বিভাগ: ইতিহাস

যুদ্ধের ভয়াবহতা সর্বোত্র শুরু হয়ে গেল।যুদ্ধে গেরিলা বাহিনী নাপাকিদের ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ এর বিভিন্ন স্থাপনায় অতর্কিত আক্রমন করে নাপাকি সামরিক জান্তাকে ব্যাতি ব্যাস্ত করে তুলেন।বিদ্যুত কেন্দ্র,রেডিও টেলিভিশন অফিস,বড় বড় হোটেল,রেল ষ্ট্যাসন,বিপণী কেন্দ্র ইত্যাদি স্থাপনাতে গেরিলারা একের পর এক হামলা করতে থাকে তারই ধারাবাহিকতায় সিদ্ধিরগঞ্জ বিদ্যুত কেন্দ্রেও গেরিলা হামলার প্লান করেন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধারা। নিউজ নারায়ণগঞ্জ বরাতে [ বিস্তারিত ]
বন্দর রেল লাইন অপারেসন: ডিসেম্ভর মাস বিজয় আসন্ন।মুক্তিযুদ্ধে বাংলার দামাল ছেলেদের সাথে পুরোপুরি যোগ দিলেন মিত্র বাহিনী ভারতের সেন বাহিনীরা।১৫ই ডিসেম্বর সকাল ১০ টায় এম.পি সিং এর নেতৃত্বে ৪টি গ্রুপ করে চার দিকে রেকি করতে বের হয়।প্রথম গ্রুপে নেতৃত্বে ছিলেন গিয়াস উদ্দিন বীর প্রতীকে,দ্বিতীয় গ্রুপে সাহাবুদ্দিন খান সবুজ ও এন.পি. সিংহের নেতৃত্বে, তৃতীয় গ্রুপে নেতৃত্বে ছিলেন- জি.কে [ বিস্তারিত ]
জন্ম ভুমি নিয়ে লিখছি বলে জন্মভুমির সৃষ্টির রহস্যটা লেখায় একটু না আনলে কি হয়।১৯৭১ সাল দীর্ঘ নয়টি মাসের সংগ্রামে রক্তে ভেজাঁ লাল সবুজের পতাকাটি বিশ্ব মানচিত্রে স্থান পায় যার নেতৃত্বে তিনি ছিলেন বঙ্গ বন্ধু শেখ মজিবর রহমান।ত্রিশ লক্ষ তাজাঁ প্রানের বিনিয়ে প্রায় দশ লক্ষাধিক মা বোনদের ইজ্জত বিলিয়ে আসে কাঙ্খিত বিজয়।খুব সম্ভবত বিশ্বে সম্ভ্রমহানীর এমন [ বিস্তারিত ]
বাঙ্গালী রক্তের রন্দ্রে রন্দ্রে মিশে আছে খেলাধূলা।গ্রাম বাংলায় জাতীয় খেলা কাবিডি হতে শুরু করে ফুটবল,দাড়িয়া বান্ধা,গোল্লাছুট,ঢাং গুডি প্রভূতি খেলা হতো খুব জাকজমক ভাবে।ফুটবল খেলা ছিলো পাড়ায় মহল্লায়।দেশে ফুটবলের ইতি কথাগুলো একটু আলোচনা করলে বুঝা যাবে স্বাধীনের পর পরই মুলত ফুটবলের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের জোক বাড়তে থাকে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এর তত্ত্বাবধানে ১৯৭২ সালে ঢাকায় ফুটবল [ বিস্তারিত ]
আধখাওয়া পঞ্চমীর চাঁদ পরে থাকে অবহেলিত সিগারেটের খালি প্যাকেটের সেলোফোনে লেপ্টে, শিয়রে আধখোলা জানালার ফাঁকে জ্বলে উঠে মিলিয়ে যায় পরিচিত নীলচে আগুন। জোনাকি বলে মনকে দেই চোখ ঠারানো শান্তনা। মন সব বোঝে, তবু ছেলেমানুষী শান্তনায় চোখ বুজে থাকে। অতিদূর সমুদ্রের পারে বীনা বাজায় কোন অন্ধ কবি, আর খেয়াঘাটের শুন্যতার সাথে সঙ্গত করে যায় খেয়ালী বাউল। [ বিস্তারিত ]
সেই বহু আগের কথা তবে আমার দৃষ্টিতে মনে হয় এইতো সে দিনের কথা।কি সবুজ শ্যামল পরিবেশটিই না ছিলো সে সময়ে।আমাদের এলাকাটি মানে সিদ্ধিরগঞ্জ বাজার নারায়ণগঞ্জ এলাকাটি তখনো মফস্বল অঞ্চল অথচ অতি নিকটেই ছিলো ঢাকা শহর,ছিলো এশিয়ার বৃহত্তম আদমজী পাটকল,ছিলো দেশের অন্যতম বিদ্যুত কেন্দ্র তবুও ছিলো খাল পুকুরের ছড়ছড়ি,ছিলো ভরপুর গাছ গাছালি,তখনো শীতলক্ষ্যা নদীর শাখা নদী [ বিস্তারিত ]
রাজ আর নীতি এই দুইটি শব্দ যখন এক হয় তখন তাকে আমরা রাজনিতী বলি।আর যখনি দুটি শব্দে নীতি থাকবে না তখন তাকে আমরা কু-রাজনিতী বলি।কারন রাজনিতীর মুল উৎসহ হচ্ছে জনগণ যখন রাজগোষ্টির নীতি ভ্রষ্ট্য হয় তখন আর রাজনিতী শব্দটিকে শর্মিলদা মনে হয়।১৯৭৫ এর পর স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় পদটিতে একচ্ছত্র অধিপতি কেউ বেশী দিন [ বিস্তারিত ]
-মানেটা পরে কোন এক দিন বাসায় এসে জেনে নিয়েন।লোকটি বুঝতে পারলেন সূর্য এ বিষয়ে কোন কথার উত্তর দেবেন না।সঙ্গতঃ কারনে লোকট চুপ হয়ে গেলেন।তার পর অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে বর কনের কবুল শব্দটি দিয়ে পরিসমাপ্তি ঘটে। হানিমুনে কেটে যায় বেশ কয়েকটি মাস।এক দিন হঠাৎ সূর্যদের বাড়ীতে কিছু মেহমান আসে।চমকে উঠে রোজী মানে সূর্যের মা।সূর্য নন্দিনী কেউ বাড়ীতে [ বিস্তারিত ]
গ্রামীন পরিবেশ,সেই পাখি ডাকা ভোরঁ হতেই কৃষঁকরা কাধে লাঙ্গল হাতে লাঠি গরু তাড়াতে তাড়াতে চলে যায় ক্ষেত জমিতে।ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা বেরিয়ে পড়ে মক্তব্যে আরবী পড়তে যা আমাদের বাংলাদেশের গ্রাম বাংলার অনুরূপ।রাখাইন গ্রামটি একটি অরক্ষিত মায়ানমার সেনা বাহিনী দ্বারা নিয়ন্ত্রীত একটি গ্রাম।গ্রামের প্রায় সকল যুবক পুরুষ আরাকান রাজ্যের তথা কথিত সন্ত্রাসী গোষ্টি যা আরাকানে রাখাঈনদের [ বিস্তারিত ]
গত পর্বে শেষ করেছিলাম সিদ্ধিরগঞ্জের প্রথম চেয়ারম্যান মরহুম আলহাজ্ব মোঃ আমিজ উদ্দিন সাহেবের কথা বলে।তার শাষণ কাল যদিও দেখিনি কিন্তু শুনেছি বহু মানুষের কাছ থেকে।এমন সব মানুষ যখন সাধারণ অবস্থায় থাকেন তখন সে হয় সৎ মার্জিত ও জন বান্ধব প্রিয়।যখনি বিশেষ কোন ক্ষমতায় সাধারণ মানুষ থেকে পার্থক্যে চলে যায় তখন হয় সে পূর্বের চেয়ে আরো [ বিস্তারিত ]
আমার জন্ম আমার ভুমি,আমার দেশ,আমার মাটি,আমার বাংলাদেশ; আমার এমন অহংকারে গর্ব করা কেবলি মুক্তি যুদ্ধের অবদান।এ দেশের সব কিছুই আমার আমাদের।সেই দেশের রাজধানী ঢাকা থেকে ১৬ কিলোমিটার পূর্বে নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর একটি থানা সিদ্ধিরগঞ্জ ওমর পুর এলাকা যেখানে আম জন্ম হয়েছিলো জন্ম।এ এলাকাটিকে সাধরনতঃ আমরা উপ শহরও বলতে পারি।সিদ্ধিরগঞ্জ বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্তর্গত একটি থানা। সিদ্ধিরগঞ্জ  [ বিস্তারিত ]

আশ্চর্য্য বই! পিছনে বিভৎসতা।

রিতু জাহান ৪ অক্টোবর ২০১৭, বুধবার, ০৮:৫৯:১১অপরাহ্ন ইতিহাস ১৪ মন্তব্য
মানুষের চামড়া দিয়ে বাঁধানো বই উত্তর ইংল্যান্ডের লিওসের এক রাস্তায় সম্প্রতি মানুষের চামড়া দিয়ে বাঁধানো ৩০০ বছরের পুরোনো একটি বই পাওয়া গেছে। বইটির ভেতরের পৃষ্ঠাগুলোতে কালো কালির হাতের লেখা রয়েছে। ধারনা করা হয়, এটি সতেরো শতকে লেখা। বইটির বিষয়বস্তু ফরাসি ভাষায় লেখা। ফরাসি বিপ্লবের সময় এমন অনেক বই বেরিয়েছে যেগুলো এ বইটির মতো মানুষের চামড়া [ বিস্তারিত ]
কাদোঁ বাঙ্গালী কাদোঁ,,,,কথাটা শুনলেই কানে ভেসে আসে বঙ্গ বন্ধুর সেই ভাষন।সেই ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাইয়েরা আমার।এ এমন একটি ভাষন যা প্রতিটা বাঙ্গালীর হৃদয়ে সূচের ন্যায় গেথে আছে যা অনেক সময় অনেক আড্ডাস্থলেও বলা হয় “তিনি আমার কথা রাখলেন না ৴তিনি রাখলেন ভুট্ট্রো সাহেবের কথা” এই যে ভাষার মধ্যে মাধূর্য্যতা তা আর বিশ্বে কার বক্তিতায় আছে।যেমন [ বিস্তারিত ]
নৃতাত্ত্বিক ও প্রত্নতাত্তিক প্রমাণের সাহায্যে সিন্ধু সভ্যতার স্রষ্টাদের সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করা হয়েছে। তাত্ত্বিকেরা চারটি মানব গোষ্ঠীর পরিচয় পেয়েছে মহেন্জোদারো ও হরপ্পার নরকঙ্কাল থেকে। যেমনঃ প্রোটো, অষ্ট্রালয়েড, ভূমধ্যসাগরীয়, আলপাইন ও মঙ্গোলীয়। তবে কোন গোষ্ঠী এই সভ্যতা সৃষ্টি করেছিল বলা মুশকিল। প্রত্নতাত্তিক প্রমাণ অর্থাৎ মনুষ্যাকৃতির পুতুলগুলোর গঠন পরীক্ষা করে মনে করা হয় এখানে অনেক জাতিই বাস [ বিস্তারিত ]
ভারতবর্ষের সব থেকে প্রাচীনতম সাহিত্য হলো ‘বেদ’। এর মধ্যে ঋকবেদ হল সর্বাপেক্ষা প্রাচীন।ঋকবেদ থেকে জানা যায় আর্য জাতীর ভারতে আসার আগমন সম্পর্কে। তাদের জীবন যাত্রা সম্পর্কেও বেদ থেকে জানা যায়। আমরা ইতিহাসে দেখেছি যে, প্রত্নতত্ববিদরা বিভিন্ন সময়ে মাটির নীচে অনেক নগর আবিষ্কার করেছেন। ভারতবর্ষেও প্রাচীন সৌধ, স্মৃতি ও নগরের ধ্বংসাবশেষ থেকে বিভিন্ন যুগের সভ্যতা ও [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ