Category: কবিতা

আমায় তুমি খুন করেছো গুম করেছো, ঘুম কেড়েছো স্বপ্ন দেখার সাধ কেড়েছো মাঝ পথে দু-হাত ছেড়েছো রক্ত মাখা হৃদয় খানি ইচ্ছে করেই- আচ্ছা মতো হ্যাঁচড়া টানে বের করেছো! তবু, ছ্যাঁচড়া আমি তোমার পানে তাকিয়ে তাকি স্মৃতি মাখা অম্ল মধুর দিনগুলোর সব আগলেই রাখি। আগলে রাখি বিলীন হওয়া হাওয়ায় মেশা মুখের হাসি খুব যতনে সঙ্গোপনে বলছি [ বিস্তারিত ]

কলমিফুল

এজহারুল এইচ শেখ ২১ ডিসেম্বর ২০১২, শুক্রবার, ১০:১৮:২৯অপরাহ্ন অন্যান্য, কবিতা, বিবিধ, সমসাময়িক, সাহিত্য ৬ মন্তব্য
আমি দাঁড়িয়ে,ও আমার পাশে দাঁড়িয়ে! ওর সঙ্গে আমার বেশ ফুচকার শরীরে একটা মিল আছে! যে কেউ আমাদের ঝাল-আর লবন গোলা জলে, রাস্তা ঘাটে বেশ কুড়-মুড় শব্দে, সকাল বিকেল মজা করে আমাদের খেতে পারে! ওর মস্তক আদিযুগের ঢেবা কম্পিউটার বাক্সে বন্দি,পিথাগোরাসে আমার বন্দি! কিন্তু দুজনের জামা একটা দড়িতে শুন্যে ঝোলে – মোরাল ভেলু! তাই দুজন মিলে [ বিস্তারিত ]
মাঝখানে আমি ঘুমিয়ে আছি!দুইপাশে কে?মা আর বাবা!এইভাবে আমি অনেক রাত ঘুমিয়েছি, জন্ম থেকেই!রাতেরবেলা যখন আমি কেঁদে উঠলে,মা যদি জেগে থাকে ,মা আদর করত!না হয় বাবা গায়ে হাত বুলিয়ে আদর করে ঘুমপাড়াতো! গভীর খাদে দুইকূলের আদোর পেতে পেতে আমি মধ্য গতিতে এসেছি!আবার মাঝে মাঝে বাঁধ পেরিয়ে নাব্যতাটুকু হারিয়েছি!এখানে দু পাড় ভাঙা! সবাই যাকে দামোদর বলে,সেটা হল [ বিস্তারিত ]
পূর্ব আকাশে রবি সবে জায়নামাজ পেতেছে,প্রভু ঘরে তখন ঢোকেনি!আমার তখন ভোরের ঘুমের মায়ায় নাক ডাকে!ধানের শিশ থেকে যেন ভোরে ধান ছাড়াছে মেশিনে! হঠাৎ মায়ের ডাকগুলো আমার কানে এসে ঝাপ্টা মারে,আর এই ভাবে কদ্দিন!নামাজ কালাম কর,আল্লার কাছে সবাইকে যেতে হবে! মা, এখন আমি তোমার ছোট্টোবেলার কর্নের সঙ্গে যাবো!বেচারা কর্ন ছেলেটা বেশ!ওর সঙ্গে ছোট্টোবেলা থেকে আমার বেশ [ বিস্তারিত ]

স্বপ্নদোষ@ এজহারুল এইচ শেখ

এজহারুল এইচ শেখ ১৩ ডিসেম্বর ২০১২, বৃহস্পতিবার, ০৩:৫০:০১অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি, কবিতা ৭ মন্তব্য
উপর থেকে নীচ, রাজার পেছোন ভেজা! পায়ের তলা দিয়ে, মাঝে মাঝে আবার উষ্ন জল গড়ায়! বলতে গেলেই সবার, ভীষণ নাকি স্বপ্নদোষ! রাজা হল প্রভুর দূত! রাজার খাওয়া- দাওয়া,চলন-ঢলন, সব প্রভুরই দেওয়া! ভক্তি-ঞ্জানে মানো প্রজা, তবেই হবে প্রমেশ্বর খোঁজা! না মানলে ঘরে মাৎসন্যায়, সাত-জন্মের স্বর্গের অপব্যয়! কোথায় আছে লেখা?সবাই খোঁজে, এ-পুথি ও -পুথি! শুধু চাঁদের গায়ে [ বিস্তারিত ]
হাওয়ায় উড়া এ’মন আমার উড়ছিলো ত বেশ, কেবা জানতো ক’দিন পরে সবই হবে শেষ। শেষ হয়ে যায় সকল কিছুই শুরু হলে তবে, রেশ রয়ে যায় নিগূঢ় ভাবে মিথ্যে অনুভবে। বমি করে উগলে ফেলি অনুভূতি যত, সান্ত্বনারই প্রলেপ মেখে ঢাকছি বুকের ক্ষত। জবরুল আলম সুমন সিলেট। ১০/১১/১২  
তোমার বিলেতি পোশাকের অর্ধনগ্ন শরীর, ডাইনি চোখের চাহুনিতে, আমার নীলআকাশে মেঘের আনাগোনা আর তেমন দেখা মেলে না! পশ্চিমীবায়ুর পশ্চিমীঝঞ্ঝায়, সকাল-বিকেল হড়কা বানের ভয়, সারা শরীর বেয়ে নামে শীতের কুয়াশায়! রাত গভীরে ঘুমের চাঁদরে অকালে ঝরে পড়া শিঊলির জন্য, সিন্ধুনদের দুঃখগুলো বিন্দু বিন্দু জমে, ভোরের আলোয় আমার কচিঘাসের চোখের কচিপাতায়! আমার প্রাচীন সাদাবক শক্ত ঠোঁটে , [ বিস্তারিত ]
চারিদিক হাহাকার! চারিদিক তৃষিত ভুমির বুকফাঁটা নিশ্বাস!মাথার উপর উত্তপ্ত দুপুর আমার ! মরুর বুকে ভাঙ্গাবাড়ির দেওয়ালে ,সবুজ শ্যাওলা জমে! ঝড়ের বুকে ধেয়ে আসা কাঁটা কাঁটা কয়েকটি শব্দে, ”কি রে? কেমন আছিস? বল” মাঝে মাঝে আমার এলোমেলো শশ্মানের দিকে চোখ পড়লেই,আৎকে উঠি আমি! দম বন্ধ হয়ে আসে,নির্জন ভাঙ্গা ঘরে! যেন জীবন্ত লাশ বয়ে যায় সময়ধারায় ! [ বিস্তারিত ]
১. পানির অপর নাম যদি জীবন বলা হয়, তোমার জন্য জীবন দেবো সময় অসময়। ২. আমি আজো বেকার ! আমার কাছে আছেরে ভাই অনেক কিছু শেখার, আমি বুঝি ভালো মন্দ কোন গলির মুখ খোলা বন্ধ গন্ধ শুকেই বলতে পারি অনেক কিছুর নাম তবু আমি বেকার বলে পাইনা কোন দাম !! ৩. গ্যাসট্রিকের ঐ গ্যাস ফোমে [ বিস্তারিত ]
বাড়ে রাত ছাড়ে হাত নির্ঘাত বেদনায়, দেহ মন সারাক্ষণ আমরণ বাসনায়। হেঁটে যায় অজানায় খালি পা’য় স্বপ্নেরা, ভেবে পাই শুধু নাই মাথাটা ঘুণ ধরা। ভাসে চোখ ফুঁসে বুক বুকে বিঁধে খঞ্জর, ছিঁড়ে যায় কুঁড়ে খায় যায় ভেঙ্গে পিঞ্জর। যারে যা উড়ে যা পুড়ে যা স্মৃতি সব, থেমে যাক ঘুম পাক যতসব কলরব। শেষ রাতে আখি [ বিস্তারিত ]
পাখির ঠোঁটের সরষে কনার অনু যদি নাও জোটে! প্রভুর পাঁচ বৎসর কালে! পাখির পালকে লেপ্টে যেন থাকে উষ্ন শান্তি! পেটের খোলের ডোবা – পুকুরে, শ্যাওলা -পুকুরের অতল গভীরে এই আশার যঞ্জ – আগুন লেগেই থাকে প্রজার পাঁজরে !প্রভুদের জীবৎ – কালে! মৃত্যু কালে পেখম ফোটে আকাশে ডানা ভরে ওড়ে!।আকাশের বাদশা আমি! ভুমি আর কিবা দামি! [ বিস্তারিত ]
এতকাল যাবৎ এই যে এতো হম্বি-তম্বী , রামায়ন ক্লীষ্ট থেকে মহাভারত শ্রেষ্ঠ! সকালে রাম তো অবেলার রাবণ! সবই ঐ আমার মায়ের বুকের উপর দাড়িয়ে! ছোট্টো থেকেই ছেড়াঁ ছেড়াঁ চোখে দেখি ‘মায়ের দহনযাত্রা’! কাচাঁরোদের রান্নাশালের অন্নপূর্ণা! তো আবার দুপুরে বিশ্বের জজ্ঞালের ‘কালী’! আর রাতের লিঙ্গশূলে বিদ্ধ পুরুষ-পিতার ‘দ্রোপদী’! সব বাবাই তো লুটের জন্য পণ দিয়ে মেয়ে [ বিস্তারিত ]
১. তারে ভালোবাসতাম আমি সে কি মোরে বাসিত ? ভালো যদি না-ই বাসিত দেখলে কেন হাসিত ? কইনি কথা তাহার সনে লাজ শরমের ভয়ে, প্রেমের কাঁটার আঘাত একা যাচ্ছি আমিই সয়ে। হঠাৎ করেই সাজলো বধু হৃদয় ভেঙ্গে দিয়ে, চোখের সামনেই চলে গেলো সবই কেড়ে নিয়ে। ২. আমায় শুধু বাসতো ভালো আমি কি আর বাসি ? [ বিস্তারিত ]

অবাধ্য

নীলাঞ্জনা নীলা ৫ নভেম্বর ২০১২, সোমবার, ০৯:৩৫:০৩অপরাহ্ন কবিতা, সাহিত্য ২৯ মন্তব্য
চোখ দুটোকে বললাম , অতো স্বপ্ন দেখিস কেন ? এবার একটু বাস্তবটাকে দেখ । আমার ঠোঁট দুটোকে বললাম , নিশ্চুপ থাক । চাওয়া-পাওয়ার দরজাটাকে বন্ধ করে দে । কন্ঠটাকে বললাম , আর কোনো চিৎকার নয় , ক্রোধ নয় । নীরবতা দিয়ে ঢেকে রাখ মুখ । হাত দুটোকে বললাম , ব্যথা দিসনা , আর নিজেও ব্যথা [ বিস্তারিত ]
সকালের রোদে সেই তাপ কই! যে তাপ আমি ভুমিষ্ঠ হওয়ার সময় পেয়েছিলাম! আমার মায়ের নেতানো উঠোন আর শোষে না! স্যাঁতে স্যাঁতে উঠোন আমার! আমার বুকে গড়িয়ে পড়া চোখের নোনা জলে! আমার দেহ!আমার বুকে! আর চোষে না! রাত-বেরাত গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ে! সারা শরীরে জুড়ে দগ-দগে ঘাঁ! নোনা জলে আরও ঘাঁ বাড়ে! শুক্নো চোখে অশ্রু নিয়ে মাছির [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ