মূল লেখায় যান

ঘুন পোকা- শুয়ো পোকাদের রাজত্ব….

বন্যা লিপিএকান্ত অনুভূতি২০টি মন্তব্য

অতীত থেকেই আসা বর্তমানের বিজ্ঞাপন /ব্রেকিং নিউজে চোখ বোলানো হয়নি হয়ত অবহেলে/ অবচেতনে। আজ বাতাস ভীষণ ভারী বর্তমানের বোঝা নিয়ে।

যেন এমনটাই হবার কথা ছিলো; তাই টেনে যাচ্ছিও

অপলক সত্যের নিখোঁজ / বিলুপ্ত বিশ্বাসী সত্যের ঘানি।

নিংড়ানো হৃদপিন্ডে রোজ নামে স্মৃতি ফলকের খুটে খাওয়া ঘুন পোকাদের মিছিল;

কিছু সত্যের কাছে গলা চিরে-ফেরে রোজ প্রতিবাদ উপচে পড়ে: কেন নিরবে পালাও এমন জীবন ছেড়ে! এখানে সেখানে সবখানে ;যাবতীয় সব মৃত- শুকনো  কাঠেদের শরীর  ছেড়ে  নেমে যায় সরীসৃপের মত বিশ্বাসের শুয়োপোকা। কোনো একদিন – নয়ত আরো পুরোনো দিনের কাছে থরে বিথরে সাজানো উৎকর্ষ বিশ্বাস! সত্য নিরুপনে বাঁধ সাধে বারংবার।

বোঝাবুঝি’র তোয়াক্কায় ছাই / জল ঢেলে তকমা ঠাওরাই নির্দ্বিধায়।

মায়ার মত জড়িয়ে থাকা হয়না আর পরন্ত বিকেলের শেষ রোশনাই। যুগাধিক্য বড় বাঁধ সাধে পারস্পরিক কথাদের লেবাস নিয়ে। চৈতন্যের মেধায় অক্ষরের ঘাটতি থেকে থেকে মনে করায়…..কাষ্ঠ হাসির উৎকর্ষ একতরফায় বড় বেশি সম্পদশালী।

সাফাই কেন চলে তবু নির্দোষীদের বুকপকেটে! কেন পালায় যাবতীয় সব বিশ্বাসের ব্যানার ছেড়ে? কেন নেমে আসে  অতীতের বোঝা বর্তমানে? একেকটা প্রশ্নের কাছে মাথা কুটে মরে আত্ম চেতনার পলকা /হালকা মনস্তত্ত্বের আয়না! জিহ্বার আগায় নীল বিষ নিয়ে পাড়ি দেয়া জনসমুদ্রের কিনার! শতায়ু আর কে চায়, এক জীবনের খর্ব/ ঝুলন্ত রক্তাক্ত বুকপিন্ডের বিনিময়ে?

একটা  সাহজিক- তৃপ্তক পরিসমাপ্তির আবদারি দরখাস্ত ফাইল চাপা পরে আছে  বিচারিক দপ্তরে, হয় মরন, নয়ত দহন চাইনা আর অবশেষে……

মোট পড়েছেনঃ ১০১৩জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২০টি মন্তব্য

    1. সাহস!!! বুঝলাম না আপনার এই সাহস দেখার বিষয়টা। যদি বোঝাতে চান…. যে মহারাজের লেখার জবাবে এ লেখা- লেখার চেষ্টা চালানোটা আপনার কাছে সাহস বলে মনে হয়েছে; তবে সেটা বলতেই পারেন। বড্ড বেশি সাহস দেখিয়ে ফেলেছি😊 এখন দেখা যাক মহারাজ কী বলেন
      🤔🤔

      আর একটা কথা, বুঝতে পারাটা গর্বের-সন্মানের। ঠিক তেমনই মন্তব্য করতে হবে,,, আমি কিন্ত তা করি না,,, আপনার মন কি বলে! তেমনই হোক না!!

    2. প্রতিবাদ করা হয় কিংবা গলায় এসে আটকে পালিয়ে বাঁচে জীবন। অবশেষে ঘুনপোকাদের কুঁড়ে খাবার প্লান। অতীত, বর্তমান সব মিলে মিশে চলতে হয়। তবুও কিছু ক্ষোভ, যন্ত্রনাতো থাকেই!!!!

  1. ঘুণ পোকা ধরেছে বলেই পক্ষাঘাত গ্রস্ত হয়েছি। এখন জীবন মৃতের মতো। অন্তহীন পথ পাড়ি দেয়াই জীবন। জীবনের কথা বলাই জীবন। এখন মরণ নিশ্চিত জেনেও বলতে হবে।
    আজ মনটা ভালো নেই। কমেন্ট যুতসই হলো না।
    নিরাপদে থাকেন

  2. পাওয়া না-পাওয়া নিয়েই জীবন, চলমান জীবনে অতীতটুকুই শুধু দৃশ্যমান,
    সেখানে ফিরে দেখা যায়, ফিরে যাওয়া যায় না, কপটতার মাঝেই যাপন, এ যেন এক হরিহর আত্মা,
    আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে থাকে, এড়ানোর পথ না-পেরিয়েই।
    এই তো জীবন, এমন ই জীবন।

  3. এখানে নির্দোষীদেরই সাফাই গাইতে হয়, দোষীদের সাম্রাজ্যে কিছু বলা বারণ। অতীত হলো শেকড়ের মতন। শেকড় ছাড়া বৃক্ষ বাঁচে না। মানববৃক্ষ বেঁচে থাকে শেকড়ের দৃঢ়তায়, কালের সাক্ষী হয়ে। প্রতিটি ডালের কোটি কোটি পাতা ভরে উঠে একেকটা গল্পে।
    কিছু বিশ্বাস, ভেঙে যাওয়া প্রতিশ্রুতি, নীরব বিক্ষোভ কি থাকে না তাতে!! একদিন সব শেষ হয়, কোন অবশিষ্টাংশ না রেখেই।

    লেখাটা সান্ধ্য-বিকেলের বৃষ্টির মতন। বিষাদের মেঘে ঢাকা।
    কেমন আছো বন্যা?

  4. অতীতে ফিরে যাওয়া যায় না। তবু কালের অতন্ত্র প্রহরী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে জীবনের আষ্টেপিষ্টে। মিথ্যার দাপটে সত্যের রোশনাই চাপা পড়লেও, সেটা হয় ক্ষণিকের মোহ মায়া। শুভ কামনা।

  5. সত্য চিরকালই সত্য ; হোক সেটা তিতা, হোক সেটা মিঠা। তবে বেশিরভাগই সত্যটাকে মেনে নিতে পারে না। অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে নির্দোষ হয়ে যায় অপরাধী। অতীত ছোঁয়া যায় না তবে অনুভব করা যায় তাকে মনের তাকে সাজিয়ে রাখাটাই উত্তম। মাঝে মাঝে নেড়েচেড়ে তাজা রাখতে হবে। আপনার লেখায় জীবনের সততা, প্রতিবাদ , সত্যটা ফুটে ওঠে চমৎকার উপস্থাপনায়। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। শুভ সকাল

    1. আচ্ছা দিদি! আমি আসলে স্বিকার করিনাই তাইনা? বা পুনশ্চঃ দিয়ে লিখে দিইনি! যে এই লেখাটার জন্ম মহারাজ হেলাল সাহেবের ‘অকপট সত্যের’ ছায়া অবলম্বনে!!! আমার বড় ভুল এটাই খুব খারাপ আমি😓😓😓😓

    1. অনেকদিন পরে আপনি।
      আমি হয়তো কারো কারো মন্তব্য খুব আশা করি। কখনো কোথাও স্বীকার করিনা। তাদের মধ্যে আপনিও একজন। মন্তব্যে কৃতজ্ঞতা জানবেন।