মূল লেখায় যান

অভিমান

জাহাঙ্গীর আলম অপূর্বকবিতা৮টি মন্তব্য

বসন্তের আগমনে পত্র ঝরা বৃক্ষের নিচের আমি সেই বিদীর্ণ প্রহরে তোমায়, পুষ্পরিত ভালোবাসা নিবেন করেছিলাম, তুমি তো আমাকে শিখিয়েছিল প্রেয়সী, নিঃস্বার্থ ভালোবাসা কাকে বলে, সত্যি তুমিই শিখিয়েছিল,ওগো প্রেয়সী। আজ বসন্তের আগমনে কোকিল গায় চারদিকে পত্র শূন্যে বৃক্ষের শাখে পুষ্পশোভা পেয়েছে , সেই আনন্দ ঘন মূহুর্তে শুধু তুমি নেই, গো প্রেয়সী, শুধু তুমি নেই। সামান্য আবদার… [বিস্তারিত]

অন্ধকার ভেদ করে পূব আকাশে উদিত হয় মুক্ত দিনমণি, মুক্ত পথ পেয়ে, আলো দেয় সবুজ শ্যামল প্রকৃতিতে। মুক্ত গগন পেয়ে বিহগ মেলে পাখা, নেই কো কোনো ভয়, স্বাধীনতার স্বাদে আনন্দে আনন্দে গেয়ে যায় গান দিনের পর দিন। মুক্ত স্রোতস্বিনী পেয়ে মাঝি যায়, স্বাধীনতার স্বাদে মনের অভিলাষে গান গেয়ে, অসুর দৈত্যাের নেই কো কোনো ভয়। যা… [বিস্তারিত]

ওগো প্রেয়সী, ভালোবেসে সৃষ্টিকর্তা সৃজিয়েছে এই ধরা। ভালোবেসে কবি লেখে কবিতা, শিল্প আঁকেন কত শত ছবি। যেদিন তোমার হাত আমি ধরেছি সেইদিন থেকে আমি খুঁজে পেয়েছি অজস্র স্বপ্ন তোমার স্পর্শ আমার হৃদয়ে সুপ্ত স্বপ্নগুলো আজ জাগ্রত হয়েছিল। আমি তোমায় কেন প্রপোজ করেছিলাম জানো, কারণ আমি তো তোমার চোখে রঙিন স্বপ্ন দেখেছিলাম, তুমি ছিলে স্বাপ্নিক বলে… [বিস্তারিত]

নির্বাসিত জীবন

জাহাঙ্গীর আলম অপূর্বকবিতা৪টি মন্তব্য

আমায় যদি গো তোমরা নির্বাসন দাও, তবে দিয়ে ঐ হিজলতলীর দ্বীপে, একাকি নির্জনে বসে থাকব প্রকৃতির সাথে, বসন্তের দিনে পত্র ঝরা পলাশ বৃক্ষের নিচে। বসন্তে কোকিলের সাথে মনের অভিলাষে গান গাইব। বিকালে লুকোচুরি খেলব ঐ গগনের কালো মেঘের সাথে, নির্বাসিত জীবনে একাকিত্বের জন্য যদি মনে বিষন্নতা আসে, তাহলে সন্ধ্যা বেলায় পাহাড় পাদদেশে বসে শুনব, ঝাঁকে… [বিস্তারিত]

একটি সংবিধান

জাহাঙ্গীর আলম অপূর্বকবিতা৯টি মন্তব্য

আমি একটি সংবিধানের কথা লিখছি, যে সংবিধান বিনির্মানের পশ্চাতে রয়েছে, সুদীর্ঘ করুন ইতিহাস। যে সংবিধান রচিত হয়েছে লক্ষ শহিদের রক্তে, ইজ্জত হারা মা ও বোনের আত্মা চিৎকার। যার রয়েছে একশত তিপ্পান্ন অনুচ্ছেদ একটি প্রস্তাবনা ও এগারো ভাগে বিভক্ত। জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ধর্মনিরপেক্ষতা সেই সংবিধানের অনন্য প্রধান বৈশিষ্ট্য। ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ধারায় রচয়িতা সেই সংবিধান… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

জীবন-২

জাহাঙ্গীর আলম অপূর্বকবিতা১০টি মন্তব্য

যে মানবের কথায় জীবনকে জেনেছি বুঝেছি জীবনের মর্মার্থ, তাই আজ গায় জীবনের জয় গান। মানব জীবনকে সত্যের আলো দিতে লোষ্ট্রাঘাতে রুধিরাক্ত হয়, জগতে সেই মানব জীবনই মহান। সেই মহামানবের কথা অনুসারে জীবন গড়লে ধন্য হবে জীবন, কিন্তু বর্তমান ফ্যাশনে হবে কষ্ট। সেই মহামানবের আদর্শ জগতের সেরা মান তবে দৃঢ়ভাবে, মানলে হবে না তো কোনো কিছু… [বিস্তারিত]

জিজ্ঞাসা

জাহাঙ্গীর আলম অপূর্বকবিতা৬টি মন্তব্য

হে বিভো, কেমনে স্থাপিলা শূন্যে সুধাকর আর সবিতারে, জিজ্ঞাসা আমার। হে বিভো, কেমনে স্থাপিলা অদৃশ্য সমীরে যা অনুভাবিত, জিজ্ঞাসা আমার। হে বিভো,কেমনে স্থাপিলা, এ নিথর মানব দেহে প্রাণ, জিজ্ঞাসা আমার। হে বিভো, কেমনে স্থাপিলা ঐ জোনাকির দেহে আলো, জিজ্ঞাসা আমার । হে বিভো, কেমনে স্থাপিলা স্তম্ভবেদি হীনা এই বসুমতী, জিজ্ঞাসা আমার। হে বিভো, কেমনে স্থাপিলা… [বিস্তারিত]

স্মৃতির ডায়েরি

জাহাঙ্গীর আলম অপূর্বকবিতা১০টি মন্তব্য

আমার তেমন কোনো স্মৃতি বিজড়িত কিছু নেই, আছে শুধু ভগ্ন টেবিলের কোণে ধূলোবালি সংযুক্ত একটি ডায়েরি, তাতে কোনো সুখের কথা লেখা নেই, নেই কোনো সাফল্যের কথা লেখা। লেখা আছে কষ্টের জর্জরিত দিন গুলোর কিছু কথা, যা আমি সম্পূর্ণ লিখতে পারিনি, লিখতে গেলে চলে আসে বুক ফাটা চিৎকার। জীবনের সংগ্রামের কথা দিয়ে ভরা, সেই কথা গুলো… [বিস্তারিত]

বৈশাখ

জাহাঙ্গীর আলম অপূর্বকবিতা১২টি মন্তব্য

বৈশাখ মাসের কাল বৈশাখী ঝড়ে, ইমু বাবুর ঘর নড়বড় করে।কাল বৈশাখী কালো ধোয়ার ফল, সজীব হচ্ছে অজীব আর অজীব হচ্ছে সজীব।ঝড়ের শেষে পর দিবসে,গহিন টিলা-পাহাড়ি গাঙে নাইতে যখন যাই, গাঙের টলমলে কাজল জল,মিষ্টি হেসে বলে, ওগো, কেমন আছ ভাই।তখন জলের সাথে মীনের সাথে করি, লুকোচুরি খেলা।নীল আকাশে কে দিল আবার, ধবল রঙের ভেলা।লাল মেঘের ভেলা… [বিস্তারিত]

মায়াবতী ললনা

জাহাঙ্গীর আলম অপূর্বকবিতা১৪টি মন্তব্য

একদিন সুবর্ণরেখা গ্রামের পথে, দৃপ্ত পায়ে পুলকিত মনে হাঁটতে হাঁটতে, পূর্ব প্রান্তে তাকিয়ে দেখতে পেলাম, আলতা রাঙা পায়ে হেঁটে যাচ্ছে এক মায়াবতী ললনা। দীঘল কালো কেশ, যার নয়ন ভরা স্বপ্ন, বদনখানিতে লেগে আছে হাসিররেখা । যার মুখনিঃসৃত বাণী বকুল গাছটার নিচে দাঁড়িয়ে শ্রবণ করলাম, শ্রুতি থেকে অতি শ্রুতিমধুর বাণী গুলো। যা একজন পথযাত্রী শ্রবণ করলে,… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

সোনার ছেলে

জাহাঙ্গীর আলম অপূর্বছড়া১০টি মন্তব্য

আমার দেশের সোনার ছেলে মাঠে ফলায় ধান, কষ্ট ভোলার জন্য ধরে আহা মধুর গান। গাত্র পোড়ে সোনার ছেলের সবারে দিতে অন্ন, এমন ছেলে কে না চাই বল এই জগতের জন্য। রচনাকালঃ ১৪/০৪/২০২১ [বিস্তারিত]

পরকালের আপন কে?

জাহাঙ্গীর আলম অপূর্বকবিতা৪টি মন্তব্য

হাশরের দিনে বিচার বসবে, সকলেই খোঁজবে একটি নেকের আপন জন। না পেয়ে কাউকে বলবে তখন - নাই কিরে আপন কেউ? নাই কিরে আপন কেউ? এই ধরাতে কি সকলেই সকলের পর? ঐ ধরাতে আপন ছিল, মা,বাবা,ভাইবোন আর স্ত্রী সন্তান। আজ আমি বিপদে পড়েছি, নেই কেউ রক্ষা করার। একটি নেকের জন্য যাবে জনম দুঃখনী মাতার দ্বার, যে… [বিস্তারিত]

একটি নেক আমলের জন্য যাবে, পিতার কাছে ওরে, যে তোমারে খাওয়াছে তার আজীবন উপার্জন করে। সেই দিন পিতা বলবে, চিনি না তোমায়, কে তুমি? এই ধরাতে পিতা বলবে তখন.. ইয়া নাফসি..... ইয়া নাফসি.....। একটি নেক আমলের জন্য যাবে, সেই দিন তুমি ভাইবোন স্ত্রী সন্তানের কাছে ওরে, যাদের তুমি নিজে খাওয়াছ উপার্জন করে। কেউ চিনিবে না… [বিস্তারিত]

পরকালের আপন কে? পর্ব -১

জাহাঙ্গীর আলম অপূর্বকবিতা৮টি মন্তব্য

হাশরের দিনে বিচার বসবে, সকলেই খোঁজবে একটি নেকের আপন জন। না পেয়ে কাউকে বলবে তখন - নাই কিরে আপন কেউ? নাই কিরে আপন কেউ? এই ধরাতে কি সকলেই সকলের পর? ঐ ধরাতে আপন ছিল, মা,বাবা,ভাইবোন আর স্ত্রী সন্তান। আজ আমি বিপদে পড়েছি, নেই কেউ রক্ষা করার। একটি নেকের জন্য যাবে জনম দুঃখনী মাতার দ্বার, যে… [বিস্তারিত]

চাষা শ্রমিক

জাহাঙ্গীর আলম অপূর্বকবিতা৪টি মন্তব্য

ওহে কামার, ওহে কুমার, ওহে চাষা শ্রমিক ভাই, তোমাদের মতো দেব্যতুল্য মানুষ ধরায় আর নাই। তোমাদের হাত ধরে হয়েছে সভ্যতার উত্থান, তাই সম্মিলিত কন্ঠে গাওয়া উচিত তোমাদের জয় গান। তোমাদের বক্ষে ভর করে চলে এই ধরার সকল গনি, করে শুধু শোষণ দেয় না কখনো কোনো ন্যায্য সম্মানী। তোমাদের শ্রমে আজ গড়েছে আধুনিক সভ্যতার ভিত, নানা… [বিস্তারিত]