প্রদীপ চক্রবর্তী

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ১ বছর ১ মাস ১৬ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ১০১টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ১৮৪৭টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১৬৭০টি
পৃথিবীর প্রতিটি দেশে যুদ্ধ হয়েছে। আর এ যুদ্ধের সাথে বিবর্তন ও পরিবর্তন হয়েছে ভূতপ্রেতের। ভূতেরা নাকি কামান ও ভয়ানক আগ্নেস্ত্রাকে ভয় পেত। সে ভয়ে অনেক ভূত পালিয়েছে। তেমনি হরিবাবুর জমিদারবাড়িতে হয়েছে। যা একসময় আফ্রিকান ভূতপ্রেতেরা হরিবাবুর সপ্ততরী করে চলে আসে। গ্রামের লোকজন সন্ধ্যা হলে জমিয়ে দিত নানান গল্প। আর এ গল্প ভূতপ্রেতকে নিয়ে। যা আজকাল [ বিস্তারিত ]
ভূতপ্রেতরা অদ্ভুত জগতের এক বাসিন্দা। তাদের বসবাস মনুষ্য সমাজ থেকে বহুদূর। মনুষ্য সমাজ তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গেলে ঘাড়চেপে ধরে। বিশেষ করে গ্রামের লোকজন ভূতপ্রেতে বিশ্বাসী। এ বিশ্বাসকে মনে করিয়ে জমিদারবাড়িকে গ্রামের লোকজন নাম দিয়েছে ভূতবাড়ি। তান্ত্রিক মহাতান্ত্রিকরা হার মেনেছেন বাগানবাড়ির বিদেশি ভূতপ্রেতের কাছে। এইবার ঠিকে আছেন ডাক্তার নীলুদা ও মিস্টার নগেন জ্যোতিষী। লোকজন মনে করে [ বিস্তারিত ]
আজ এক চড়ে বদন বিগড়ে দিবো। মনে রাখিস এখনো জমিদার হরিবাবু চিতায় উঠে নি। যখনতখন ঘাড়চেপে ধরবে। ভূতের বাচ্চা ভূত! তোদের কাজকাম নেই। যখনতখন এসে আমায় জ্বালাতন দিয়ে থাকিস। অনেকদিন পর হরিবাবু ভূতপ্রেতের স্বপ্নে বিভোর হয়ে এসব কথা বলছেন। পাশের ঘর থেকে এমন কথা শুনে হিন্দুবালা চিৎকার দিয়ে বলছেন ওরে ওরে, ওঠো তোরা। সর্বনাশ হয়ে [ বিস্তারিত ]
নীলুদা ডাক্তার তামাকু সেবনে বড়ই পটু। পূর্বে আনা তামাক গুলোতে দুর্গন্ধ ধরছে। যা খাওয়ার উপযোগী নয়। হরিবাবুকে ডেকে বলছেন আমার জন্য ভদ্র তামাকু সেবনের ব্যবস্থা করো। না হলে আমি আর পারছি না। হরিবাবু ঠিক আছে বলে,মোহনকে পাঠিয়ে দিলেন বাজারে। মেছোভূত, ডাকিনী, পেত্নী, শাঁকচুন্নি, স্কন্ধকাটা, ডাইনি ইত্যাদি ইত্যাদি কতরকমের ভূতপ্রেতের বসবাস না কি জমিদারবাড়ির বাগানবাড়িতে। এসব [ বিস্তারিত ]
কাকচক্ষু জলে, সে সকালে প্রবীণ রেললাইনের জমানো অপেক্ষা গুলোর শূন্যতা গিলে খেয়েছে নিউক্লিয়াস। বরং বৃষ্টিভেজা পাতার বুকে ভূগোলের মানচিত্র এঁকে তুমি পিপাসিত পাহাড়ের ধারিত ঝর্ণা হয়ে ওঠো। আমি না হয় সবুজাভ পাহাড়ের দ্বিপ হলাম। তুমি আসবে বলে সেই কবে আগমনী গান গেয়ে উঠেছে শরৎ। নদীর তীর আর কুয়াশায় সুশোভিত কাশফুলের আনাগোনা। দ্বিপ্রহরে আমি দাঁড়িয়ে থাকি [ বিস্তারিত ]
আনন্দপুর জায়গাটা প্রাচীনকাল হতে ভ্রমণের জন্য উপযোগী। দেশের বাইরে থেকে অনেক লোক আসে। প্রাকৃতিক পরিবেশ এছাড়া এ অঞ্চলের আবহাওয়া  ছিলো অন্যরকম। বিশেষ করে জমিদাররা আসতেন আনন্দপুর ভ্রমণে। আনন্দপুর জায়গাটা না শহর,না গ্রাম। এ দুইয়ের মাঝামাঝি ছিলো। চারদিকে উঁচুনিচু, ঢালু, ভঙ্গিল পাহাড় আর সবুজে আচ্ছাদিত গাছপালা দিয়ে ডাকা। জমিদার হরিবাবুর বাড়িতে বড় হলঘর ছিলো এছাড়া রয়েছে [ বিস্তারিত ]
আমি তখন জাতিসংঘের শান্তি মিশনে কর্মরত ছিলাম! রহমান মিয়া ভোর হতে না হতেই মসজিদের মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে আযান দিতে লাগলেন। মসজিদের ঠিক পূর্ব পাশে রাজরাজেশ্বরী মন্দির। মন্দিরের পুরোহিত নিধুভূষণ কাঁসর ঘণ্টা আর শঙ্খধ্বনি বাজিয়ে পূজো দিচ্ছেন। বেশ কয়েকদিন আগে ছুটি পেয়ে বাড়ি এসেছি। রহমান চাচা ও নিধুভূষণ দুজনি ছিলেন একে অপরের বাল্যবন্ধু। একসাথে খেলাধূলা, স্কুলে [ বিস্তারিত ]

শ্বশুরমশাই

প্রদীপ চক্রবর্তী ২৬ জুন ২০২০, শুক্রবার, ০৯:১৮:০৫অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩১ মন্তব্য
আমি সর্বদাই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অনুসারী। তাই সাধু ও চলিতভাষা কখন কোথায় বসিবে তাহা নিয়া আজকাল চুকাইনা! বরং সে কালো হোক আমি যে তাকে ভালোবাসিতে রাজী। যদি তার হৃদমন্দির সরল ও সুন্দর হয়। তাহার পিতা কেরানি তবে কঠিন লোক। তবুও তার পিতা আমাকে তাঁর একমাত্র কন্যার জামাতা করিতে চান। এছাড়া বহুটাকা দিবেন বলে আশ্বাসও দিয়েছেন। এতসব [ বিস্তারিত ]
গুণি জ্যোতিষী মিস্টার নগেন চ্যাটার্জী একের পর এক গ্রহদোষ কাটাচ্ছেন। লালমোহনের ঘরের চারদিক জুড়ে মোমবাতি তার মধ্যখানে মরা মাথার খুলি। খুলিটা দেখতে বেশ ভয়ংকর। এমন ভয়ংকর মরা মাথার খুলি দেখে হরিবাবু চেঁচিয়ে উঠেছেন। লোকজন রোজ চিৎকার দিয়ে জমিদারবাড়িরকে ভূতবাড়ি বলে। তারমধ্য নরকঙ্কালের মাথার খুলি। সেটা আশপাশের লোকজন জানলে বাড়িটা একেবারে আকাশে তুলে দেবে। বিনু একথা [ বিস্তারিত ]
পুরান থেকে আমরা জানতে পারি রথ যাত্রার ইতিকথা । স্কন্দ পুরানে আমরা পাই যে ইন্দ্রদ্যম্ন নামে এক রাজা ছিলেন উত্কল রাজ্যে (বর্তমান উড়িষ্যা) তিনি ছিলেন পরম ভক্ত । তিনি একদিন স্বপ্নাদিষ্ট হন একটি মন্দির নির্মানের জন্যে । পরে দেবর্ষী নারদ এসে জানন স্বয়ং ব্রহ্মার ও তাই ইচ্ছা ,তিনি নিজে সেটা উদ্বোধন করবেন । এভাবে কাজ [ বিস্তারিত ]
সূর্যগ্রহণই বলুন, কি চন্দ্রগ্রহণ—ছোটবেলা থেকেই তো শুনে আসছেন, গ্রহণের সময় নাকি এই করতে নেই, তাই করতে নেই! খাবার খেতে নেই, বাড়ির বাইরে বেরোতে নেই—এমন আরও অনেক কিছু। তা আপনার মনেও নিশ্চয়ই প্রশ্ন জেগেছে যে কেন গ্রহণের সময় খাবার খেতে নেই? আর আশেপাশের লোকজনকে জিজ্ঞেস করেও কোনো সদুত্তর পাননি। তাই সেই চক্করে কিছু না জেনেই কিছু [ বিস্তারিত ]

গোপালের রামলীলা

প্রদীপ চক্রবর্তী ১৯ জুন ২০২০, শুক্রবার, ১১:৩৮:০৯অপরাহ্ন কবিতা ২০ মন্তব্য
আয় মদন খেলবি মাঠে, নগেন যায় বল নিয়ে। মধুরাম বাঁশি বাজায়, নিধুরাম গরু চরায়। বোকারাম ধোকা দেয়, পেঁচারাম বিটে যায় কুম্ভরামের মাথায়। উইপোকা কাপড় কাটে, ছারপোকা ট্রেন চড়ে। পটলরাম মাছ কিনে, ভিতুরাম পিছুটানে। পেটমোটা গোপালবেটা, বাড়ি নিয়ে যায় ইলিশ মাছের কাটা। ভেপুরামের সুন্দরি বউ তার, হেসে হেসে কাটায় সুখের সংসার। প্যাঁচালরাম জিলাপি বানায়, বউয়ের সাথে [ বিস্তারিত ]
বিকেল হতে আর বেশ একটা দেরি নেই। আজ আনন্দপুরের সপ্তাহের শেষ বাজার। শীতের বিকেলে অলিগলি বাজারে বিক্রেতারা নানা ধরনের পিঠেপুলি নিয়ে বসেছে। বিনু,রাঘব ও লালমোহন তিনজনি বসে পিঠা খাচ্ছে। লালমোহন খাওয়াদাওয়া সবকিছুতে তার জামাইবাবুর মতো আগেভাগে। গরম গরম পিঠেপুলি তিনজনেরই বেশ প্রিয়। আজ সন্ধ্যাবেলায় এক জ্যোতিষী আসার কথা জমিদারবাড়িতে। জ্যোতিষী না কি অনেক গুণে গুণান্বিত। [ বিস্তারিত ]
দিনের পর দিন জমিদারবাড়িতে ভূতের রহস্য বেড়ে চলছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ ভূতের দেখা পায়নি। যদিও প্লানচেটে ভূতের অশরীর আত্মার আহ্বান করা হয়েছে। এমন আহ্বানে ভূতের আত্মা আসে কিন্তু আপাদমস্তক নিয়ে ভূত আসেনা। পুরনো বাগানবাড়ির রক্ষীপ্রাচীর ভেঙ্গে পড়েছে। একমাত্র ঠিকে আছে ঐতিহ্যবাহী সিন্দুক। সিন্দুকের ভেতর অনেক পুরনো পুরনো বইপত্র। বইগুলোতে ভূতপ্রেতের আবাহনী তন্ত্রমন্ত্র আছে। এছাড়া [ বিস্তারিত ]
ধূসর পান্ডুলিপি আর খুচরা পদাবলিতে সে বিরহের কথা আজ আর লেখা হয় না। তুমি গঙ্গার বয়ে চলা স্রোতকে আজও অনুভব করতে পারো নি তাহলে কেমন করে প্রেমিক হবে? তুমি একবারও নিশিযাপন করে অনুভব করো নি অপরাজিতার গন্ধ। শূন্যের মাঝে তোমার ছায়াচিত্র দিয়ে যে আল্পনা আঁকা সেটা আজ অশোকের ফুলে ডাকা। ভিজে যাওয়া বর্ষার পত্রবৃন্তের নির্যাসকে [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য