বাউড়ি বাতাসে বাওয়াল ভাবনা ৬
- শহরবন্দী মেঘে তুমুল বৃষ্টি নামুক –
ধুয়ে নিয়ে যাক এই অছ্যুৎ পরবাস,
আর কতকাল সয়ে যাবো এই
একলা বিনিদ্র রাত নির্ঘুম এপাশ ওপাশ। - শহরে যেদিন আকাশ আধাঁর বৃষ্টি নামে –
সেদিনও আমি খুব একাকী,
তবুও মাঝরাতে বৃষ্টি এলে, তোমাকে ভেবেই
নির্জন পথের পাশে হঠাৎ থামি –
শুন্যে মেঘের খুব তোরজোড় যেদিনটাতে
সেদিনও সেই একলাই থাকি, পুরোটা আমি।আধো ঘুমঘোরে তোমার ছোঁয়া খুজি –
এই নগরে মাঝরাত্তিরে অ-সুখী একাই বুঝি। - এইখানে আর বৃষ্টি হয়না –
বুকের ভেতর অবরুদ্ধ নদী,
বিনিদ্র রাত্তির হতো বকুলগন্ধা
শেকড়বিহীন এই শহরে,
শুধু তুমি থাকতে যদি।
মোট পড়েছেনঃ ৭৫৩জনআজ পড়েছেনঃ ০জন




১৫টি মন্তব্য
প্রতিটি লাইন হৃদয়ের আবেগ থেকে নেয়া, সে বোঝা যাচ্ছে।
ভাবনাটা একই জায়গায় স্থির ছিলো, আর তাই তিনটি খন্ড কবিতা হলেও আবেগের বদল হয়নি। কিংবা বিষয়েও ওলট-পালট আসেনি।
ভালো লাগা রইলো।
অস্থির ভাবনারা বৃত্তের মতো, কেন্দ্রে স্থির 🙂 ধন্যবাদ
ভালো লাগল কবিতা ভাইয়া। শুভেচ্ছা নিবেন।
ধন্যবাদ ভাই
এইখানে আর বৃষ্টি হয়না – বুকের ভেতর অবরুদ্ধ নদী, বিনিদ্র রাত্তির হতো বকুলগন্ধা শেকড়বিহীন এই শহরে,
শুধু তুমি থাকতে যদি।,,,,,,,, খুব ভালো লেগেছে। -{@
শিমূল ভাইইইইইইইইইইইইইই, দোকা হইয়া একা কই হইলেন ভাই? আমাগোরেই এতিম বানাইয়া রেখে গেলেন!!
বৃষ্টিনামা? কিন্তু ১ এ বৃষ্টি মনে হচ্ছিল সমাধান, আর ২ এ মনে হচ্ছে সমস্যা। নাকি আমরা মাঝে মাঝে সমস্যা দিয়েই সমাধান করি? কি জানি!!
শিমূলত্রয় খুবই সুন্দর হয়েছে, মাঝরাতে বৃষ্টি হলে পথের পাশে একটু থামা, লাইনদুটো টানলো ভীষন। আবেগের একাংশ ঝেড়ে ফেলা যেন!!
শুন্য আপাআআআআআআআ এক্লা হইতে হইলো ভাগ্যদোষে 🙁
যে সমস্যার সমাধান দুরুহ সেইটা সমস্যা দিয়াই সমাধান হয় 🙂
এমন লেখার জন্য অপেক্ষায় থাকি।
শিরোনামটাই তো বুকের ভিতর হু হু করা।
একাকী না হলে এমন ভাবনার কথা আমরা জানতাম? 🙂
শুভ কামনা।
ধন্যবাদ জিসান দাদা (3
এমন একটা সুন্দর লেখা দিয়া ভাবিকে নিয়ে কোথায় উদাও হলেন? (-3
ভাবীকে নিয়া উধাও হইনাই ভাই … একলা পরবাসী 🙂
মুগ্ধ হলাম। 🙂
(3 (3
প্রথমটা এখন আপনার জন্যই,
উহ, কি যে জ্বালার যন্ত্রণা!!
এই গানটা মনে পড়ছে,”আর কতো রাত একা থাকব “? তারপর, “আমায় প্রশ্ন করে নীল ধ্রুবতারা”।
হৃদয়ের কথাগুলো শিষ দিয়ে বেরিয়ে আসছে।
সুন্দর আবেগ উপস্থাপন।
শুভকমনা রইল।