নিতাই বাবু

আমি শ্রী নিতাই চন্দ্র পাল (নিতাই বাবু)। জন্ম: ৮ জুন, ১৯৬৩ ইং ৷ জন্মস্থান নোয়াখালীর বজরা রেলস্টেশনের পশ্চিমে, মাহাতাবপুর গ্রামে ৷ স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দশ বছর বয়সে ১৯৭২ সালে আমরা সপরিবারে নোয়াখালীর বাড়ি ছেড়ে চলে আসি, নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানাধীন লক্ষণখোলা সংলগ্ন আদর্শ কটন মিলে। এখানে ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৮৪ ইং সাল পর্যন্ত স্থায়ীভাবে বসবাস করি ৷ এই আদর্শ কটন মিলস এ আমার বড়দা চাকরি করতেন। আর আমার বাবা স্বর্গীয় শচিন্দ্র চন্দ্র পাল চাকরি করতেন, শীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিম পাড় দি চিত্তরঞ্জন কটন মিলে ৷ একসময় আদর্শ কটন মিলস্ বন্ধ হয়ে গেলে, শীতলক্ষ্যা নদীর পধচিমপাড় নগর খাঁনপুর এসে বসবাস শুরু করি। এরপর ১৯৯১ ইং সাল থেকে অদ্যাবধি সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন গোদনাইল এলাকায় বসবাস করে আসছি।

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ২ বছর ১০ মাস ২৬ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ৯৬টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ২১১৯টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ২১৫৯টি

ফেসবুক থেকে যা শিখছি

নিতাই বাবু ১৭ জানুয়ারী ২০২০, শুক্রবার, ০৭:৩৩:৫০অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩৪ মন্তব্য
আপনি কি ফেসবুক ব্যবহার করছেন? কী করছেন? এ-তে কী দেখতে পাচ্ছেন? কী শিখতে পারছেন? আমি কিন্তু ফেসবুক থেকে অনেককিছু শিখতে পারছি! আমি ফেসবুক ব্যবহার করছি, ২০১২ সাল থেকে। সেই থেকে এপর্যন্ত আমি অনেককিছু শিখেছি এবং দেখতেও পাচ্ছি! ১। ফেসবুক হলো অহংকারী ব্যক্তিদের চেনার একটা মেশিন। এসব অহংকারী ব্যক্তিরা আপনার আমার খুবই কাছের মানুষ এবং খুবই [ বিস্তারিত ]

সৃষ্টিকর্তা ক’জন?

নিতাই বাবু ১৫ জানুয়ারী ২০২০, বুধবার, ১০:০৫:৪৩অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩১ মন্তব্য
  আমরা যাকে বাবা বলি কেউ বলে কাকাবাবু, কেউ বলে জেঠা মশাই কেউ বলে জামাইবাবু! কেউ বলে মামা, মেসো কেউ বলে পিসেমশাই, কেউ বলে শালা সমন্ধি কেউ বলে জামাই! কেউ বলে ওগো স্বামী কেউ বলে দাদাঠাকুর, কেউ বলে বেয়াই মশাই কেউ বলে শ্বশুর! এতে কিন্তু জন্মদাতা পিতা মনঃক্ষুণ্ণ হচ্ছেন না। বরং তিনি সবার ডাকেই সারা [ বিস্তারিত ]

মানুষই রাক্ষস

নিতাই বাবু ১৩ জানুয়ারী ২০২০, সোমবার, ১১:৪৫:৫৭অপরাহ্ন কবিতা ২১ মন্তব্য
শিশুকাল কেটেছে আমার রাক্ষসের ভয়ে, মা বলতেন, দেখো সাবধানে থেকো খোকা রাক্ষসে ফেলবে যে তোমায় খেয়ে! থাকতাম ভয়ে ভয়ে, দিন আর রাত হলে, ভাবতাম এই বুঝি রাক্ষস মারলো থাবা দৌড়ে আশ্রয় নিতাম মায়ের কোলে। বড় হয়ে দেখি হায়! রাক্ষস গেলো কোথায়? খুঁজেছি অনেক, রাক্ষস দেখিনি কোথাও দেখেছি মানুষেই তো সব গিলে খায়! মায়ের ওইসব কথা [ বিস্তারিত ]
গত কয়েক বছর ধরেই একজনের দেওয়া একটা ভিজিটিং কার্ড সময় সময় খুঁজি। কিন্তু ভিজিটিং কার্ডটি আর খুঁজে পাচ্ছি না। সেই ভিজিটিং কার্ডটির সাথে রয়েছে চলতিপথে জীবনের একটি ঘটনা। যেই ঘটনার কথা মনে পড়লে আমি আজও সেই ভিজিটিং কার্ডটি খুঁজে মরি। কিন্তু ভিজিটিং কার্ডটি হয়তো মহান সৃষ্টিকর্তার ইশারায় চিরতরে হারিয়ে গেছে। তা আর কোনদিনই হয়তো খুঁজে [ বিস্তারিত ]
গ্রীষ্ম, বর্ষা, পরত, হেমন্তের শেষে শুরু হয়েছে পৌষের কনকনে শীত! সকালে রাস্তায় বেরুলে দেখা যায় ঘন কুয়াশায় ঢাকা চারদিক। বুড়ো-বুড়িরা সূর্যদেবের মিষ্টি রোদের আশায় নায়-নাতি কোলে নিয়ে বসে থাকে বাড়ির উঠানে, নাহয় বাড়ির সামনে থাকা রাস্তার পাশে। সকালের মিষ্টি রোদের তাপ ক্ষীণ হয়ে বিকালে ঠান্ডা হাওয়ার সাথে শুরু হয় শীতের মহড়া। আবার সময়তে শুরু হয় [ বিস্তারিত ]
কোনোএক সময়ের সাদাকালো টেলিভিশনের হুলুস্থুল শেষ হয়ে শুরু হয়েছে কালার টেলিভিশনের সু-সময়। সাথে ডিশএন্টেনা আর ওয়াইফাই নামের ইন্টারনেট সংযোগ।   এই সময়ে দেশের আনাচে-কানাচে, ঘরে-বাইরে, হাট-বাজারে কালার টেলিভিশনের ছড়াছড়ি। এমনকি রাস্তার পাশে থাকা বস্তির ঝুপড়ি ঘরেও চলছে কালার টেলিভিশন। কালার টেলিভিশনের সামনে বসে ছেলে বুড়ো সবাই মনের আনন্দে রঙিন পর্দায় প্রদর্শিত কত কী উপভোগ করছে। মহল্লার [ বিস্তারিত ]

ধনিয়া পাতার বড়া

নিতাই বাবু ২৫ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার, ০৬:০৪:৩৬অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৪১ মন্তব্য
শিরোনাম দেখে অনেকেই হয়তো ভাবছেন, এ আবার কী! হ্যাঁ, এটা আমাদের দেশে হিন্দু পরিবারে সকালে, দুপুরে, আর রাতের খাবার ভাতের সাথে থাকা একরকম সুস্বাদু খাবার। শুধু হিন্দুই নয়, আমরা বাঙালিরা ভাত খাবারের সাথে প্রথম ধাপে হাল্কা পাতলা কিছু তরকারি বা সবজি ব্যবহার করে থাকি। যেমন: শাক, ভর্তা, ডালের বড়া, সবজি বড়া, বেগুন ভাজি, করলা ভাজি, [ বিস্তারিত ]
আমাদের সবচেয়ে প্রিয় দিবসটি হচ্ছে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস। এই দিনে ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী সাথে নয়মাস যুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করেছিল। তাই ১৬ই ডিসেম্বর এই এদিনটি সারাদেশে ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের কাছে অতি প্রিয়, অতি আনন্দের একটি দিন বা দিবস। যা প্রতিবছর ইংরেজি ডিসেম্বর মাসের ১৬ [ বিস্তারিত ]
১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে যখন এদেশের (বর্তমান বাংলাদেশ) মানুষ ততকালীন পাকিস্তান সরকারের শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির দাবিতে সংগ্রাম গড়ে তুললো। তখন পাকিস্তান সরকারের সামরিক বাহিনী আচমকা ২৫ মার্চ রাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিরস্ত্র নিরীহ বাঙালির ওপর। তাঁরা চারদিকে লাগিয়ে দেয় আগুন। শুরু করে দেয় অতর্কিতভাবে গুলি। তখন সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হয় বাঙালি মুক্তিযোদ্ধারা। এরপর মুক্তিযুদ্ধাদের [ বিস্তারিত ]
বছরের শুরুতেই অনেক নতুন নতুন ক্যালেন্ডার বাজারে বিক্রি হয়। নানান রঙের, নানান কোম্পানির। নানান ব্যাংকের, নানান ইন্স্যুরেন্সের ক্যালেন্ডার। ইংরেজি ক্যালেন্ডারে জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ মাসের পরও কাকগুলো মাস গত হয়ে যখন নভেম্বরের শেষে ডিসেম্বরের আগমন ঘটে, তখনই বাংলাদেশের বাঙালিদের মনে বাজতে থাকে মহান বিজয় দিবসের গান। আর ক’দিন পরেই ১৬ই ডিসেম্বর আমাদের মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ [ বিস্তারিত ]
প্রতি বছর ডিসেম্বর মাস আসলেই আমার নিজের দেখা ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার কিছু স্মৃতিকথা মনে পড়ে যায়। মনে পড়ে ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। আমি তখন ৮ বছরের এক নাবালক শিশু। বাবা আর আমার বড়দা চাকরি করতেন নারায়ণগঞ্জ, বাবা চাকরি করতেন নারায়ণগঞ্জ বর্তমান সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন গোদনাইল চিত্তরঞ্জন কটন মিলে। আর বড়দা চাকরি [ বিস্তারিত ]

মেয়ে তুমি

নিতাই বাবু ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, ০১:৩৬:২৬পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৪১ মন্তব্য
তুমি সাজো মেয়ে, তুমি সাজো ঘরনি, তুমি সাজো মা, তুমি সাজো রমণী। তুমি সাজো খালা, তুমি সাজো পিসি, তুমি সাজো ফুফু, তুমি সাজো মাসী। তুমি সাজো দিদি, তুমি সাজো দাদী, তুমি সাজো ভাবী, তুমি সাজো বৌদি। তুমি সাজো দিদা, তুমি সাজো নানী, তুমি সাজো বউ, তুমি সাজো রাণী। তুমি সাকো প্রেমিকা, তুমি সাজো পুত্রবধূ, তুমি [ বিস্তারিত ]

ফিরাইয়া দে

নিতাই বাবু ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ১১:৩৫:১৮পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩০ মন্তব্য
যেসুম গেরামের বন্ধুগো লগে উড়াইছি ঘুড়ি, খেলছিলাম ফুটবল, গোল্লাছুট, কানামাছি। আইস্বা খেইল্লা দিনগুলা কাডাই দিছি! যেসুম হগলতে মিল্লা সাদাকালা টেলিভিশন দেখতে যাইয়া মাইষের আতে খাইছি কত মাইরগুতা। ইশকুলে খাইছি মাস্টারের বেতের গুতা! যেসুম চারআনা দিয়া বুটভাজা, বাদাম, লেবনচুষ, আইসক্রিম, মালাই খাইছি মনে অনন্দ লইয়া। হারা দুপুর কাডাই দিছি নদীতে হাতরাইয়া। যেসুম বড়দা’র কান্দে চইড়া মেলায় [ বিস্তারিত ]
শিশুদের জন্য “হাতে খড়ি” উৎসব আগে গ্রাম শহরের সবখানে প্রচলিত থাকলেও, বর্তমানে এর বিন্দুবিসর্গ বলতে নেই বা কারোর চোখেও পড়ে না। আক্ষরিক অর্থে হাতে খড়ি হচ্ছে, লেখাপড়ার সাথে শিশুর প্রথম পরিচয়। শিশু জন্মের তিন থেকে চারবছরের মাথায় এই উৎসবটি পালন করা হতো। তা বেশি প্রচলন দেখা যেত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে। জন্মের পর থেকে জীবনে যতোগুলো [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য