উঠোনে পেয়ারা গাছের তলায় মা তার মেয়েটিকে কোলে নিয়ে হেঁটে বেড়াচ্ছে, আর মেয়েটি ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদেই যাচ্ছে। দৃশ্যটাকে এখানে পস্ করে আমরা একটু পেছন থেকে ঘুরে আসি, কেন মেয়েটি কাঁদে। আমাদের গৃহশিক্ষক ছিলেন ময়েজ স্যার। ইয়া লম্বা আর চিকন ছিল তার নাক। ততোধিক চিকন একটা বেত থাকতো সারাক্ষন তার হাতে। আমি সৌভাগ্যবান কিংবা দূর্ভাগ্যবান ছিলাম… [বিস্তারিত]

শুন্য শুন্যালয়
- নিবন্ধন করেছেনঃ ১২ বছর ১১ মাস ৯ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ১৬২টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ৮৯৩৯টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৪৮৮৭টি
আধা ঘুমে বিনা ফুঁ এ ঠোঁট পোড়ানো এক কাপ চা। দিনের শুরুটা মাঝপথে নয়, শুরু থেকেই শুরু হওয়া চাই। চা এর কৌটো উল্টেপাল্টে কিংবা সোজাসাপটা পলকহীন চেয়ে দেখি চাপাতা নেই। আজ আর দিন হবেনা, যার আরম্ভ নেই, তার কি আর চলা হবে? বিক্ষিপ্ত দিনে গুছিয়ে গাছিয়ে রাখা হবেনা কিছুই। টিভি টাও যদি না চলে? সারাদিনে… [বিস্তারিত]
পরিবর্তন। পরিবর্তনের কথা শুনলেই আমরা একটু নড়েচড়ে বসি। রবীন্দ্র কিংবা নজরুলের গানে একটু গিটার কিংবা ব্যান্ড ধাঁচ শুনলেই অনেকেই আগে মুখ বাঁকিয়ে বলে ফেলি, গানের বারোটা বেজে গেছে। ভালো করে শুনে দেখা পরের কথা। ঈদে বাড়ি ফিরছেন, রাস্তায় কোন জ্যাম নেই, বলে বসবেন দেশের অবস্থা এতো খারাপ যে ঈদে পর্যন্ত আনন্দ করতে মানুষ বাড়ি যায়না… [বিস্তারিত]
হতচ্ছাড়া ভোর আমার, কেমন যেন চুপটি মেরে গেছে। এ ঠিক সেই যাদুকরী ডাকিনীর ছায়ায় মজেছে। অমরাবতীর বাঁশি, বসফরাসের তীরে বসে বাদাম খাওয়া আর ব্র্যান্ড নিউ পিঠে পায়েসের লোভ। -এই কি হয়েছে তোর? খুব যে অই যে কি যেন কি বলে, ইতং বিতং শুরু করেছিস। =কিছু হয়নি তো। চা খাওয়া, কড়া তীব্র আফিম ঘ্রানের চা। পুরো… [বিস্তারিত]
মাত্র তিনটি দিন। খুব বেশি দেরি কি? কি করি,আমার সবকিছুতে যে খুব দেরি হয়ে যায়।তিন দিনে রাজমহল তৈরি হয়,ভেঙ্গেও যায় কারো কারো,সময় লাট বাহাদুরের অবশ্য তাতে কিছুই যায় আসেনা। বছরের প্রথম দিন সোনেলার ই-বুক আনন্দে ভাসিয়েছে,আনন্দ দিয়েছে চির ভেজাল এড়িয়ে অকৃত্রিম শুভেচ্ছা। তবে কাউকে কিছু দিতে পারিনি।কিংবা দিয়েছি হয়তো কষ্ট,পুরনো কস্টে নতুন মোড়ক। ইচ্ছে আমার… [বিস্তারিত]
আজ এক বুড়ো শিশুর জন্মদিন। আমাদের মতো হারিকেনের আলোয় সে আসেনি। এদিন পুরো বিশ্ব আলো করে আরো একজন নেমে আসে, যিশু খৃষ্ট, আমরা সেই আলোতেই ঝলমলে আনন্দ নিয়ে পালন করে যাই আমাদের প্রিয় জিসান ভাইয়ার জন্মদিন। পুচকি, মাঝারী, বুড়ো, পুরুষ, নারী ( এই সংখ্যাই বেশি ) সব মহলেই তার প্রচুর জনপ্রিয়তা। কতো অসংখ্য উপহার আসে… [বিস্তারিত]
সহস্র সহস্রের পথের খুলে দাও পথ, হিরণ্ময়ী ভোর, কিংবা ঝুল বারান্দায় বিজলি চোখের রাতের। এফোঁড় ওফোঁড় হাজারটা চলে যাওয়ায় একটি ক্লু খুজঁতে নেই। এক একটা চলে যাওয়াতেই তার হাজার হাজার বায়োগ্রাফি। নিজেকে ফেক একজন ফেলু দা কিংবা শার্লোক হোমস সবাই ভেবে নিতে পারে এই আমারই মতোন, তবু দিন শেষে ঝুলে পড়া মাথায় একটাই আকুতি জাগে,… [বিস্তারিত]
কানে এয়ারফোন গুজে গুনগুনিয়ে হেঁটে যাচ্ছে একটি মেয়ে এ গল্পটা সেই মেয়েটির... গল্পের কথা শুনেই ঠোঁট টিপে একটু হেসে উঠলো সে, তবে কি তার কোন গল্প নেই? হয়তো, নানান কৃত্রিম শব্দে যে গল্প লিখে যায় তার জন্য এটাই শাস্তি, হয়ে থাক সে গল্পলেখক গল্পহারা। আমি বরং তার পথের গল্পটা বলি... এ উদোম পথে রাতবিলুপ্ত রাতকাহিনী… [বিস্তারিত]
হারিয়ে গেলি।। কোন মন্ত্রবলে পারলি নিজেকে হারাতে যদি বলে যেতিস। আয়নাটা কেমন করে লুকিয়ে রাখিস? তোর ছায়া পরেনা তাতে? ভেঙ্গে চুড়ে শুধু নিজের ছায়া বাড়িয়ে যাস, তবুও কেমন দিব্যি এড়িয়ে যাস। কেমন করে? সদ্য শান্ত হওয়া পুকুর ঘাটে, দেখি গাছের ছায়া, আকাশের ছায়া দেখি জোড়া জলকাঁকড়া, কিশোরের ঢিল ছুড়ে ব্যাঙ্গাচির লাফ দিয়ে যাওয়া কেউ পারেনি… [বিস্তারিত]
কবে কখন চলতে শুরু করেছিলাম মনে করতে পারিনা, কোচড়ে করে কাঠমল্লিকা আর হাসনাহেনা। যেতে যেতে কোন এক গাছে দুটি পাখি বসে ছিলো দেখেছিলাম। না, না কেউ আমাকে দেখিয়েছিল। ফিরে এসেছি পেছনে ফেলে। মনে পরে এক কৃষাণ কে জমিদার বলেছিল যতটা জমি তুমি পেড়িয়ে যেতে পারবে সন্ধ্যে নাগাদ ততোটা তোমার। আমিও পেরিয়ে যাচ্ছিলাম পথ যতটা যেতে… [বিস্তারিত]
আমার মায়ের মোটা কাপড়ে বানানো শপিং ব্যাগের দিন শেষ অনেক আগেই, বাদামী কাগজের বস্ত্রসম্ভার মার্কা শপিং ব্যাগের দিনও শেষ। এই বস্ত্রসম্ভার দোকান থেকে যাই কিনতাম না কেনো, অবধারিত ভাবে রাস্তায় ছিড়ে পরতো। দিন পাল্টেছে, এখন একটা কিনলে আরেকটা ফ্রি সিস্টেম চলে, তাই বিক্রেতারা এখন কিছু বিক্রি করলে সাথে সাথে বিনামূল্যে তাদের বিজ্ঞাপনটাও প্রচার করছেন। খাবার… [বিস্তারিত]
চড়া রঙের স্মাইলিতে বেঁধে রাখা অনুভূতি, নিজেকে বোঝাবার চেস্টায় হরিয়ালি পাখির একাগ্রতা। কেউ কেউ তবু থাকে,অভিনয়ের ডিভান ফেলে দিয়ে শীতলপাটিতেই যার রাত্রিযাপন। জলতরঙ্গের সুরে কেউ কেউ ঢেউ গোনেনা জলের, সমুদ্রের সুর শোনবার জন্য সমুদ্রেই পা ভেজানো চাই। জ্যোৎস্নার রাত জাগা গল্প লেখা হয়না ঘরের রাতবাতিতে, এক কিংবা আধখানা জ্যোৎস্নার জন্য শ'খানেক রাত্রিতেই তার বনবাস... বনসাই… [বিস্তারিত]
পোড়ানো রোদ্দুরে দেখেনা কেউ পুড়ছে সে নিজেও। অবশেষে ক্লান্ত সূর্য ঘুমের আয়োজনে করে সমর্পণ। থেমে যাওয়া আগুনের লাল রঙ নিয়ে কোন শিল্পী এঁকে যায় এলোমেলো আঁকিবুঁকি? শিল্পী আর ছবির বাক্সে চলে খেলাধুলা। প্রতিটি জল রঙের ছবিতে এক একটি নতুন আঁচড়। কে হারলো কে জিতলো? অন্ধকারের কালো রঙ এসে বন্ধ করে খেলা। ফলাফল রয়ে যায় অসমাপ্ত।… [বিস্তারিত]
শুভ্র ভোর। হিম হিম বাক্সবন্দি অনুভূতি পুরোনো চোখে বের করে আনছে থেকে থেকে। নিয়ে যাবে কোথায় আজ? প্রশ্ন করি ভোরকে। আলসে ভোর ঘাপটি মেরে থাকে কোথাও। আমি হঠাৎ এক প্যাঁচে শাড়ি পরে নেচে বেড়ানো গ্রামের ভোর বধূ। একহাতে শাড়ির খুঁট, অন্য হাতে আলগা বাতাস। মক্তবে দল বেঁধে হেঁটে যাওয়া বালিকার দেয়াল। তুমি কে? দেখিনিতো এ… [বিস্তারিত]
সইলো করিসনে তুই রঙ্গ, পরান কাঁপে হ্যাঁচকা টানে বাজে বুকে বঙ্গ। বিষের বাঁশি বাজাস তোরা, সুর কেনো তার ছাড়েনা মোর সংগ? সইলো,স্বপন বুঝি করলি এবার ভঙ্গ। তোর ছলেতে হয় যদি সে কুপোকাত, সন্ন্যাসিনী হবোই আমি, ভাবিস যদি চুকলো ল্যাঠা করবি বোকামি জটাধারী মন্ত্রনাতে করবো অভিসম্পাত। মায়াবীনি পাষন্ডিনি তুই লুটেরা মেদিনী, বনোভূমের বিলাস স্রোতে ভাসিয়ে নিলি… [বিস্তারিত]
