বিভাগ: স্মৃতিকথা

নামাবলি

রেহানা বীথি ১৩ মে ২০২০, বুধবার, ১০:৪৪:৪২পূর্বাহ্ন স্মৃতিকথা ১৭ মন্তব্য
এইসব আবার কেমুন নাম? শিউলী-বীথি, সালাম-রুবা এগুলান কুনু নাম হইলো? নাম হইলো গিয়া আমার দুই পোলার! তা কী নাম তোমার ছেলেদের? ভ্যালা আর ফ্যালা। কন তো আম্মা, সুন্দর নাম না? মুচকি হেসে আম্মা বলেন, হ্যাঁ হ্যাঁ, খুব ভালো নাম তোমার ছেলেদের। কে রেখেছিল নামগুলো, তুমি না ছেলেদের বাপ? তাগো বাপেই রাখছিলো। বড় ভালা মানুষ আছিলো [ বিস্তারিত ]
গেরস্ত বাড়িতে বেড়ে উঠা আমার ছেলেবেলা। তিন ভাইয়ের এক বোন হওয়ায় বেশ আহ্লাদী আর আদুরেও। খুব বড় না হলেও নেহাতই ছোট ছিল না আমাদের পরিবার। বাবা-মা আর আমরা চার ভাইবোন মিলে ছ’জন মানুষের পরিবার আমাদের। আমি পরিবারের প্রাণকেন্দ্র। আমি প্রচন্ড চঞ্চল আর দুরন্ত ছিলাম আর আমার ভাইয়েরা একদম শান্ত সুস্থির ছিলো। আমি একাই পুরো বাড়ি [ বিস্তারিত ]

স্মৃতি রোমন্থন

প্রদীপ চক্রবর্তী ১০ মে ২০২০, রবিবার, ০৯:১৩:০০অপরাহ্ন স্মৃতিকথা ১৯ মন্তব্য
শরৎ শোভায় সুশোভিত নিপাট শৈশবসঙ্গী আর কিছুটা এলকোহলিক নেশা… এ দিয়ে আমার স্মৃতিকথার অগ্রযাত্রা! আমি গ্রামের সন্তান তাই গ্রাম আমার সভ্যতা ও সংস্কৃতির পাদপীঠ। আমার গায়ে মা মাটির গন্ধ। নেই আভিজাত্যের আভাস। সবুজ প্রকৃতির নিভৃত এক প্রীতিময় আবেগ ও স্নিগ্ধতায় সর্বাঙ্গ পরিপুষ্ট গ্রামে আমার জন্ম। শৈশবকালে মায়ের কোলে হাসিতে আর খেলিতে একে একে শৈশবের স্মৃতি [ বিস্তারিত ]
  ছেলেবেলায় আমার কোনো বিশেষ নাম ছিলো না‌। ছিলো না মনে বিশেষ নামের দরকার পড়েনি। বাবা মা আকীকা করে নাম দিয়েছেন সুরাইয়া পারভীন। এই নামটাকে যে যার মতো করে ডাকতে শুরু করলো। বিশেষ বিশেষ জন বিশেষ ভাবে ডাকেন। তাদের ডাকা বিশেষ নাম গুলো ১। ছেরিয়া ২। সুরিয়া ৩।সুনিয়া ৪। সুরা ৫। সুরাতুন ৬। ছুরি এবং [ বিস্তারিত ]

আমি ও আমার খেতাবি নাম

আতা স্বপন ৮ মে ২০২০, শুক্রবার, ০৮:৪২:৩১অপরাহ্ন স্মৃতিকথা ১৬ মন্তব্য
আমার পুরো নাম আবু তালেব স্বপন। ব্লগে আতা স্বপন নামে লিখি। আমরা আরো অনেক গুলো নাম আছে। যেমন- মরা, বুতা, পাগলা স্বপন, ম্যাকগাইভার, মোল্লাসাব, তালিবালি এই টাইপের নামগুলো আমার খেতাবী নাম। শেষের দুটি নাম আমার কমস্থল হতে পাওয়া। অফিসে মাঝে মাঝে নামাজ পড়াতাম তাই মোল্লা সাব। আর সহকর্মীদের দেয়া নাম তালিবালি। আমার সাথে কাজ যারা [ বিস্তারিত ]

পূজোর স্মৃতি রোমন্থন

সুপর্ণা ফাল্গুনী ৭ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১২:৫০:০২পূর্বাহ্ন স্মৃতিকথা ২৯ মন্তব্য
বাবার চাকরি সূত্রে শিশুকাল থেকেই শহরেই থাকা। বছরে হয়তো এক দুবার বাড়িতে যেতে হতো । তবে এখানেও যৌথপরিবারেই থেকেছি। বাবার বাড়ির লোকজন , মামা বাড়ির লোকজন ও এখানেই থাকতো । সবাই মিলে যখন লঞ্চে বাড়িতে যেতাম তখন এমনিতেই উৎসব উৎসব ভাব হয়ে যেত। এখানে বলে রাখা ভালো তখন লঞ্চ ছাড়া আমাদের বাড়িতে যাবার অন্য কোন [ বিস্তারিত ]
শবেবরাতের ক্ষণ শুরু হলেই আগেরদিনে সবাই গোসল করে মসজিদে যেতো। কোরআন পাঠ, নামাজ ও চলতো। কে কতো পরতে পারে প্রতিযোগিতা। এভাবে ফজর পড়ে ঘুম। মা, সকালে উঠে চিল্লাচ্ছে। হায় হায় খোপরায় একটা মুরগিও নাই। আমরাও উঠে দেখি। সে কি একটাও নাই? আম্মা আমার ছোট ভাইকে খোপরায় ঢোকাল, বললো দেখতো ভালো করে। ও গিয়ে দেখে শুধু [ বিস্তারিত ]
    ছোটবেলার স্মৃতি, তাও আবার রোজার স্মৃতি, লিখতে গেলে ইতিহাস হয়ে যাবে। তবুও যদি না লিখি, জানবে কেমন করে সবাই? ছোটবেলার স্মৃতি জানানোতে যে ভালোলাগা কাজ করে, জানাতে গিয়ে মাঝে মাঝেই আবেগে ঝাপসা হয়ে যায় চোখ, সে স্মৃতি কেমন করে না লিখে থাকি? জানবো জানাবো, ভাগ নেবো আবেগের, তবেই না আমাদের রুদ্ধ আবেগ পেয়ে [ বিস্তারিত ]
আজ একুশে বই মেলা হয়। আমার কোন হেলদুল নেই। অথচ এমন একটা সময় ছিল যখন এই বই মেলার জ্ন্য মুখিয়ে থাকতাম। বই মেলায় যেতে না পারলে মন হাসপাস করত। আমিতো ছিলাম বরাবরই বই এর পোকা । এখন সে বই পড়ার আগ্রহ কমে গেছে অনেকটা। সময়ও তেমন নাই । যে বই পড়াটা আমার নেশা মত ছিল [ বিস্তারিত ]
একটা সময় ছিল সবাই আমার আশে পাশে ঘুর ঘুর করত একটা বইয়ের জন্য। বই এনে বাসায় রাখা দায় ছিল। আমাদের পরিবারটি হলো পাঠক পরিবার। সবাই বই পড়ে। ফলে আমার পছন্দের বইযের সাথে তাদের চাহিদা মতো বইও কিনতাম। আর এভাবে আমি বাড়িতে বইয়ের একটি মোটামুটি ধরনের সংগ্রশালা বা ব্যাক্তিগত পাঠাগার করে ফেলেছিলাম।তাই বই পড়ুয়াদের আড্ডা ছিল [ বিস্তারিত ]
আমি শৈশবে বাবা-মার সাথে শহরে ঈদ করেছি। সেটা রোজার ঈদ হোক বা কোরবানীর ঈদ। শহরে ঈদের মজাই আলাদা ছিল। বন্ধুরা সব একসাথে ঈদের নামাজ পড়তাম পাড়ার মসজিদে। সেখানেতো আর ঈদগাহ ছিলনা। ঈদগাহে নামাজ পড়তে হলে জাতীয় ঈদগাতে যেতে হতো। একবার সেখানে যেয়ে নামাজ পড়েছিলাম। বাবা আমাকে একটা বেলুন কিনে দিয়েছিলেন। ঈদের নামাজ শেষে মুসল্লিরা সবাই [ বিস্তারিত ]
রসকসহীন ভার্সিটি বন্ধু রায়হানকে বই কিনতে সাধলেই বলে-‘লেখো কেন? তুমি লিখো বলেই তো কিনতে হয়!’ কি অদ্ভূত কথা! তুই না কিনলে না কিনবি তাই বলে এমন নিরুৎসাহী করা কি ঠিক? কেন লিখি আবার? ভালো লাগে তাই! ছবি আঁকাআঁকি, ফটোগ্রাফি, গান শুনা, ঘুরে বেড়ানো সবই তো ভালো লাগার জন্যই। এই ভালো লাগার ক্ষেত্রটা খুব ছোট বেলা [ বিস্তারিত ]
প্রস্তাবনা : আমি কখনোই ধারাবাহিকভাবে ডায়েরি লিখিনি। সব সময় ফাঁকি দিয়েছি। সেই সব ফাঁকিবাজির কিছুটা এখানে দেয়া হল। লেখকদের ডায়েরি অনেকে আগ্রহ নিয়ে পড়েন। আমার ডায়েরি কেউ পড়বেন বলে মনে হয় না। তারপরেও ইচ্ছে হলে লিখি। কবি শামসুর রাহমানের বিখ্যাত একটা কবিতা : স্বাধীনতা তুমি। এই কবিতার শেষ লাইন :  ‘যেমন ইচ্ছে আমার কবিতার খাতা’। [ বিস্তারিত ]
বাংলা নববর্ষের প্রাক্কালে সবার জন্য শুভেচ্ছা। নতুন বছরে স্মৃতির ডালি নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি। আমারা ভাড়াটিয়া ছিলাম একসময়। ঢাকার অলিগলিতে ভাড়া থাকিনি এমন এলাকা কমই আছে তবে খিলগাঁও সি ব্লক এর সাথে আমার জীবনের শৈশব কৈশর ও যৌবনের অনেক  স্মৃতি জড়িয়ে আছে।যা আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব। খিলগাঁও সি ব্লক। একটা ঐতিহাসিক ব্লক বলা [ বিস্তারিত ]
  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। তাঁর আরেকটি ছোট নাম “খোকা”। শৈশব থেকেই খোকা দুঃখী ও গরিব মানুষের প্রতি দরদি । খোকা টুঙ্গিপাড়া গ্রাম ছেড়ে বাবার কার্যালয় গোপালগঞ্জ শহরে চলে যাচ্ছে। সেখানে ভাল স্কুলে ভর্তি হবে। মা ,ছোট ভাই -বোন ও গ্রামের বন্ধুদের ছেড়ে যেতে খুব খারাপ লাজছে তার । খোকা খেলাধুলা ভালবাসত। ফুটবল [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ