প্রদীপ চক্রবর্তী

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ১ বছর ২ মাস ১৬ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ১১১টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ২০২৮টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১৮৭৫টি
দিনকালের পরিস্থিতিতে ভালো গুণীন জ্যোতিষী পাওয়া মানে হাতে আসমান পাওয়া। আজকালকার দুনিয়াটাতে চোর বাটপার সবকিছুতে ভরে গিয়েছে। নগেন জ্যোতিষী ও ডাক্তার নীলুদা আজও ভারী বয়স নিয়ে বেঁচে আছেন। কলিকালে এমন বয়স্কা বৃদ্ধ ডাক্তার ও তান্ত্রিক জ্যোতিষী পাওয়া দুষ্কর বটে। এক কথায় নেই বললে চলে। পূর্বে জড়ীপুটি দিয়ে রোগ সেরে যেতো। এখনকার দুনিয়ায় এন্টিবায়োটিক ছাড়া রোগ [ বিস্তারিত ]

যা আমি চাইনি

প্রদীপ চক্রবর্তী ৪ আগস্ট ২০২০, মঙ্গলবার, ০৯:৫২:২৬অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২১ মন্তব্য
অনেকটা রৈখিক স্কেলে মাপা প্রতি বর্গমিটারের দূরত্ব একের পর এক বেড়েই চলছে। যৌবনের মন ভ্রমরী নক্ষত্রেভেদ করতে যাচ্ছে, খানিকটা ভবঘুরে আর আনমনা হয়ে। জনশূন্য স্থপতিতে অক্সিজেনহীন পাতাবাহার। পাহাড়ের অরণ্য জুড়ে শাল,গর্জনের সাজানো রূপকথার কাব্য অনায়াসে বৃষ্টিতে ভিজে যাচ্ছে। বায়স্কোপহীন শহর, মরসুমিতে ভরা পরিত্যক্ত হলুদ খামে নিকোটিনের গন্ধ গ্রাস করে আছে। পরিত্যক্ত হলুদ খামের ভেতর লুকিয়ে [ বিস্তারিত ]

রাখিবন্ধন

প্রদীপ চক্রবর্তী ৩ আগস্ট ২০২০, সোমবার, ১১:৩২:৪৫পূর্বাহ্ন বিবিধ ২৫ মন্তব্য
🌻🌹  রাখিবন্ধন  🌹🌻 ➡️ সনাতন ধর্মে রাখি বন্ধন উৎসব কেন করা হয়? শ্রাবণের শেষ পূর্ণিমা তিথিতে অনুষ্ঠিত হয় রাখীবন্ধনের অনুষ্ঠান । এই দিনে দিদি তার ভাই এর হাতে রাখী বেঁধে দেন। এই বন্ধনের মধ্যে থাকে ভাই এর প্রতি দিদির আন্তরিক শুভকামনা, ভাই এর মনে থাকে দিদি কে রক্ষা করার দায়িত্ববোধ। এই রাখী বন্ধন এক বন্ধন [ বিস্তারিত ]
আমি যতটা আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছি। আমার জায়গায় যদি ঠিক তুমি ততটা আঘাতপ্রাপ্ত হতে? সেইদিন তুমিও ডায়রির পাতায় কিছু লিখে রাখতে। আমার সদ্যজাত কবিতার আড়ালে তোমার জন্ম। আমি তোমার মধ্য নিজেকে সৃষ্টি করতে গিয়ে বরং আঘাতপ্রাপ্ত হলাম! আমার কপালের অগ্রভাগ জুড়ে গোটা পৃথিবীর নীলাকাশ আর কিছুটা স্বপ্ন। অবশেষে তা বিলীন হওয়ার পথে। তোমার পার্সোনাল ডিকশনারিতে হাজারও ইচ্ছা [ বিস্তারিত ]

স্মৃতিতে সন্ধ্যা

প্রদীপ চক্রবর্তী ২৮ জুলাই ২০২০, মঙ্গলবার, ০৮:১১:৩২অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৭ মন্তব্য
বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যায় বর্ণমালা ভেসে ওঠে একে একে আমাদের খামখেয়ালি খামে। শতাব্দীর প্রতিটি বর্ণ সভ্যতায় এনে দিয়েছে উচ্চারণের সন্ধি প্রাণ। বাংলা, আর্য, চার্বাক, লেলিন, কুনফুসিয়াস অক্ষরে অক্ষরে তৈরি করেছে দর্শন। অনেক অজানা অদেখা স্বপ্ন তাতে ঘিরে আছে। গোধূলীর রক্তাম্বর মানে পাণিনির ইতিহাস নয়, সভ্যতার ইতিহাস। যেমন সিন্ধু, মেসোপটেমিয়া, মিশরের পিরামিড আর সপ্তম আশ্চর্যের সভ্যতা। সভ্যতার বুকে [ বিস্তারিত ]

আগমনী গোধূলি

প্রদীপ চক্রবর্তী ২৫ জুলাই ২০২০, শনিবার, ০৮:৫২:৪২অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৭ মন্তব্য
স্নিগ্ধ সুন্দর শ্রাবণের রাতে পেরিয়ে, মন উদাসী শরতের কাশফুলে একে একে ভেসে আসে আগমনী গন্ধ। অপেক্ষায়মান শরতে তুমি চাইলে আগমনী হয়ে আসতে পারো। কচিকাচা ঘাস জুড়ে শিশির আর শান্ত নদীতে বহতা স্রোত। শিশিরে শিশিরে গন্ধ,পুষ্পের সমাহারে তুমি বেড়ে ওঠো। গঙ্গার ঘাটের হংসমিথুন খেলিছে মন আপনমনে, চন্দ্রগ্রস্ত উদাসী স্বপ্ন বুননে। কেবলি দুঃখ, ব্যাধি, জ্বরা তাড়নার ভরসাতে। [ বিস্তারিত ]
পূবের মাঠ পেরোলেই ছাতিম, আর জারুলের বাগান। জমিদারবাড়ির পান্থপথে বিশাল আকৃতি দুটো সাইনবোর্ড লাগানো। একটা মিস্টার নগেন জ্যোতিষীর আরেকটা ডাক্তার নীলুদা শঙ্করের। প্রথম সাইনবোর্ডে লেখা, পূর্ববঙ্গ হতে আগত তান্ত্রিক, মহাতান্ত্রিক, মহাসাধক নগেন জ্যোতিষী। যাঁর রয়েছে অগণিত নানা সনদপত্র। বশীকরণ, যাদুকরণ,ভূতপ্রেত সাধনা,পরী সাধনা, অবিবাহিতাকে বিয়ে দিয়ে দেওয়া,তাবিজ ও যাদুটোনা। কড়ি চালান,বাটি চালান ইত্যাদি আরও কতকিছুতে পারদর্শী। [ বিস্তারিত ]

কাব্যরসে বনলতা

প্রদীপ চক্রবর্তী ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, ১১:০৬:৪১অপরাহ্ন কবিতা ২৫ মন্তব্য
বিদীর্ণ অমানিশা রাত্রি ক্লান্ত ঘুমে আচ্ছন্ন দুটি আঁখি, বাতানুকূল গৃহে কবিতা লেখে বিরহী। পালামৌ ভ্রমণে বনলতা অতন্দ্র প্রহরী, শয্যাপাশে এলিয়ে থাকা বালিশে মাথাগোঁজে সেনানী। শতাব্দীর প্রাচীর বেয়ে ঘুমঘোরে আচ্ছন্ন বিটপী, অভিসারের শেষে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে আঁখি বারি। কাকডাকা ভোরের অভিপ্রায়ে প্রহর গুনে বনলতা, যামিনী শেষে পত্ররন্ধ্রে ছিটিয়ে আছে শিশিরের জলকণা। নিজ কাব্যরসে বনলতা খোঁজে মুগ্ধতা, [ বিস্তারিত ]
তখন ডিসেম্বরের মাঝামাঝি শীত চাপিয়ে পড়েছে চারদিকে। রহমত আলী ফরেস্ট থেকে তিনদিনের সফর শেষ করে বাড়ি ফিরেছেন। সাথে করে নিয়ে আসলেন এক অদ্ভুত ভয়ংকর গা ছিমছিমে ও শিহরিত হয়ে উঠার গল্প। গল্প শুনার জন্য সবাই গোল হয়ে বসে আছে জমিদারবাড়ির দীঘির পাড়ে। তখন বিকাল প্রায় চারটের কাছাকাছি। সন্ধ্যা না হলে গল্প বলতে নারাজ রহমত আলী। [ বিস্তারিত ]

ভালোবাসার অভিসার

প্রদীপ চক্রবর্তী ১১ জুলাই ২০২০, শনিবার, ০৪:১৮:৫১অপরাহ্ন কবিতা ২৮ মন্তব্য
সবুজাভ অর্কিডের পাতায় অনুভূতি রয়, সুপ্তির কালে পাতা হলুদে অকৃত্রিম হয়। অজস্র বিটপীতে বয়ে চলে পাহাড়সম ভালোবাসা, পত্ররন্ধ্রে ছুঁয়ে আছে অন্তচিত্তের আশা। নিদারুণ অনুভূতি হারিয়েছে নাব্যতা, আবেগের চাদরে মুখ মুড়িয়ে রোদের সাথে সমঝোতা। সদ্যভোরের গোপন আলো ছড়ায় আপন উচ্ছ্বাসে, সাদাকালো অনুভূতি নিমিষে যায় অকালে ডুবে। কঠিন পাথরের গায়ে সবুজে ঘেরা শ্যাওলা ফার্ণ, অনুভূতির হৃদয়ে যার [ বিস্তারিত ]
পৃথিবীর প্রতিটি দেশে যুদ্ধ হয়েছে। আর এ যুদ্ধের সাথে বিবর্তন ও পরিবর্তন হয়েছে ভূতপ্রেতের। ভূতেরা নাকি কামান ও ভয়ানক আগ্নেস্ত্রাকে ভয় পেত। সে ভয়ে অনেক ভূত পালিয়েছে। তেমনি হরিবাবুর জমিদারবাড়িতে হয়েছে। যা একসময় আফ্রিকান ভূতপ্রেতেরা হরিবাবুর সপ্ততরী করে চলে আসে। গ্রামের লোকজন সন্ধ্যা হলে জমিয়ে দিত নানান গল্প। আর এ গল্প ভূতপ্রেতকে নিয়ে। যা আজকাল [ বিস্তারিত ]
ভূতপ্রেতরা অদ্ভুত জগতের এক বাসিন্দা। তাদের বসবাস মনুষ্য সমাজ থেকে বহুদূর। মনুষ্য সমাজ তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গেলে ঘাড়চেপে ধরে। বিশেষ করে গ্রামের লোকজন ভূতপ্রেতে বিশ্বাসী। এ বিশ্বাসকে মনে করিয়ে জমিদারবাড়িকে গ্রামের লোকজন নাম দিয়েছে ভূতবাড়ি। তান্ত্রিক মহাতান্ত্রিকরা হার মেনেছেন বাগানবাড়ির বিদেশি ভূতপ্রেতের কাছে। এইবার ঠিকে আছেন ডাক্তার নীলুদা ও মিস্টার নগেন জ্যোতিষী। লোকজন মনে করে [ বিস্তারিত ]
আজ এক চড়ে বদন বিগড়ে দিবো। মনে রাখিস এখনো জমিদার হরিবাবু চিতায় উঠে নি। যখনতখন ঘাড়চেপে ধরবে। ভূতের বাচ্চা ভূত! তোদের কাজকাম নেই। যখনতখন এসে আমায় জ্বালাতন দিয়ে থাকিস। অনেকদিন পর হরিবাবু ভূতপ্রেতের স্বপ্নে বিভোর হয়ে এসব কথা বলছেন। পাশের ঘর থেকে এমন কথা শুনে হিন্দুবালা চিৎকার দিয়ে বলছেন ওরে ওরে, ওঠো তোরা। সর্বনাশ হয়ে [ বিস্তারিত ]
নীলুদা ডাক্তার তামাকু সেবনে বড়ই পটু। পূর্বে আনা তামাক গুলোতে দুর্গন্ধ ধরছে। যা খাওয়ার উপযোগী নয়। হরিবাবুকে ডেকে বলছেন আমার জন্য ভদ্র তামাকু সেবনের ব্যবস্থা করো। না হলে আমি আর পারছি না। হরিবাবু ঠিক আছে বলে,মোহনকে পাঠিয়ে দিলেন বাজারে। মেছোভূত, ডাকিনী, পেত্নী, শাঁকচুন্নি, স্কন্ধকাটা, ডাইনি ইত্যাদি ইত্যাদি কতরকমের ভূতপ্রেতের বসবাস না কি জমিদারবাড়ির বাগানবাড়িতে। এসব [ বিস্তারিত ]
কাকচক্ষু জলে, সে সকালে প্রবীণ রেললাইনের জমানো অপেক্ষা গুলোর শূন্যতা গিলে খেয়েছে নিউক্লিয়াস। বরং বৃষ্টিভেজা পাতার বুকে ভূগোলের মানচিত্র এঁকে তুমি পিপাসিত পাহাড়ের ধারিত ঝর্ণা হয়ে ওঠো। আমি না হয় সবুজাভ পাহাড়ের দ্বিপ হলাম। তুমি আসবে বলে সেই কবে আগমনী গান গেয়ে উঠেছে শরৎ। নদীর তীর আর কুয়াশায় সুশোভিত কাশফুলের আনাগোনা। দ্বিপ্রহরে আমি দাঁড়িয়ে থাকি [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ