জিসান শা ইকরাম একজন কৃষক

জিসান শা ইকরাম ১৩ ডিসেম্বর ২০১২, বৃহস্পতিবার, ০৮:৪৩:৫০অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৮ মন্তব্য
জিসান শা ইকরাম একজন কৃষক । তাঁর নিজের জমি নাই । অন্যের জমি চাষ করেন । তিনি মুলত একজন আলু চাষী । আমার একজন পরিচিত শ্নেহের মানুষ আছেন , যিনি একটি সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক । উনি তাঁর স্কুলের ক্লাস নাইন এর প্রশ্নপত্র এভাবে করলেন , যা হুবহু এখানে দিলাম…                                    T/৯ম/ব্যবসায় পরিচিতি                                 সময়-১৫ [বিস্তারিত]

স্বপ্নদোষ@ এজহারুল এইচ শেখ

এজহারুল এইচ শেখ ১৩ ডিসেম্বর ২০১২, বৃহস্পতিবার, ০৩:৫০:০১অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি, কবিতা ৭ মন্তব্য
উপর থেকে নীচ, রাজার পেছোন ভেজা! পায়ের তলা দিয়ে, মাঝে মাঝে আবার উষ্ন জল গড়ায়! বলতে গেলেই সবার, ভীষণ নাকি স্বপ্নদোষ! রাজা হল প্রভুর দূত! রাজার খাওয়া- দাওয়া,চলন-ঢলন, সব প্রভুরই দেওয়া! ভক্তি-ঞ্জানে মানো প্রজা, তবেই হবে প্রমেশ্বর খোঁজা! না মানলে ঘরে মাৎসন্যায়, সাত-জন্মের স্বর্গের অপব্যয়! কোথায় আছে লেখা?সবাই খোঁজে, এ-পুথি ও -পুথি! শুধু চাঁদের গায়ে [বিস্তারিত]

দেশকে জানুন – খুলনা বিভাগ

যাযাবর ১১ ডিসেম্বর ২০১২, মঙ্গলবার, ১১:৪৯:৪২অপরাহ্ন এদেশ ১২ মন্তব্য
সুজলা সুফলা আমাদের এই সোনার বাংলাদেশ ।  আসুন আমরা আমাদের এই দেশটিকে জানি । সরকার জাতীয় ওয়েব পোর্টাল এর মাধ্যমে ৬৪ টি জেলার তথ্য ভান্ডার তৈরী করেছেন। প্রতিটি জেলার আলাদা আলাদা তথ্য ভান্ডারে রয়েছে  জেলার পটভূমি , ভৌগলিক অবস্থান , মুক্তিযুদ্ধ , যোগাযোগ , উপজেলা ,  পর্যটন , হোটেলের তালিকা , ইত্যাদি সব ধরনের তথ্য [বিস্তারিত]
বিজয়ের মাস চলছে । লাল সবুজের এই পতাকার জন্য ১৯৭১ সনে এক সাগর রক্ত দিতে হয়েছিল আমাদের। শুধু মাত্র দেশ মাতাকে মুক্ত করার জন্য যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরেছিল এই দেশের দামাল ছেলেরা। বাবা মা ভাই বোন স্ত্রীর ভালোবাসার টানকে উপেক্ষা করে ঝাঁপিয়ে পরেছিল যুদ্ধে।রণাঙ্গন থেকে মুক্তিযোদ্ধারা চিঠি দিয়েছেন তাঁদের প্রিয় জনকে। চিঠিতে যুদ্ধের অবস্থা , মুক্তিযোদ্ধাদের [বিস্তারিত]
  বিজয়ের মাস চলছে । লাল সবুজের এই পতাকার জন্য ১৯৭১ সনে এক সাগর রক্ত দিতে হয়েছিল আমাদের। শুধু মাত্র দেশ মাতাকে মুক্ত করার জন্য যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরেছিল এই দেশের দামাল ছেলেরা। বাবা মা ভাই বোন স্ত্রীর ভালোবাসার টানকে উপেক্ষা করে ঝাঁপিয়ে পরেছিল যুদ্ধে।রণাঙ্গন থেকে মুক্তিযোদ্ধারা চিঠি দিয়েছেন তাঁদের প্রিয় জনকে। চিঠিতে যুদ্ধের অবস্থা , [বিস্তারিত]
কিছুটা বিপর্যয় । বিপর্যয় তো প্রকৃতিরই অংশ। এর আগেও দুই বার হয়েছিল। ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা সবার আন্তরিক প্রচেষ্টায়। আমাদেরকে একা চলতে দেননি আপনারা । সবসময় সাথে হেঁটেছেন প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষীরা । এই বিপর্যয়ে ১০ ই নভেম্বর এর পরের পোস্ট গুলো ফিরিয়ে আনা এখনো সম্ভব হয়নি। চেষ্টা চলছে আন্তরিক ভাবে ফিরিয়ে আনার। আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখিত এই [বিস্তারিত]
হাওয়ায় উড়া এ’মন আমার উড়ছিলো ত বেশ, কেবা জানতো ক’দিন পরে সবই হবে শেষ। শেষ হয়ে যায় সকল কিছুই শুরু হলে তবে, রেশ রয়ে যায় নিগূঢ় ভাবে মিথ্যে অনুভবে। বমি করে উগলে ফেলি অনুভূতি যত, সান্ত্বনারই প্রলেপ মেখে ঢাকছি বুকের ক্ষত। জবরুল আলম সুমন সিলেট। ১০/১১/১২  
১৯৭১ ২৭ এপ্রিল বিকেল ৫টা। ছোট এবং সমৃদ্ধ শহরের দক্ষিন দিক থেকে হঠাৎ দ্রুম দ্রুম শব্দ। পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর আক্রমণের আশংকায় ২৫ মার্চের পরেই শহরের পশ্চিম পারের গ্রামের বাড়িতে বসবাস আমাদের। ক্লাস ফোর এ পড়ি। প্রস্তুতি নেয়াই ছিল। সারা গ্রামের লোকজন ধীরে ধীরে বাড়ী ছেড়ে বেড় হচ্ছে। আমাদের বাড়ীর সবাই বেড় হতে হতে সন্ধ্যা প্রায়। [বিস্তারিত]
তোমার বিলেতি পোশাকের অর্ধনগ্ন শরীর, ডাইনি চোখের চাহুনিতে, আমার নীলআকাশে মেঘের আনাগোনা আর তেমন দেখা মেলে না! পশ্চিমীবায়ুর পশ্চিমীঝঞ্ঝায়, সকাল-বিকেল হড়কা বানের ভয়, সারা শরীর বেয়ে নামে শীতের কুয়াশায়! রাত গভীরে ঘুমের চাঁদরে অকালে ঝরে পড়া শিঊলির জন্য, সিন্ধুনদের দুঃখগুলো বিন্দু বিন্দু জমে, ভোরের আলোয় আমার কচিঘাসের চোখের কচিপাতায়! আমার প্রাচীন সাদাবক শক্ত ঠোঁটে , [বিস্তারিত]

অভ্যাস-৫

আদিব আদ্‌নান ১০ নভেম্বর ২০১২, শনিবার, ০৫:১০:৩২পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১১ মন্তব্য
ভাবছি আর ভাবছি …… ভাব্‌বনা আর কিছুতেই– এমনই ভাবছি ; তবুও ভাবছি – ঘুমাব আরও – ঘুমঘোরে বা ঘোরঘুমে জেগে উঠব না – উঠলেও জেগে জেগেই ঘুমাব, তবুও ঘুমাব সকাল থেকে সন্ধ্যা বা সন্ধ্যা থেকে সকাল অবধি । হঠাৎ ই পায়ে মোক্ষম সুড়সুড়ি সকাল বলে – ‘সুপ্রভাত তোমাকে’ কী আর করা , বিদায়  – হে [বিস্তারিত]
চারিদিক হাহাকার! চারিদিক তৃষিত ভুমির বুকফাঁটা নিশ্বাস!মাথার উপর উত্তপ্ত দুপুর আমার ! মরুর বুকে ভাঙ্গাবাড়ির দেওয়ালে ,সবুজ শ্যাওলা জমে! ঝড়ের বুকে ধেয়ে আসা কাঁটা কাঁটা কয়েকটি শব্দে, ”কি রে? কেমন আছিস? বল” মাঝে মাঝে আমার এলোমেলো শশ্মানের দিকে চোখ পড়লেই,আৎকে উঠি আমি! দম বন্ধ হয়ে আসে,নির্জন ভাঙ্গা ঘরে! যেন জীবন্ত লাশ বয়ে যায় সময়ধারায় ! [বিস্তারিত]
১. পানির অপর নাম যদি জীবন বলা হয়, তোমার জন্য জীবন দেবো সময় অসময়। ২. আমি আজো বেকার ! আমার কাছে আছেরে ভাই অনেক কিছু শেখার, আমি বুঝি ভালো মন্দ কোন গলির মুখ খোলা বন্ধ গন্ধ শুকেই বলতে পারি অনেক কিছুর নাম তবু আমি বেকার বলে পাইনা কোন দাম !! ৩. গ্যাসট্রিকের ঐ গ্যাস ফোমে [বিস্তারিত]
বাড়ে রাত ছাড়ে হাত নির্ঘাত বেদনায়, দেহ মন সারাক্ষণ আমরণ বাসনায়। হেঁটে যায় অজানায় খালি পা’য় স্বপ্নেরা, ভেবে পাই শুধু নাই মাথাটা ঘুণ ধরা। ভাসে চোখ ফুঁসে বুক বুকে বিঁধে খঞ্জর, ছিঁড়ে যায় কুঁড়ে খায় যায় ভেঙ্গে পিঞ্জর। যারে যা উড়ে যা পুড়ে যা স্মৃতি সব, থেমে যাক ঘুম পাক যতসব কলরব। শেষ রাতে আখি [বিস্তারিত]
পাখির ঠোঁটের সরষে কনার অনু যদি নাও জোটে! প্রভুর পাঁচ বৎসর কালে! পাখির পালকে লেপ্টে যেন থাকে উষ্ন শান্তি! পেটের খোলের ডোবা – পুকুরে, শ্যাওলা -পুকুরের অতল গভীরে এই আশার যঞ্জ – আগুন লেগেই থাকে প্রজার পাঁজরে !প্রভুদের জীবৎ – কালে! মৃত্যু কালে পেখম ফোটে আকাশে ডানা ভরে ওড়ে!।আকাশের বাদশা আমি! ভুমি আর কিবা দামি! [বিস্তারিত]

আগন্তুক

ছাইরাছ হেলাল ৭ নভেম্বর ২০১২, বুধবার, ১০:৫২:১৩অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি, বিবিধ ২৫ মন্তব্য
জ্যোৎস্নায় ছায়া ফেলে উলুক রাত্রি এ যেন মন্বন্তর আলোর উৎসবে, যন্ত্রণার অবগুণ্ঠনে রমিতা আমি রক্ত-গন্ধ হাঁস ফাঁস নিঃশ্বাস । রাত্রি এখন নিকষ নিস্তব্ধ নিপাট সাজে বাদুড়ের ডানার ছায়ায়; চাঁদের বুড়িটা ছিল যেমন তেমনই আছে এখনও শুধুই জবুথুবু আরও। হে শহর — জড়তায় নুয়ে কেন ? কেন এ অনুর্বরতা ? জ্যোৎস্নার আলিঙ্গনে এখনও কথা বলে তারারা…… [বিস্তারিত]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ