হেলাল ৩০ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার, ০৭:৪৮:৩৪পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২৬ মন্তব্য
  সেই কত কাল! নিঃশব্দচারিতায় মুখিয়ে আছি, ক্রম-নিঃশব্দতা থেকে চুড়ান্ত স্তব্ধতার কাছাকাছি অব্ধি, অন্ধকারের প্রবাল-প্রবল-ছোবল থেকে যে টুকু বিষ উঠে আসে সে নীল-দংশনে ঝাঁপ দিতে দিতে চিৎকারটুকু-ও আঁচল বিছিয়ে সলজ্জ-চুম্বনে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে না। ঘূর্ণায়মান নীল-রক্ত-চাদরে ডুবে যেতে যেতে আকন্ঠ অঙ্গ-তৃষ্ণা বরণ করে নিতে চায় দুস্থ-হৃদপিণ্ড, চাঁদ-নগ্নতায় সুতীব্র জলজ দাহে নিষঙ্গ-নিঃশব্দ-স্তব্ধতা ছুটে আসে ঠোঁটের দারুন [ বিস্তারিত ]

একটি অপরিপাটি গল্প-কথা

ছাইরাছ হেলাল ২৬ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, ০৭:২৫:০০পূর্বাহ্ন গল্প ২৬ মন্তব্য
ঠোঁটের কোণে একদম মাপা পরিপাটি হাসি ঝুলিয়ে গল্পরা সারাক্ষণ গুণগুণ করে গল্প-টল্প করে, এসব শুনে-টুনে গল্পদের সাথে ভাব করতে ইচ্ছে হয়, এরা গুনগুন করে করে একদম কাছাকাছি চলে আসে সবার অলক্ষ্যে, খুব বেশি সময় ব্যয় করে না, ক্ষুদে ক্ষুদে মুহূর্তগুলো তড়িৎ জড়ো করে রক্তটা চুষে খেয়ে মুণ্ডুটা ফেলে দ্রুত সটকে পরে। এই স্ফীতোদর গল্প-ষণ্ডদের নির্ভেজাল [ বিস্তারিত ]

গল্প-কথার ছলা-বলা

ছাইরাছ হেলাল ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, ১১:১২:৩৯অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৮ মন্তব্য
  এখন থেকে তিন কোটি বছর পূর্বের, এ সংখ্যাটি তিন লক্ষ্য কোটি বা আমাদের সুবিধানুযায়ী তিন সেকেন্ড হিসাবে ভাবলে অসুবিধা/সুবিধার কিছু নেই, যার যার মর্জি মাফিক সাব্যস্ত হতেই পারে, হোক তা। কথা হলো গল্প লেখা না লেখা নিয়ে কী কী ভাবনা করা যায়, যা ভাবলে সামান্য আরাম বোধ হতে পারে। আচ্ছা ঝটাঝট নাকি পটাপট, বা [ বিস্তারিত ]

একটি না-জমে-ওঠা গপ্পো-কথা

ছাইরাছ হেলাল ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, ০৪:০৯:২৪অপরাহ্ন গল্প ২৬ মন্তব্য
  অনেক দিন থেকে ভাবছি, আরে নাহ! এই তো একজনের গল্প-লেখা-ভাবনা শুনতে শুনতে ভাবলাম আমিও না হয় লিখে ফেলি একটি যেমন-তেমন মহা-গল্প। সহজ ভাবনা সহজেই ভাবা যায়, কিন্তু লিখতে বসে দেখি, ভাভারে ভাভা! গল্প আবার কেমনে লেখে! ঐ যে ভেতরে/বাহিরে (ইচ্ছে হলে গানটি শুনে বিমলানন্দ নিতে পারেন) ত্যাঁদড় ইচ্ছে তড়পে যাচ্ছে, গাল-গল্প এবার ফাঁদবো-ই ফাঁদবো! [ বিস্তারিত ]
  বিশাল ডানা মেলে ভেসে বেড়াচ্ছে বৃষ্টি বিভোর আনন্দে, ঢেকে ফেলেছে ও প্রান্ত অব্দি, ঝম ঝম করে হেসে হেসে গড়িয়ে দিচ্ছে জলধারা আনন্দ সরোবরে। আপাপবিদ্ধতায় অনলংকৃত নিঃসঙ্গ আজ অচতুর সময়ের জরায়ু, অযথাই গেল রোপণের ভ্রমর গুঞ্জন, স্বপ্ন-বীজ আজ ও বেঁচে আছে স্মৃতি-বিস্মৃতির ক্রম-আলিঙ্গনে, চোলাই বিষণ্ণতার জলজ অস্তিত্ব এই ঘন সন্ধ্যায়; বর্ষা-হৃদয় আজ বসে আছে ক্ষণ [ বিস্তারিত ]
  নিষেধের বেড়াজালে আকণ্ঠ ডুবিয়ে হাঁসফাঁসের এ ক্ষয়িষ্ণু জীবন, জানলার খড়খড়িটুকুও হুকুমের দাস অন্ধকার-বন্ধ কুঠুরিতে আলো-আধারের হিসেব-হীনতায় টেনে টেনে এই একটু নিঃশ্বাস; ফেঁসে যাওয়া এই স্তব্ধতায় বুকের মাঝে ছলছলানি অবিরাম দোল খায়/দোল দেয়। বাঁধা ছকে বাঁক খেতে খেতে কখন যে কে ফাঁসিয়ে দিয়েছে বৃষ্টি-জলে-ভাসা চোখে চোখ লুকিয়ে কে জানে! অকস্মাৎ খুলে যায় বন্ধ খাঁচা, অচেনা [ বিস্তারিত ]

ভালোলাগে ভাল্লাগেনাকে

ছাইরাছ হেলাল ১১ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ০২:২১:৪৭অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২৬ মন্তব্য
  এই ঘন-ঘোর বর্ষা-মাদলে ঊন-বিষ নিপাট-আলাভোলা ভাল্লাগেনাকে ভালই লাগে, নিবিড় সানুনয় সান্নিধ্যময়তার নকশীকাঁথা জড়িয়ে; নেই, সর্ষের ঝাল-মুড়ি, নেই, ঘাস-শিশিরের হীরে-ঝলকানি, নেই, এক ফোটা পাখি, দোয়েল-শীসের বিরহ ব্যথার সম্ভ্রম, পরী-বুকের উষ্ণ আলিঙ্গন, নেই, ভেজা মানি-প্লান্টের উপর্যুপরি উঁকিঝুঁকি; দেশান্তর সাগরের বাঁধা-দীর্ণ উচ্চকিত-উচ্ছলতা অকস্মাৎ ছুড়ে দেয়া লোনা জল ভাল্লাগেনা; দীর্ঘ আয়না-জলে ভেসে থাকা ভাল্লাগেনাকে দেখে দেখে ভালই লাগে, [ বিস্তারিত ]

পুঞ্জ-মেঘের আড়ালে

ছাইরাছ হেলাল ১০ জুলাই ২০১৯, বুধবার, ০১:১৫:৪৮অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২০ মন্তব্য
  বৃষ্টি এবার কালো-আলতায় ঠোঁট এঁকে ধূন ধরে বসে আছে, সেই ভোর থেকে এই অব্দি! আনন্দ-বেদনার মোহন চৌহদ্দিতে অখণ্ড-অস্পষ্টতায় অ-নগ্ন বিবসনা যোগিনীর মত; বিজুলির ধ্মক-চমক থোরাই কেয়ার করে সে, কিছুতেই সে আজ নাববে না, বিজলিদের শাপ-শাপান্ত কিছুতেই সে মানবে না। চোখ উল্টে ভয় দেখায় বিজলিদের, ভ্রু-নাচিয়ে, চেতিয়ে-ও না কিন্তু, ওয়াশিংটন ডিসির মত চুবিয়ে-ডুবিয়ে দেব, বেঁকে-চুরে [ বিস্তারিত ]

স্বপ্ন-ইচ্ছার অপাবরণ

ছাইরাছ হেলাল ৮ জুলাই ২০১৯, সোমবার, ১০:১৩:১৩পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২২ মন্তব্য
  হে সময়, আমাকে বয়ে নিয়ে যাও শব্দ-শূন্যতার নিস্তল পরিখার আন্দোলিত শেষ তিথির দ্বারে, ঘন বন-কুয়াশা আর প্রতুল ঝিরি ঝিরি বর্ষণ স্মৃতির নিয়ম নিগড় এড়িয়ে; পিন পিনে ফিন ফিনে কিন কিনে থিক থিকে ভিড়ের ফাঁক গলিয়ে আগল বিহীন এক চিলতে আলোতে ঘুরে দাঁড়াই, এখানে কেকা ধ্বনি নেই, পায়ের বুড়ো আঙ্গুলে কাঁদা খোঁচা নেই, নেই দাঁতে [ বিস্তারিত ]

সময়ের ঝরা পাতারা

ছাইরাছ হেলাল ৫ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, ০৮:২৬:১৫অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩৪ মন্তব্য
  সময়ের তীর ধরে একাকীর বিষণ্ণ চিত্তে হেঁটে যাই হেঁটে যাই অপরাপর শব্দ-শূন্যতার দিকে শেষের অজানা সীমান্তে। সময়-জলে চোখ রাখি, চোখ ডুবাই, জল ছুঁয়ে থাকি, জল ছুঁয়ে যাই; টুপ করে সময়-গাছ থেকে ঝরা পাতার মত টুকরো-সময় পির পির করে সময়ের নদী-জলে ভেসে যায়, যতদূর চোখ রাখা যায়, তাকিয়ে দেখি ভেসে যাওয়া পাতারা আর ফিরে আসে [ বিস্তারিত ]
  অন্ধকারের অনন্ত-নিদ্রাই যদি জীবনের সার-বস্তু! কী আর হবে এতো সব ভেবে-ভুবে!! উড়িয়ে দেব জীবন-ফানুস অগ্নি-বিহীনতায় ভর করে; হিসেবের খাতার একরাশ যোগ-বিয়োগ কাটাকুটি, এক ঝটকায় ঠেলে-ফেলে ভীম-বেগে জেগে উঠলে কেমন হয়? কী হয়? শহুরে-আদিখ্যেতার নিত্য টানাপড়েন রাজ-পথ গলি-পথ গলি-গুপছিতে অযুত সম্ভাবনার অশ্বডিম্বের কাব্য-কথন! শরমের মুণ্ডু ফাটিয়ে এক চিলতে জ্যোৎস্না-মশারির ফাঁক গলিয়ে ভাষাতীত ভয়ের আতঙ্কিত জীবন। [ বিস্তারিত ]

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ