১৯৭১ ২৭ এপ্রিল বিকেল ৫টা। ছোট এবং সমৃদ্ধ শহরের দক্ষিন দিক থেকে হঠাৎ দ্রুম দ্রুম শব্দ। পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর আক্রমণের আশংকায় ২৫ মার্চের পরেই শহরের পশ্চিম পারের গ্রামের বাড়িতে বসবাস আমাদের। ক্লাস ফোর এ পড়ি। প্রস্তুতি নেয়াই ছিল। সারা গ্রামের লোকজন ধীরে ধীরে বাড়ী ছেড়ে বেড় হচ্ছে। আমাদের বাড়ীর সবাই বেড় হতে হতে সন্ধ্যা প্রায়। [বিস্তারিত]
তোমার বিলেতি পোশাকের অর্ধনগ্ন শরীর, ডাইনি চোখের চাহুনিতে, আমার নীলআকাশে মেঘের আনাগোনা আর তেমন দেখা মেলে না! পশ্চিমীবায়ুর পশ্চিমীঝঞ্ঝায়, সকাল-বিকেল হড়কা বানের ভয়, সারা শরীর বেয়ে নামে শীতের কুয়াশায়! রাত গভীরে ঘুমের চাঁদরে অকালে ঝরে পড়া শিঊলির জন্য, সিন্ধুনদের দুঃখগুলো বিন্দু বিন্দু জমে, ভোরের আলোয় আমার কচিঘাসের চোখের কচিপাতায়! আমার প্রাচীন সাদাবক শক্ত ঠোঁটে , [বিস্তারিত]

অভ্যাস-৫

আদিব আদ্‌নান ১০ নভেম্বর ২০১২, শনিবার, ০৫:১০:৩২পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১১ মন্তব্য
ভাবছি আর ভাবছি …… ভাব্‌বনা আর কিছুতেই– এমনই ভাবছি ; তবুও ভাবছি – ঘুমাব আরও – ঘুমঘোরে বা ঘোরঘুমে জেগে উঠব না – উঠলেও জেগে জেগেই ঘুমাব, তবুও ঘুমাব সকাল থেকে সন্ধ্যা বা সন্ধ্যা থেকে সকাল অবধি । হঠাৎ ই পায়ে মোক্ষম সুড়সুড়ি সকাল বলে – ‘সুপ্রভাত তোমাকে’ কী আর করা , বিদায়  – হে [বিস্তারিত]
চারিদিক হাহাকার! চারিদিক তৃষিত ভুমির বুকফাঁটা নিশ্বাস!মাথার উপর উত্তপ্ত দুপুর আমার ! মরুর বুকে ভাঙ্গাবাড়ির দেওয়ালে ,সবুজ শ্যাওলা জমে! ঝড়ের বুকে ধেয়ে আসা কাঁটা কাঁটা কয়েকটি শব্দে, ”কি রে? কেমন আছিস? বল” মাঝে মাঝে আমার এলোমেলো শশ্মানের দিকে চোখ পড়লেই,আৎকে উঠি আমি! দম বন্ধ হয়ে আসে,নির্জন ভাঙ্গা ঘরে! যেন জীবন্ত লাশ বয়ে যায় সময়ধারায় ! [বিস্তারিত]
১. পানির অপর নাম যদি জীবন বলা হয়, তোমার জন্য জীবন দেবো সময় অসময়। ২. আমি আজো বেকার ! আমার কাছে আছেরে ভাই অনেক কিছু শেখার, আমি বুঝি ভালো মন্দ কোন গলির মুখ খোলা বন্ধ গন্ধ শুকেই বলতে পারি অনেক কিছুর নাম তবু আমি বেকার বলে পাইনা কোন দাম !! ৩. গ্যাসট্রিকের ঐ গ্যাস ফোমে [বিস্তারিত]
বাড়ে রাত ছাড়ে হাত নির্ঘাত বেদনায়, দেহ মন সারাক্ষণ আমরণ বাসনায়। হেঁটে যায় অজানায় খালি পা’য় স্বপ্নেরা, ভেবে পাই শুধু নাই মাথাটা ঘুণ ধরা। ভাসে চোখ ফুঁসে বুক বুকে বিঁধে খঞ্জর, ছিঁড়ে যায় কুঁড়ে খায় যায় ভেঙ্গে পিঞ্জর। যারে যা উড়ে যা পুড়ে যা স্মৃতি সব, থেমে যাক ঘুম পাক যতসব কলরব। শেষ রাতে আখি [বিস্তারিত]
পাখির ঠোঁটের সরষে কনার অনু যদি নাও জোটে! প্রভুর পাঁচ বৎসর কালে! পাখির পালকে লেপ্টে যেন থাকে উষ্ন শান্তি! পেটের খোলের ডোবা – পুকুরে, শ্যাওলা -পুকুরের অতল গভীরে এই আশার যঞ্জ – আগুন লেগেই থাকে প্রজার পাঁজরে !প্রভুদের জীবৎ – কালে! মৃত্যু কালে পেখম ফোটে আকাশে ডানা ভরে ওড়ে!।আকাশের বাদশা আমি! ভুমি আর কিবা দামি! [বিস্তারিত]

আগন্তুক

ছাইরাছ হেলাল ৭ নভেম্বর ২০১২, বুধবার, ১০:৫২:১৩অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি, বিবিধ ২৫ মন্তব্য
জ্যোৎস্নায় ছায়া ফেলে উলুক রাত্রি এ যেন মন্বন্তর আলোর উৎসবে, যন্ত্রণার অবগুণ্ঠনে রমিতা আমি রক্ত-গন্ধ হাঁস ফাঁস নিঃশ্বাস । রাত্রি এখন নিকষ নিস্তব্ধ নিপাট সাজে বাদুড়ের ডানার ছায়ায়; চাঁদের বুড়িটা ছিল যেমন তেমনই আছে এখনও শুধুই জবুথুবু আরও। হে শহর — জড়তায় নুয়ে কেন ? কেন এ অনুর্বরতা ? জ্যোৎস্নার আলিঙ্গনে এখনও কথা বলে তারারা…… [বিস্তারিত]

মানুষ

জিসান শা ইকরাম ৭ নভেম্বর ২০১২, বুধবার, ১০:৩০:৪৪পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি, বিবিধ ১৪ মন্তব্য
মানুষে মানুষে হানাহানি, দ্বন্দ্ব, ব্যাক্তি রেষারেষি , যুদ্ধ ও রক্তপাত এসব দেখে একজন মানুষ হিসেবে ব্যথিত হই খুব। অন্য কোন গ্রহে যদি মানুষ বাস করতো, তা হলে তুলনা করা যেত , আমরা তাদের তুলনায় কতটুকু ভালো বা খারাপ। আমরা আমাদের বুদ্ধি বিবেককে বিসর্জন দিয়ে কোথায় যাচ্ছি ? মনুষত্বের গুন আমাদের মাঝে আমরা কতটা ধারণ করছি [বিস্তারিত]

অভ্যাস-৪

আদিব আদ্‌নান ৭ নভেম্বর ২০১২, বুধবার, ০৭:২৭:৪৫পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৫ মন্তব্য
নিশ্চুপ নীরবতা ……….. শব্দ সমুদ্রে শেষহীন অবিশ্রাম এমন নৈশব্দের স্রোতে ভেসে ভেসে যাওয়া ; না – না , নেই কোন বিষণ্ণ দুঃস্বপ্ন — নেই – পাওয়া বা না পাওয়ার সুখ সুখ যন্ত্রণার জ্বলন্ত লাভা স্রোত, অতীন্দ্রিয় নিশ্চুপ ধূসরতা – অক্লান্ত স্তব্ধতায় গভীর নীল পাড়হীন বন্ধ্যা ম্লান স্খলিত স্থবির  রাত্রির পাহাড়ের ছায়া । জানলার ফাঁক গলে [বিস্তারিত]
এতকাল যাবৎ এই যে এতো হম্বি-তম্বী , রামায়ন ক্লীষ্ট থেকে মহাভারত শ্রেষ্ঠ! সকালে রাম তো অবেলার রাবণ! সবই ঐ আমার মায়ের বুকের উপর দাড়িয়ে! ছোট্টো থেকেই ছেড়াঁ ছেড়াঁ চোখে দেখি ‘মায়ের দহনযাত্রা’! কাচাঁরোদের রান্নাশালের অন্নপূর্ণা! তো আবার দুপুরে বিশ্বের জজ্ঞালের ‘কালী’! আর রাতের লিঙ্গশূলে বিদ্ধ পুরুষ-পিতার ‘দ্রোপদী’! সব বাবাই তো লুটের জন্য পণ দিয়ে মেয়ে [বিস্তারিত]
১. তারে ভালোবাসতাম আমি সে কি মোরে বাসিত ? ভালো যদি না-ই বাসিত দেখলে কেন হাসিত ? কইনি কথা তাহার সনে লাজ শরমের ভয়ে, প্রেমের কাঁটার আঘাত একা যাচ্ছি আমিই সয়ে। হঠাৎ করেই সাজলো বধু হৃদয় ভেঙ্গে দিয়ে, চোখের সামনেই চলে গেলো সবই কেড়ে নিয়ে। ২. আমায় শুধু বাসতো ভালো আমি কি আর বাসি ? [বিস্তারিত]
অরিত্র, গতকাল কাজ শেষে আমরা তিনজন বন্ধু চুটিয়ে আড্ডা দিয়েছি। আমাদের বিখ্যাত মামার হোটেলে জন প্রতি ২৫ টাকার লাঞ্চ শেষ করে গিয়েছিলাম এক সবুজের রাজ্যে। ওহ তুমি ভাবছ ২৫ টাকায় আমি কী খেলাম! আসলে মামার হোটেলে গিয়ে আমরা বলে দেই আমাদের ২৫ টাকার লাঞ্চ করাতে। তখন উনারা ইচ্ছে মতন আমাদের খাওয়ান। কালকের মেনুতে ছিল একটা [বিস্তারিত]
আমার চোখে সকাল নামে সাধারণত সকাল দশটার পর তাই সকালের নরম রোদের স্বাদ আমি পাইনা। ভোরের শিশির যদি কখনো গায়ে মাখতে পারি তখন সারাদিন খুব আরামেই কাটে কিন্তু আমি হয়তো অত আরাম চাইনা বলে শিশিরের স্পর্শ থেকেও দূরে থাকি। রাতের নির্জনতাকেই আপন করেছি বলে ভোর দেখাও হয়না খুব একটা। ভোর যখন আমার জানালার পাশে তখন [বিস্তারিত]

অবাধ্য

নীলাঞ্জনা নীলা ৫ নভেম্বর ২০১২, সোমবার, ০৯:৩৫:০৩অপরাহ্ন কবিতা, সাহিত্য ২৯ মন্তব্য
চোখ দুটোকে বললাম , অতো স্বপ্ন দেখিস কেন ? এবার একটু বাস্তবটাকে দেখ । আমার ঠোঁট দুটোকে বললাম , নিশ্চুপ থাক । চাওয়া-পাওয়ার দরজাটাকে বন্ধ করে দে । কন্ঠটাকে বললাম , আর কোনো চিৎকার নয় , ক্রোধ নয় । নীরবতা দিয়ে ঢেকে রাখ মুখ । হাত দুটোকে বললাম , ব্যথা দিসনা , আর নিজেও ব্যথা [বিস্তারিত]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ