মূল লেখায় যান

ভ্রমণ কথকতা………২

ছাইরাছ হেলালভ্রমণ১২টি মন্তব্য

পা দেবে যাওয়া বাহারি নকশাদার ভারী কার্পেটে পা-ফেলে হেলে-দুলে হাঁটতে ভালই লাগে, সকাল ন’টায় ফ্লাইট, অখণ্ড অবসর, ভিড়হীন ফাঁকা সুনসান ঘুমঘোর টার্মিনাল। জুতমত জায়গা দেখে বসলাম, কাছেই পানি, ওয়াশ-রুম ও ধুমা-রুম। অখণ্ড অবসর খণ্ড খণ্ড হবে এবার। দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া বা আনন্দ ভ্রমণে এসে নাক-সিধা হেঁটে যাব!! নৈবচ-নৈবচ। পঞ্চম ইন্দ্রিয় নয় শুধু দশম… [বিস্তারিত]

ভ্রমণ কথকতা………১

ছাইরাছ হেলালভ্রমণ২৩টি মন্তব্য

রাত ন’টায় ফ্লাইট, ঘণ্টা তিনেক সময় হাতে নিয়ে এয়ারপোর্টে পৌঁছে গেলাম। জিসান সাহেবের সাথে, বুড়োদের সুবিধে নিয়ে লেগ-স্পেস ছিট পেয়ে গেলাম, মাপা-মাপি ছাড়াই পুটুলিও, বোর্ডিং-ফোর্ডিং এভাবেই শেষ করে গায়ে-গতরে ফুঁ দিয়ে দেখাদেখি, তাকাতাকি করে প্রায় শুয়ে-বসে টাইম পাস, সদা পদচারণময় বিড়ালটির সাথে সখ্যতা হতে-হতেও কিছুই হলো না (সব সময় সব কিছু হইতে হইতেও না হওয়া… [বিস্তারিত]

শিকড়-শুদ্ধ এই মাত্র যে চারাগাছটি ছিট্‌কে গেল, কিছু ফুল সেখানে ছিল, ছিল মৌমাছিদের আনাগোনা, কিছু ফলের কথাও ভাবনায় এলো, মালী, উত্তপ্ত-ক্রোধ-বাষ্প ছাড়াই কাজ করে যাচ্ছে নিয়ম মেনে, এ-বাগানে কোন বুনো-কবিতার-জায়গা!! হতেই পারে-না, নির্যাস নিংড়ে; চারাটি কোন রক্ত-অভিশাপ দেয়-না, জীবন্ত পুড়িয়ে মারা বা পাথর নিক্ষেপের কথাও ভাবনায় আনে-না। এ-রক্তাক্ত ব্যভিচারের ঘাত-প্রতিঘাত বুকে বয়ে সমাধি-ফলকে দাঁড়ায়, কাছ-ঘেঁষে,… [বিস্তারিত]

মিসিং

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি২০টি মন্তব্য

সবই আছে সুপরিসর ডিম্বাকৃতি কাল টেবিল জুড়ে। রংবেরংয়ের কলমরাজি, রঙ্গিন-খাতা, ঘড়ি, ফোন, গ্লোব, পিটপিটে নীল-চোখের রাউটার, সবই আছে সঠিকতায়-স্বস্থানে; টেবিলে সাজিয়ে রাখা সদা-সবুজ গ্রাসহপার গাছটি, তবুও কী একটি যেন নেই! জামা-কাপড় জুতো-স্যান্ডেল পরিপাটি করে রাখা আছে সবই, নখ কাঁটার বাহারি কল, কোল্ড ক্রিম, রঙ্গিন সব পেপার ওয়েট, ক্যালকুলেটর। ঘুম ভেঙ্গে গেল, ঝুম অন্ধকার-চোখে, আধার হাতড়ে… [বিস্তারিত]

আকামার ডায়েরি

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি২০টি মন্তব্য

দ্যাশ-বিদ্যাশ ঘোরবেন, ল্যাহালেহি করবেন, টেনিস খ্যালাইবেন, সিনেমা দ্যাখপেন, জনমের পড়া পড়বেন দিন-রাত্রির মাথায় তুলে, এরপর আবার ছবি-ও তোলবেন!! অনেক হইছে, অনেক করছেন, এবার এট্টু ক্ষ্যামা দেন, আর কত?? এ-বর্ষা-বেলায়!! মহামান্য মান্যবর, খুবই যথার্থ বলিয়াছেন, কোন আইঢাঁই ছাড়াই, অকিঞ্চিৎকর মোটেই না, আদেখলাপনাও-না; ল্যাহায়, ঘোরোনে, পড়নে, ছবি তোলাতুলিতে, অন্যান্যকাজ-কামে, মেধা-মন-মনন-অমনন ও সর্বোপরি শরীলে অপটুত্ব দিন-কে-দিন প্রকট হইয়াফুটিয়া-ফুঁড়িয়া… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

জন্মের কোন দিন হয়-না, দিনের জন্ম-ও-না, তবুও থেকে যায় কিছু-কিছু দিন, কোন কোন দিন, কোন একটি-দু’টি দিন, ভেসে যাওয়া সময়ের হাত ধরে যেতে-যেতে যেতেই থাকে, প্রায়ান্ধ দিন, প্রায়বধির দিন, পূর্ণান্ধবধির দিন, হঠাৎ উঁকিঝুঁকি দিয়ে, হেসে-কেঁদে-ও ফ্যালে; কোন-কোন-দিন; অবসন্নতার বিরান ঊষর প্রজ্বল প্রান্তরে প্রতি মুহূর্তে স্বাদ নিচ্ছে ভাবনা মুহূর্ত মুহূর্ত জন্ম নিচ্ছে ক্ষণে ক্ষণে, মুহূর্তে-মুহূর্তে, কোন… [বিস্তারিত]

আমার কোন দায় নেই, পাখিডাকা-ভোর কাকডাকা-জ্যোৎস্না নির্ঘুমের রাত গোনা; নির্ঘাত বিভ্রান্ত হচ্ছে হুশ সরোষে ছুঁড়তেও পারে জুতো, খড়ম পায়ে বরাবর হেঁটে যায় নির্ঘুমের খটখটে রাত; বখে-যাওয়া বাচাল-রাতের আঁতলামো শুধুই দাঁত-চেপে সহ্য করে যাওয়া, মূক-কে-বাচাল, বাচাল-কে-মূক সবই ঈশ্বর-লীলা, হোক-না তা হাত-ছোঁয়া দূরত্ব! রূপালী কাঁটায় বেঁধা রাতগুলো আকাশের মতই অচেনা, এখনো, [বিস্তারিত]

স্বপ্ন জানো, অকস্মাৎ উড়াল জানো, নিঃশব্দ দ্বৈরথের স্মৃতি জানো-না তা-কী হয়! ছায়া হয়ে সন্ন্যাস-গামী হই, সন্ন্যাস নেই, কৈ, সন্ন্যাসী হতে-তো পরি না, খর-চোখের আরশিতে-ও ঐ আর্যমুখ ভেসে ওঠে ঘুম পালিয়েছে একলা ফেলে, এই বিজু বনে। খুব মনে পড়ে তাকে, পড়ুক বেশি বেশি করে পড়তেই থাকুক, মনের গহীন গভীরে অনন্ত না-সুখেও পারিনি ভুলে যেতে, অনির্ণীত থেকে… [বিস্তারিত]

তোমার বলার প্রতিটি নিঃশব্দ-ভাষা, প্রতিটি হরফ-যতির অনুপুঙ্খ সবই জানা, শ্বাস-নিশ্বাসের মত, ঐ-যে শব্দ-চোখ-মুখ-ঠোঁট-চিবুক, টইটই করা থেকে হামাগুড়ি দিয়ে রাত জাগা, প্রতিটি লোমকূপের স্বেদ-ঝর্ণা, গড়গড় করে চোখ-মেলে-বুজে পড়ে যেতে পারি; শ্রুতি গ্রাহ্য অনুচ্চারতায়ও, প্রকাশের ভাষাটি শুধু শিখতে পারিনি। মুখের কবর-নিস্তব্ধতা ঝেড়ে ফেলে জ্যোৎস্না-আঁকা শান্তিদূত হয়ে হাসো, পূষা-বিভূষণা ঊষা, দ্বার খোলো, একবার-ই, হাসি-হাসি-মুখে; বক-জ্যোৎস্নার-ঝিলমিল সুখে। “এই শোনো… [বিস্তারিত]

এই যে বাঁচতে বাঁচতে আবার জেগে ওঠা ভালোবেসে ভালবাসতে পারা জলজ-বসন্তে গা-এলিয়ে দিয়ে ভিজে যাওয়া কেউ-কেউ পারে, সবাই কিন্তু না; শুকিয়ে যাওয়া জল-স্রোতে পদ্মপাতার হাতছানি ছল-ছল জল-জল জল-স্রোতের পদধ্বনি, উষ্ণতার উষ্ণতায় ফিরে ফিরে এই-যে আসি কবিতার কবিতায় বাধাহীন জলরাশি ভালবাসে ভালোবাসি। তোমার ঠোঁট ছোঁয়নি বলে নাম-জানা-না-জানা শব্দেরা আজ অভিশপ্ত, তরঙ্গ-ছবিতে ঝুলে থাকে শব্দানুভব ধনুকের টান-টান… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

গাঢ় নীল পাখিটি ডেকে যায়, ডেকে ডেকে থেমেও যায়, ক্লান্ত-দুপুর সতেজ রৌদ্রস্নানে তন্দ্রা-ছন্ন হয়, ক্ষয়ে যাওয়া চারাগাছটি ঝিমোয়, এক সুটকেস ক্লান্তি হেলায় পড়ে রয়, বিস্তৃতের পথ ধরে ঝাপসা চোখে কত কী ই না দেখি! সমাপ্ত সংলাপের বেশে দৃষ্টিহীনের দৃষ্টি নিয়ে থমকে দাঁড়াই ক্ষণকাল, দু’চোখের বিপ্লবী ঝিলে চুপিসারে মাছরাঙ্গার ব্যস্ততা। অপেক্ষা চাঁদের সঙ্কেতের, অপেক্ষা ঘাস-শিশিরের নগ্ন… [বিস্তারিত]

স্বপ্নময় স্বপ্ন জেগে আছে বলেই বেঁচে আছি, অহোরাত্রি মায়াময় স্বপ্নের চিৎকার চেঁচামেচি, জলছোঁয়া শুচি জ্যোৎস্নার ঝিকিমিকি, বৃষ্টির চোরাচোখের উঁকিঝুঁকি, শীতের কনকনে গভীরতায় একটুখানি ওম, লাল চাল ভাতের ধোয়া ওঠা, নিভু প্রদীপের দপ করে জ্বলে ওঠা, বিবশ প্রবাস হৃদয়ের আবারও জেগে ওঠা, বেঁচে যাওয়া, ক্লান্ত ঘোড়া, বোবা জীবন, বিদীর্ণ বাগান, অসংখ্য তালি-তাপ্পি, হৃদ্ধ অনুভবে। ছায়া ফেলে… [বিস্তারিত]

বৃষ্টি-কড়চা………১

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি১৮টি মন্তব্য

বইলে/খাড়াইলে/হুইলে (চিৎ-কাত-উপুর) হুড়হুড়িয়ে-ঝুড়ঝুড়িয়-কুড়কুড়িয়ে ল্যাহা গড়িয়ে-গড়িয়ে পড়ে এমন দাপানো তাবৎ কাবিলদের সংগত কারণে-বিনা-কারণেও হিংসা করি, হিংসাই পরম ধর্ম!! এ্যাহোন বৃষ্টি-বাদল বন্ধ, চালু থাকলেও লেইখ্যা সব উঁচা করে ফেলব বা উঁচা করে রেখেই ল্যাখমু এমন কিন্তু না; উহ্‌, একটা ভাল-জিনিস মনে পড়ছে, খাড়ান, খাড়ান!! বৃষ্টি হইলে ফ্লোর ঘাইম্মা ওডে ক্যা!! এইডা নিয়ে গপ্পো ফাঁদা যাইতে পারে। নাহ্‌,… [বিস্তারিত]

দেবী আরাধনা

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি২৪টি মন্তব্য

ভাবছি এবার কাঁচাপাকা নির্বিশেষে সব বিদ্যে স......অ....ব চেঁছে আঁটি বেঁধে ফেলে তুমুল জ্ঞানী-গুনী হবো! দিগম্বর দিকবিজয়ীর বেশে; নিজের থেকে শুরু করে অন্যদের, অন্যদের থেকে অন্যান্যদের, বাদ যাবে না কেউই; ভেজাচ্ছি ভেজাচ্ছি, ভিজিয়েই যাচ্ছি গরম-ঠান্ডা পানির মিশ্রণে, মৃদু লয়ে, ধার দিচ্ছি-দিচ্ছি, ধারাচ্ছি-ধারাচ্ছি, ধারিয়েই যাচ্ছি; ধার পরীক্ষকের ন্যায় ক্ষণে ক্ষণে তীব্র চাহুনীতে, তর্জনী মধ্যমা ও বৃদ্ধাঙ্গুলির কম্পমান… [বিস্তারিত]

একঝাঁক শক্ত দুর্ভেদ্য অন্ধকার ছিঁড়ে-ছুঁড়ে রাতভর ঝাঁঝালো বৃষ্টি আর গাঢ়-অন্ধকারের মনঃকষ্টেও একলা-প্রহরের শেষ-রেশটুকু যায়নি মিলিয়ে এখনও, শিখিও-নি বিষণ্ণতার কোন মন্ত্র, তাই আমি আজ যাব-না কোথাও, নেই বিশ্রাম-বিরতি, নেই উল্লাস-মত্ত ঝক্কি-ঝামেলা, পরম-আত্মীয়তার ঘ্রাণে; ক্ষণে ক্ষণে শুধুই প্রতিক্ষণ, ঐ লাজপ্রভাত এলো বলে, আজ কোথাও আর যাচ্ছি-নে; নিকুচি করি মহাকালের, দীর্ঘতম নাতিশীতোষ্ণতায় লুটে নেব নিপুণ সৌকুমার্য। প্রহরের শেষ… [বিস্তারিত]