প্রদীপ চক্রবর্তী

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ১ বছর ৩ মাস ২৪ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ১১৭টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ২১৯৮টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ২০৫২টি
ধূসর পান্ডুলিপি আর খুচরা পদাবলিতে সে বিরহের কথা আজ আর লেখা হয় না। তুমি গঙ্গার বয়ে চলা স্রোতকে আজও অনুভব করতে পারো নি তাহলে কেমন করে প্রেমিক হবে? তুমি একবারও নিশিযাপন করে অনুভব করো নি অপরাজিতার গন্ধ। শূন্যের মাঝে তোমার ছায়াচিত্র দিয়ে যে আল্পনা আঁকা সেটা আজ অশোকের ফুলে ডাকা। ভিজে যাওয়া বর্ষার পত্রবৃন্তের নির্যাসকে [ বিস্তারিত ]
অন্যান্য গ্রামের চেয়ে আনন্দপুরে সন্ধ্যা হয় খুব একটা দেরিতে। আকাশ গোধূলিতে পরিপূর্ণ। মুখে কালো দাঁড়ি,চোখে কালো রঙের চশমা আর মাথায় লালরঙের টুপি। দেখে মনে হচ্ছে লোকটি পুলিশে চাকরি করে। বয়স প্রায় পঁচিশ ত্রিশ এর কাছাকাছি। কাকতালীয়া ভাবসাব দেখে বিনু মনেমনে ভাবছে লোকটির ভেতর রহস্য আছে। লোকটিকে জমিদার হরিবাবুর বাগানবাড়িতে থাকার জায়গা দেওয়া হয়েছে। চারদিনের জন্য [ বিস্তারিত ]
বর্ষার ঘনঘন বৃষ্টিভেজা গা নিয়ে ছুটে যেতাম প্রবীণ রেললাইনে। কখনো শিমুল,পলাশের বাগানে। কখনো বা ছুটে যেতাম বায়স্কোপ দেখবো বলে। অপেক্ষায় বসে থাকতাম এ বাড়ি ও বাড়ি হতে কুড়িয়ে পাওয়া দু-একটা টিনের টুকরো দিয়ে হাওয়ার মিঠাই খাওয়ার আশায়। এক ফালি রৌদ্রের আমেজ পেলে ছুটে যেতাম মাঠে সাতরঙা ঘুড়ি উড়াবো বলে। রোজ স্থলপদ্মের গন্ধ গায়ে মাখব বলে [ বিস্তারিত ]
জমিদারবাবু সর্বদা শৌখিন লোক। মস্তিষ্ক ভরা তাঁর কুটকৌশলে। তদ্রূপ বাড়ির কালো বিড়ালটাও ধূর্ত ও ফিজিক্যালি। আকাশ কুয়াশায় আচ্ছন্ন। রাঘব অনিবার্ণ প্রদীপ জ্বালিয়ে বসে আছে আজ ভূত ধরে ছাড়বেই। কত প্ল্যানিং, প্লানিং করেও বিড়াল ধরা যাচ্ছেনা আর ভূত ধরা তো দূরের কথা। কালো বিড়াল লুকিয়ে আছে একটা বটগাছের মগডালে। তাকে তো খুঁজেই পাচ্ছে না কেউ। রাঘব [ বিস্তারিত ]
জমিদার হরিবাবুর এক বাল্যবন্ধু নবীনবাবু তাঁর বসবাস উত্তরবঙ্গে। বয়স প্রায় আশির কাছাকাছি। ওকালতি করে সংসার চলে। বড্ড পেঁচুক মানুষ। লোকে প্যাঁচাল নবীন বলে ডাকে। কথায় কথায় প্যাঁচ ছাড়া আর কিছু বলার থাকে না তাঁর। আজ ছুটি বিধায় বাড়িতে বসে পত্রিকা পড়ছেন। পত্রিকার হেড লাইনে ভেসে উঠলো, আনন্দপুরের জমিদার হরিবাবুর বাড়ি আজ হতে ভূতবাড়ি নামে নামকরণ [ বিস্তারিত ]
বাগানবাড়ির ভূতের লাইব্রেরি ভাঙাচোরা ও শ্রীহীন। তারমধ্য চারদিক জুড়ে অন্ধকার হয়ে আছে গাছগাছালিতে। কয়েকশো বছর পূর্বের বাড়ি কোনরকম দাঁড়িয়ে আছে। এ বাড়িতে মোটেও সংস্কার কাজে হাত দেন নি হরিবাবু। লাইব্রেরির ভেতর ভূতপ্রেতের কারুকার্যে ভরপুর। এসবের উপর তলানি পড়ে আছে। বইগুলো প্রাচীন বটগাছের কাঠের সিন্ধুকের ভেতর থাকায় কোনকিছু নষ্ট হয়নি। এ বাগানবাড়ির লাইব্রেরির একপাশে থাকতো যতীন্দ্রনাথ [ বিস্তারিত ]
তোমাকে ঘিরে একটি সকাল এসেছিলো আঁচলে পূর্বাকাশের সূর্যমেখে? তোমার অনুভবের যোজন অভিসারের শেষে এসেছিলো শিউলি ঝরা ভোর। হারিয়ে যাওয়া সভ্যতা বিলুপ্তির ইতিহাসের খাতায় প্রেমিক নাম লিখেছে তা রাখালিয়া। যে ভরদুপুরে বাজিয়ে ছিলো বাঁশি। ঘাসের ডগায় শরৎ ছোঁয়ে যে শিশির এসেছিলো প্রেমিক ভালোবেসে তার নাম দিয়েছে দূর্বাদল। তুমি তখন অট্টালিকার সাম্রাজ্য খুঁজতে গিয়ে সমুদ্রের তারুণ্য উত্তালকে [ বিস্তারিত ]
ঘোর অমাবস্যা, তারমধ্যে ঘড়ির কাটায় বারোটা বেজে পনেরো মিনিট। লালমোহন শালুক কাপড় পরে তৈরি হচ্ছে বাগানবাড়ির অশ্বত্থ গাছের নিচে বসে তার জামাইবাবুকে নিয়ে প্লানচেটের মাধ্যমে ভূতপ্রেতের আবাহন করতে। চারদিক জুড়ে অন্ধকার নেই আকাশে তারারত্নের আনাগোনা। পুরো শহর ঘুমঘোরে আচ্ছন্ন। হরিবাবু ভিন্ন রঙের রঙ দিয়ে আবাহনী দাগ টানছেন।  লালমোহন প্লানচেটের আবাহনী শুদ্ধতার মন্ত্র দিয়ে পবিত্র করছে। [ বিস্তারিত ]
অদ্ভুত কথা কেন বারবার বলতে যাও বিনু। আমি একজন জমিদার আমার মুখের উপর তোমার কোন কথা মানায় না। দূর গাঁ হতে এসেছে বলে কিছু বলতে যাচ্ছি না। না হলে বাড়ির কালোবিড়াল দিয়ে ঝেঁটিয়ে বিদায় দিতাম দুজনকে। আজ্ঞে কর্তামশাই আপনার কালোবিড়াল নাকি রাতের বেলা কালোভূত হয়ে যায়! কে বলে বিনু এমন উদ্ভট কথাবার্তা? আজ্ঞে কর্তামশাই কে [ বিস্তারিত ]
শীতের রাত্রি। হরিবাবু ঘুমানোর পূর্বে বারান্দায় বসে প্রতিনিয়ত তামাক খেতেন। আজও আপনমনে টান দিতেছেন তামাকে। লালমোহন খেয়েদেয়ে শুইয়া আছে এখন আর ডেকে তোলা তাকে সম্ভব নয়। চারদিক নিস্তব্ধ, রাত্রি গভীর হতে চলছে। হরিবাবু হুঁকাটি সযত্নে বারান্দার দেওয়ালে ঠেস দিয়ে রাখলেন। হাত পা ধুয়ে শয্যাগৃহে উপস্থিত হলেন। দুয়ারটি বন্ধ করে যেই বিছানার পাশে গেলেন হঠাৎ করে [ বিস্তারিত ]

স্মৃতি রোমন্থন

প্রদীপ চক্রবর্তী ১০ মে ২০২০, রবিবার, ০৯:১৩:০০অপরাহ্ন স্মৃতিকথা ১৯ মন্তব্য
শরৎ শোভায় সুশোভিত নিপাট শৈশবসঙ্গী আর কিছুটা এলকোহলিক নেশা… এ দিয়ে আমার স্মৃতিকথার অগ্রযাত্রা! আমি গ্রামের সন্তান তাই গ্রাম আমার সভ্যতা ও সংস্কৃতির পাদপীঠ। আমার গায়ে মা মাটির গন্ধ। নেই আভিজাত্যের আভাস। সবুজ প্রকৃতির নিভৃত এক প্রীতিময় আবেগ ও স্নিগ্ধতায় সর্বাঙ্গ পরিপুষ্ট গ্রামে আমার জন্ম। শৈশবকালে মায়ের কোলে হাসিতে আর খেলিতে একে একে শৈশবের স্মৃতি [ বিস্তারিত ]
জমিদার হরিবাবু নামীদামী লোক হলে কি হলো বড্ড লোভী মানুষ ছিলেন। শ্বশুর বাড়ি অনেক জায়গা সম্পত্তি গোলাধকরণ করেছেন। এক পা দু পা করে লালমোহন বাজারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে মাছ কিনতে। কি মাছ কিনে আনবে হরিবাবু তা স্পষ্ট করে বলেন নি। কিন্তু টাকা দিয়েছেন অনেক। রাস্তায় হঠাৎ দেখা হয়ে গেলো বিনু ও রাঘবের সাথে দুজনি বাজার [ বিস্তারিত ]
বর্ষার ঘনঘন বৃষ্টিভেজা গা নিয়ে ছুটে যেতাম বকুলতলায়। কখনো গঙ্গার ঘাটে। কখনো বা ছুটে যেতাম বায়স্কোপ দেখবো বলে। অপেক্ষায় বসে থাকতাম এ বাড়ি ও বাড়ি হতে কুড়িয়ে পাওয়া দু-একটা টিনের টুকরো দিয়ে হাওয়ার মিঠাই খাওয়ার আশায়। এক ফালি রৌদ্রের আমেজ পেলে ছুটে যেতাম মাঠে সাতরঙা ঘুড়ি উড়াবো বলে। রোজ স্থলপদ্মের গন্ধ গায়ে মাখব বলে ছুটে [ বিস্তারিত ]
শীতের সকাল। ঘণ্টাখানিক পর বিনুর জ্ঞান ফিরেছে। চারদিক জুড়ে ঘন কুয়াশা। দিঘীর পাড়ের বকুলগাছের ডালে বসেবসে বিনু নিমের ডাল দিয়ে দাঁত মাজছে। আর পানকৌড়িদের সাঁতার দেখতে দেখতে বেলা কাটিয়ে দিচ্ছে অনেকটা। কখনো দু একটা ঢিল ছুড়ে মেরে তাড়িয়ে দেয় পানকৌড়িদের। রাঘব বারান্দা সামনের শিউলিতলায় বসে হরিবাবুর ভূতময় ছবি আঁকছে। ছবির চোখমুখ জুড়ে ভূতের প্রতিচ্ছবি। রাঘবের [ বিস্তারিত ]

বেঁধে রেখো মোরে

প্রদীপ চক্রবর্তী ২ মে ২০২০, শনিবার, ১০:১৫:৫২অপরাহ্ন কবিতা ২৫ মন্তব্য
ঘন নিবিড় পথের সন্ধানে খুঁজেছি তোমায় দিবসরজনী, কত বেলা অবেলায় মধুর স্বপ্নের মোহে আশায় আশায় কাটিয়েছি। সারস আবাসনে হবো যবে মিলিত মোরা, আলোয় আলোয় রচিব কত ধ্রুবতারা। মুখোমুখি মিলনের মধুময় মধুর লগ্নে, সমর্পিত হবো সেথায় দুজন পুলকিত প্রেমে। সহস্র দিনের শেষে ঝরে পড়া কলি, তোমারি মুগ্ধ পরশে চেয়ে থাকে দিবারাত্রি। আলোভরা আকাশে আছে যত তারকারাজি, [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য