তবু আলাপনে একা মনে মনে গেঁথেছি যে গান হৃদয়ে সে সুরের টানে প্রতি সন্ধ্যা লগনে খুঁজি তোকে নির্ভয়ে আঙ্গিনা তেমনি আঁধার তেমনি তেমনি ডাকি প্রিয়া তোকে শুকনো আখি জল বেঁধে রাখি দেখে না যেন লোকে তর্জনী কাঁপে স্বীয় অভিশাপে নিরন্তর করে জ্বালাতন বন্ধ চোখে কম্পিত ঠোঁটে হারায় আত্ম নিয়ন্ত্রন কিভাবে এলে কেমন করে গেলে রেখে… [বিস্তারিত]

এস.জেড বাবু
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৭ বছর ১৩ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ৭৯টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ২০৪৮টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৯৭৬টি
তোমার অভিনয়ে হৃদয়ের চারণভূমি দহনে চৌচির লালচে পোড়া মাটি- আজও অনাবাদি তোমারই করুনায় ধর্ষিতা হৃদয়ের গর্ভে বেড়ে উঠা ‘নষ্ট’ শব্দটার কারণেই- তুমি অপরাধি তোমার প্রত্যাশায় ডোরাকাটা পোষাকে মনটা আসামী যাবৎজীবন লোহার খাঁচায়- ইচ্ছেরা কয়েদি তোমার সাধনায় কৃষ্ণের বাঁশিতে দুলে নাগিনী নৃত্যে বিচ্ছেদের সুরে বাঁজে বীন- বিষাক্ত নিয়তি তোমার হাসিতে হৃদয়ের চার দেয়ালে প্রদীপের আলোয় ধোঁয়া… [বিস্তারিত]
তোমার আমার পরমাণু মৌলিক তবু যে অজানা আকর্ষনে হাইড্রোজেন মিশে একাকার হয় অক্সিজেনে তেমনি ভালোবাসায় তোমায় আঁকড়ে ধরে জল হব আমি, লবনাক্ততা বিহনে। শুধু হাতখানি বাড়িয়ে দিও কারণে বা অকারণে ছুঁয়ে যেও শিশির হেলা অবহেলায় অনামিকায় আনমনে॥ -0- [বিস্তারিত]
বাংলায় চিঠি লিখা অনেক কঠিন আজকাল। তা ও যা লিখা হয়, মোবাইল স্ক্রীনে, টাচ্ প্যাড কি বোর্ডে। আগে কলমের কালি শেষ হতো, পৃষ্ঠা শেষ হতো। বাকি থাকা কথাগুলি, চিঠির বাম পার্শে খালি অংশে ভার্টিক্যালি লিখা হতো। ছোট থেকে ছোট, আরও ছোট, আরও ছোট হস্তাক্ষর। আজকাল শুধু চার্জ শেষ হয় মোবাইলের। পৃষ্ঠা উল্টালেই পরে, পৃষ্ঠা শেষ… [বিস্তারিত]
একবার শুধু একবার, তেমনি করে যদি তুমি বলতে ! অপূর্ব- তোমার থেমে থেমে আসা প্রতিটি দীর্ঘশ্বাসের পর~ দুনিয়ার বাস্তবতায় যতো ঘৃণা আর নিষ্ঠুরতার দহনের সাথে, কিনে আনা একরাশী পলিউশান যে প্রকোষ্ঠে টেনে নাও- সেখানে পুরুটা হৃদয় জুড়ে আমি (সখি) থাকি –! সে হৃদয়ের প্রতি ইঞ্চি দেয়ালে – আমার তৈলচিত্র সযত্নে মুছে রাখি, সে হৃদয়ের সমস্ত… [বিস্তারিত]
যতদুর মনে পড়ে, মামা আমাকে কাঁধে করে পুকুরে নিয়ে যেতেন। বরাবরই জলের এক সিঁড়ি উপরে গামছা কোলে খালি গায়ে গোমড়া মুখে বসে থাকতাম। মামা প্রায় পাঁচ একর পুকুরের অর্ধেকাংশ সাঁতরে যেতেন নিলু ঠাকুরের ঘাটে। কোনদিন চন্দ্রকুলি, কোনদিন আপেল মিষ্টি, কোনদিন দুটি লবঙ্গ ছোট একটা পলিথিনে পেঁচিয়ে এক হাত উঁচু করে সাঁতরে ফিরে আসতেন। আমি সানন্দে… [বিস্তারিত]
আমি দেখেছি তারে বারে বারে, আমাতে জড়িয়ে বা আমারি চারিধারে । বদলেছে খানিক, অতি নগন্য আমিও আজও তেমনি; ক্ষুদ্রতম, সামাণ্য । সাগরে ফেলেছি নিঃশ্বাস হয়ে গেল বালুচর, জোছনায় করেছি ইশারা গ্রহন করেছে ভর, আমি উড়েছি যে ফুলে ফুলে অকারণে ঝড়েছে ধরায়, আমি শ্রাবনে ছুঁয়েছি ঢেউ সে নদী শুকিয়েছে খরায় । পথের শুরুতে,আর পথ চলতে চলতে,… [বিস্তারিত]
তোমরা যাকে গল্প বলো আমি বলি তা ইতিহাস জীবনের সাথে জীবনের যুদ্ধ বা যুদ্ধে জীবনের আভাস তোমরা যাকে কবিতা বলো আমি বলি তা হাহাকার কিছু ছিলো যার বাস্তবতায় কিছুটা নিতান্তই নিরাকার তোমরা যাকে গান বলো আমি বলি লুকানো ব্যাথা সুখের অভাব আর দুঃখের শোকে সুরের বন্ধনে গাঁথা তোমরা যাকে চিত্র বলো আমি বলি সে যে… [বিস্তারিত]
কয়েকটা শব্দ- খুঁজে দিবি চির অমর ? বিশুদ্ধ বানানে- শুভ্র কিছু অক্ষর ! কিছু বর্ণের- ভাললাগার যুগল বন্দি, কিছু প্রত্যাশা- আর প্রতিকের মহা-সন্ধি ॥ একটা ডাইরি- কিনে দিবি আমায় সখি !? প্রতিটি পাতায়- যেন জল রংয়ে তোকে দেখি, প্রতিটি ভাঁজে- মিশে থাকে তোর গন্ধ, যেন উজ্জলতায়- ভেসে উঠে কিছু ছন্দ ॥ একটা দোয়াত- রেখে দিস… [বিস্তারিত]
এই শোন ! ফোনটা রেখো না যেন ; একটা সকালের গল্প বলি ; খুশি হবে শুনে ; তুমি বিহনে- কি করে কেটে যায় দিনগুলি । তুমি নেই তাই দুষ্টু বাতাস ; উড়ায় জানালার আঁচল কড়কড় শব্দে তোমার সুরে ডাকে ঝং ধরা কব্জাটা........বিকল । টিনের চালায় পায়রাগুলির ডানা ঝাপটানোর শব্দে , আছড়ে পড়ে আয়েশী কিরণ একেলা… [বিস্তারিত]
দুর্বা ঘাসের ডগায় ডগায় শিশির হলে পারতি, দমকা হাওয়ায় ছিটকে পড়া একবিন্দু জল। কাঁঠাল মুচি, আম্রকলির সুবাস হলেও পারতি, লাল সবুজে রাজ্য জুড়ে মধুমাসের ফল। ছন্নছড়া মেঘ বৃষ্টিতে ঝর্না হলে পারতি, তালগাছের ঐ বাবুই বাসায় মিষ্টি হাওয়ার দোল। ইশান কোনে রৌদ্র মেঘে তিতাস হলেও পারতি, রংধনু আর সবুজ সাদায় উড়ন্ত কাশফুল। রাগলে কভূ, ভাদ্রমাসী খরা… [বিস্তারিত]
সাঁজের বেলায় চিৎকার করিল দখিনের ধ্রুবতারা, চন্দ্র মল্লিকা কোথায় হারালে রাত্রিটা সঙ্গী হারা । চাঁদের নিদ্রায় অমাবস্যা আসে জোছনায় জড়ায়ে আঁধার, ধূমকেতু সব ভয়ে জড়সড় কক্ষপথ হারাবার । নক্ষত্রপুঞ্জে আসেনি খবর পূবের ভেজা বাতাসে, আলোর খোঁজেই উঁকি দেয় তারা নিত্য সাঁজের আকাশে । চন্দ্র মশাই মধ্যাকাশে কপালে চিন্তার ভাঁজ, আকাশের বুঝি মনটা খারাপ শুকতারাটা নেই… [বিস্তারিত]
কাল্পনিক চরিত্রগুলিকে সাজিয়ে গুছিয়ে জনসম্মুখে উপস্থাপন করেন যিনি- তিনি পরিচালক কাল্পনিক মুখুশে জড়িয়ে জীবনের বাস্তবতায় নিজেকে উপস্থাপন করেন যিনি- তিনি অভিনেতা / অভিনেত্রী প্রতিজন পরিচালক হয়ত অভিনয় করতে জানে না- কিন্তু প্রতিজন অভিনেতা অভিনেত্রী সমাজ সংসারে ঘটে যাওয়া এক-একটি নাট্যাংশের সফল পরিচালক। তাদের অদৃশ্য ইশারায মঞ্চায়ীত নাটকের ফলে, চিরতরে বদলে যায় হাজারো আত্মস্থ পরিবারের অখন্ডিত… [বিস্তারিত]
তোমার চোখে মুগ্ধতার ঝিলিক স্পষ্ট্য, উত্তপ্ত লাভার মতো মুখের তুলতুলে ঢং, হাজারো অনুচ্চারিত শব্দের ভারে কম্পিত ঠোঁট, ঘন ঘন নিঃশ্বাসের সাথে অবিরত চোখের পলক, দেহের ছন্দে দুলে দুলে উঠে লুকানো প্রত্যাশা ! কি দেখছো অমন করে ? এ যে শুধুই দেহ পিঞ্জর ! রঙ্গিন ঝিনুকের খোলসের মতো কিছু একটা মাত্র। আমার চোখ, কান, নাক হাজারো… [বিস্তারিত]
তোর কাজল লেপ্টে দিব, আচমকা মুছে দিব, ঠোটের খানিকটা রং । ঘামের লবনাক্ততা তোর আঁচলে লাগিয়ে, খোঁপার বাঁধন খুলে দিয়ে, দেখবো- এলো চুলে তোর ঢং । তোকে হটাৎ জড়িয়ে ধরব দেখবো; কতটা কাঁপে ঐ বুক । অযথা রাগিয়ে দেয়ার বাহানায়, আমি, চিরকাল উন্মুখ । তোর লবনের জারে যত্ন করে রেখে দিব খানিক চিনি, ক্যান্ডেল লাইট… [বিস্তারিত]















