ভরদুপুরের ছায়ায় হাঁটছে কিছু নয় অনেকগুলো ধুলোর মিছিল।মিছিলে আওয়াজ থাকার কথা ছিলো, অথচ নিরবে বয়ে যাচ্ছে প্রতিবাদের কতগুলো দীর্ঘশ্বাস। টেলিস্কোপের প্রচার কেন্দ্রের বাইরে যাত্রি ছাউনীতলায় অপেক্ষারত সময়ের বাহক। বাঁ পাশের গলির ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে মধ্যদুপুর। দুজনেই এই প্রথম মুখোমুখি হওয়ার বিস্মিত রোদের উৎসব পালনে উন্মূখ। --কিছু বলব... : কী? -- ভাবছি...সহজ স্বীকারোক্তি করেই যাব… [বিস্তারিত]

বন্যা লিপি
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৮ বছর ৩ মাস ১৪ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ২১৬টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ৩৬৭৭টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ২৫৬৭টি
১- ঝিমিয়ে পড়া রাত্তির জানে কোথাও ছুটছে নক্ষত্রের ছুটে চলা। জেগে থাকা পাপড়ি জানে কখন ফুটবে আলপিনের আগায় একটাই পৃথিবীর সুর্য। নির্ঘুম চোখের পাপড়ি জানে কোন শিশিরের অপেক্ষায় কেটেছে চক্রযানের চরে রাত। প্রতিশব্দের প্রতিটি অক্ষরে লিপিবদ্ধতায় গেঁথে যাওয়া কিছু প্রশ্নাতীত বন্ধন, দম নিতে থাকে প্রথম ঝড়ের আগমুহুর্তে! দুর্বোধ্যতার প্রাচীরে গাঁথা হয়ে যায় নিঝুম বনের স্বাক্ষর।… [বিস্তারিত]
চারিদিকে ডামাডোল! অসহিষ্ণু বাস্তবতা আমাদের ভাবতে বাধ্য করে চালের দাম, ডালের দাম, নানাবিধ পণ্যের ঊর্ধ্বশ্বাস। তারপরও আছে পরিচালিত নানাবিধ ঝঞ্ঝাট ব্যস্ততা। এই যেমন ধরুন, সোনেলার উঠোন বাড়ির কথা? মেনটেইনস কি কম ঝক্কির কথা? কতিপয় পরিচালক, উপদেষ্টা মিলে দিনরাত ভাবনা চিন্তায় মাথার তালু কেশহীন করে ফেলছেন। একেকজন সদস্য ব্লগার বৃন্দ একটা ফ্রি প্লাটফর্ম পেয়ে, নিজেদেরকে হামবড়া… [বিস্তারিত]
মধ্যদুপুর খান খান হয়ে যাচ্ছে অশ্রবণীয় শব্দাবলীর আঘাতে। আমি কান ঠেঁসে ধরি দেয়ালের শরীরে। ইট বালু সিমেন্টের গভীর থেকে প্রস্রবিত কুল কুল ধারায় বয়ে যাওয়া কোনো দুর্বোধ্য অথচ আকাঙ্খিত মোহময় শব্দের ।সেই যে খুব সকালে নিপাট বদ্ধ জানালায় মসৃন ঠোঁট নিয়ে ডাক দিয়ে গেলো 'পাখি' বলে! তারপর আর কোনো খোঁজ নেই তাঁর। আমি শুনতে পাবার… [বিস্তারিত]
দ্যায়নি কেউ ভাবতে-দেবেও না কেউ কখনো আগল যা কিছু পোক্ত করে নিতে হয়; নিরাপত্তা বা আশ্রয় দুর্বলের মত খুঁজে মরতে হয়, নির্লজ্জ্বতার সাইনবোর্ড টেনে। বিপরীতের বেড়া আজন্মাবধি নিয়মতান্ত্রিক সিলমোহরে যুক্তিবাদী পকেটে ঠাঁসা: প্রয়োজন-অপ্রোয়জনের যথেচ্ছাচারিত ব্যাবহারে পৃথিবী আজ ভারাক্রান্ত। খুব সাহজিক শব্দগাঁথা ছুঁড়ে দিলেই দাম্ভিক অহংকার পরিস্ফুট ; প্রকাশ্য পৌরষত্বের দাবিদাওয়ায় শ্রেষ্ঠত্বের জারিজুড়ি প্রতিষ্ঠিত। দ্যায়নি কেউ… [বিস্তারিত]
আগাম সংকেতহীন ফুঁৎকার নিনাদের ডামাডোল! অপ্রস্তত নগরের বিদ্ধস্থতার করুন চিত্রের প্রকাশ্য বিবরন। এখানে বলয়হীন মানবের ইতিকথা রাখা আছে ধুসর পোষ্টারের অক্ষরের ছায়ায়। পরিধীহীন দুঃখনদী আছে একটা। যার তীর ভাঙা ইতিহাস সেঁটে আছে পোড়া দেয়ালের ইট গাঁথুনির ফাঁকে ফাকে। ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বালু সিমেন্টের গাত্রে লিপিবদ্ধ প্রহসনের দালিলিক সিলমোহর। বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে এক একটা শব্দের মুহুর্মুহু ধ্বনি। সুরে… [বিস্তারিত]
ইতিহাস প্রমান করতে ব্যর্থ আমার কাছে। সে আমার নিজস্ব ভাবনা। চাপিয়ে দিইনা কারো ওপর।কবে কোন ঘটনার কারনে জন্মেছিলো ফেব্রুয়ারির ১৪ তারিখ ভালবাসা দিবস বলে বিশ্ব দরবারে পালিত হবে! যেবার প্রথম শুনেছিলাম! কপাল কুঁচকে গিয়েছিলো আমার। এর কাহিনী কী? অনেক পরে জেনেছি, কি হতে আজ এ পর্যায়ে নেমেছে*( হ্যাঁ, নেমেছে- বলে উল্লেখ করলাম।) ভালবাসাবাসির ফর্মূলা!!!- ঘর… [বিস্তারিত]
ঘুমে আছি দীর্ঘসময়ের বিছানায়। ঘুমুতে দাও আমায়। অতি যত্ন করে লালন করছি কিছু ক্ষয় না হওয়া দুঃখবোধ। জেগে গেলেই ওরা দূরে সরে যাবে। আমাকে জাগিয়ো না। এ আমার মিনতি তোমাদের কাছে। ভেঙে দিওনা কোনো টেবিল ঘড়ি'র সতর্ক সংকেত দিয়ে। নৈরাজ্যের কালো অন্ধকারের গহ্বরে আমাকে তলিয়ে থাকতে দিও নিশ্চিন্তের পাশবালিশে ভর দিয়ে। দ্বিতীয় -তৃতীয় -চতুর্থ বারের… [বিস্তারিত]
গেলাম তবে; যে পথটা মরা পাতারা বেজন্মার মত দখল নিয়েছে: শত চেষ্টায় হার মেনে জেনে গেছি, ওর নিচে মাটিও পচে গেছে। হারিয়েছে উর্বরতার অহংকার। একপয়সার কানাকড়ি সম্বল করে খেয়াপারের ভাবনায় নদীর ঘাটে এসে দাঁড়াই; ঘাটমরাদের সোল্লাসে জল ঘোলা করতে দেখলাম ঘৃণার চোখে। জলে ডুবিয়ে মারছে নিরাপরাধ এক বউঝি'কে; বারবার চিৎকার করে আকাশ -জলে তুফান উঠিয়ে… [বিস্তারিত]
বাবার কাছে একটা লোক আসে প্রায়ই। জেনেছিলাম, তিনি জেলার অন্য উপজেলার মানুষ। আরো জেনেছিলাম, জাতীয় দৈনিক ইত্তেফাকে একটা ভুল খবর প্রকাশিত হওয়াতে, তিনি তার সংশোধনী প্রত্যাশায় তথ্য উপাত্ত নিয়ে হাজির হয়েছেন, বাবা যেনো কাজটা করে দেন। সাধারণত বাবার কাছে আসা অধিকাংশ মানুষ চেনা জানা। এ যুবককে অচেনা লাগছে। ২/৩ দিন পরপর আসছেন দেখে বাবাকে জিজ্ঞেস… [বিস্তারিত]
পৃথিবী'র অর্ধেকাংশ জুড়ে এখন শীতার্ত হাওয়া। অধরা রয়ে যায় কুয়াশা ভাঙা রোদের এক চিলতে রোদ। অদৃশ্যময়তায় কল্পনারাজ্যে আমি ঘুরে বেড়াই এখানে সেখানে-, কচুরিপানা, বেগুনী হলদে টগর, উঠোনের কোনে সজনে ডালে টুনটুনি,গোলপাতা ছাউনির ঘর,মাটির চুলায় পাতা পোড়া ধোঁয়া, পুকুর ধারে থানকুনি পাতার বুনো ঘ্রান ঠান্ডা জলে হাঁসেদের সাঁতার সর্ষে ক্ষেতে সুর্যের দাপট হলুদ সমুদ্র সবুজ হলুদের… [বিস্তারিত]
রাতজাগা চোখ নিয়ে দৌঁড়াই আমি সীমাহীন রেললাইন অতিক্রম করে যাব ভেবে; তুষার পরতে একটু বাকি, এমন শীত গায়ে জড়িয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের চরে, কঠিন বালুর ওপর ঘাস খুঁজতে হাত বোলাই। ল্যাম্পপোষ্টের নীচে দাঁড়াই গিয়ে,, কতগুলো নিঃসঙ্গ কুকুরের মুখে সততার গল্প শুনতে। নিয়নের মরা আলোয় খুঁজি - এখানে একদা শৈশবের হুটোপুটি ছিলো হয়ত!সোজা সরল রাস্তা ধরে খালি… [বিস্তারিত]
নিরাপরাধ সুর্যের কিরণ নিত্য কুয়াসা চিড়ে হেসে খেলে পৃথিবীর কিনার ঘেঁসে উঠে আবার অপরপ্রান্তে ডুবেও যায়। আমি অগ্নিগোলকের চোখে চোখ রাখার দুঃসাহস দেখাই আদিকাল থেকে। সময়ের দেয়ালঘড়ি কালের তকমায় ওল্ডফ্যাসনের ট্যাগ পরেছে। স্থুল অপেক্ষা শীর্ণ কিংবা তারও কিছুটা সরু কাঁটার আকার আজও পারেনি কেউ পরিবর্তন করতে। আমাদের জ্যোতি ক্ষয়ে আসে ক্রমশঃ চোখের ভঙ্গী বদলে দিতে।রক্তের… [বিস্তারিত]
ইহা একটি সম্পূর্ণ নির্ভেজাল বরিশাইল্লা দুই সহপাঠি মেল/ফিমেল বন্ধুর রম্য কথন। দয়া করিয়া পাঠকবৃন্দ নির্মল আনন্দ ব্যাতিরেক কেঁচো খোঁড়াখুঁড়ি করিবার চেষ্টা করিবার অহেতুক কসরৎ করিলে নিজ দায়িত্বে করিবেন। বিপরীত মন্তব্য কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। Love U : ওয়া কও কি?এতদিন পর ? হঠাৎ তোর কি মনে অইলে? --লাভ ইউ কি জান না!!😘😘। পেমের কি সময় বেসময় আছে??… [বিস্তারিত]
পরিত্যাক্ত......// চেতনার ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখি নিজেরই অবক্ষয়ের চিত্র! নির্বাসনের আগেও এমন করে ছিলাম না পরিত্যাক্ত। পরিনতির আগাম কোনো পুর্বাভাসের বিজ্ঞপ্তির ওয়াকিবহাল হওয়া যায়নি; হলে ভালো হতো ঢের! ভালো হতো উদ্ভূত কারনের ব্যাকরনে পটু হতে।অগোছালো লাইনগুলো কঠিন ইস্পাতের বুকে বসিয়ে দেয়া যেত ভঙ্গুর হতে রক্ষা পেতে। সাহজিক ব্যাখ্যায় প্রতিশব্দের বড্ড আকাল। নইলে...... হতে পারতাম ধ্বংসের… [বিস্তারিত]


