প্রতিটি মানুষের কিছু না কিছু গুণ থাকে যেমন প্রেমিক তার প্রেমিকার সাথে ক্লান্তহীন ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে প্যাচাল-কেমনে পারেন? আছেন কেউ এখানে প্রেমিক-প্রেমিকা অথবা কারো পূর্ব অভিজ্ঞতা?।চা কাপে প্যাচালের ঝড়,বন্ধুর আড্ডায়ও আগে আমি বলব ভিত্তিতে প্যাচাল তবে আমার কিছুই নেই আছে, কেবল আগুন আর আগুন-যা কেবলি সৃষ্টিকে উপেক্ষা করে ধ্বংস করার ব্রতে চলে।তাই আমি জিসান ভাইজানের গুচ্ছ ভাবনা প্যাঁচাল পোষ্টে কথা দিয়েছিলাম-আমি কিছু বলতে চাই না বা বলবো না।

তবে না বললেও যে পেটের ভাত হঁজম হবে না।

স্বাধীনতা৴
মনের স্বাধীনতায় কোন জোর খাটে না,যদি জোর করছেন তবে ধরে নেন আম ছালা সবিই হারাইছেন।

ভালবাসা জিন্দাবাদ৴
আজ কালকার প্রেম প্রীতির সজ্ঞা যাই হোক ভালবাসা জিন্দবাদই বলতেই হবে নতুবা নতুন প্রজন্মের কাছে মাইরও খেতে পারেন।

জোর যার মুল্লুক তার৴
ঘর আমার,কর্তা আমি বাকী সব আমার সৃষ্ট শাখা প্রশাখা।তনু-মনু-নুসরাত,সাগর-রুনি যাই হোক এ সব স্বাভাবিক ঘটনা।বলতে চাই না আর এ সব নিয়ে যত সব প্যাচালের বন্দী বস্তা।

প্রতিবাদী৴
হতে চাই,হলে কল্লা আমার থাকবেতো মাথায়? ধর্ষণের মহড়ায় মেতেছে শকুনের দল,লুটে পুটে খাচ্ছে জনগণের সম্পদ,বাবায় ইয়াবায় সয়লাব দেশটা,নিরাপরাধীও জেল খেটে বেড়ায়,আইনের বাণীতে শাসনে সবাই সমান অথচ বাস্তবতায় দূর্বলেরা ঘর বাড়ী জান হারায়।বলতে চাই না এ সব আর তবুও মুখ ফসকে বার বার বেরিয়ে যায়।

প্রভুভক্ত৴
বলতে চাই না মানুষের চেয়ে মানবতা এখন পশুর নিকট বেশী। প্রভুভক্ত কুকুর প্রভুর দেখা পেলে মাথা নীচু করে লেজ নাড়িয়ে প্রভুকে মানে, প্রভুকে সন্মান করে, আর মানব জাতি-জীবে দয়া করে যে জন, সে জন সেবিছে ঈশ্বর..বেমালুম ভুলে যায় ভুলে আছে ষড় রিপুর তাড়নায়।স্বার্থের কারনে অহরহ ভক্ষণ করছে ভাই ভাইয়ের মাংস।

বউ খুশীতো জগৎ খুশি৴
বলতে চাইনি তবুও বলতে হয় তবে সবার জন্য ইহা প্রযোজ্য নয়।জন্ম দিলো যিনি তোমায় তারে বউয়ের জ্বালায় কেন করলে পর! কেবনই বা জন্মদাতা বৃদ্ধাশ্রমে কাদেঁ দিনভর।ওমুকের গলায় হীরের মালা বউয়ের গলায় নেই ছিটেফুটোর শলা,বউয়ের মুখ গম্ভীরে রাতের ঘুমও হয় যে হারাম তার।ঘুষটুষ যাই খাও নিত্য নতুন আবদার পূরণ করতে হবে যে তার।

প্রকৃতির সাথে প্রেম৴

প্রভাতে যে জন প্রত্যহ না উঠিতে পারে তার মত হতভাগা আর কে হতে পারে।বলিতে চাই না আমি তবুও বলিতে হয়,প্রত্যহ প্রভাবে উঠিবে যে জন তাহার সনে স্রষ্টার কথা হয়(দেহ মনে পরম শান্তি)।প্রভাতে উঠিলে দেখা যায় ঐ বিদ্যুতের তার কিংবা গাছ গাছালির ডালে পক্ষী যুগলের ভালবাসার কথপোকথন।

ইজি কাজে বিজি৴
হাতে অফুরন্ত সময়, নেই কোন কাজ,তাহলে!! খৈ ভাঁজ ।কারো কোন হুকুমের ধার ধারেন না বলেন,আমি খুব বিজি তাও বাংলায় নয় ইংলিশে।

সময় যখন থমকে দাড়ায়৴
যে কোন কারনে হাতি যখন গর্তে পড়ে তখন চামচড়াও নাকি ইয়ে করে! দুঃখ জনক হলেও সত্যি যে সময় যখন খারাপ হয় তখন নিজে নিজেও কথা কয়।

অবিস্বরণীয় কথন৴

৴বিশ্বাসে বস্তু মিলে তর্কে বহু দূর-এখন আর বিশ্বাসে নয় তর্কেই(চাপাবাজ) চলে ভাবে জীবন।
৴সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি
সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি-এখন আর এ সব মনে করে কেউ ঘর হথে বের হন না।ফেবুকের পাতায় পাতায় খুজেঁ ফিরে রমণীর রম্য কথা আর ছবিতে কে কতটা লাইক কমেন্টস দিল।
৴ঐ দেখা যায় তাল গাছ,ঐ আমাদের গা
ঐ খানেতে বাস করে কানা বগির ছাঁ- এখন তালগাছতো দূরে থাক দূর্বাঘাসও নেই..সব নগরায়ণের কালো থাবায় বন গ্রাম গাছগাছালি উজার।ক্যামিক্যালের দূষিত জলে কানা বগির ছাঁও বিলে এখন আর বসে না।

৴হাট্টিমাটিম টিম- তারা মাঠে পারে ডিম-তাদের খাড়া দুটো শিং
তারা হাট্টিমাটিম টিম-এখকার বইয়ে নেই এ সব ছড়া আছে কেবল শিশু কিশোরদের কৈশর নষ্ট করার যত মহা ধান্দা।
৴বাঁশ বাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই,
মাগো আমার শোলক-বলা কাজলা দিদি কই,,,, এখন আর আগের মত আধুনিক মায়েরা শিশুদের কোলে নিয়ে আদর করে ঘুম পাড়ান না আর তাই শিশুরাও কাজলা দিদির নামও জানে না।

-অইছে অইছে বহুত অইছে এবার তোমার প্যাচাল থামাও।আমিতো অবাক!হঠাৎ চমকে উঠিয়া দু’হাতের আঙ্গুলে চোখ কঁচলাইতে কঁচলাইতে খুঁজছি-আশে পাশেতো কেউ নাই তবে কে কইল এমন কথা??

অমনি ঘরের গিন্নী আইসা কহিল-কে আর বলিতে পারে এ কথা! ঘুমের ঘরে এ সব কি বলছো তুমি ছাতার মাথা!!।
-কৈ আমিতো ঘুমাইয়াছিলাম।স্বপ্ন টপ্নতো দেহি নাই।
-তা হলে তুমি বলছো আমি মিথ্যুক।তুমি রাইত ভইরা যে প্যাচাল পারছ তা তুমি অস্বীকার করতাছো?তাইলে এই যে শুন।

হাতের কাছে টেপ রেকর্ডারটা দিলো চালু করে।আমি অবাক! বউ আবার কবে থেইক্কা গোয়েন্দাগিরিতে কাজ লইল।ভাইয়েরা আপনেরাও সাবধান।

আমি এক দৌড়ে খাট হতে নেমে চলে গেলাম এক নম্বর আর দুই নম্বর ঘরে।
————————————————-

পড়ুন
জিসান ভাইজানের গুচ্ছ ভাবনা (প্যাঁচাল) 

তৌহিদ ভাইটির এ সম্পর্কিত আরেকটি পোষ্ট

২৬০জন ১১৪জন
26 Shares

২৩টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য