“পর্বতকন্যের ইতিকথা” উপন্যাসটি নিয়ে কিছু কথা-

সোনেলা ব্লগে বিচরণকারী প্রত্যেক লেখক এবং পাঠকই আমাদের কাছে অনন্য অসাধারণ। একজন লেখকের জন্য তার স্বভাবজাত লেখনশৈলীই হচ্ছে নিজস্ব প্রতিভা এবং সোনেলা বিশ্বাস করে লেখকের লেখায় উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমেই কেবল এই প্রতিভা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করা সম্ভব যার অন্যতম নিদর্শন হচ্ছেন ব্লগার প্রদীপ চক্রবর্তী। আজ সোনেলার লেখক এবং একনিষ্ঠ শুভাকাঙ্ক্ষী ব্লগার প্রদীপ চক্রবর্তীর ২০২০ বইমেলায় প্রকাশিত তার প্রথম উপন্যাস “পর্বতকন্যের ইতিকথা” বইটি নিয়ে কিছু বলতে চাই।
“পর্বতকন্যের ইতিকথা” উপন্যাসটি এবারের বইমেলার সময়ই আমি লেখকের কাছ থেকে উপহারস্বরুপ পেয়েছিলাম। নিজের ব্যস্ততা এবং করোনাকালীন বিষণ্ণতায় বইটি পড়বো পড়বো করেও পড়া হয়ে ওঠেনি। তবে বইটি পড়ে কিছু লিখবো এই ইচ্ছে সবসময়ই ছিল মনে। কারন প্রথমদিন হাতে পেয়ে এই বইটিতে সোনেলা ব্লগ নিয়ে লেখকের লেখা অনুভূতি পড়ে মুগ্ধ হয়েছি। লেখক সোনেলা ব্লগের উপদেষ্টা মণ্ডলী এবং এডমিন প্যানেলসহ অনেক ব্লগারের নাম উল্লেখ করে তার নিজের লেখার উৎসাহদাতা হিসেবে অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন। সেখানে আমার নিজের নাম দেখতে পেয়ে যারপরনাই সম্মানিতবোধ করছি।
“পর্বতকন্যের ইতিকথা” বইটি নিয়ে লিখতে গেলে প্রথমেই লেখক প্রদীপ চক্রবর্তী সম্পর্কে কিছু না বললেই নয়। কারন লেখক বইয়ে লিখেছেন- সোনেলা ব্লগে লেখার সুবাদেই তিনি বই প্রকাশের উৎসাহ পেয়েছেন। ছোটবেলা থেকে প্রকৃতি, আর ভ্রমণ সবসময় তার ভাবনাপঠে থাকতো। প্রকৃতি আর ভ্রমণবিলাস অনুধাবন করে সোনেলায় লিখেছেন কবিতা, অণুকবিতা, গল্প, রম্যগল্প, আড্ডা, চিঠি এছাড়া উপন্যাস। তার লেখা কবিতা এবং গল্প বেশ কিছু ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে। তাছাড়া কলকাতার ইচ্ছেডানা স্টুডিও থেকেও তার লেখা কয়েকটি কবিতার আবৃতিও প্রকাশিত হয়েছে।
“পর্বতকন্যের ইতিকথা” লেখকের লেখা একটি অতুলনীয় প্রেমের উপন্যাস। উপন্যাসে নায়কের নাম দীপ আর নায়িকার নাম পার্বতী। দু’জনের দেখা হয় কলকাতায় এক সম্ভ্রান্ত জমিদার বাড়িতে। তারা একে অপরকে বেশ ভালোবাসে। প্রথমে পার্বতী দীপকে ভালো না বাসলেও পরবর্তী সময় যত দিন অতিক্রম করে তাতে পার্বতীর ভালোবাসা বেড়ে ওঠে দীপের প্রতি। দু’জনে কত অহর্নিশ রাত্রি কাটিয়েছে জমিদার বাড়িতে, নিজেরা মোহনীয় হয়েছিলো তারা শিউলি ফুলেরগন্ধে।
হঠাৎ সেই প্রেমের মাঝে নেমে আসে বিরহবেদনার কালো ছায়া। পার্বতীর জন্য একে একে বিয়ের প্রস্তাব আসতে থাকে। কিন্তু পার্বতী দীপকে ভালোবেসেছে মনে প্রাণে তাই সে অন্যকাউকে আর জীবনসঙ্গী করতে চায় না। একটা সময় দু’জনেই নিয়তির দিকে চেয়ে থাকে। কি হয় শেষ পর্যন্ত! তা জানতে হলে পর্বতকন্যের ইতিকথা বইটি আপনাকে পড়তেই হবে। বইটি পড়লে আপনি নিমাই ভট্টাচার্য ও তার সমসাময়িক লেখকদের ছোঁয়া পাবেন নিশ্চিত। যা লেখক এবং তার লেখাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে।
জায়েদ রবিনের করা চমৎকার প্রচ্ছদে বইটি মাছরাঙা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে। বইটির মুল্য- ১৮০ টাকা। ব্লগার প্রদীপ এর এই উপন্যাসটি বইমেলায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল যার প্রমাণ বইটির প্রথম সংস্করন শেষে দ্বিতীয়বার মুদ্রন করতে হয়েছে।
নিজের লেখা বই হচ্ছে লেখকের কাছে সন্তান সমতুল্য। তাকে অবশ্যই মুল্যায়ন করা উচিত। সেই ভাবনা, দায়বদ্ধতা এবং কৃতজ্ঞতা থেকেই আজ “পর্বতকন্যের ইতিকথা” নিয়ে নিজের অনুভূতি সোনেলায় লিখতে পেরে নিজেকে সেই দায়ভার থেকে কিছুটা মুক্ত লাগছে। লেখক প্রদীপ চক্রবর্তীর সাফল্য কামনা করি। তিনি এগিয়ে চলুন আপন মহিমায় এটাই কাম্য।


৩৫টি মন্তব্য
অভিভূত,ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবোনা দাদা আপনাকে। আপনাদের এইরকম প্রেরণাই আমাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।
ভালো থাকবেন।পাশে থাকবেন সবসময় সেই প্রত্যাশায় অহর্নিশ ভালোবাসাময় শুভেচ্ছা।
দাদা, পাঠক হিসেবে আমার দায়িত্ব ছিলো আপনার বই নিয়ে কিছু লেখা। দেরীতে হলেও তা করতে পেরে আমার ভালো লাগছে। আপনি অনেক ভালো লেখেন। সর্বোপরি আপনার মঙ্গল কামনা করি।
শুভকামনা সবসময়।
অসংখ্য ধন্যবাদ লেখককে এভাবে সম্মানিত করে ব্লগে শেয়ার দেয়ার জন্য। ওনার উপন্যাসের কয়েকটি পর্ব পড়ার সুযোগ হয়েছে তাতেই বুঝেছি উনি খুব উঁচুমানের লেখক। আর প্রতিনিয়ত যা লিখে যাচ্ছে এককথায় অসাধারণ, অনবদ্য । লেখকের প্রতি রইলো অফুরন্ত শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। আপনি ও এভাবে সুন্দর সুন্দর লেখা দিবেন সোনেলার জন্য সেটা চাই। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন
সাধুবাদ দিদি,
আপনাদের মতো রথীমহারথীদেরকে পেয়ে আমি ধন্য। সত্যি বলতে কী উপন্যাসটা কতটুকু ভালো লিখতে পেরেছি তা জানি না।
কিন্তু আপনাদের অনুপ্রেরণা পেয়ে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। যদিও প্রথম উপন্যাসের অগোচরে অনেক ভুলভ্রান্তি থাকবে সেটা পাঠকগণদেরকে বলেছি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখার জন্য!
আর আমার লেখার জগতে প্রাপ্তিস্থান সোনেলা ব্লগ।
.
তৌহিদ দাদা এত সুন্দর করে বুক রিভিউ দিয়েছেন সত্যিই মন ভরে গিয়েছে।
শুভকামনা দাদা।
একজন লেখককে অবশ্যই তার প্রাপ্য সম্মান দেয়া উচিত। সে কৃতজ্ঞতা থেকে আসলে বইটি নিয়ে নিজের অনুভূতি লিখলাম। সোনেলায় সবাই আমার আপনজন। তাদের উৎসাহ উদ্দীপনা দিতে কার্পণ্য করিনা আমরা কেউই।
সকলের মঙ্গল কামনা করি। আপনিও ভালো থাকুন দিদিভাই।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ দিদিভাই। ভালো থাকুন।
এখানে যখন প্রকাশিত হয় তখন সামান্য কিছু পর্ব পড়ার সৌভাগ্য হয়েছিল,
এর পর বাদ পরে যাওয়ায় খৈ হারিয়ে ফেলে আর পড়া হয়নি।
আপনি মনে করিয়ে দেয়ার জন্য অবশ্যই ধন্যবাদ, সোনেলার একজন ব্লগারের উপন্যাসের দ্বিতীয় সংস্করণ বের হচ্ছে জেনে
অভিনন্দন প্রিয় লেখক কে।
সাধুবাদ দাদা,
আপনাদের মতো রথীমহারথীদেরকে পেয়ে আমি ধন্য।
আমার লেখার জগতে প্রাপ্তিস্থান সোনেলা ব্লগ।
জানিনা ব্লগ পরিবারকে কতটুকু ভালো লেখা দিতে পেরেছি। কিন্তু আপনাদের লেখাপড়ে আমি রোজই অনেক কিছু শিখে থাকি।
প্রাণের সোনেলা এগিয়ে যাক অগ্রভাগে।
শুভকামনা।
ধন্যবাদ ভাইয়া, ভালো থাকবেন সবসময়।
তৌহিদ ভাইকে কি বলেযে ধন্যবাদ দেবো। সোনেলার প্রদীপদার লেখা পর্বতকন্যের ইতিকথা উপর লিখে যেভাবে সম্মানিত করেছেন। সোনেলার সদস্য হিসেবে আমরা ও গর্ব অনুভব করছি।
আমরা লেখক ও বইটির সর্বাঙ্গীন মঙল কামনা করছি
সাথে আপনার ও। শুভ কামনা।
সত্যিই তৌহিদ দাদার অসাধারণ বুক রিভিউ দেখে মনে ভরে গিয়েছে।
সাধুবাদ দাদা আপনাকে।
আপনাদের পেয়ে আমি ধন্য।
আপনাদের লেখনী হতে অনেককিছু রোজ শিখে থাকি।
এগিয়ে যাক প্রাণের সোনেলা।
আমরা সবাই নিজেরা নিজেদেরকে যদি এভাবে উৎসাহ প্রদান করি তাহলেই সোনেলা সমৃদ্ধ হবে। এগিয়ে যাবে আমাদের লেখকগন।
ভালো থাকুন দাদা।
প্রদীপের এই উপন্যাস এর পর্বগুলো যতই পড়ছিলাম, ততই তার লেখার শক্তিতে মুগ্ধ হচ্ছিলাম।
বই মেলায় প্রচুর সাড়া ফেলেছিল উপন্যাসটি, যে কারনে দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশ হয়েছে। একজন নতুন লেখকের জন্য এটি একটি বিশাল প্রাপ্তি।
সোনেলা ব্লগের একজন লেখকের এমন সাফল্যে আমরা গর্বিত সবাই। সোনেলা ব্লগের কথা কৃতজ্ঞচিতে স্বীকার করাটা অনেক ভালো লেগেছে।
সহ ব্লগারের উপন্যাস নিয়ে রিভিউ লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ভাই।
শুভ কামনা।
প্রাপ্তি দাদা,
সাধুবাদ জানাই,
আপনাদের মতো রথীমহারথীদেরকে পেয়ে আমি ধন্য।
আমার লেখার জগতে প্রাপ্তিস্থান সোনেলা ব্লগ।
জানিনা ব্লগ পরিবারকে কতটুকু ভালো লেখা দিতে পেরেছি। কিন্তু আপনাদের লেখাপড়ে আমি রোজই অনেককিছু শিখে থাকি। আর আপনারা পাশে থেকে যে অনুপ্রেররণা দিয়েছেন তা কখনো ভুলে যাওয়ার নয়।
প্রাণের সোনেলা এগিয়ে যাক অগ্রভাগে।
শুভকামনা।
আপনাকেও ধন্যবাদ ভাই আমাদের পাশে থেকে উৎসাহ দেবার জন্য। শুভকামনা সবসময়।
একজন লেখক তার সাহিত্যের মাঝেই নিজেকে বাচিয়ে রাখে। তিনিও তার উপন্যাসের মাঝে অমর হয়ে থাকবেন। এই রিভিউ লেখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
সাধুবাদ জানাই,
আপনাদের মতো রথীমহারথীদেরকে পেয়ে আমি ধন্য।
আমার লেখার জগতে প্রাপ্তিস্থান সোনেলা ব্লগ।
প্রাণের সোনেলা এগিয়ে যাক অগ্রভাগে।
শুভকামনা।
আপনাকেও ধন্যবাদ ভাই। ভালো থাকুন সবসময়।
একজন লেখকের কাছে এর এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ও সন্মানের। পাঠক যখন এতো সুন্দর করে বুক রিভিউ দেয় তখন লেখকের অভিভূত হবার ই কথা। এমন উৎসাহ দানকারী পোস্ট একজন লেখক কে আরো বেশি উৎসাহী করে তোলে।
সাধুবাদ দিদি,
সত্যিই তৌহিদ দাদা অসাধারণ বুক রিভিউ দিয়েছেন।
আপনাদের মতো রথীমহারথীদেরকে পেয়ে আমি ধন্য।
আমার লেখার জগতে প্রাপ্তিস্থান সোনেলা ব্লগ।
জানিনা ব্লগ পরিবারকে কতটুকু ভালো লেখা দিতে পেরেছি। কিন্তু আপনাদের লেখাপড়ে আমি রোজই অনেক কিছু শিখে থাকি।
প্রাণের সোনেলা এগিয়ে যাক অগ্রভাগে।
শুভকামনা।
ভালো থাকুন আপু। বই রিভিঊ লিখবেন ভবিষ্যতে আপনিও কিন্তু!
পর্বতকন্যের ইতিকথা উপন্যাসটি পড়তে পেরেছিলাম আমাদের প্রিয় ব্লগেই। বই মেলায় যখন সম্পূর্ণ উপন্যাসটি ছাপার অক্ষরে প্রকাশিত হতে দেখেছি, তখন আনন্দ আর গর্ব একই সাথে অনুভব করেছি। বইটি পড়ে মনেই হয়নি এটি লেখকের প্রথম বই। কাব্যিক, সাবলীল, সুন্দর বর্ননার সংমিশ্রণে লিখিত চমৎকার এক উপস্থাপনা “ পর্বতকন্যের ইতিকথা ”
লেখক প্রদীপ চক্রবর্তীর উজ্জ্বল আগামীর জন্য শুভ কামনা করি।
সহ ব্লগারের লেখা বইটি নিয়ে সুন্দর রিভিউ দিয়ে আপনিও আপনার আন্তরিকতার চমৎকার নিদর্শন দিয়েছেন তৌহিদ ভাই।
শুভকামনা 🌹🌹
সাধুবাদ দিদি,
আপনাদের মতো রথীমহারথীদেরকে পেয়ে আমি ধন্য।
আমার লেখার জগতে প্রাপ্তিস্থান সোনেলা ব্লগ।
বিশেষ করে আপনার আহ্বানে আসা দিদি।
জানিনা ব্লগ পরিবারকে কতটুকু ভালো লেখা দিতে পেরেছি। কিন্তু আপনাদের লেখাপড়ে আমি রোজই অনেক কিছু শিখে থাকি।
প্রাণের সোনেলা এগিয়ে যাক অগ্রভাগে।
শুভকামনা।
প্রদীপ আমাদের গর্ব, তার এই উপন্যাসটি বেশ উপভোগ্য কিন্তু। সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু। শুভকামনা সবসময়।
গল্পটি ব্লগেই পড়ার অভিজ্ঞতা হয়েছে আমার, হয়ত সব গুলোতে কমেন্ট করা নাহলে সম্পূর্ণ গল্পই পড়া হয়েছে, আজ আপনার লেখাটি পড়ে যারপর নাই খুশি হলাম।
প্রদ্বীপ দাদা অসাধারণ এ লেখক, ভবিষ্যতে উনার আরও সাফল্য কামনা করছি।
ধন্যবাদ ভাই।
ধন্যবাদ ভাই, মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হলাম। শুভকামনা সবসময়।
শুভেচ্ছা জানবেন ভাই।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ দাদা। শুভকামনা সবসময়।
শুভেচ্ছা ভাই
শ্রদ্ধেয় তৌহিদ দাদা, সম্মানিত লেখক প্রদীপ চক্রবর্তী দাদার লেখা “পর্বত কন্যার ইতিকথা” প্রাণের সোনেলায় কয়েকটা পর্ব পড়তে পেরেছি। আমার ব্যস্তময় কর্ম জীবনে যখনই সময় পেয়েছি, তখনই সোনেলা ব্লগে উঁকি দিয়েছি। আর প্রথম পাতার প্রথম সারিতে সম্মানিত লেখক প্রদীপ চক্রবর্তী দাদার পর্বত কন্যার ইতিকথা দেখে কয়েকটা পর্ব খুবই মন দিয়ে পড়েছি। ইচ্ছে ছিল আস্তে আস্তে সবকটা পর্বই পড়বো। কিন্তু সময় সুযোগের কারণে পড়া হয়ে ওঠেনি। আজ দুইদিন ধরে সোনেলা ব্লগে সম্মানিত লেখক প্রদীপ চক্রবর্তী দাদাকে উৎসর্গ করে লেখনী পড়ে আবারও পর্বত কন্যার ইতিকথা পড়তে ইচ্ছে করছে। দেখি, সময় করে আস্তে আস্তে সবকটা পড়ে নিবো।
পরিশেষে আপনাকে-সহ সম্মানিত লেখক প্রদীপ চক্রবর্তী দাদাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আশা করি এই সময়ে সপরিবারে ভালো সাবধানে থাকবেন এবং থাকবেন।
আবশ্যই দাদা, ফ্রী হয়ে পড়বেন আশাকরি। আপনার মঙ্গল কামনা করি সর্বদা। সুন্দর মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হলাম।
প্রদীপের এই লেখাটি বেশ উপভোগ্য ছিলো। সময় নিয়ে পড়বেন আশাকরি। ভালো থাকুন দাদা, শুভকামনা সবসময়।
O
অবশ্যই পড়বো, দাদা।
অভিনন্দন প্রদীপ দাদা ও তৌহিদ ভাইকে।
বুক রিভিও ভালো লাগলো
আপনাকেও শুভেচ্ছা আপু। ভালো থাকুন।