মূল লেখায় যান

একশততম পোস্টের জন্য ব্লগার হালিমা পারভীনকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

রোকসানা খন্দকার রুকুশুভেচ্ছা২৫টি মন্তব্য

” কইতে কী চাই, কইতে কথা বাধেঁ—

হার মেনে যে পরান আমার কাঁদে,

আমায় তুমি ফেলেছ কোন্‌ ফাঁদে

চৌদিকে মোর সুরের জাল বুনি,

তুমি কেমন করে সব্যসাচী হে গুণী!!”

 

হ্যাঁ, একজন সব্যসাচী লেখক, ছায়ামানবীর জন্য লিখতে গিয়ে আজ আমারও এমনটাই হয়েছে। অনেক সময় ধরে লিখতে বসে শুধু কলমে কামড় বসানোই সাড় হচ্ছে যেন! মাত্র ১ বছর ৫ মাস ৭ দিন আগে তিনি এসেছেন। অথচ তার হাজারো ব্যস্ততার মধ্যেই তিনি ১০০ তম পোষ্ট লিখে ফেলেছেন।

 

অথচ তিনি বলছেন-

কলমটা হাতে নিয়ে

বসেছি সেই কখন

গল্প, কবিতা ,যা হোক

লিখবো কিছু একটা ,

এলোমেলো ভাবনায়

কেটে যায় সারাবেলা

লেখা হয়না কিছুই ।

কলম আর কাগজের

হয়েছে যে সন্ধি ,

সময় কাটানোর

নতুন এক ফন্দি ।

হয় না নতুন কোন

গল্প কবিতা লেখা ,

এভাবেই কেটে যায়

দিন ক্ষণ বেলা।

নাই বা হলো

গল্প কবিতা লেখা,

সারা খাতা জুড়ে

রঙ তুলি বিহীন

শুধুই ছবি আঁকা,,,

কোন কাজে হয়তো তাকে ফোন দিয়েছি। তখনও তিনি ঢাকা শহরের জ্যামে আটকা। সারাদিনের ক্লান্তিময় অফিস সেরে বাসায় ফিরছেন।

বাসায় ফিরে ফোন দিয়ে বিরক্তির বদলে সরি জানান। হাসিতে, আন্তরিকতায় বিরক্তি নেই।পরদিন সকাল সকাল ব্লগে গিয়ে তার লেখাও পাই। তিনি কাজ ভালোবাসেন। লেখা আর সোনেলা ব্লগ তার ভালোবাসার জায়গা।

কৌতুহলী আমি জানতে চাই- আপনি তো ১০টায় আমার সাথে কথা বললেন, আবার এ কাজ সারলেন কখন?

তিনি সাবলীল হাসি দেন- ওই ওর মধ্যেই!

– ঘুমান না?

– ঘুমাইতো! দীর্ঘদিন মাত্র ৪ ঘন্টা। আমার হেচকি ওঠে। আমি ঘুমালে তো ১২ ঘন্টার আগে চোখে দেখিনা।

অফিস, ট্রেনিং, পরীক্ষা কোনকিছুই তার প্রতিবন্ধকতা নয়। অথচ আমাদের সামান্য হাত ব্যথা হলেই আহ! উহ! কা, কু করে পাড়াময় ঢোল পিটিয়ে লেখা বন্ধ। তারপর বিছানায় রেষ্টের ছড়াছড়ি।

কিছু মানুষ এমনই থাকেন। আগে পিছে কিংবা এক্সকিউজ তার এর ধারেকাছেও ঘেঁষতে দেন না। কে তার লেখায় কমেন্ট করলো কিনা তাও দেখেন না,  ভাবেনও না। স্বার্থ যেন তার কাছে বারবার পরাস্ত হয়, মুখোমুখি বসবার সাহস হারিয়ে ফেলে। তিনি যেখানে যান সাবলীলভাবেই নিজেকে মেলে ধরেন।

হাসিখুশি মানুষটা প্রতিবাদীও বটে। অন্যায়কে তিনি কখনোই প্রশয় দেন না। আর তার কবিতায় নারীদের অধিকার, প্রতিবাদ স্পষ্ট। দায়িত্বশীল এমন মানুষটিই আমাদের হালিমা আপা 🥰🥰

তাকে শুভেচ্ছা জানানো আমার কম্ম নয়। তবুও বুকে সাহস নিয়ে জানাই সোনেলা ব্লগের সকল ব্লগার, লেখকদের পক্ষ থেকে মুঠো মুঠো শুভেচ্ছা, শুভকামনা, ভালোবাসা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন 🌹🌹🌹🌹❤️❤️❤️❤️❤️।

পোস্ট লিখেছেনঃ ১০০টি

মন্তব্য করেছেনঃ ২১৮৮টি

মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১৪৮৯টি

ব্যস্ততা যেন ক্লান্ত না করে। কলম থাকুক চিরযৌবনা।।।

মোট পড়েছেনঃ ১০৫০জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২৫টি মন্তব্য

  1. ফুল বাগান ছাড়া একটা বাড়ি রিক্ত। মালীর যত্ন ছাড়া বাগান রিক্ত । তেমনি আপনারা ছাড়াও এই অঙ্গন শ্রী হীন। আপনার এই শত লেখা বগ্লকে করেছে সৌন্দর্য, সৃজনী ও শ্রেষ্ঠ । প্রীতি ও শুভেচ্ছা ।

  2. কবি হালিমা আপু সত্যই একজন অসাধারণ কবিত্ব ভাবনাময় মানুষ
    তার কবিতার মাঝে দিনবদলের অনেককিছুর ছোঁয়া পাই-
    আগামী দিন গুলো আর সুন্দর সুখময় হোক এই কামনায় করছি;
    অনেক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই!
    ভাল ও সুস্থ থাকবেন——————–

  3. শত ব্যস্ততার মাঝে তিনি লেখা চালিয়ে যাচ্ছেন।
    সোনেলায় তিনি খুবই নিয়মিত।
    প্রাপ্ত মন্তব্যের দেড়গুন মন্তব্য করেছেন তিনি। অন্যকে লেখায় উৎসাহ দেন তিনি, এটিই তার প্রমান।

    শততম পোস্টের মাইলফলক স্পর্শ করার জন্য শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ব্লগার হালিমা পারভীনকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

  4. সহস্র ব্যস্ততায় ও শতেক পোস্টের জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা, গুণি লিখিয়েকে।
    চালু থাকুক এমন করেই সোনেলার সাথে পথ চলা।
    রুকুকে অবশ্যই অবশ্যই ধন্যবাদ, এত সুন্দর করে বলার জন্য।

  5. সত্যি আমি বিস্মিত ও আনন্দিত। রোকসানা খন্দকার রুকু আপা এতো চমৎকার করে অভিনন্দন জানিয়ে পোস্ট দিয়েছেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। প্রথম চার লাইনের মন্তব্যে আর গেলাম না। এককথায় অসাধারণ। আমি অতি সাধারন একজন। সবার উৎসাহ ও অনুপ্রেরণায় এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। আশা করি আগামীতে সবাই এভাবে পাশে থাকবেন। অশেষ ধন্যবাদ রুকু আপা কে। শুভ রাত্রি।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।