মূল লেখায় যান

ষোড়শী

প্রদীপ চক্রবর্তীএকান্ত অনুভূতি২২টি মন্তব্য

একবার আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখো।
সবে পূর্ণিমারচাঁদ।
সে এক চাঁদ নয়,
দেখতে অবিকল তোমার মতো এক ষোড়শী কিশোরী।

খোঁপায় ঝিনুকের মালা।
কর্ণে গ্রথিত মহুয়াফুল।
চোরাবালির মতো চিকচিক করছে নাকের নোলক।

একবার আকাশের দিকে তাকাও,
দেখতে পাবে সে চাঁদ অবিকল তোমার মতো।

রূপোলী জ্যোৎস্নায় মাঠভরা ইরিধান।
গাভীর পদচিহ্নে জমে থাকা বৃষ্টির জল।
নববধূর কণ্ঠে ব্রজবুলি।
চারদিক জুড়ে ছাতিমের গন্ধ।
গোধূলী শেষে সে সন্ধ্যায় আকাশের আধখানা চাঁদ,
আধখানা কপালে তার রক্তচন্দনের ফোঁটা।

সে চাঁদ আষাঢ়ি পূর্ণিমার।
সরোবরে ফুটে ওঠা পদ্মফুলের মতো।
যেখানে ভ্রমর আর ভ্রমরী নির্যাসের স্পৃহা খুঁজে!

বরং তুমি এসো নিয়ম করে, যেখানে সন্ধ্যা নামে ভাটিয়ালি বাঁশির সুরে।
এসো কাছাকাছি আলোকিত পূর্ণিমা রাত্রিতে।
যে রাতে আকাশের চাঁদকে সাক্ষী করে,
তোমায় ছোঁয়াতে পারি রাঙা সিঁদুর।

একবার আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখো।
সে স্নিগ্ধ চাঁদের মতো তুমিও এক ষোড়শী কিশোরী।

মোট পড়েছেনঃ ১০৯৬জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

  1. আমার একটা গান মনে পড়ছে এখন….. আমার মন মানসী বইসা আছে প্রেমের বৈঠা ধইরা…. যারে নাইয়া যেদিক খুশি…. পিরিতির পাল তুইলা””

    নিয়ম করে চলে আসুক চাঁদমুখ ষোড়শী প্রিয়তমা।

  2. ‘এসো কাছাকাছি আলোকিত পূর্ণিমা রাত্রিতে।
    যে রাতে আকাশের চাঁদকে সাক্ষী করে,
    তোমায় ছোঁয়াতে পারি রাঙা সিঁদুর।’
    ওয়াও,,,
    এটুকু দারুন লিখেছেন।
    আষাঢ়ী পূর্ণচাঁদের আলো সত্যিই অন্যরকম।
    বেশ লিখেছেন।

  3. এসো কাছাকাছি আলোকিত পূর্ণিমা রাত্রিতে।
    যে রাতে আকাশের চাঁদকে সাক্ষী করে,
    তোমায় ছোঁয়াতে পারি রাঙা সিঁদুর।

    দাদা অনেক দিন পর আপনার লেখা পড়লাম, ভালো লাগলো কুব।

  4. কবিতাটি অসম্ভব ভালো লেগেছে। পূর্ণিমার চাঁদ আর প্রেয়সী যেন মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। আমরাও চাই রাঙা সিঁদুরে ভরে উঠুক প্রিয়তমার সিঁথি কবির হাতে। এমন আবেগ, শব্দচয়ন , অলংকরণ দারুন!

  5. ভাবছিলাম চাঁদের সিঁথিতে সিঁদুর পরালে কেমন দেখাবে।
    দেখলাম, কবির কবিতায় সিঁদুররাঙা চাঁদ আরও সুন্দর হয়ে উঠেছে।
    খুব ভালো লাগলো কবিতাটি।
    শুভ কামনা 🌹🌹

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।