তারচে বেশি কিছুঃ- করিনি ক্ষমা দিইনি সাজা কাঁচা মাটির উনুন জ্বালি বাড়ুক ভেজা আগুনের শিখা আকাশ ব্যেপে এবার উঠুক কালো ধোঁয়া। গিরগিটিঃ- সমস্ত রং চুরি করে রং বদলায় হাসি অথবা সহজ জীবনের জলাঞ্জলি দিয়ে আমরা কেবল আজীবন ফাঁসির আসামী বাস্তবতার জেলখানায়। গোপন চাঁদঃ- সময়ের তীক্ষ্ণ ধারালো চোখ গোপন অভিলাষ ব্যতিরেক বিতণ্ডার ডামাডোল শীর্ণ চাঁদও শরীরে… [বিস্তারিত]

বন্যা লিপি
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৮ বছর ৩ মাস ১৪ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ২১৬টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ৩৬৭৭টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ২৫৬৭টি
বৃষ্টির দংশন- বিপরীত বজ্রনিনাদ গর্জে ওঠার আশংকায় শংকিত হওয়ার কোনো কারন ছিলনা ভেবেই স্নেহ ছিলো নিশ্চিন্তে। নির্ভাবনার খসরায়, দায়হীন মায়ায় শিরিষের পাতায় জোনাকের আলো ছিলো নীলচে; শেষাবধি বদলে যাওয়াই ধর্ম,- বলে প্রমানিত। তাই..... তরল জলের মতই অনঢ় রয়ে যাওয়াও ধর্ম বলে- না বলেই ছুটিয়ে নেয়াই যায় মায়ার বন্ধন। যেখানে বৃষ্টিরা বসিয়ে দিতে জানে লোমহর্ষক কামড়!… [বিস্তারিত]
আর একটু দূরত্বের মাপটুকু..... এই যেমন আর এক হাত পরিমান হলেই আড়াই হাতের দূরত্ব মিটে গিয়ে ছুঁয়ে দেয়া যেত লাগোয়া বিল্ডিংয়ের বেড রুমের জানালার থাই গ্লাসের কাঁচ। একেবারে আনকোরা ১১ তলা ভবনের সমান সমান ফ্লোর। দুই ছেলের শোবার ঘরের বারান্দায় বিশাল থাই গ্লাস সাঁটানো থাকে প্রায় সময়। বেশি সময় খোলা রাখে। কাজে সাহায্যকারী ফেরদৌসী প্রায়ই… [বিস্তারিত]
শোনা কাহিনীঃ একজন পরহেজগার আউলিয়া একবার জিদ ধরলেন, পৃথিবীতে সঞ্জীবনী কিছু আছে কিনা জানার জন্য। অর্থাৎ, মৃতসঞ্জীবনী। যা সেবন করে অনন্তকাল পৃথিবীতে বেঁচে থাকা যায়। তাঁকে বুজুর্গ পীর বলে দিলেন, পৃথিবীর অভ্যন্তরে কোনো এক বনে রয়েছে এমন একটি গাছ, যার পাতায় রয়েছে এই সঞ্জীবনী নির্যাস। তবে শর্ত একটাই তোমাকে তা নিজগুণে চিনে নিতে হবে।চেনার পরে… [বিস্তারিত]
মাথার ভেতর শুয়ো/দুয়ো পোকা ক্রমাগত কুটকুট করে ছিঁড়ছে একটা করে আয়ুর তন্ত্রী। কতটা ভার নিলে তবে ছিঁড়বে সবটুকু অবশিষ্টাংশ? সহজেই তুলে দেব সমাপ্তির চাবি! চিলেকোঠায় পড়বে খড়কুটোয় গড়া চড়ুইয়ের আবাস কিংবা পরিত্যাক্ত ধুলোর আস্তরণ! অকাল বোধনের হিসেব চাপা রয়ে যাবে অবশেষে। হাজার-লক্ষ- নিযুত শব্দেরা থাকবে শুধু অন্তিম হিসেবের অপেক্ষায়!! হুল ফোটা আর ফুলের ফুটে ওঠায়… [বিস্তারিত]
অনিমিখ পলক জানতে চেষ্টা করে জীবনের কাছে বার বার। কেন থমকে যায় সময়ের কাছে স্বল্প সময়ের দাবি দাওয়া? প্রশ্নেরাও অথর্ব পঙ্গুত্বের পরিচয় উত্থাপনে ব্যস্ততার অজুহাত খোঁজে নিরলস প্রচেষ্টায়। শব্দেরা যেখানে হাঁটু ভেঙে মাথা নুইয়ে থাকে পরাজিত যোদ্ধার মত! সেখানে সমস্ত পৃষ্ঠা সাদা হতে হতে বাদামী রং ধারন করে। আঙুলের হাড় মজ্জায় অলসতা যোগ হয়ে যায়… [বিস্তারিত]
এখন ক্লান্তিতে থুবড়ে পরে পা। হাঁটুভেঙে ঋজু ভঙ্গিতে -মাথা নুয়ে আসে অসহ্য যন্ত্রণার হাতে দেহভার ছেড়ে দিতে! এখন এলোমেলো পৃষ্ঠার অগোছালো অক্ষরগুলো কপট চোখে আগুন ঝরায়। এখন আঙুলের কড়ায় অকালেই জড়িয়ে রয় কাঁঠালের আঠা, রং নেয়া হয়না আর আঁকতে আলপনা। এখন বৈপরিত্তের চোখ ঠাঁটানি বড্ড চোখে বিঁধে কাঁটা। এখন সবই বুঝি......দরকার ছিলো বলে অর্জনে অভিজ্ঞতা.....… [বিস্তারিত]
অক্ষর গুলো ধরে ধরে ছোট্ট ছোট্ট শব্দের পর শব্দ সাজাই ইচ্ছেমাফিক। ভাবি..... প্যাস্টেল রঙে আঁকা ইজেলে সেঁটে থাকা সাদা ফুলস্কেপ ক্যানভাসে চোখে বালু বিঁধে যাবার মত শাব্দিক ছবিখানি বুঝতে না পারলেও,দর্শক/ পাঠকের মননশৈলী'র বহিঃপ্রকাশ রেখে যাবেন মন্তব্যের ভাষায়। নিজস্ব মনন খুঁজে বের করে এনে টপকে দেবেন মতামতীয় ভাষায় মন্তব্য। খোলাখুলি ভাষায় যদি বলি, এখানে আমরা… [বিস্তারিত]
অতীত থেকেই আসা বর্তমানের বিজ্ঞাপন /ব্রেকিং নিউজে চোখ বোলানো হয়নি হয়ত অবহেলে/ অবচেতনে। আজ বাতাস ভীষণ ভারী বর্তমানের বোঝা নিয়ে। যেন এমনটাই হবার কথা ছিলো; তাই টেনে যাচ্ছিও অপলক সত্যের নিখোঁজ / বিলুপ্ত বিশ্বাসী সত্যের ঘানি। নিংড়ানো হৃদপিন্ডে রোজ নামে স্মৃতি ফলকের খুটে খাওয়া ঘুন পোকাদের মিছিল; কিছু সত্যের কাছে গলা চিরে-ফেরে রোজ প্রতিবাদ উপচে… [বিস্তারিত]
দুপুরের ভাতঘুম বড় আরামপ্রিয় অনেকের। একটা সময় ছিলো আমিও ব্যতিক্রম ছিলাম না।অনেক অনিয়মের মধ্যে এখন এটাও এক অনিয়ম হয়ে গেছে। অনেক ক্লান্ত হলে ইউটিউব দেখতে দেখতে কোনো কোনোদিন ঠিক ঘুমিয়ে পড়ি। মাঝে মাঝে ছোট ছেলে জোড় ধমকে শোবার ঘরে ঠেলে পাঠিয়ে দেয়.... ' যাও, এখন একটু ঘুমাও'।নিজেই বায়ান্দার গ্লাস টেনে পর্দা টেনে, বোতলে পানি ভরে,… [বিস্তারিত]
রাতের অনিয়ন্ত্রিত গর্ভে বেড়ে উঠছে অনির্বাচনীয় কিছু কষ্টের ভ্রুন! টেবিলে রাখা ঘড়িটা ফুলহীন কাটায় ভর করে এগিয়ে চলছে মৃদু শব্দের আওয়াজে। প্রসবের যন্ত্রণা ঠোঁটে ঠোঁট চেপে ধরে আছি.... কখন ভূমিষ্ঠ হবে কাঙ্খিত শব্দের সদ্যজাত শিশু। সারিবদ্ধ মিছিলের আওয়াজ শুনতে পাই, শুনতে পাই জমা পড়ে আছে হিসেবের গড়মিল লাল ফাইলে। একবুক ভর্তি শুন্য বাতাস ছটফট করছে… [বিস্তারিত]
কীযে দিনকাল যাচ্ছে!সে কেবল আমি টের পাচ্ছি হাড়ে হাড়ে। সেই আট বছর আগে একখানা বাটন ফোন নিয়ে নিশ্চিন্তে যাচ্ছিলো কেটে দিনকাল। শখের ঘোরে একখানা ফেসবুক আইডি খুললাম! তাও কী! তাও কোনোরকম দায় ছাড়াই নিরব নিরিহ প্রাণীর মত কেটে যাচ্ছিলাম। তারপর কী হলো? কোন সে মনে উঁকি দিলো..... আমি তো লিখতেও পারি!" শুরু হলো আগের ডিম,… [বিস্তারিত]
আহা....এ তল্লাট ছেঁড়ে আর যাব কোথা? একটা নয়, হাজারো প্রশ্নবোধক চিহ্ন কপালে সেঁটে নগরীর যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে গেছি, যখন যেমন পেরেছি। কপট চক্ষুর নিকৃষ্ট ক্রোধাণল ঠিকরোতে ঠিকরোতে কপাল ঢেকে গ্যাছে ধুসর রঙা ছাইয়ে; ক্রমাগত উত্তরের কাছে রোজ ভেজে শুকনো পাতার দল: ভেজে, আবার শুকায়! আবার দাঁড়িয়ে যায় কংক্রিটের গাঁথুনী। যত্র তত্র মিছিল এগোয় ধীরে,, অতি… [বিস্তারিত]
একটা রাত খোলা চোখে কাটিয়ে যাবার পরে পাখির ডাক কানে বাজে। চিকন বা কর্কশ স্বরে ডাকাডাকি তে ভোরের অস্তিত্ব জানালা ভেদ করে হুরমুড়িয়ে অধিকার আর দাবিদাওয়া নিয়ে হাজির হয়ে যায়। কালো কাঁচের খোলা জানালার ওপারে কঙ্কালের মত শরীর নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ইমারত রোজ-প্রতি সময়ে নির্লজ্জের মত তাকিয়ে থাকে। এই তপ্ত চৈত্রের দিনে নির্বিবাদে অ-সংকোচে জানালা… [বিস্তারিত]
কিছু বিড়ম্বনা আছে, যা কোনোভাবে প্রকাশ করা সম্ভব হয়না। ভেতরে ভেতরে প্রচন্ড রাগ লাগে। খুব জিদ লাগে, ইচ্ছে করে, ইচ্ছামত কতক্ষণ চিৎকার চেঁচামেচি করে ফাটিয়ে ফেলি। আবার কিছু বিড়ম্বনা এমন আছে যে আমি নির্বাক হতবাক হয়ে মুষড়ে পড়ি। বিড়ম্বনার ধরন অনুযায়ীই চলতে থাকে মানসিক তারতম্যের ওঠানামা। ধরে নেয়া যেতেই পারে সাইকোলজিক্যাল সমস্যা তাড়িত মনোজগৎ আমার।… [বিস্তারিত]




