তুমি – আমি – সে

শব্দগুলো ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকে মার্জিনের শর্ত মেনে অলঙ্ঘনীয় সুর তুলে সোচ্চার হাঁকডাক, একজন দক্ষ কলম বাহক চাই- একটি কবিতা সাজতে একজন কবি চাই… শুন্য আসন থেকে উঠছে শুধুই শেষাংকের সানাই। আমরা আর কী খুঁজছি এ বেলায়! কোলাহল মুখরতা সব ভেঙেচুরে নিয়তি মেপে সাঙ্গ হবে রঙের হাটবাজার। তবে কিসের এত শুন্যের অহংকার! রোজকার দিনলিপি এইখানে লিখে [বিস্তারিত তুমি – আমি – সে]

সাদাকালো

“কালো কালো করিসনে লো ও গোয়ালের ঝি! আমায় বিধাতা করেছে কালো আমি করব কী!” অনেক দিনের শখ ছিলো, সাদা কালো  ফ্যাশন হাউজ থেকে একটা  সাদা কালো শাড়ি কিনবো।  আমার শখ পূরণ হলো  ঠিক অন্যভাবে।  রাসেল, আমার দাদুর সর্বকনিষ্ঠ পুত্র।  সাধারণত দাদুর ছেলে আমার চাচা হওয়াটাই স্বাভাবিক। অস্বাভাবিকতা হলো,,,দাদুর ছেলে  দুনিয়াতে আসছে আমার জন্মের প্রায় ১২/১৩ [বিস্তারিত সাদাকালো]

কাফেলা

কতগুলো অপচয়ি অক্ষরের লাশ শুয়ে আছে পাশের কামরায়। চাইলেই ময়না তদন্ত করা যেত: ভুল বানান থেকে উচ্চারিত শব্দের দায় অস্বীকার করায়…জলাঞ্জলি গেল প্রভূত সব আদেখলেপনা। আঁটোসাঁটো মুখোশের গায়ে নিপুণ আলপনা।  মর্গের বেঞ্চিতে  পরিচয়ের প্লাকার্ড খুব ভুল অক্ষরের লাশ শুয়ে আছে কতগুলো…যেখান থেকে শুরু হতে পারে আরো কতগুলো নতুন শব্দের কাফেলা।   ছবি সৌজন্য – নিজ

আমার কেতন আমার ই

শতশব্দ যেখানে বিমূঢ়; আমি সেখানে নিস্তব্ধতার বীজ বুনে চলি ক্লান্তিহীন। সহস্র আওয়াজ চিরে ফেড়ে মৈণাক নিয়েছে সন্যাস। যেখানেই যাই, জুটেই  যায় কিছু বন্ধু স্বজন; আমার কি আর দোষ! না পারি কটু কথা কইতে! না পারি অহং বোধ টানিয়ে রাখতে। তবু কেউ কানের পাশ কেটে বলে যায়…. যতটুকু হেরেছে   সে একটুও নাকি জিততে পারিনি তার থেকে! [বিস্তারিত আমার কেতন আমার ই]

কেমন স্বপন!

ধুপধাপ কত্তগুলা অন্ধকার একত্রিত হতে হতে ছুটে এলো শেষ বিকেলের দরজায়। তারপর চুপচাপ নেমে এলো চাঁদ ছাড়া একটা নিকষ রাত। ঝোপঝাড়  আর একটা পঁচা পাতার গন্ধ ভরা  পুকুর পাড়ে।  সুনশান নিতব্ধতার গলা টিপে ধরে পুকুরের পানিতে ঢেউ ওঠে। ধবধবে পাঞ্জাবি, মাথার চুল বাবরিছাঁটা,  কয়েক সিড়ি নেমে জলের ভেতরে পা,  এক অচেনা যুবক। পুকুরের ওইপাড়ে তার [বিস্তারিত কেমন স্বপন!]

ফুলটোক্কা

/ ফুলটোক্কা- লেবাস চড়িয়ে হাঁটতে বের হওয়া যেতেই পারে। যেতে পারে ফুলটোক্কায় অংশ নেয়া! তারপর সেঁধিয়ে যেতে ইচ্ছে হলে; বড়জোড় আষাঢ় কিংবা শ্রাবণের মধভাগ ছিঁড়েখুঁড়ে একটা শুভ্র সাদা মেঘ নিয়ে খেলা যেতে পারে এক্কাদোক্কা! সন্তপর্ণে ঢাক – রাখ রেখেই হাত পৌঁছে দেয়া যেতে পারে কোনো পৌরাণিক খোলা বইয়ের পৃষ্ঠায়। আমি নির্বাক চোখ নিশ্চুপ ঠোঁট এঁটে [বিস্তারিত ফুলটোক্কা]

নখের ভেতর সত্য

এই শহর আর শহরের অলিগলি এখন যজ্ঞ তাপে থির; জীবনের মূল্য নামতে নামতে নাই হয়ে গেছে—– ইচ্ছেমতো বাটোয়ারা হয়ে যায় ইমোশন আর ইল্যুয়েশনের পার্থক্য।  ফুলগুলো তবু এখনো নিজের মতোই নিরন্তর ফুটতেই চায়! ফোটেও… যেখানে কলি জন্ম নেয়ারও কথা নয়, সেখানেও ফুটে ওঠে কিছু অব্যক্ত ইচ্ছেপূরণের দাবিদাওয়া নিয়ে। বাতাসের বাড়ন্ত শিশা পুড়িয়ে দেয় কলি পাপড়ি। ছায়া [বিস্তারিত নখের ভেতর সত্য]

উপচানো শীতলতা

আধেক টাধেক নয়! জমাট বাঁধতে বাঁধতে স্পষ্ট পরিচয়ের অভাব নিয়ে দ্রুততর বেজায়/পাল্লায় ভারী হচ্ছে ঠান্ডা ঋতুর আবহ। অথচ ভীড় বলছে তাপমাত্রা আরেকটু বাড়লেই মরুভূমি অনুভূত হতে বাধ্য! শাওন ঢল বা আষাঢ় বরঞ্চ বিল্পব মনে করিয়ে দিতে সচেষ্ট। বেজায় ব্যস্ত না হলেও,,,, অযথা পড়ে থাকা পুরোনো সুতোয় নকশি আঁকায় মনোযোগ বাড়াতে আরো কঠিনতর শীতলতা জাপটে ধরা। [বিস্তারিত উপচানো শীতলতা]

অনুরক্ত দহন

তারপরও অব্যক্ত সব অনুরক্তা পোড়া দহন থেকে থেকে দিয়েই যায় আফোটা কলির মৃত সংবাদ। দুহিতার হাত ফস্কে ছুটে যায় উল্টো সময়ের সাদা আর কালো রঙের গোলকধাঁধা গল্প। নাভিশ্বাস জীবনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে হিসাব কেতাবের খেরো খসরা জবু হয়ে থাকে যুক্তিহীন হয়ে। নাগপাশ ছেড়ে -ছুড়ে বুঁদ হয়ে পড়ে থাকে মিছে কুয়াসায় চোখের আলো ডুবিয়ে। আসন্ন আঁধার রোজ [বিস্তারিত অনুরক্ত দহন]

স্মৃতি

মিষ্টি  গোলাপী টাইপ একটা রং, তার ভেতরে সেনালী কালোয় জলছাপ একটা দারুন ফিনফিনে জর্জেট শাড়ি,ম্যাচিং শার্টিনের ব্লাউজ। ধবধবে ফর্সা গায়ের রংয়ে যেন বৃ্ষ্টি ভেজা গোলাপের মত একটা মানবীয় মুখ। কনে বৌয়ের কপালে লাল টিপ,চোখে গাঢ় কাজলে টানা চোখ। রাঙা ঠোঁটে লাজুক হাসি। সামান্য গহনায় ঐশ্বর্যের খামতি নেই। চোখমুখে দৃঢ় একটা দৃশ্যায়ন চোখে পড়ল আমার।  ওটা আসলে [বিস্তারিত স্মৃতি]

স্মৃতি

ক্লাশ টেনে এ পড়ার মাঝামাঝি একটা সময়ে হুট করে ছুটিতে এলেন ছেটকা। সিক্সে ওঠার বছরের প্রথম মাসেই একদিন ছোটকা সিলেট ক্যাডেট কলেজে চাকরিতে জয়েন করতে ঝালকাঠি ছেড়েছিলেন। বছরে দুটো ঈদে বাড়ি আসতেন।  ছোটকা যাবার আগে জেনেছি একটা মেয়েকে খুব পছন্দ করতেন। মেয়েটার পরিবার মেয়েকে অন্যত্র বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন। আমি দেখেওছিলাম একবার সেই মেয়েকে। ছোটকা কি [বিস্তারিত স্মৃতি]

কার ছায়া পড়েছে

মাঝে মাঝে হঠাৎ চমকে উঠি। মোবাইল দেখছি অথবা হাতে বই; চোখের পাশ কেটে হঠাৎ কোনো অশরীরী কোনো ছায়া সাঁৎ করে সরে গেলো….  শুয়ে আছি অথবা চোখ বন্ধ করে গান শুনছি! মনে হলো ঠিক কানের কাছে এসে কেউ কিছু অস্পষ্ট কিছু বলে গেলো, চোখ খুলে খালি ঘরে কাউকে দেখিনা। এই যে বসে বসে লেখার চেষ্টা করতে [বিস্তারিত কার ছায়া পড়েছে]

যেন এক পথশিশু

হারিয়েছি যখন শব্দের তোলপাড় অহংকার! তখনই বিধ্বস্থ  আমাকে পাই আমি বাস্তকোনে ঘোলাটে আয়নার সম্মুখীন। ভেজা স্যাঁতস্যাঁতে কাপড়ে ঘসটে যায় আয়নার শরীর,,,তবু ফেরেনা প্রতিবিম্বের নিরেট প্রতিচ্ছবি। বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের নাগরদোলায় চক্কর কাটতেই যেন পৃথিবী বিধ্বংসী  হয়েছে বারবার। হাতের আঙুল আর রেখা বরাবর হাজারো প্রতিবন্ধকতা টেনে দিয়েছে ডানা ভরা নিকষ আঁধারের বাতাস। রাতগুলো জমকালো আলোয় ভর করে  [বিস্তারিত যেন এক পথশিশু]

পঞ্চ প্রপঞ্চ

১| চিমটি কেটে দেখো! এখনো মরিনি…. নিশ্বাস নিয়ে যাচ্ছে বুকের করোটিতে আমার সকল সাফল্যের রোজনামচা। উনুনের হাড়িতে টগবগে ভাত আর ডালের উপচে পরা শৃঙ্খলতা আটকে দেই যখন তখন! আগুন আঁচে সেঁকে নেই দুচোখের ভেজা নুনের জল। নির্লিপ্ত ঠোঁটে আলগা রং ঠেসে দিয়ে সঙ সেজে দাঁড়াই ঘরের বাস্তকোনের আয়নার সামনে; ঐ তো ও ঠোঁটে হাসি লেগে [বিস্তারিত পঞ্চ প্রপঞ্চ]

হাবিজাবি

কত ঘন্টা, মিনিট, সেকেন্ড গেলো চলে! আমার আর হুঁশ ফেরে কিসে! অন্ধকার আর অন্ধকার হবে কবে! নাকি সেও সেই মিথ্যে প্রহসনে দাঁত কেলানি হাসি দিয়ে যাচ্ছে বলে- এই দ্যাখ…আলো জ্বলা তীব্র আঁধারেই আমার জীবন বাঁচছে কেমন হেসে খেলে!” সয়না যেন এমন তরো কিপ্টপমিতে রাত্রি দিন সমানতালে পার হতে দিতে! একফোঁটা ঘুমের তরে হাড় হাড্ডির কচর [বিস্তারিত হাবিজাবি]