মূল লেখায় যান

মেঘেদের দস্যুতা

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি১৩টি মন্তব্য

 

সর্বস্বান্তের ক্ষতবিক্ষততাই এখন একান্ত জ্বলজ্বলে সত্য,
এই দুর্যোগময় মুহূর্তে, নেমে আসছে প্যারাসুটে করে
ঝাকঝাক বৃষ্টি, নিপাট উড়াল ভঙ্গিতে;

গাল ফুলিয়ে এঁকে-বেঁকে বইছে দুর্ধর্ষ নদী
সুইং মুড এখন জলদস্যুতাতে,
নির্বিকারের স্বতঃস্ফুর্তিতে মিশিয়ে দেবে
মিশে যাবে ঐ দূর সমুদ্রের উত্তালে;

নিরাশ্রয়ের মাধুকরী! হা হতোস্মি!
ধূসর, ঝানু ধুরন্ধর মেঘেদের সারি
গুটি বাজিতে মত্ত/ব্যস্ত, ফুঁসে ওঠা নদীদের ঢেউ-জলে।

ধড়ফড় করা আলাভোলা নিরাশ্রয়ের গৃহস্থ আতঙ্কে ভ্যাবাচ্যাকা
চড়ক চোখে, এ-কূল ও-কূল দুকূল-ই এখন চুরমার/ফকফকে
মেঘ-বৃষ্টির গোলকধাঁধার সংকেতে সংকেতে।

ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ৬৫৭জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৩টি মন্তব্য

  1. যদি ও বৃষ্টির চেয়ে প্রতিবেশীর ভালোবাসায় ভেসে যাচ্ছি বেশি। তারপর ও সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা একটু রহমতের দ্বার খুলুন।
    অসহায় মানুষের জীবন সহজ হোক।

  2. অপরিকল্পিত নগরায়ন ও জীবনযাপন এই দুর্যোগের কারণ,,
    অযথা শুনিয়ে যাই দু’বাক্য নিয়তিকে।
    মেঘ তো তারপশরা সাজাবেই, তার তো তাড়া ঝরে পড়ার।
    সমুদ্রে মিশে যাবার তাড়নায় ছটফট ঢেউ তোলে চারপাশ।
    কেনো তাকে বঁধে রাখেন অকারণ,,
    কই সে ঢালু পথ জলের চলার?

    1. আসলে প্রকৃতিকে বেঁধে/বাঁধা দেয়া যায় না। প্রকৃতি তা মেনে নেয় না।
      তখন সে বিদ্রোহের অনলে সব পুড়িয়ে দিতে চায়, ভাসিয়ে ও নিতে চায়/নেয়।
      সুন্দর করে বলার জন্য ধন্যবাদ।

  3. এ যেন প্রকৃতির নির্মম প্রতিশোধ। মানুষ প্রকৃতি শাসন করে, নিজের ইচ্ছে মতো প্রকৃতি ধ্বংস করে দিচ্ছে। প্রকৃতি কতো দিন সহ্য করবে। দোয়া করি আল্লাহ যেন এ বিপদ থেকে অচিরেই সকলকে মুক্তি দান করেন।

  4. বিপর্যস্ত প্রান কার দোষ/ কে দোষী খুঁজে না,
    শুধু একটু নিস্তার চায় সমস্ত প্রতিকূলতা হতে,
    সম্মানিত ঈশ্বরকে স্মরণে/বিস্মরণের এনে।
    কিন্তু ঈশ্বর জানেন,
    মানুষের মতো প্রকৃতিও নয় সম্পুর্ন মহান, সুযোগে সেও শোধ নেয়..থাকে অভিমান;
    তবুও প্রার্থনা করি তারই দুয়ারে, তিনি সহায় হোন তারই সমগ্র সৃষ্টির তরে।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।