মূল লেখায় যান

বৃদ্ধাশ্রম থেকে মায়ের চিঠি

ফারজানা তৈয়ূবকবিতা৫টি মন্তব্য

খোকা তুই কই? আমায় কি দেখতে আসবি সঙ্গে নিয়ে খই? নাতিটার জন্য বড্ড খারাপ লাগে চোখ ভিজে যায় জলে, দেখতে ইচ্ছে করে দাদুভাইটাকে আমার কেমনে করে খেলা করে। ওর দাঁত উঠেছে খাবার কি চিবিয়ে খায়? হাতে তালি দিয়ে খেলে তাই তাই তাই। এখানে বড্ড গরম অসহ্য লাগে আমার দুই হাতে লাগেতে পারিনা বোতামটা জামার। হাতগুলো… [বিস্তারিত]

উল্টোরথ

ফারজানা তৈয়ূবকবিতা১০টি মন্তব্য

উল্টোরথ পুরোটা দেশে ছেয়ে গেছে আজব মানুষের কারবারে, বিচার করবে কে রে ভাই যাবো কোন দরবারে? মানুষগুলো সব উল্টো চলে পশুর মতো চালচলন, নিজের দোষ ঢেকে রেখে অন্যের খুঁত খুঁজতে তার বিচরণ। নিয়মগুলো আজ বড্ড গোলমেলে চিন্তায় ঘুরে মাথা, মরিচীকা চোখের সামনে লাগে চোখে ধাঁধা। ছোটোবেলায় আদর্শলিপির পাতায় যা শিখেছি সব কি তবে ভুল? সমস্যার… [বিস্তারিত]

ভগবানের নাটাই

মো: মোয়াজ্জেম হোসেন অপুকবিতা১৬টি মন্তব্য

আবোলতাবোল ************* ভগবানের নাটাই ************** গোলাপে মরিচিকা ধরেছে, লোকে বলে গোলাপ পাপী। লোহা গোলাপের সৌরভ ছড়ায়, লোকে বলে লোহা বড় বিনয়ী। আবার সাধনায় বসে অলি, রাখো মারো, সবই করো, আল্লাহ তুমি। গোলাপে মরিচিকা দিয়ে,তার সুরভি কেরে নাও, লোহা থেকে মরিচিকা নিয়ে,তার সুগন্ধি ছড়াও। গোলাপ খুঁজিয়া পাপ, দেখিলো সবই অহংকার তার। লোহা খুঁজিয়া পূন্য, শত আঘাত… [বিস্তারিত]

দেবোই আমি সাড়া!

বোরহানুল ইসলাম লিটনকবিতা১৪টি মন্তব্য

দুঃখে যদি ওই নীল আকাশ হয় গো দিশেহারা, তোমরা যতোই চুপ করে রও দেবোই আমি সাড়া! প্রাণ হারা নদ-নদীর বুকে চাইবো উঠুক ঢেউ, চষবো মেঘের হিম মাখা কেশ জানবে না তা কেউ। জ্যোৎস্না খোয়ে ফেললে গো জল নিশির ক্রোড়ে শশী, বক্ষ ভেদী শুকতারাদের বাঁধবো ঘোরে কষি। গামলা দিয়ে সেচবো একাই লাল সায়রের জল, হাসবো আড়ে… [বিস্তারিত]

রাতদুপুর

আলমগীর সরকার লিটনকবিতা৭টি মন্তব্য

ডেঙ্গুর ভয়ে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে সময়- মৃত্যুর কাছাকাছি কবির কলম, মন্দ নয়! মশার গায়ে কবিতার দূরত্ব নেই; শুধু মৃত্যু আর মৃত্যুর আর্তনাদ খেলা করছে রাতদুপুর! তবু হাত পা মশারির মধ্যে রাখা ভাবনা নেই দুপুর যায়, রাত আসে- ভোর হয়; অথচ কবির অসুখের চিকিৎসা কবিতার রঙমুখি দেহ, জল মাটি আকাশ। ১২ আশ্বিন ১৪২৯, ২৭ সেপ্টেম্বর ’২২ [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

তোমায় দিয়ে জলঅঞ্জুলী

সঞ্জয় মালাকারকবিতা৮টি মন্তব্য

তোমায় দিয়ে জলঅঞ্জুলী,, পুষ্প হাতে নদীর ঘাটে কে গো রূপবতী, আঁচল ছেড়ে ঘাটে বসে হাসছ নয়ন কলি! উঠতে রবি পড়তে বিকেল তোমায় দেখে হাসে, চাঁদের মেয়ে জ্যোৎস্না তুমি সব দেবতা আসে! দীঘির জলে সূর্য হাসে গঙ্গা দেবী কাঁদে, তুমি হাসো দূগ্গা দেবী শঙ্খ কেমন বাঁজে! উলু ধ্বনি দিচ্ছ মুখে গঙ্গা প্রণাম করে কাশের তালে বাধ্য… [বিস্তারিত]

মধ্যবিত্ত

ফারজানা তৈয়ূবকবিতা৯টি মন্তব্য

মধ্যবিত্ত শিকলে বাঁধা মধ্যবিত্তের জীবন, হাজার হাজার নেইয়ের ভীড়ে আছে একটুকরো সম্মান। মানুষগুলো সবাই কেমন যেনো মেকি দেয়না কভুও কারে এক ফোঁটাও ফাঁকি। হাজার টানাটানি আর যাতনার ভীড়ে সন্ধ্যা হলেই ফিরে আসে নিজের কুঁড়ে ঘরে। টাকা-পয়সা সীমিত সুখ এখানে রংচটা সন্ধ্যাবেলায় লাল চায়ের সাথে বিস্কুট দেখতে তক্তা। তবুও সবাই আছি সুখে পাই যে সকলের দেখা।… [বিস্তারিত]

তার অন্তিম যাত্রা!

বোরহানুল ইসলাম লিটনকবিতা৭টি মন্তব্য

ভীষণ কাতর, অন্তরের কষ্ট তার - আগ্নেয়গিরির জ্বলন্ত লাভার মতো ধড়ফড়ে! মাটির একটা ভাঙা থালা সামনে রেখে গভীর নিশীথে বসে আছে একা আশাময় এক নির্জন প্রান্তরে জ্যোৎস্না পান করবে বলে কোজাগরীর আলো মেঘে ঢাকা বিক্ষিপ্ত ভাবনাগুলো অকূলের হাল ভাঙা তরী সয়েও ক্ষুধার্ত স্বপ্নের দৃষ্টি স্থির ওই দূর আকাশে। হঠাৎই নিষ্পলক দু’চোখ তার চকচক করে উঠলো… [বিস্তারিত]

আমাকে ধারণ করতে পারবেনা তুমি আমি অতি সাধারণ,অতি নগণ্য, মৃতপ্রায় এক জলাভূমি। সাধারণ বলেই তোমাদের নাগরিক কোলাহলে তোমাদের ঐ পুঁজিবাদের দাবানলে আমাকে কোথাও খুঁজে পাবেনা। আমার ভালোবাসা ধারণ করার ক্ষমতা তোমার নেই, ছিলোনা। তোমার দৃষ্টিতে ভালোবাসার নদীতে যে কংক্রিটের দালান উঠে গেছে যে হিংস্র বিষন্নতার স্রোত বয়ে গেছে পুব হতে পশ্চিমে, লাল কার্পেটে মোড়া রাজ… [বিস্তারিত]

নীল আবরণে কাশ

কামরুল ইসলামকবিতা৬টি মন্তব্য

আমি বালুচরে অবহেলায় ফুটে উঠা কাশ তোমার নীলের আবরণে বিভোর আমার আকাশ হাওয়ার দোলা উদ্যোমে, মেলি যেনো মেঘের ডানা তোমার নীল আঁচলে আমার সকল আলপনা শুভ্র কোমল পরশে আমি ছুঁতে চাই তোমার বুক মেঘ শাবকের আবরণে লুকিয়ে নিবে মুখ আঁচলের মায়া ছড়িয়ে দিবে, আমার চারপাশ মৃদু হাওয়ার শিহরণে প্রকৃতির সঙ্গমে জেগে উঠবে উচ্ছাস পদ্ম পরশে… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

বহুদিন পর জানা গেলো এক আলুথালু বিষন্নতা নিয়ে মোহনগঞ্জের দিকে ছুটে গেলো যে ট্রেনটি সেই ট্রেনেই শহর ছেড়ে চলে গেলো লোকটি। কেউ কেউ বলে লোকটি আপাদমস্তকে কবি ছিলো, কেউ বলেছিলো লোকটি ছিলো বদ্ধ উন্মাদ,পাগল। ঘনিষ্ঠ কয়েকজন জানতো লোকটি ছিলো গার্মেন্টস কর্মী। তবে লোকটির ভেতর যে, কিছুটা পাগলামির বীজ রূপিত ছিলো তা অকপটে সবাই স্বীকার করেছিলো।… [বিস্তারিত]

অক্ষরের খুঁটি

খাদিজাতুল কুবরাকবিতা১১টি মন্তব্য

একদা আকাশ থেকে ছিটকে আসা নক্ষত্রের আগমনে বিঘ্নিত হয়েছিল বর্ষীয়ান নাতিশীতোষ্ণ, একদিকে বিলীন হয়েছিল ভ্রমের বাড়ি-ঘর; অন্যদিকে জেগেছিল আগ্নেয়গিরির চর, সেকি তান্ডব, ভাঙা গড়ার! এখনো ভাবলে গা শিউরে ওঠে! ফের ঘর বাহির হয়ে গেল সমুদ্দুর, তারই তীরে বাঁধলাম ঘর , অক্ষরের খুঁটি, শব্দের প্রতিশ্রুতি! ঘরখানা যা হয়েছিল না! একেবারে কবিতার মত সুন্দর! অমৃতসুধার বর্ষনে জন্মেছিল… [বিস্তারিত]

শুধুই আমার

আলমগীর সরকার লিটনকবিতা৭টি মন্তব্য

তোমার পৃথিবীর সৌরজগতটা কে ধরতে চাই কিন্তু আমার বায়ুমণ্ডল ঘুরে- ঘুরে তোমার সীমানায় এসে দাঁড়াই ! অথচ তুমি দেখো না নিজকে মনে করো সূর্য রাঙা চাঁদমুখি চাঁদ! জানো তোমার আমার পৃথিবী শূন্যতেই ভাসমান অমাবস্যা কিংবা রাতের আঁধারে প্রেম- অন্য কোন গ্রহ কে চিনি না- জানি না তোমার সৌরজগৎ মানে শুধুই আমার। ০৭ আশ্বিন ১৪২৯, ২২… [বিস্তারিত]

অভিবাদন

মো: মোয়াজ্জেম হোসেন অপুকবিতা৬টি মন্তব্য

জাতির শুন্য হৃদয় দিয়েছো ভরে, হে প্রত্যন্ত অঞ্চলের বালিকারা, অভিবাদন, অভিবাদন।। জাতির কলঙ্ক দিয়েছো মুছে, হে গ্রাম বাংলার খাঁটি সোনারা, অভিবাদন, অভিবাদন।। জাতির ফুটবল খড়ায় এনে দিয়েছো -- এক পশলা স্বস্তির বৃষ্টি, হে "গাও-গেরামের" সোনার মেয়েরা, অভিবাদন, অভিবাদন।। (ওরা(নর) পারেনি তোমরা পেরেছো, হে বাংলাদেশি সোনার কইন্যারা, অভিবাদন অভিবাদন।। ) [বিস্তারিত]

গাভীরঙের জোছনা

হালিম নজরুলকবিতা৮টি মন্তব্য

অষ্টপ্রহর পৃথিবীর পায়ে সালাম ঠোকা নারী আমার মা আমাদের মতোই আদরে লালন করত একটি গাভী। সে আমাদের এক‌টি পাখি এনে দেবে, সোনার পেয়ালায় পেয়াবে অনন্ত অমরত্ব। মায়ের শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া রক্তে আমরা স্নান সারতাম। আগুনে আমাদের পা পুড়ে যাবে বলে-- তিনি নিজে পোড়াতেন নিজেরই হাত। দুঃখ নামে আমাদের একটা নদী ছিল। প্লাবনশেষে রোদ এলে… [বিস্তারিত]