সাতকাহন

বিষণ্নতার পরিপূরক

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ৯ বছর ৫ মাস ১ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ৭৫টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ৪৪৮টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৮১১টি

অনন্য সুভাষ (১০)

সাতকাহন ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫, শনিবার, ০৫:৩৮:৩৪পূর্বাহ্ন সাহিত্য ৪ মন্তব্য
১৯৩২ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটিশ সরকার লন্ডনে ভারতের নেতাদের সাথে আলোচনার জন্য গোলটেবিল বৈঠক আহবান করে। কিন্তু গোলটেবিল বৈঠকে গান্ধীজির যোগদানের ব্যাপারে সুভাষ আপত্তি করেন। সুভাষ বলেন: ‘এই বৈঠক ব্রিটিশদের একটা ভাওতা মাত্র; এর আসল উদ্দেশ্য হলো, ভারত যে স্বাধীনতা লাভের অনুপযুক্ত জোর গলায় সেই কথাই প্রমাণ করা। তাই আপনার এই বৈঠকে যোগ দেয়া উচিত নয়।’[৩৪] [ বিস্তারিত ]

অনন্য সুভাষ (৯)

সাতকাহন ২০ আগস্ট ২০১৫, বৃহস্পতিবার, ০৩:৫২:৩৫পূর্বাহ্ন সাহিত্য ৬ মন্তব্য
১৯৩০ সালের ২ মার্চ গান্ধী সেই মনের কথাই জানিয়েছিলেন বড়লাটকে লেখা এক চিঠিতে। সেই চিঠিতে গান্ধী খোলাখুলিভাবেই লিখেছিলেন, ‘আমার উদ্দেশ্য, ক্রমবর্ধমান সহিংস সংগ্রামীদের সংগঠিত শক্তির বিরুদ্ধে আমার আন্তরিক শক্তিকে পরিচালিত করা।’[৩০] এই সময়ে গান্ধীর এক প্রশ্নের উত্তরে কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘I think attainment of swraj can only be helped by soldiers and not by [ বিস্তারিত ]

অনন্য সুভাষ (৮)

সাতকাহন ১৬ আগস্ট ২০১৫, রবিবার, ১০:৪৮:০০অপরাহ্ন সাহিত্য মন্তব্য নাই
১৯৩০ সালের আগস্ট মাসে জেলে থাকাকালে সুভাষ কলকাতা পৌর কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। এদিকে ঢাকার মিডফোর্ড মেডিকেল স্কুলের শেষ বর্ষের ছাত্র ও বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্সের সদস্য বিনয় কৃষ্ণ বসু ঢাকার কুখ্যাত পুলিশ কর্মকর্তা জল পুলিশের আইজি লোম্যানকে ১৯৩০ সালের ২৯ আগস্ট মিডফোর্ডের সামনে গুলি করে হত্যা করেন এবং সেদিনই বিনয় ঢাকার পুলিশ সুপার হাডসনকে গুলি করে [ বিস্তারিত ]

হেঁটে যায় ম্যাথিউস, হেঁটে যায় মুজিব

সাতকাহন ১৫ আগস্ট ২০১৫, শনিবার, ০৩:৪১:৩৪পূর্বাহ্ন কবিতা ৬ মন্তব্য
সূর্যের মরা আলোয় মধুমতির তীরে হেঁটে চলে কবন্ধ সাধক। টুঙ্গিপাড়ার আকাশ তখনও হিমের আবিরে মাখা তবুও উষ্ণতার লিরিকে ভরে যায় কৃষকের বুক। হেঁটে চলে বাঙলার চরাচরজুড়ে, এক অখণ্ড আলোর আহবানে উদ্ভাসিত হয় বোধ আর সাম্যের বাংলাদেশ। গেরুয়া কৌপিন ছিঁড়ে তৈরি হয় মুক্তির পতাকা অলক্ত আলপনায় আঁকা স্বাধীনতার অনুষঙ্গ বুক ভরে নিঃশ্বাস আর মুক্তি, যেন সাধুর [ বিস্তারিত ]

যা বলবো প্যাঁচাইয়া বলবো

সাতকাহন ১০ আগস্ট ২০১৫, সোমবার, ০৪:২৮:২৩পূর্বাহ্ন সাহিত্য ৬ মন্তব্য
যা বলবো প্যাঁচাইয়া বলবো, রেসকোর্সে আমীর আব্দল্লাহ খান নিয়াজী বুলেট খুলে জগজিৎ সিং অরোরার হাতে দিতেই ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বিজয় ফাইনাল হয়ে গেলো। তখন বুঝি নি এ ম্যাচের খেলোয়াড় আমরা, আম্পায়ার আন্তর্জাতিক। মনে পড়ছে, ভাগীরথী তীরের আম্রকাননে যুদ্ধের আগের রাতে মোহনলালকে সিরাজ বলেছিলেন, ‘আগামীকাল তোমরা যুদ্ধ করবে কিন্তু হুকুম দেবে মীর জাফর।’ সেই আম্পায়ারই ৭৫-এর [ বিস্তারিত ]

গণকবর

সাতকাহন ৭ আগস্ট ২০১৫, শুক্রবার, ০৩:০৯:১৮পূর্বাহ্ন কবিতা ৮ মন্তব্য
১. দাঁড়াও! সাবধানে পা রেখো- এখানে গণকবর। কোমল মাটির তলে রক্তের বুদবুদ এখানে শায়িত তোমার স্বজন। একদিন যারা মাটি ভালোবেসে জীবন ধরেছিলো হাতের মুঠোয় তারাই ঘুমন্ত আজ গণকবরে। দাঁড়াও! সাবধানে পা রেখো- এখানে গণকবর। মাটিতে কান পেতে শোনো কান্নার শব্দ বুকের জমিনে শোনো মুক্তির আর্তনাদ হায়েনারা বিধ্বস্ত করেছে স্বপ্ন তোমার। দাঁড়াও! সাবধানে পা রেখো- এখানে [ বিস্তারিত ]

ঘুমাও মানুষেরা

সাতকাহন ৩০ জুলাই ২০১৫, বৃহস্পতিবার, ০৬:৩৫:৪৪পূর্বাহ্ন কবিতা ১৪ মন্তব্য
দীর্ঘদিন কবরবাসের পর রোদ্দুর অসহ্য লাগে চোখ জ্বালা করে; মনন ও মগজে নির্বোধ মিথস্ক্রিয়া পুনরুত্থানকালেও আকাশে মেঘ ছিলো না...। পূর্ণিমায় সমাপ্তি, রোদেলা দিনে এলো নতুন বছর। ঘুম আসে, ঘুম-ঘুম ভাঙে; বঙ্গাব্দে, খ্রিস্টাব্দে, হিজরিতে...। তৃতীয় বিশ্বের ফেরেশতা দুর্বল ডানায় চেষ্টা করে অবিরাম উড়ে যেতে নন্দন-কাননে; বছর যায়, বছর আসে। জানে না, কে যেন সুতোয় বেঁধেছে ডানা, [ বিস্তারিত ]

এইসব অসময়ে

সাতকাহন ২৭ জুলাই ২০১৫, সোমবার, ০৫:১৭:২১অপরাহ্ন কবিতা ১২ মন্তব্য
কাফকার দীর্ঘ অসুস্থ জীবনের চেয়ে রাতের রমণীর স্বল্পস্থায়ী জীবন ঢের ভালো এইসব অসময়ে। চারিদিকে রাবণের চিতা জ¦লে অবিরত ঘৃতাহুতি কে দেয়, সবাই তা জানে...। অথচ আজ কেউ নেই চারিদিকে পদতলে পিষ্ট আপন ছায়া, তিমিরে কাঁদে। অলৌকিক গুহা থেকে ভেসে আসে কার অট্টহাসি? অন্ধকার নামলেই ছায়ার মৃত্যু আলোতে রাতের রমণীর অগোচরে জন্ম ও মৃত্যু...। অসুস্থ জীবন [ বিস্তারিত ]

ছায়াপাতের অক্ষরে শিলালিপি

সাতকাহন ২৪ জুলাই ২০১৫, শুক্রবার, ০২:২১:৫৮অপরাহ্ন কবিতা ৭ মন্তব্য
চেনা ফ্রেম থেকে সরে যেতে থাকে বিকেল গড়ানো রোদ ছায়াপাতের অক্ষরে শিলালিপি যাপনের অধিকারজুড়ে অশোক হয়ে ওঠা গুহামুখী রিংটোনে শরীর ইতিহাস খেলছে। কমনীয়তা ও রমণীয়তা পাহাড়ের শরীরজুরে খোদাইয়ের খাঁজে গান্ধার! এবার চাঁদ ছড়িয়ে যাবার ভয়। ‪ নর্থ সার্কুলার রোড ধানমন্ডি, ঢাকা ২৪ জুলাই, ২০১৫
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে যে বিদেশি নাগরিকদের ভূমিকা বাংলাদেশের জনগণ কখনও ভুলবে না, তাঁদের মাঝে অ্যালেন গিন্সবার্গ একজন। মার্কিন কবি ও গীতিকার অ্যালেন গিন্সবার্গের জন্ম ১৯২৬ সালের ৩ জুন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরের বেথ ইসবায়েল হাসপাতালে এক রাশিয়ান ইহুদি পরিবারে। জন্মের পর দাদার বাবার নামে তাঁর নাম রাখা হয় আভরুম গিন্সবার্গ। পরে এই নাম বদলে [ বিস্তারিত ]

লাশের মিছিলে ভাসমান গাছ

সাতকাহন ১১ জুলাই ২০১৫, শনিবার, ০১:১৭:৩৬পূর্বাহ্ন কবিতা ১৭ মন্তব্য
প্ল্যাকার্ডে ছেয়ে গেছে শহরের মুখ লাশের মিছিলে ভাসমান গাছ সারি সারি গাছ ভুলে গেছে নাগরিক জীবন মাল্টি শব্দের মোহনীয় মায়ায়। আলোর নিচে অন্ধকারের হাতছানি রাজপথে রিকেটের মারণ থাবা বা ক্ষয়রোগ বুলেটে মিলেটে ধাঁরালো হায়েনার নখ মুখ থুবরে পরে আছে সনাক্তের অভিলেখ। সুইসাইড নোট লেখা হলো মৃত্যুকে পাশে রেখে মর্গে এই অভিশপ্ত জীবন প্রেমহীন কঙ্কাল এক। [ বিস্তারিত ]

কতিপয় সংঘাতের শেষে

সাতকাহন ৯ জুলাই ২০১৫, বৃহস্পতিবার, ১১:৩৭:০৩অপরাহ্ন কবিতা ৬ মন্তব্য
আজ এই মধ্যরাতকে পরিশ্রুত জলের মতো পান করি হাজার বছরের নির্মাণ নিয়ে গড়ে উঠেছে আমাদের শরীর অব্যাহত উশ্রিতে এখন সব নিয়ামক শক্তি ঘাতকের ঘরে শুয়ে থাকে পাশবিক যন্ত্রণায়। পেঁয়াজের মতো খুলে ফেলি গোপনের সবকটা খিল ঈশ্বর পালিত মেঘের সমস্ত স্রোতে নদীগুলো গতি পায় তুমি ঘুমিয়ে আছো বিভ্রমে, অথচ আজ জেগে থাকা ভীষণ জরুরি ছিলো আমাদের [ বিস্তারিত ]

ঘুমিয়ে থাকা শহরে দু’জোড়া চোখ

সাতকাহন ৯ জুলাই ২০১৫, বৃহস্পতিবার, ১২:০০:৫৮পূর্বাহ্ন কবিতা ১৮ মন্তব্য
আকাশ মেলে দেয় ছায়াপথ রাতের তারারা পথ দেখায় শহুরে ঘুমে স্বপ্নচারী আমি। টেলিপ্যাথি ঢেকে নিয়েছে মগজের রন্ধ্র ফেসবুকে মোলায়েম একটি মুখ কথারা সফর সেরে হাত রাখে। ঘুমিয়ে থাকা শহরে দু’জোড়া চোখ কবিতার পাশে বালিশ রেখেছিলো বালিশে ঘাম, ঘামে স্বপ্নেরা অবয়ব পায় আর ছায়াপথ দূরে সরে গেলে হাজার যোজন দূরত্ব ঘোচাবার যন্ত্রণা হাতফোনে বন্দি হয়। ‪ [ বিস্তারিত ]

লম্বা বেনীর সেই মেয়েটা

সাতকাহন ৬ জুলাই ২০১৫, সোমবার, ০৭:৪০:৫৩পূর্বাহ্ন কবিতা ২২ মন্তব্য
কেউ বা যেতো আলোচনায় কেউ শুনতো গান আমার মধ্যে ছিলো কিন্তু অন্য কিছুর টান। কালী মন্দির, সন্ধ্যা পুজো নাগ-লিঙ্গম ফুল তারা আমায় টানতো কাছে ভীষণ রকম ভুল। আলোকচিত্রে নরেন্দ্রনাথ বারোই জানুয়ারি মা সারদা, বড় পুকুর ঠাকুর মশাইর বাড়ি ওসব কিছু টানতো নাতো আমায় কোনোদিন অন্য কিছু টানতো আমায় টানতো অন্তহীন। আমায় টানতো পুবদুয়ারী ছোট্ট টিনের [ বিস্তারিত ]

একলব্য

সাতকাহন ৪ জুলাই ২০১৫, শনিবার, ০৩:২৮:০৪পূর্বাহ্ন কবিতা ১৫ মন্তব্য
হাঁটু ভেঙে বসে নতজানু হয়ে ভালোবাসা চাই যতো ততোবার তুমি সুকৌশলী উন্নত, উদ্ধত। চাওয়ার চাইতে পেয়েছো অনেক আমি তো সহজলভ্য আশা-ভালোবাসা ছেঁটে ফেলে আমি আজ একলব্য। ৪ জুলাই ২০১৫, ধানমন্ডি; ঢাকা

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ