সোনেলা দিগন্তে জলসিড়ির ধারে

একান্ত অনুভূতি বিভাগ

ব্লগার মনজুরুল আলম চৌধুরী। ব্লগ, গ্রুপ, পেইজে তার প্রায় সব গুলো লেখাই পাঠক-প্রিয়তা অর্জন করেছে। সবচেয়ে বেশি পাঠক এসেছে ❝ পারিবারিক বন্ধন আলগা নয় সুদৃঢ় করি ❞ পোস্টে।  লেখক এই পোস্টে যৌথ পরিবার এবং সমাজ গঠনে পরিবারের ভূমিকা/ প্রয়োজনীয়তাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। একটি ঐক্যবদ্ধ সু-পরিবারই পারে সমাজের জন্যে একজন ভালো মানুষ তৈরী করতে। স্বার্থপরতা, লোভ, হিংসা পারিবারিক অসুখী পরিবেশ একজন মানুষকে নিমিষেই অমানুষে পরিনত করতে পারে, আর এর প্রভাব একসময় পরিবারের গণ্ডি পেরিয়ে  ছড়িয়ে পরে সর্বত্র। তাই সমাজে ভালো মানুষ গঠনের জন্য প্রতিটি পরিবার থেকে দায়িত্ব নিতে হবে।

❝আসুন লোভ লালসার ঊর্ধ্বে মনুষ্যত্বকে, আত্মার বন্ধনকে স্থান দেই। এবং পারিবারিক বন্ধন আলগা নয় সুদৃঢ় করি। মানবতার জয় হোক।❞ লেখাটির মূল থিম ছিল এটি।

লেখকের লেখার থিম ভালো ছিলো। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তিনি তার বক্তব্য ঠিকঠাক মতোই পাঠকের কাছে তুলে ধরতে পেরেছেন। তবে শেষটায় এসে লেখায় কিছুটা অসংগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। মনে হয়েছে শেষ দুই লাইনের আগের প্যারায় তিনি বেশ তাড়াহুড়ো করেছেন। আশা করছি, লেখক তার আগামী লেখাগুলোয় এই বিষয়টি বিশেষ খেয়াল করবেন।

গল্প বিভাগ

একজন সাধারণ মানুষের কখন সবকিছু শেষ হয়ে যায়? সাধারণত মৃত্যু হলে আমরা তাদের সবকিছু শেষ হয়ে গেছে ভেবে নিই। কিন্তু আমাদের চারপাশে তাকালে দেখতে পাই জীবিত অনেক মানুষ আছেন যারা সবকিছু শেষ হয়ে গেছে বলে/ভাবে। আর সেই ভাবনায় পরিস্থিতির সাথে বোঝাপড়া না করেই বাকি জীবন পার করে দেয়। আবার এমন মানুষ আছে যারা শেষ বলতে একদম শেষ (মৃত্যু) হওয়াকেই বোঝে। তারা মনে করে যতক্ষণ বেঁচে থাকা এবং নিজের জন্য নিজের মতো বাঁচতে চাওয়া মানুষের জীবনে শেষ সিদ্ধান্ত/শেষ গন্তব্য বা শেষ আশ্রয় বলে কিছু নেই। যেখান থেকে পথচলা শুরু হবে সেখান থেকেই নতুন পথ-দিন, নতুন গন্তব্য, নব-সুচনা।

এমন একটি চমৎকার থিম নিয়ে অনুপ্রেরণাময় গল্পটি লিখেছেন ব্লগার রেজওয়ানা কবির। গল্পের নাম ❝শেষ আশ্রয় ❞ আমি মুগ্ধ তার লেখা গল্প-পাঠে। লেখাটি অন্যান্য গল্পের তুলনায় বেশি পাঠ-প্রিয়তা অর্জন করেছে।

ছোট গল্প বিভাগ

❝আচ্ছা, মা। নীল শাড়ি কি তোমার খুব পছন্দ? নীল শাড়িটা কি নানু কিনে দিয়েছিলো?❞

আমার সমস্ত মনোযোগ কেড়েছে গল্পের দ্বিতীয় প্রশ্নটি।

আমি ভাবছিলাম এই প্রশ্নের জবাবে লেখক কীভাবে উত্তর লিখবেন, গতানুগতিক উত্তর নাকি অন্যরকম কিছু, যা আমাদের ভাবনার উর্ধ্বে। লেখক এখানে সাধারণ উত্তরটাই দিয়েছেন। তরুণ/তরুণী থাকাকালে যেসব প্রশ্নের উত্তর দিতে মন গর্বে ভরে উঠে বা প্রচারে আত্মতুষ্টি ঘটে, সেসব প্রশ্নের উত্তর দিতেই আবার একটা সময়ে পরিনত নারী/পুরুষদের থমকে যেতে হয়, নাহয় এড়িয়ে যেতে হয়। গর্বিত স্বরে বলা হয় না উপহার দাতা কে ছিলো। হৃদয়ের অলিন্দ স্মৃতির ভারে ন্যুব্জ হতে থাকে, কিন্তু দূরত্ব অতিক্রম করে ফিরে দেখতে ভয় লাগে।

আলোচিত অংশবিশেষ ব্লগার আরজু মুক্তার লেখা ছোট গল্প হঠাৎ বৃষ্টি র। গল্পটি বর্তমানে শীর্ষ পঠিত পোস্টের তালিকায় আছে।

কবিতা বিভাগ

আমি সব সময় দুটো জিনিস মেনে চলি।
১। অনেক বেশি ভালো লাগা প্রকাশ করি না
২। যেটা কম বুঝি/না-বুঝি ঐ ব্যাপারে কিছু বলি না।

কবিতা পড়তে আমার ভালো লাগে। সোনেলার লেখকদের কিছু কবিতা বুঝি আর বেশির ভাগ লেখাই বুঝতে পারি না। তবুও পড়ি। এখানে আমি কবিতা নিয়ে কিছু বলবো না, বলবো একটি কবিতার শিরোনাম নিয়ে। ❝ চলো ঈশ্বরের ঘুম ভাঙ্গাই ❞ ব্লগার ত্রিস্তানের লেখা একটি কবিতার শিরোনাম এটি। একটি পোস্টের শিরোনাম কতটা গুরুত্বপূর্ণ বা অর্থবহ হতে পারে সেটা উপলব্ধি করার ব্যাপার। অন্তত আমার বেলায় এমনই হয়েছে। আমি যতবার এই শিরোনাম দেখি ততোবারই পোস্টে ক্লিক করি। শুধুমাত্র শিরোনামের কারণে অনেক লেখা পাঠককে আকৃষ্ট করে রাখে। ত্রিস্তান অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে শিরোনাম দিয়েছেন এটি বলাবাহুল্য।

অন্যান্য ব্লগারদের জন্য এই শিরোনাম  নির্বাচিত করার ধরণটা অনুসরন যোগ্য বিষয় হতে পারে। আমরা যেন শুধু লেখায় নয়, শিরোনামে্র ক্ষেত্রেও মনোযোগী হই।

খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব বিভাগ

প্রিন্সেস ডায়ানার নাম শোনেনি বিশ্বে এমন মানুষ বিরল। আমরা ইতিহাসের পাতায় বিভিন্ন ঐতিহাসিক ব্যাক্তি/ নারীদের নিয়ে লেখা পড়ি। তাদের জীবনে ঘটিত বড়-ছোট সব ধরনের ঘটনা/দূর্ঘটনা সব কিছু জানার প্রতি আমাদের মাঝে অন্যরকম কৌতূহল কাজ করে। প্রিন্সেস ডায়ানার জীবনী অন্যান্য নারীদের চাইতে আলাদা ছিলো। তিনি বড় মাপের সিনেমা-অভিনেত্রী ছিলেন না, অনেক বড় লেখক/গায়ক বা কর্তৃত্বপরায়ণ শাসক  ছিলেন না। তিনি প্রথম জীবনে অভিজাত পরিবারের একজন সাধারণ মেয়ের জীবন যাপন করেছেন, পরবর্তীতে তিনি হয়েছিলেন ব্রিটিশ পরিবারের রাজবধু। বিশ্ববাসীর কাছে তিনি পরিচিত পেয়েছিলেন ব্রিটিশ প্রাসাদে আগমন করার পর থেকে।  স্বামী/ পরিবার থেকে আলাদা হওয়া এবং দূর্ঘটনায় অকালমৃত্যু বরণ, প্রিন্সেসের যাপিত জীবনের প্রতিটি ধাপ, নিয়ে মনো-ব্যখ্যা সম্বলিত বিস্তারিত পোস্ট দিয়েছেন ব্লগার সৌবর্ণ বাঁধন

খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব বিভাগে সৌবর্ণ বাঁধন এর ডায়ানা, প্রিন্সেস অফ ওয়েলস পোস্ট নিয়ে অনেক কিছু বলার আছে, কিন্তু সমালোচনার সুযোগ নেই। এর আগেও তিনি এই বিভাগে অনেক ভালো কিছু পোস্ট দিয়েছেন। তবে প্রিন্সেস ডায়ানা’কে নিয়ে এই পোস্ট সেরা হয়ে থাকবে। সোনেলা ব্লগে এমন বিস্তারিত পোস্ট ইতিপূর্বে আর কোন ব্লগারের কাছ থেকে আসেনি। এমন পোস্ট দিয়ে সোনেলাকে সমৃদ্ধ করার জন্য লেখককে  ধন্যবাদ ও অভিনন্দন।

মুভি রিভিউ

মুভি রিভিউ বিভাগে পোস্ট এসেছে একটি। লিখেছেন ব্লগার রোকসানা খন্দকার রুকু

হিন্দি ভাষায় নির্মিত ভারতীয় মুভি হেলিকপ্টার ইলা হিন্দি মুভি টি তিনি নিজের মতো করে উপস্থাপন করেছেন। চেষ্টা করেছেন প্রচলিত/ প্রফেশনাল রিভিউয়ারদের অনুকরণ না করে নিজের মতামত জানাতে। লেখকের এই বিষয়টি ভালো লেগেছে।

যেকোনো  বই, গান, নাটক বা মুভি যেটাই হোক একটা হয়, কিন্তু পাঠক/দর্শক/শ্রোতা নির্দিষ্ট হয় না। প্রতিটি মানুষের বোঝাপড়া আলাদা, দৃষ্টি-দর্শন ভিন্ন হবে। রিভিউ পড়ে মুভিটা দেখার প্রতি আমার আগ্রহ জন্মায়নি। কারণ মুভির মুল বিষয়বস্ত সম্পর্কে পুরোটাই জানা হয়ে গেছে! এটাকে লেখক নেগেটিভ/পজেটিভ দুটোই ভেবে নিতে পারেন।

সোনেলা পেইজ, গ্রুপ এবং ব্লগে তার মুভি রিভিউটি পাঠক দ্বারা সমাদৃত হয়েছে।

সমসাময়িক বিভাগ
সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে ব্লগে অনেকগুলো লেখা এসেছে পুরো আগষ্ট জুরে। সব গুলো পোস্টে বিভিন্ন সমস্যা, সমাধান ইত্যাদি নিয়ে লেখকরা নিজ-নিজ আলোচনা রেখেছেন। তার মধ্যে ব্যতিক্রমী পোস্ট ছিল ব্লগার তির্থক আহসান রুবেল‘ র লেখা ইলিশ মাছ এবং একটি অমানবিক ঘটনা।  ব্যতিক্রমী বলছি এই কারণে, সবাই সমসাময়িক বলতে সরকারি/বেসরকারি/বিভিন্ন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের অসংগতি/ সাধারণ মানুষের ভুলত্রুটি ইত্যাদি বিষয় লেখায় তুলে ধরেন। সেখানে সামান্য মাছ নিয়ে কেউ সমসাময়িক লিখেছেন এটাই আমার কাছে ব্যতিক্রম মনে হয়েছে।

ইলিশ আমাদের জাতীয় মাছ, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পরিবেশে এই মাছের বিস্তার হয়। আমরা প্রতিদিন খবরের পাতায়/টিভিতে/বাজারে/সুপার মলে/ এমনকি ফুটপাতে হাঁটার সময়ে দেখতে পারি হাজার-হাজার ইলিশ নিয়ে ক্রেতারা বসে থাকেন। দেখি আর ভাবি এত মাছ ধরা পড়ে! এত দাম!  এগুলো কারা কেনে? কারা খায়!  কারণ আমিও ঐসব মধ্যবিত্তদের দলে যারা এই অমূল্য ইলিশ চাইলেই কিনতে পারি না। নিজেকে বিরত রাখতে হয় এর বহু মূল্যের জন্যে এবং বিক্রেতাদের অসভ্য (বেশিরভাগ ক্ষেত্রে) আচরণের জন্যে। পোস্টে লেখক একটি প্রস্তাব রেখেছেন, এখানে দিলাম।

❝ইলিশ মাছ হচ্ছে এক প্রকার মাগনা মাছ। প্রাকৃতিকভাবে জন্ম এবং বেড়ে ওঠে। এর পেছনে পুকুর, খাবার, চাষাবাদ, শ্রমিক ইত্যাদি কোন খরচই নেই। যেটুকু খরচ সেটা সব সময়ের স্বাভাবিক খরচ। সেই মাছের এত দাম হবে কেন! ইলিশ মাছের দাম সরকারী ভাবে নির্ধারণ করা জরুরী। এখন আর নির্দিষ্ট সিজন নেই ইলিশ মাছের জন্য। সারা বছর বাজারে ইলিশ পাওয়া যায়। সেই মাছ সাধারণ মানুষের পাতে জায়গা নিতে এরকম অনেক অসম্মানজনক ঘটনা হয়ত ঘটছে। সেটা বাজারে কিংবা বাসাতে। ইলিশের দাম নির্ধারণের ব্যপারে জোর পদক্ষেপ সময়ের দাবী❞

লেখকের সাথে সহমত জানাচ্ছি। আমি/ আমরা চাই ইলিশ-নৈরাজ্যের অবসান ঘটুক।

ইতিহাস বিভাগ

ব্লগার নার্গিস রশিদ লিখেছেন ইতিহাস বিভাগে। এবার তার লেখার বিষয় ছিল আদিকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ধর্মের গোড়াপত্তন, ইতিহাস, বিবর্তন এবং পরিবর্তন সমূহ।  ❝ ধর্ম দেশে দেশে, অতীতে, বর্তমানে ❞ নার্গিস রশিদ এর সব গুলো পোস্টই তার নিজস্ব গবেষণা লব্ধ ফল। তার প্রতিটি পোস্ট আমাদের দেখিয়ে দেয় একটা বিষয় নিয়ে মৌলিক লেখা লিখতে হলে কতটা তথ্যযোগ করতে হয় এবং কী পরিমাণ শ্রম দেয়ার পর একটি পোস্ট লেখা সার্থক হতে পারে। ব্লগার নার্গিস কে অনেক ধন্যবাদ তার অক্লান্ত পরিশ্রমে প্রতিষ্ঠিত পোস্ট গুলো সোনেলার মাধ্যমে প্রকাশ করার জন্যে। আমরা কৃতজ্ঞ তার প্রতি।

সমসাময়িক কবিতা বিভাগ

উহু,সোনেলায় এমন কোন বিভাগ এখনো দেয়া হয়নি। কিন্তু থাকা উচিত ছিলো। সোনেলায় কিছু কবি আছেন যারা কবিতায় সমসাময়িক বিষয়বস্তু/ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিবন্ধকতা গুলো অত্যন্ত স্বচ্ছ ভাষায় কবিতার মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে পারেন/দিচ্ছেন।  ব্লগার হালিমা আক্তার তেমনই একজন। এমনিতে তিনি সমসাময়িক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পোস্ট দেন। এবার কবিতা লিখেছেন। পড়শী মোর কবিতাটিকে আমাদের সমজের রুগ্ন-মানসিকতা সম্পন্ন প্রতিবেশীদের নিয়ে লেখা চমৎকার একটি সমসাময়িক কবিতা বলা চলে। লেখকের প্রতিবাদী মনের স্ফুরণ ঘটেছে এই কবিতায়।

ছবিব্লগ বিভাগ

সোনেলায় আসা অব্দি বহুজনের ছবিব্লগ পড়েছি/দেখেছি। তাদের বেশিরভাগই প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার। তো স্বাভাবিক ভাবেই তাদের তোলা ছবি সুন্দর হবে, উন্নত টাইপের হবে। আর যদি ফটোগ্রাফির পাশাপাশি সে গ্রাফিকস আর্ট ডিজাইনার হিসেবে পরিচিতি লাভ করে তাহলে তার তোলা ছবি গুলো কি সুন্দর না হয়ে পারে!  অতি সামান্য ছবি গুলোকে সে অসাধারণ বানিয়ে তুলতে পারে, যদি কিছু বাড়তি সময় ইউজ করে। ব্লগার সুপর্ণা ফাল্গুনী এই প্রথমবার সোনেলায় ছবিব্লগ বিভাগে পোস্ট দিয়েছেন। ক্যাপশনের সাথে ছবির মিল রাখতে হয়তো বেশি তাড়াহুড়ো করেছিলেন।  কিন্তু যাইহোক তার কাছ থেকে এমন ব্যতিক্রমী পোস্ট পেয়েছি এটাই সুখের বিষয়। আমরা চাই তিনি আগামীতে এমন করে আরও অনেক-অনেক পোস্ট দিয়ে আমাদের আনন্দিত করবেন। সুপ্রিয় পাঠক, আপনারা চাইলে ব্লগার সুপর্ণা ফাল্গুনী‘র শাপলা ফুলের ছবিব্লগ ❝ শাপলার রাজ্যে কিছুক্ষণ❞ ঘুরে আসতে পারেন। আশা করছি আমার মত-ই পোস্ট পড়ে সকল পাঠকের দৃষ্টি প্রশান্তি লাভ করবে।

অতিরিক্ত কথন-
এই রিভিউ পোস্ট আমার ব্যক্তিগত পাঠ-প্রতিক্রিয়া। সোনেলা ব্লগ আয়োজিত সাপ্তাহিক রিভিউ পোস্ট দেয়ার ব্যাপারটি নিয়ে ব্লগ কর্তৃপক্ষ কাজ করছেন। ব্লগে রেটিং পদ্ধতি চালু হওয়ার পরে সর্বোচ্চ রেটিং প্রাপ্ত পোস্ট নিয়ে ব্লগাররা (গ্রুপ এডমিন/মডারেটর/সহ ব্লগার) নিয়মিত রিভিউ পোস্ট দিবেন।

শুভ ব্লগিং।
৫৩২জন ২৮জন
0 Shares

৪১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য