প্রদীপ চক্রবর্তী

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ১ বছর ২ মাস ১৪ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ১১০টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ২০১৫টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১৮৫৬টি
ঘোর অমাবস্যা, তারমধ্যে ঘড়ির কাটায় বারোটা বেজে পনেরো মিনিট। লালমোহন শালুক কাপড় পরে তৈরি হচ্ছে বাগানবাড়ির অশ্বত্থ গাছের নিচে বসে তার জামাইবাবুকে নিয়ে প্লানচেটের মাধ্যমে ভূতপ্রেতের আবাহন করতে। চারদিক জুড়ে অন্ধকার নেই আকাশে তারারত্নের আনাগোনা। পুরো শহর ঘুমঘোরে আচ্ছন্ন। হরিবাবু ভিন্ন রঙের রঙ দিয়ে আবাহনী দাগ টানছেন।  লালমোহন প্লানচেটের আবাহনী শুদ্ধতার মন্ত্র দিয়ে পবিত্র করছে। [ বিস্তারিত ]
অদ্ভুত কথা কেন বারবার বলতে যাও বিনু। আমি একজন জমিদার আমার মুখের উপর তোমার কোন কথা মানায় না। দূর গাঁ হতে এসেছে বলে কিছু বলতে যাচ্ছি না। না হলে বাড়ির কালোবিড়াল দিয়ে ঝেঁটিয়ে বিদায় দিতাম দুজনকে। আজ্ঞে কর্তামশাই আপনার কালোবিড়াল নাকি রাতের বেলা কালোভূত হয়ে যায়! কে বলে বিনু এমন উদ্ভট কথাবার্তা? আজ্ঞে কর্তামশাই কে [ বিস্তারিত ]
শীতের রাত্রি। হরিবাবু ঘুমানোর পূর্বে বারান্দায় বসে প্রতিনিয়ত তামাক খেতেন। আজও আপনমনে টান দিতেছেন তামাকে। লালমোহন খেয়েদেয়ে শুইয়া আছে এখন আর ডেকে তোলা তাকে সম্ভব নয়। চারদিক নিস্তব্ধ, রাত্রি গভীর হতে চলছে। হরিবাবু হুঁকাটি সযত্নে বারান্দার দেওয়ালে ঠেস দিয়ে রাখলেন। হাত পা ধুয়ে শয্যাগৃহে উপস্থিত হলেন। দুয়ারটি বন্ধ করে যেই বিছানার পাশে গেলেন হঠাৎ করে [ বিস্তারিত ]

স্মৃতি রোমন্থন

প্রদীপ চক্রবর্তী ১০ মে ২০২০, রবিবার, ০৯:১৩:০০অপরাহ্ন স্মৃতিকথা ১৯ মন্তব্য
শরৎ শোভায় সুশোভিত নিপাট শৈশবসঙ্গী আর কিছুটা এলকোহলিক নেশা… এ দিয়ে আমার স্মৃতিকথার অগ্রযাত্রা! আমি গ্রামের সন্তান তাই গ্রাম আমার সভ্যতা ও সংস্কৃতির পাদপীঠ। আমার গায়ে মা মাটির গন্ধ। নেই আভিজাত্যের আভাস। সবুজ প্রকৃতির নিভৃত এক প্রীতিময় আবেগ ও স্নিগ্ধতায় সর্বাঙ্গ পরিপুষ্ট গ্রামে আমার জন্ম। শৈশবকালে মায়ের কোলে হাসিতে আর খেলিতে একে একে শৈশবের স্মৃতি [ বিস্তারিত ]
জমিদার হরিবাবু নামীদামী লোক হলে কি হলো বড্ড লোভী মানুষ ছিলেন। শ্বশুর বাড়ি অনেক জায়গা সম্পত্তি গোলাধকরণ করেছেন। এক পা দু পা করে লালমোহন বাজারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে মাছ কিনতে। কি মাছ কিনে আনবে হরিবাবু তা স্পষ্ট করে বলেন নি। কিন্তু টাকা দিয়েছেন অনেক। রাস্তায় হঠাৎ দেখা হয়ে গেলো বিনু ও রাঘবের সাথে দুজনি বাজার [ বিস্তারিত ]
বর্ষার ঘনঘন বৃষ্টিভেজা গা নিয়ে ছুটে যেতাম বকুলতলায়। কখনো গঙ্গার ঘাটে। কখনো বা ছুটে যেতাম বায়স্কোপ দেখবো বলে। অপেক্ষায় বসে থাকতাম এ বাড়ি ও বাড়ি হতে কুড়িয়ে পাওয়া দু-একটা টিনের টুকরো দিয়ে হাওয়ার মিঠাই খাওয়ার আশায়। এক ফালি রৌদ্রের আমেজ পেলে ছুটে যেতাম মাঠে সাতরঙা ঘুড়ি উড়াবো বলে। রোজ স্থলপদ্মের গন্ধ গায়ে মাখব বলে ছুটে [ বিস্তারিত ]
শীতের সকাল। ঘণ্টাখানিক পর বিনুর জ্ঞান ফিরেছে। চারদিক জুড়ে ঘন কুয়াশা। দিঘীর পাড়ের বকুলগাছের ডালে বসেবসে বিনু নিমের ডাল দিয়ে দাঁত মাজছে। আর পানকৌড়িদের সাঁতার দেখতে দেখতে বেলা কাটিয়ে দিচ্ছে অনেকটা। কখনো দু একটা ঢিল ছুড়ে মেরে তাড়িয়ে দেয় পানকৌড়িদের। রাঘব বারান্দা সামনের শিউলিতলায় বসে হরিবাবুর ভূতময় ছবি আঁকছে। ছবির চোখমুখ জুড়ে ভূতের প্রতিচ্ছবি। রাঘবের [ বিস্তারিত ]

বেঁধে রেখো মোরে

প্রদীপ চক্রবর্তী ২ মে ২০২০, শনিবার, ১০:১৫:৫২অপরাহ্ন কবিতা ২৫ মন্তব্য
ঘন নিবিড় পথের সন্ধানে খুঁজেছি তোমায় দিবসরজনী, কত বেলা অবেলায় মধুর স্বপ্নের মোহে আশায় আশায় কাটিয়েছি। সারস আবাসনে হবো যবে মিলিত মোরা, আলোয় আলোয় রচিব কত ধ্রুবতারা। মুখোমুখি মিলনের মধুময় মধুর লগ্নে, সমর্পিত হবো সেথায় দুজন পুলকিত প্রেমে। সহস্র দিনের শেষে ঝরে পড়া কলি, তোমারি মুগ্ধ পরশে চেয়ে থাকে দিবারাত্রি। আলোভরা আকাশে আছে যত তারকারাজি, [ বিস্তারিত ]
নিশিত রাত্রি বিনুর হতকান্ড দেখে রাঘব আর সইতে পারছে না। রাস্তার পাশের জঙ্গল হতে একে একে ধেয়ে আসছে ভয়ংকর অদ্ভুতরকমের শব্দ। দুজনের হাতে নেই টর্চলাইট। ভূতেরা এখনি চাইলে তাদেরকে নিঃসন্দেহে ধরতে পারে। রাঘব তার দাদুর কাছ হতে ভূত ধরার যে মন্ত্র শিখেছিল তা অনেকাংশ ভুলে গিয়েছি। যদিও খানিটা মন্ত্র মুখস্থ আছে তা দিয়ে কোনমতেই ভূতকে [ বিস্তারিত ]
শীতের দুপুর তারমধ্যে এক ফালি রৌদ্রের আনাগোনা। শরীরকে তাজা করে দিতে এ যেন মিষ্টিময় রৌদ্রের আগমন। হরিবাবুর গায়ে কুষ্টিয়ার চাদর। পরনে বাঙালি পাঞ্জাবী। একথায় বেশ সৌখিন বিলাসী লোক বলা যায় তাঁকে। কিন্তু টাকাপয়সা লেনদেনে বড্ড কাঁচা। একটাকা ধার পাওয়া যায়না। প্রায় গোপাল ভাঁড়ের কাছাকাছি। অনেকেই বলে থাকে হরিবাবু না কি গোপাল ভাঁড়ের মাসিতো ভাই! ভূত [ বিস্তারিত ]
মধ্যাহ্ন সবেমাত্র গড়াতে চলছে… বিনু ও রাঘব দুজনি বসে আছে হরিবাবুর খাসকামরায়। খাসকামরার চারপাশের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর হলেও গাছে গাছে অসংখ্য বাদুড় আর পেঁচার উপদ্রব ছিলো বড্ড। বাদুড় আর পেঁচার কিচিরমিচির শব্দ অদ্ভুত রকমের। এমন কিচিরমিচির শব্দ রাত্রিবেলা শুনলে তো উপায় থাকবে না। কেমন করে হরিবাবু রাত্রিবেলা ঘুমান। এসব দেখে বিনু ভাবছে ভূত মনে হয় [ বিস্তারিত ]
আজ রবিবার হওয়াতে দুজন মনেমনে ভাবছে আজ আর দেখা মিলবে না ভূতের। তাই রাঘব আর বিনু মধ্যাহ্ন ভোজন শেষ করে চলে গেলো হরিবাবুর খাসকামরায়। হরিবাবু গ্রামের প্রবীন লোক। তাছাড়া অনেক জ্ঞানী বটে। গ্রামের সবাই তাঁকে খুবি মান্য করে। হরিবাবু পূর্বে জাহাজের নাবিক ছিলেন। অনেক দেশবিদেশ ভ্রমণ করেছেন এ যেন তার কোন ইয়ত্তা নেই। আনন্দপুরের গ্রামের [ বিস্তারিত ]
রাত্রি গভীর। বিলাসবহুল কামরায় দুটি বিছানা থাকলেও রাঘবের পাশে শুয়ে আছে বিনু।   পাড়াটা শান্ত হলেও কখনো ঝিঁঝির শব্দ কখনো অদ্ভুত কন্ঠে ফিসফিস শব্দ। এমন অদ্ভুত শব্দে ভয়ে ভূত ভূত বলে চিৎকার করে বিছানা থেকে লাফ দিয়ে উঠেছে বিনু। ঘুমঘোরে ক্লান্ত রাঘব সেও লাফ দিয়ে উঠে বলছে ভূত কোথায় ভূত কোথায়! রাঘব এদিকওদিক টর্চলাইট দিয়ে খুঁজে [ বিস্তারিত ]
মৃগ নদী,সন্ন্যাসী মাটি ছোট্ট গাঁ আনন্দপুর। এ গ্রামটি বিলাস বাবুর বাড়ি হতে প্রায় সাতান্ন কিলোমিটার দূরে। অন্যান্য গ্রামের ন্যায় গ্রামটি কারুকাজ আর সৌন্দর্যের বাহারে গড়ে উঠেছে। উঁচুনিচু পাহাড় আর ব্রিটিশ আমলের দেওয়ালে গড়ে উঠেছে বড়বড় কামরা। প্রতিটি কামরার দেওয়াল জুড়ে ভিন্ন কারুকার্যে ভূতপ্রেতের ভয়ংকর ছবি। ভয়ংকর ভূতপ্রেতের ছবি হলেও তা ছিলো চোখ জুড়ানো। গ্রামের লোকসংখ্যা [ বিস্তারিত ]

“আনন্দপুরের ভূতের কান্ড” পর্ব-৫

প্রদীপ চক্রবর্তী ১৬ এপ্রিল ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১০:৪৬:৪৬অপরাহ্ন গল্প ১৮ মন্তব্য
সকাল গড়িয়ে দুপুর হতে চললো সবাই যারযার বাড়িতে অবস্থান করলেও থামছে না তান্ত্রিকদের যত্রতত্র মন্ত্রপূত ! আগত তান্ত্রিকদের মধ্য জটাধারী মহাতান্ত্রিকের নাম রাসেশ্বর। নামে গুণে ও তান্ত্রিক যাদুতে না কী বেশ চালাক চতুর! তান্ত্রিক মহাসাধু রামলোচনকে বশীকরণ করে রণচণ্ডী বউয়ের কাছে একটা জলের বোতল দিয়ে বলছেন রোজ সকাল সন্ধ্যা গায়ের মধ্যে ছিটিয়ে দিতে। বশীকরণ শেষে [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য