বেলা অনেকটা পড়েছে। শরৎ শেষে হেমন্তের মাঠ জুড়ে কেবল ধানের সুধাময় গন্ধ বহির্ভূত হচ্ছে। আরক্তভায় সেজে আছে বিকেলের রক্তিম গোধূলি। পড়ন্ত বিকেলের সে রক্তিম সূর্যের পাশ ছোঁয়ে যায় মেঘছায়া। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এসেছে। চারদিক জুড়ে কেবল মাতাল করা হাসনাহেনার গন্ধ। দিব্যভাবে স্নাত হচ্ছে মোহনীয় অনুরাগ। আকাশের এককোণে প্রস্ফুটিত পূর্ণচন্দ্র ধীরে ধীরে রক্তিম থেকে গৌরবর্ণ ধারণ করছে। [ বিস্তারিত ]

ওঠে দাঁড়াবার গল্প

প্রদীপ চক্রবর্তী ২৭ নভেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ০৮:৪৮:২৭অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২০ মন্তব্য
শহরের চটপটি বিক্রেতার ভ্যান থেকে ধনিয়া পাতা আর অলিগলি চায়ের দোকান থেকে চা পাতার গন্ধ মোহনীয় করে তুলছে পড়ন্ত বিকেল। ইরিধানের লাজুক পাতার অগ্রে গোধূলি ছুঁই ছুঁই। বেলা শেষে সজনের পাতা গুলো ঝরে পড়েছে। স্থিরমান নদীতে ভাসমান দু একটা পানসি ব্যতীত আর কিছু নেই। নদীতে পলি জমতে বসেছে। সময় অনেকটা পেরিয়ে গোধূলির সূর্য যখন ডুবতে [ বিস্তারিত ]
আকাশে মেঘ জমলে অন্ধকার ঝুপ করে এসে বসে। বেড়ে যায় তীব্র শীতের হিমেল হাওয়া। বেলা অনেকটা। পশ্চিমা সূর্য ধীরে ধীরে দক্ষিণায়নে হেলে পড়ছে। নতুন বইয়ে শিল্পীর তুলির আঁচ। কিন্তু এখনো আমাদের কবিতা লেখা হয়নি। তৈরি করা হয়নি পাণ্ডুলিপি। জানালার ফাঁক দিয়ে ফুরফুরে করে বাতাস ঢুকছে। মৃদুমন্দ ঠাণ্ডা হাওয়ায় শরীর জুড়ে শীতার্ততা জানান দেয় হেমন্তের বুকে [ বিস্তারিত ]

শব্দের বিচ্ছেদ

প্রদীপ চক্রবর্তী ২০ নভেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ০১:২৩:০০অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৪ মন্তব্য
অগ্রহায়ণ আসলে গ্রাম জুড়ে ইরিধানের দাম্ভিকতা বেড়ে যায়। সে সুযোগে রাখালিয়া মেয়েটির কাজল চোখে হেমন্তের বাহার বাড়ে। ইচ্ছামতিও স্রোতহারা হয়ে আপন লাজুকতায় ছুটে চলে। ইরিধানের মাঠ জুড়ে আছে কেবল সুগন্ধিময়। বিকেল হলে কবির কাব্যপাঠে ডাহুক পাখিরা আসে। জানালার ফাঁক দিয়ে আলতো রোদে হিমেল বাতাস ঢোকে। ধূপ ধুনার গন্ধে গোধূলিসন্ধ্যা নামে। আকাশের ধবল মেঘের মতো একঝাঁক [ বিস্তারিত ]
ভাইফোঁটা হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি চিরন্তন সম্প্রীতির উৎসব। এই উৎসবের পোষাকি নাম ‘ভ্রাতৃদ্বিতীয়া’। ভাই-বোনের ভালবাসার বন্ধন অনন্তকাল অটুট রাখার জন্য বংশপরম্পরায় এই বিশেষ উৎসব পালিত হয়। ভাই-বোনের নিঃস্বার্থ ও স্বর্গীয় ভালবাসার প্রতীক এই ভাইফোঁটা আমাদের মনে শান্তি, সৌভাতৃত্ববোধ এবং ঐক্যের এক চমকপ্রদ আবেশ সৃষ্টি করে। ভাইফোঁটার দিন-ক্ষন :- বাঙ্গালী হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, এই উৎসব কার্তিক মাসের [ বিস্তারিত ]

দীপাবলি ইতিকথা

প্রদীপ চক্রবর্তী ১৪ নভেম্বর ২০২০, শনিবার, ১০:১৩:২৩পূর্বাহ্ন বিবিধ ২১ মন্তব্য
দীপাবলি হিন্দু-সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এক বিশেষ উৎসব। এই উৎসব বিভিন্ন নামে, বিভিন্ন ভাবে পালিত হয় যেমন, দ্বীপাবলী, দেওয়ালি, দীপান্বিতা, দীপালিকা, সুখরাত্রি, সুখসুপ্তিকা ,যক্ষরাত্রী ও ভাইফোঁটা প্রভৃতি। ভারতবর্ষে দীপাবলি- শুধু হিন্দুদের নয়, শিখ, জৈন ও মুসলিম ধর্মাবলম্বীদেরও অনুষ্ঠান। অর্থাৎ এই উৎসব সার্বজনীন। পাঁচদিন ব্যাপী উৎসব এই দীপাবলীর আগের দিনকে দীপাবলি উৎসবের প্রথম দিনে শ্রীকৃষ্ণ নরকাসুরকে বধ করেছিলেন। এই [ বিস্তারিত ]

শুকনো পাতার মরসুম

প্রদীপ চক্রবর্তী ১৩ নভেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ০৯:৩৩:০৯পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৪ মন্তব্য
মহারণ্য জুড়ে কেবল শুকনো পাতার মরসুম। পাড়া মহল্লা জুড়ে নবান্নের আমেজ। শরতের শিউলি ফুলের গন্ধ মাখতে গিয়ে,ইরিধানের বাহার বেড়েছে হেমন্তকে ছুঁয়ে। একে একে নুয়ে পড়ছে ধানের শীষ। শুধু কাঁধে করে ঘরে নিয়ে ফেরার পালা। এ সাদাকালো জীবনে আসে এক ফুটফুটে সুগন্ধির আমেজ। ভাটা পড়ে যায় অতীতের ঝলসানো স্মৃতি। তুমি আবার বলে উঠবে, স্মৃতি কি সহজে [ বিস্তারিত ]

মাল্যবরণহীন।

প্রদীপ চক্রবর্তী ৯ নভেম্বর ২০২০, সোমবার, ০৯:৩২:১৭অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৬ মন্তব্য
আমি স্বর্গোদ্যানের পারিজাতের সুগন্ধি মাখতে চেয়েছিলাম। হতে চেয়েছিলাম সে স্বর্গোদ্যানের মালিনী। তা আর হয়নি। মাল্যবরণহীন হয়ে ফেরা ছাড়া আমার আর কিছুই হয়নি। হেমন্তের মাঠ জুড়ে ইরিধানের সুধাময় গন্ধ,যে গন্ধ আমায় উন্মাদ করে তোলে। সে গন্ধে জমেছে ধুলো। আর এ ধুলোময় গন্ধ জুড়ে তোমার অবাধ কারফিউ। প্রতিরূপে তোমাকে যতবার সাজাই তখন নিজেকে হিম শীতল মনে হয়। [ বিস্তারিত ]

নির্ঘুমে শূন্যতা

প্রদীপ চক্রবর্তী ৩১ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ০৩:০৬:০৪অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৯ মন্তব্য
চিরাচরিত অসুখের নিয়ম ভেঙে আমরা নিয়ন আলোয় শব্দ সাজাই। প্রতিটা নির্ঘুম রাত যখন নাম না জানা পড়ন্ত বিকেলের আলো খোঁজে,আমরা তখন পৃথিবীর কক্ষপথে চলে যাই। সে সুবাদে আমাদের আর শিউলি ফুলের সুগন্ধি নেওয়া হয়না। পড়া হয়না সুনীলের কবিতা। একে একে ফুল ঝরে পড়ে। অন্তরালে মেঘ লুকিয়ে থাকে বৃষ্টি ঝরার অপেক্ষায়। কেউ কবিতা লিখে নগর নির্মাণ [ বিস্তারিত ]

বিজয়াদশমী কী এবং তার তাৎপর্য

প্রদীপ চক্রবর্তী ২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ০৯:৫৩:০৮পূর্বাহ্ন বিবিধ ১৪ মন্তব্য
নবমী শেষে আজ দশমী। ‘দশমী’ কথাটির প্রাসঙ্গিক তাৎপর্য সহজবোধ্য। আশ্বিন মাসের শুক্ল পক্ষের দশমী তিথিতে দেবী কৈলাস পাড়ি দেন। সেই কারণেই ‘বিজয়া দশমী’ নাম। বিদ্রঃ এইবছরের তিথি অনুসারে কার্তিক মাসে পূজা হয়েছে। আশ্বিনমাস মলমাস থাকায়। কিন্তু প্রশ্ন হল, এই দিনটিকে ‘বিজয়া দশমী’ বলা হয় কেন? কোন ‘বিজয়’-কেই বা চিহ্নিত করে দিনটি? দশমীকে ‘বিজয়া’ বলা হয় [ বিস্তারিত ]
শ্রী শ্রী দুর্গা দেবীর পূজা বছরে দুবার আনুষ্ঠানিকভাবে সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হয়। একবার বসন্তকালে, আরেকবার শরৎকালে। বসন্তকালের দুর্গাপূজাকে সংক্ষেপে বাসন্তী পূজা বলা হয়। আর শরৎকালের দুর্গাপূজাকে বলা হয় শারদীয় দুর্গাপূজা। তবে শারদীয় দুর্গাপূজাই বাঙালি হিন্দুদের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান এবং অধিক সংখ্যায় অনুষ্ঠিত হয়। দুর্গাপূজার শুরু হয় আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষে। কোথাও প্রতিপদ তিথি থেকে, কোথাও ষষ্ঠী তিথি [ বিস্তারিত ]
‘দুর্গা’ শব্দটিকে যদি বিশ্লেষণ করি তাহলে দেখব এটি দ+উ+র+গ+আ – এই ভাবে সৃষ্ট। প্রতিটি বর্ণ নিজস্ব অর্থ বহন করছে। ১.দ অক্ষর  – দকারং দুর্গতিহারং দুরন্তব্যাধিনাশনং দুর্গমেদুঃখদারিদ্রনাশায় দকারায় নমো নমঃ। ( অর্থাৎ যিনি দুর্গের নাশকারিনী, দুর্গতিহরণকারিনী , দুরন্তব্যাধিনাশকারিনী , দুঃখদারিদ্রনাশকারিনী, ভবরোগ বিনাশকারিনী সেই ‘দ’ কারকে নমস্কার) ২.উ অক্ষর – উকারং উগ্রতারেষং উগ্রশক্তিসমন্বিতং উচ্চৈঃপদপ্রদাতারং উকারায় নমো নমঃ। [ বিস্তারিত ]
বাঙালি সনাতন হিন্দুধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ট থেকে দশম দিন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় এই পূজা। একে বলা হয় দেবীপক্ষ। আর এ দেবীপক্ষের সূচনা হয় মহালয়া দিয়ে। দুর্গাষষ্টী, মহাসপ্তমী, মহাঅষ্টমী, মহানবমী ও বিজয়াদশমী মোট এই পাঁচ দিন চলে পূজার আয়োজন। তবে আশ্বিন মাস মলমাস থাকায় এইবার কার্তিক মাসে পূজা হচ্ছে। কেননা [ বিস্তারিত ]
আজ ধানের সাধভক্ষণ,নলসংক্রান্তি ও অশ্বিনীকুমার ব্রত। দিনটি গ্রামবাংলার অতি পরিচিত ঐতিহ্যগত রীতি। আশ্বিনের শেষ  দিন নলসংক্রান্তি নামে পরিচিত। ধানফসলের একটি পবিত্র দিন । হিন্দু বাঙালিদের সাধ ভক্ষণ একটি বিশেষ  রীতি। নল সংক্রান্তির মূল উদ্দেশ্য ঐ সাধভক্ষণ। আশ্বিন মাসের  মাঝামাঝি থেকে কার্তিকের মাঝামাঝি ধানের গর্ভ কাল ।নলগাছ বহু প্রজনন ক্ষমতার অধিকারী । চাষিরা আশা করেন তাদের [ বিস্তারিত ]

প্রেম হোক প্রকৃতিময়

প্রদীপ চক্রবর্তী ১৫ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ০৬:১৮:৫৯অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১২ মন্তব্য
ভীষণ একরোখা না হলে বুঝি প্রেমে পড়া যায়না? চরম বেহায়া না হলে বুঝি পিছু ছুটা যায়না? আমরা রোজ রোজই একে অপরকে সাজাই। কখনো রঙতুলিতে গোধূলি ভরা রঙ দিয়ে। কখনো মহামায়াময় জগতের সৌন্দর্য দিয়ে। প্রেমের সৌন্দর্য প্রকৃতিকে নিয়ে। তুমি প্রকৃতির মতো সুন্দর। তাই তোমায় সাজাই আপনমনে,আপন ছন্দে। রঙ নেই,গন্ধ নেই আছে মাধুর্য। আর এ মাধুর্য শূন্যতাকে [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য