মূল লেখায় যান

শুধুমাত্র অনামিকাতেই কেনো বিয়ের রিং পড়ানো হয়?

খেয়ালী মেয়েবিবিধ৩৬টি মন্তব্য

প্রতিটা কাজের পেছনেই একটা সুর্নিদিষ্ট কারণ থাকে, এটা আমাদের সবার জানা কথা…আমিও জানি এই কথাটা—কিন্তু যেটা জানি না সেটা হলো “হাতের মাঝে পাঁচটা আঙুল থাকতে শুধুমাত্র অনামিকাতেই কেনো বিয়ের রিং পড়ানো হয়?..এর পেছনের কারণটা কী?
আজ পর্যন্ত কারো মুখে শুনলাম না, এমনকি কাউকে (বৃদ্ধা/তর্জনী/মধ্যমা/কনিষ্ঠা) এই আঙুলগুলোতে রিং পড়াতেও দেখলাম না—তার মানে অনামিকাতে পড়ানোর পেছনে নিশ্চয় কোন সুর্নিদিষ্ট কারণ আছে, যার জন্য সবাই অনামিকাতেই রিং পড়ায়।
আমি এই কারণ জানিতে চাই…প্লীজজজজজজ যারা এই কারণটা সম্পর্কে অবগত আছেন শেয়ার করুন আমার সাথে………..

(খেয়ালী মেয়ের কৌতূহলী প্রশ্ন)

মোট পড়েছেনঃ ২৫৯৩জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৬টি মন্তব্য

    1. এই কারণটা আমিও শুনেছি, কিন্তু শুনার পর আরো কিছু প্রশ্ন মনের ভিতর ভিড় করছে, যেমন অনামিকার মত শিরাতো নিশ্চয় অন্য আঙুলগুলোতেও আছে—আর সেই শিরাগুলো সরাসরি কোথায় গিয়েছে?…
      মনটা বড্ড কৌতূহলী হয়ে উঠেছে 🙁

  1. গ্রিক, রোমানরা এমন ভাবতো অনামিকাতে এমন একটা শিরা আছে যা সরাসরি হ্দপিন্ডে প্রবেশ করে, যেটা তাজ বলেছে। তবে এর কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। আপনার প্রশ্নের উত্তরের আগে আপনি আমাকে আগে বলুন, বিয়েতে রিং পরাতেই হবে কেনু কেনু কেনু?

    1. বিয়েতে রিং পড়ানোটা অতো গুরুত্বপূর্ণ কিছু না—যেমন এক্ষেত্রে আরো একটি প্রশ্ন আসে যে, বিয়ের আগে হলুদ কেন মাখতে হবে?..বিয়েতে হলুদ মাখানোটাও অত গুরুত্বপূর্ণ কিছু না…সবাই হলুদ মাখেও না, আবার সবাই এনগেজমেন্ট রিং পড়ায়ও না….কিন্তু কথা সেটা না,কথা হচ্ছে যারা এনগেজমেন্ট রিং পড়ায় তারা শুধুমাত্র অনামিকাতেই কেন পড়ায়?…হলুদ না মাখলেও চলে, পানচিনি না খেলেও চলে, রিং না পড়ালেও চলে…..কিন্তু যখন পড়ানো হয় সেটা শুধু অনামিকাতেই কেন?..অন্য আঙুলে নয় কেন?…

  2. মনে হয় অনামিকা আঙ্গুলে রিংটি বেশী মানায় তাই হয়তো শুধু অনামিকাতে আংটি পড়ান এর অন্য কোন ইতিহাস আছে বলে আমার মনে হয় না।তবুও অপেক্ষায় রইলাম কেউ যদি জেনে থকেন।

    1. ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য…হাতের এই খেলাটি আমরা ছোটবেলায় ম্যাজিক ম্যাজিক খেলা বলে খেলতাম………কিন্তু এটাকেই কি সুর্নিদিষ্ট কারণ হিসেবে ধরা নেওয়া যায়?..

  3. আমিতো পড়ি না!!
    শিরাটিরার বিষটা এমনি কথা হিসেবে চালু, ভিত্তি হীন। এটার জন্য কোন কারণ কেনই। যেমন দোয়ের পাখির নাম দোয়েল রাখার কোন কারণ নেই তেমন।
    মজার একটা যুক্তি আছে, তদার জন্য ছবি দিতে হবে লিখতে হবে অনেকটা। আলাদা একটা লেখা হিসেবে পোস্ট করার ইচ্ছে রইলো।

    1. নাম রাখা আর রিং পড়ানো রীতিটা পালন করা ,আমার কাছে মনে ২টা ভিন্ন আঙ্গিকের বিষয়..
      আপনার মজার যুক্তিটা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম 🙂
      তাড়াতাড়ি লিখে ইচ্ছেটা পূরণ করে ফেলুন.

  4. কি বলব ?

    এই নিয়ে ভাবার বয়স , সময়, সুযোগ , পরিবেশ , পরিস্থিতি কোনটাই আমার হয়নি !

    অভিজ্ঞতার ঝুড়ি যখন পূর্ণতা পাবে তখন ভাববো .. .
    ততটুকু সময় কি চেয়ে নিতে পারি ?

    1. ইশশশশশশশশশশশশ আমি ভেবেছিলাম যে, শুধু আমিই জানি না-আর বাকী সবাই হয়তো জানে–তাইতো সবার কাছ থেকে জানার জন্য প্রশ্ন………….
      থাক ভালোই হল যে, আমরা কেউই সঠিক উত্তর জানি না :p

  5. আমি হুকুম দিয়েছিলাম, অনামিকাতে আংটি পড়াতে হবে, নইলে অন্য আঙ্গুলে দিলেই আংগুল কেটে ফেলা হবে। একারনে অনামিকায় আংটি পড়ানো হয় :p

    1. মহারানী লীলাবতী আপনি এতোদিন কোথায় ছিলেন?…
      আমিও এই মুহুর্তে একটু একটু আন্দাজ করতে পারছি যে, এর পেছনে লীলাবতী ছাড়া অন্য কারো হাত থাকতেই পারে না :p দেখেছেন আপনার আদেশ প্রজারা কিভাবে অক্ষরে অক্ষরে পালন করে–ধন্য আপনি, মহান আপনি 🙂