আনন্দপুর জায়গাটা প্রাচীনকাল হতে ভ্রমণের জন্য উপযোগী। দেশের বাইরে থেকে অনেক লোক আসে। প্রাকৃতিক পরিবেশ এছাড়া এ অঞ্চলের আবহাওয়া  ছিলো অন্যরকম। বিশেষ করে জমিদাররা আসতেন আনন্দপুর ভ্রমণে। আনন্দপুর জায়গাটা না শহর,না গ্রাম। এ দুইয়ের মাঝামাঝি ছিলো। চারদিকে উঁচুনিচু, ঢালু, ভঙ্গিল পাহাড় আর সবুজে আচ্ছাদিত গাছপালা দিয়ে ডাকা। জমিদার হরিবাবুর বাড়িতে বড় হলঘর ছিলো এছাড়া রয়েছে [ বিস্তারিত ]
আমি তখন জাতিসংঘের শান্তি মিশনে কর্মরত ছিলাম! রহমান মিয়া ভোর হতে না হতেই মসজিদের মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে আযান দিতে লাগলেন। মসজিদের ঠিক পূর্ব পাশে রাজরাজেশ্বরী মন্দির। মন্দিরের পুরোহিত নিধুভূষণ কাঁসর ঘণ্টা আর শঙ্খধ্বনি বাজিয়ে পূজো দিচ্ছেন। বেশ কয়েকদিন আগে ছুটি পেয়ে বাড়ি এসেছি। রহমান চাচা ও নিধুভূষণ দুজনি ছিলেন একে অপরের বাল্যবন্ধু। একসাথে খেলাধূলা, স্কুলে [ বিস্তারিত ]

শ্বশুরমশাই

প্রদীপ চক্রবর্তী ২৬ জুন ২০২০, শুক্রবার, ০৯:১৮:০৫অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩১ মন্তব্য
আমি সর্বদাই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অনুসারী। তাই সাধু ও চলিতভাষা কখন কোথায় বসিবে তাহা নিয়া আজকাল চুকাইনা! বরং সে কালো হোক আমি যে তাকে ভালোবাসিতে রাজী। যদি তার হৃদমন্দির সরল ও সুন্দর হয়। তাহার পিতা কেরানি তবে কঠিন লোক। তবুও তার পিতা আমাকে তাঁর একমাত্র কন্যার জামাতা করিতে চান। এছাড়া বহুটাকা দিবেন বলে আশ্বাসও দিয়েছেন। এতসব [ বিস্তারিত ]
গুণি জ্যোতিষী মিস্টার নগেন চ্যাটার্জী একের পর এক গ্রহদোষ কাটাচ্ছেন। লালমোহনের ঘরের চারদিক জুড়ে মোমবাতি তার মধ্যখানে মরা মাথার খুলি। খুলিটা দেখতে বেশ ভয়ংকর। এমন ভয়ংকর মরা মাথার খুলি দেখে হরিবাবু চেঁচিয়ে উঠেছেন। লোকজন রোজ চিৎকার দিয়ে জমিদারবাড়িরকে ভূতবাড়ি বলে। তারমধ্য নরকঙ্কালের মাথার খুলি। সেটা আশপাশের লোকজন জানলে বাড়িটা একেবারে আকাশে তুলে দেবে। বিনু একথা [ বিস্তারিত ]
পুরান থেকে আমরা জানতে পারি রথ যাত্রার ইতিকথা । স্কন্দ পুরানে আমরা পাই যে ইন্দ্রদ্যম্ন নামে এক রাজা ছিলেন উত্কল রাজ্যে (বর্তমান উড়িষ্যা) তিনি ছিলেন পরম ভক্ত । তিনি একদিন স্বপ্নাদিষ্ট হন একটি মন্দির নির্মানের জন্যে । পরে দেবর্ষী নারদ এসে জানন স্বয়ং ব্রহ্মার ও তাই ইচ্ছা ,তিনি নিজে সেটা উদ্বোধন করবেন । এভাবে কাজ [ বিস্তারিত ]
সূর্যগ্রহণই বলুন, কি চন্দ্রগ্রহণ—ছোটবেলা থেকেই তো শুনে আসছেন, গ্রহণের সময় নাকি এই করতে নেই, তাই করতে নেই! খাবার খেতে নেই, বাড়ির বাইরে বেরোতে নেই—এমন আরও অনেক কিছু। তা আপনার মনেও নিশ্চয়ই প্রশ্ন জেগেছে যে কেন গ্রহণের সময় খাবার খেতে নেই? আর আশেপাশের লোকজনকে জিজ্ঞেস করেও কোনো সদুত্তর পাননি। তাই সেই চক্করে কিছু না জেনেই কিছু [ বিস্তারিত ]

গোপালের রামলীলা

প্রদীপ চক্রবর্তী ১৯ জুন ২০২০, শুক্রবার, ১১:৩৮:০৯অপরাহ্ন কবিতা ২০ মন্তব্য
আয় মদন খেলবি মাঠে, নগেন যায় বল নিয়ে। মধুরাম বাঁশি বাজায়, নিধুরাম গরু চরায়। বোকারাম ধোকা দেয়, পেঁচারাম বিটে যায় কুম্ভরামের মাথায়। উইপোকা কাপড় কাটে, ছারপোকা ট্রেন চড়ে। পটলরাম মাছ কিনে, ভিতুরাম পিছুটানে। পেটমোটা গোপালবেটা, বাড়ি নিয়ে যায় ইলিশ মাছের কাটা। ভেপুরামের সুন্দরি বউ তার, হেসে হেসে কাটায় সুখের সংসার। প্যাঁচালরাম জিলাপি বানায়, বউয়ের সাথে [ বিস্তারিত ]
বিকেল হতে আর বেশ একটা দেরি নেই। আজ আনন্দপুরের সপ্তাহের শেষ বাজার। শীতের বিকেলে অলিগলি বাজারে বিক্রেতারা নানা ধরনের পিঠেপুলি নিয়ে বসেছে। বিনু,রাঘব ও লালমোহন তিনজনি বসে পিঠা খাচ্ছে। লালমোহন খাওয়াদাওয়া সবকিছুতে তার জামাইবাবুর মতো আগেভাগে। গরম গরম পিঠেপুলি তিনজনেরই বেশ প্রিয়। আজ সন্ধ্যাবেলায় এক জ্যোতিষী আসার কথা জমিদারবাড়িতে। জ্যোতিষী না কি অনেক গুণে গুণান্বিত। [ বিস্তারিত ]
দিনের পর দিন জমিদারবাড়িতে ভূতের রহস্য বেড়ে চলছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ ভূতের দেখা পায়নি। যদিও প্লানচেটে ভূতের অশরীর আত্মার আহ্বান করা হয়েছে। এমন আহ্বানে ভূতের আত্মা আসে কিন্তু আপাদমস্তক নিয়ে ভূত আসেনা। পুরনো বাগানবাড়ির রক্ষীপ্রাচীর ভেঙ্গে পড়েছে। একমাত্র ঠিকে আছে ঐতিহ্যবাহী সিন্দুক। সিন্দুকের ভেতর অনেক পুরনো পুরনো বইপত্র। বইগুলোতে ভূতপ্রেতের আবাহনী তন্ত্রমন্ত্র আছে। এছাড়া [ বিস্তারিত ]
ধূসর পান্ডুলিপি আর খুচরা পদাবলিতে সে বিরহের কথা আজ আর লেখা হয় না। তুমি গঙ্গার বয়ে চলা স্রোতকে আজও অনুভব করতে পারো নি তাহলে কেমন করে প্রেমিক হবে? তুমি একবারও নিশিযাপন করে অনুভব করো নি অপরাজিতার গন্ধ। শূন্যের মাঝে তোমার ছায়াচিত্র দিয়ে যে আল্পনা আঁকা সেটা আজ অশোকের ফুলে ডাকা। ভিজে যাওয়া বর্ষার পত্রবৃন্তের নির্যাসকে [ বিস্তারিত ]
অন্যান্য গ্রামের চেয়ে আনন্দপুরে সন্ধ্যা হয় খুব একটা দেরিতে। আকাশ গোধূলিতে পরিপূর্ণ। মুখে কালো দাঁড়ি,চোখে কালো রঙের চশমা আর মাথায় লালরঙের টুপি। দেখে মনে হচ্ছে লোকটি পুলিশে চাকরি করে। বয়স প্রায় পঁচিশ ত্রিশ এর কাছাকাছি। কাকতালীয়া ভাবসাব দেখে বিনু মনেমনে ভাবছে লোকটির ভেতর রহস্য আছে। লোকটিকে জমিদার হরিবাবুর বাগানবাড়িতে থাকার জায়গা দেওয়া হয়েছে। চারদিনের জন্য [ বিস্তারিত ]
বর্ষার ঘনঘন বৃষ্টিভেজা গা নিয়ে ছুটে যেতাম প্রবীণ রেললাইনে। কখনো শিমুল,পলাশের বাগানে। কখনো বা ছুটে যেতাম বায়স্কোপ দেখবো বলে। অপেক্ষায় বসে থাকতাম এ বাড়ি ও বাড়ি হতে কুড়িয়ে পাওয়া দু-একটা টিনের টুকরো দিয়ে হাওয়ার মিঠাই খাওয়ার আশায়। এক ফালি রৌদ্রের আমেজ পেলে ছুটে যেতাম মাঠে সাতরঙা ঘুড়ি উড়াবো বলে। রোজ স্থলপদ্মের গন্ধ গায়ে মাখব বলে [ বিস্তারিত ]
জমিদারবাবু সর্বদা শৌখিন লোক। মস্তিষ্ক ভরা তাঁর কুটকৌশলে। তদ্রূপ বাড়ির কালো বিড়ালটাও ধূর্ত ও ফিজিক্যালি। আকাশ কুয়াশায় আচ্ছন্ন। রাঘব অনিবার্ণ প্রদীপ জ্বালিয়ে বসে আছে আজ ভূত ধরে ছাড়বেই। কত প্ল্যানিং, প্লানিং করেও বিড়াল ধরা যাচ্ছেনা আর ভূত ধরা তো দূরের কথা। কালো বিড়াল লুকিয়ে আছে একটা বটগাছের মগডালে। তাকে তো খুঁজেই পাচ্ছে না কেউ। রাঘব [ বিস্তারিত ]
জমিদার হরিবাবুর এক বাল্যবন্ধু নবীনবাবু তাঁর বসবাস উত্তরবঙ্গে। বয়স প্রায় আশির কাছাকাছি। ওকালতি করে সংসার চলে। বড্ড পেঁচুক মানুষ। লোকে প্যাঁচাল নবীন বলে ডাকে। কথায় কথায় প্যাঁচ ছাড়া আর কিছু বলার থাকে না তাঁর। আজ ছুটি বিধায় বাড়িতে বসে পত্রিকা পড়ছেন। পত্রিকার হেড লাইনে ভেসে উঠলো, আনন্দপুরের জমিদার হরিবাবুর বাড়ি আজ হতে ভূতবাড়ি নামে নামকরণ [ বিস্তারিত ]
বাগানবাড়ির ভূতের লাইব্রেরি ভাঙাচোরা ও শ্রীহীন। তারমধ্য চারদিক জুড়ে অন্ধকার হয়ে আছে গাছগাছালিতে। কয়েকশো বছর পূর্বের বাড়ি কোনরকম দাঁড়িয়ে আছে। এ বাড়িতে মোটেও সংস্কার কাজে হাত দেন নি হরিবাবু। লাইব্রেরির ভেতর ভূতপ্রেতের কারুকার্যে ভরপুর। এসবের উপর তলানি পড়ে আছে। বইগুলো প্রাচীন বটগাছের কাঠের সিন্ধুকের ভেতর থাকায় কোনকিছু নষ্ট হয়নি। এ বাগানবাড়ির লাইব্রেরির একপাশে থাকতো যতীন্দ্রনাথ [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য