বিভাগ: ইতিহাস

স্বাধীন বাংলাদেশে  দুর্ভিক্ষ বলতে কি ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষকেই বোঝায়? আমি বলি না! সে-সময় তো বাংলার কিছু মানুষ ক’দিন ভাতে কাপড়ে কষ্ট করেছিল। সে-সময় তো ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত একটা দেশ। যা একটা পোড়া বাড়ির মতো ছিল অবস্থা।  তাহলে অভাব তো একটু আধটু থাকার কথাই। তাই বলে কি এখনো ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের দুর্গন্ধটা অনেকের নাকে লেগে থাকবে? গন্ধটা [ বিস্তারিত ]
হ্যা, আমরা উত্তরবঙ্গের মানুষ মফিজঃ —————————————————- উত্তরবঙ্গের মানুষকে মফিজ কেন বলা হয় জানেন কি? তাহলে শুনুন- গাইবান্ধা জেলার প্রত্যন্ত এক গ্রামের স্বল্পশিক্ষিত অত্যন্ত সৎ একজন ড্রাইভার ছিলেন মফিজ। তাঁর শেষ জীবনের সঞ্চয় এবং বাবার দেয়া সামান্য জমি বিক্রয় করে ঢাকা রুটের একটা পুরাতন বাস ক্রয় করে ঢাকা- গাইবান্ধা রুটে বাসটি চালু করলেন। গরীব দরদী মফিজ [ বিস্তারিত ]
এক মাজারের দেশে এক লোক ছিল। লোকটি ছিল খুবই গরিব। লোকটির দাদার এক গাধা ছিল। দাদার মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সূত্রে গাধার মালিক হলেন লোকটির বাবা। লোকটির বাবা ওই গাধা দিয়ে হাটবাজার থেকে ব্যবসায়ীদের মালামাল বহন করে সংসারের খরচ যোগাতেন। একদিন লোকটির বাবা মৃত্যুবরণ করলেন। সংসারে খানাওয়ালা বলতে এক মেয়ে আর স্ত্রী মিলে তিনজন। জায়গা সম্পত্তি [ বিস্তারিত ]
  অমর ২১শে ফেব্রুয়ারি । বাঙালি ইতিহাসের এক গৌরবময় দিন। যেদিন ভাষার জন্য বাঙালির এই আত্মদানের দিনটিকে ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ঘোষণা দিয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে। বাঙালির সঙ্গে গোটা বিশ্ববাসী এ দিনটিকে পালন করবে মাতৃভাষার প্রতি অগভীর ভালোবাসা বুকে নিয়ে। নেট ঘেটে দেখলাম এর ব্যতিক্রম ঘটে না পাকিস্তানেও। প্রতিবছর দেশটিতে কাগজে কলমে ভালোভাবেই ২১শে ফেব্রুয়ারি [ বিস্তারিত ]
বলতে পারেন পৃথিবীতে সব চেয়ে দামী  কে?শুধুই পৃথিবীতে!এই জগৎ যিনি সৃষ্টি করেছেন তার কাছেও সবচেয়ে ব্যাক্তি তিনি হলেন মা।মা হচ্ছে পৃথিবীর সেই প্রানী যার সাথে অন্য কোন কিছুর তুলনা চলে না।এর ব্যাখ্যা আমার চেয়ে আপনার আরো বেশী জানা আছে।আর আছে উপরে সাত আসমান নীচে পায়ের তলায় মাটি ও মানুষ।যে কোন দেশের কথা বলতে পারি না [ বিস্তারিত ]
বিশ্বে দেশমার্তৃকার তরে যতগুলো যুদ্ধ হয়েছে সবগুলো যুদ্ধ বা সংগ্রামে ছিল দুটি পক্ষ।এক শাষক এবং শোষিত।আমাদের বেলায়ও তাই হয়েছিল নাপাকিস্থান ছিলো শাসক আর আমরা পূর্ব পাকিস্থান ছিলাম শোষিত জনতা।আপনি বা নতুন প্রজন্ম যারা জানেন না পূর্ব বাংলায় নাপাকিদের শোষনের মাত্রা কেমন ছিলো কেনই বা একটি ভূ-খন্ডের  জনগণ জীবন মরন বাজী রেখে একটি স্বাধীন সার্বোভৌমত্ব রাষ্ট্রের [ বিস্তারিত ]

ঐতিহ্যবাহি চট্টগ্রামের মেজবান

ইঞ্জা ৫ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার, ০৭:১৮:৩২অপরাহ্ন ইতিহাস ১২ মন্তব্য
  বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি মানুষেরই ইচ্ছে হয় চট্টগ্রামের মেজবান একবার খেয়ে দেখবেন আর যারা একবার খেয়েছেন তারা বারবার খেতে চান, অনেকে তো চট্টগ্রামের বন্ধু বান্ধদের চেপে ধরেন মেজবান হলে নিয়ে যাওয়ার জন্য, কিন্তু অনেকে মেজবানের নাম শুনলেও ইহা কি, কতো উপাদেয় খাদ্য তাহা বুঝতে পারেননা, হটাৎ আজ নিচের লেখাটি পেয়ে ভাবলাম সকল বন্ধুদের জন্য শেয়ার [ বিস্তারিত ]
যুদ্ধের ভয়াবহতা সর্বোত্র শুরু হয়ে গেল।যুদ্ধে গেরিলা বাহিনী নাপাকিদের ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ এর বিভিন্ন স্থাপনায় অতর্কিত আক্রমন করে নাপাকি সামরিক জান্তাকে ব্যাতি ব্যাস্ত করে তুলেন।বিদ্যুত কেন্দ্র,রেডিও টেলিভিশন অফিস,বড় বড় হোটেল,রেল ষ্ট্যাসন,বিপণী কেন্দ্র ইত্যাদি স্থাপনাতে গেরিলারা একের পর এক হামলা করতে থাকে তারই ধারাবাহিকতায় সিদ্ধিরগঞ্জ বিদ্যুত কেন্দ্রেও গেরিলা হামলার প্লান করেন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধারা। নিউজ নারায়ণগঞ্জ বরাতে [ বিস্তারিত ]
বন্দর রেল লাইন অপারেসন: ডিসেম্ভর মাস বিজয় আসন্ন।মুক্তিযুদ্ধে বাংলার দামাল ছেলেদের সাথে পুরোপুরি যোগ দিলেন মিত্র বাহিনী ভারতের সেন বাহিনীরা।১৫ই ডিসেম্বর সকাল ১০ টায় এম.পি সিং এর নেতৃত্বে ৪টি গ্রুপ করে চার দিকে রেকি করতে বের হয়।প্রথম গ্রুপে নেতৃত্বে ছিলেন গিয়াস উদ্দিন বীর প্রতীকে,দ্বিতীয় গ্রুপে সাহাবুদ্দিন খান সবুজ ও এন.পি. সিংহের নেতৃত্বে, তৃতীয় গ্রুপে নেতৃত্বে ছিলেন- জি.কে [ বিস্তারিত ]
জন্ম ভুমি নিয়ে লিখছি বলে জন্মভুমির সৃষ্টির রহস্যটা লেখায় একটু না আনলে কি হয়।১৯৭১ সাল দীর্ঘ নয়টি মাসের সংগ্রামে রক্তে ভেজাঁ লাল সবুজের পতাকাটি বিশ্ব মানচিত্রে স্থান পায় যার নেতৃত্বে তিনি ছিলেন বঙ্গ বন্ধু শেখ মজিবর রহমান।ত্রিশ লক্ষ তাজাঁ প্রানের বিনিয়ে প্রায় দশ লক্ষাধিক মা বোনদের ইজ্জত বিলিয়ে আসে কাঙ্খিত বিজয়।খুব সম্ভবত বিশ্বে সম্ভ্রমহানীর এমন [ বিস্তারিত ]
বাঙ্গালী রক্তের রন্দ্রে রন্দ্রে মিশে আছে খেলাধূলা।গ্রাম বাংলায় জাতীয় খেলা কাবিডি হতে শুরু করে ফুটবল,দাড়িয়া বান্ধা,গোল্লাছুট,ঢাং গুডি প্রভূতি খেলা হতো খুব জাকজমক ভাবে।ফুটবল খেলা ছিলো পাড়ায় মহল্লায়।দেশে ফুটবলের ইতি কথাগুলো একটু আলোচনা করলে বুঝা যাবে স্বাধীনের পর পরই মুলত ফুটবলের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের জোক বাড়তে থাকে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এর তত্ত্বাবধানে ১৯৭২ সালে ঢাকায় ফুটবল [ বিস্তারিত ]
আধখাওয়া পঞ্চমীর চাঁদ পরে থাকে অবহেলিত সিগারেটের খালি প্যাকেটের সেলোফোনে লেপ্টে, শিয়রে আধখোলা জানালার ফাঁকে জ্বলে উঠে মিলিয়ে যায় পরিচিত নীলচে আগুন। জোনাকি বলে মনকে দেই চোখ ঠারানো শান্তনা। মন সব বোঝে, তবু ছেলেমানুষী শান্তনায় চোখ বুজে থাকে। অতিদূর সমুদ্রের পারে বীনা বাজায় কোন অন্ধ কবি, আর খেয়াঘাটের শুন্যতার সাথে সঙ্গত করে যায় খেয়ালী বাউল। [ বিস্তারিত ]
সেই বহু আগের কথা তবে আমার দৃষ্টিতে মনে হয় এইতো সে দিনের কথা।কি সবুজ শ্যামল পরিবেশটিই না ছিলো সে সময়ে।আমাদের এলাকাটি মানে সিদ্ধিরগঞ্জ বাজার নারায়ণগঞ্জ এলাকাটি তখনো মফস্বল অঞ্চল অথচ অতি নিকটেই ছিলো ঢাকা শহর,ছিলো এশিয়ার বৃহত্তম আদমজী পাটকল,ছিলো দেশের অন্যতম বিদ্যুত কেন্দ্র তবুও ছিলো খাল পুকুরের ছড়ছড়ি,ছিলো ভরপুর গাছ গাছালি,তখনো শীতলক্ষ্যা নদীর শাখা নদী [ বিস্তারিত ]
রাজ আর নীতি এই দুইটি শব্দ যখন এক হয় তখন তাকে আমরা রাজনিতী বলি।আর যখনি দুটি শব্দে নীতি থাকবে না তখন তাকে আমরা কু-রাজনিতী বলি।কারন রাজনিতীর মুল উৎসহ হচ্ছে জনগণ যখন রাজগোষ্টির নীতি ভ্রষ্ট্য হয় তখন আর রাজনিতী শব্দটিকে শর্মিলদা মনে হয়।১৯৭৫ এর পর স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় পদটিতে একচ্ছত্র অধিপতি কেউ বেশী দিন [ বিস্তারিত ]
-মানেটা পরে কোন এক দিন বাসায় এসে জেনে নিয়েন।লোকটি বুঝতে পারলেন সূর্য এ বিষয়ে কোন কথার উত্তর দেবেন না।সঙ্গতঃ কারনে লোকট চুপ হয়ে গেলেন।তার পর অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে বর কনের কবুল শব্দটি দিয়ে পরিসমাপ্তি ঘটে। হানিমুনে কেটে যায় বেশ কয়েকটি মাস।এক দিন হঠাৎ সূর্যদের বাড়ীতে কিছু মেহমান আসে।চমকে উঠে রোজী মানে সূর্যের মা।সূর্য নন্দিনী কেউ বাড়ীতে [ বিস্তারিত ]

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ