মারজানা ফেরদৌস রুবা

###"আমার দেশ আমার অহংকার"

###"মুক্ত করো ভয়, আপনা মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়"

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ৫ বছর ৭ মাস ৫ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ২১৭টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ১৮৫২টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৩০৯৩টি
“বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন সুমাইয়ার পড়ালেখা ও পরে চাকরি করার ইচ্ছা মেনে নিতে পারছিল না। এ কারণেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। প্রায় ছয় মাস আগেও তাঁকে ঘরে আটকে রেখে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল।” এটি সুমাইয়ার মায়ের বক্তব্য। খেয়াল করুন, মেয়েকে ঘরে আটকে রেখে মেরে ফেলার চেষ্টার পরও সেই মেয়েকে মা স্বামীর সাথে বসবাস [ বিস্তারিত ]
স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে ক’জন-ই বা সত্যোচ্চারণ করতে পারে বা অসঙ্গতির বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে। বেশিরভাগই গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে পথ হাঁটে সুবিধা প্রাপ্তির আশায়। পারলে তেলবাজিও করে বাড়তি আনুকূল্য লাভের আকাঙ্ক্ষায়। সামাজিক অধঃপতনের এটা একটা বিশেষ কারণ। জানতাম, অসির চেয়ে মসি শক্তিশালী। কথাটা সত্যতা পায় তখনই যখন মসি হয়ে ওঠে সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার। সমাজের সমস্ত অসঙ্গতির [ বিস্তারিত ]
শ্বাপদ সংকুল এদেশে নারী বা কন্যাশিশু কেউই নিরাপদ নয়। কাকে দোষ দেবো বুঝে উঠতে পারছি না! ওই কিশোর ছেলেগুলোকে? কিশোরী মেয়েটিকে? সমাজ কাঠামোকে? রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে? পুরুষতান্ত্রিক কাঠামোকে? ছেলেগুলোর বেড়ে ওঠা পরিবারের অভিভাবকদের? নাকি মেয়েটিকে নানাবাড়ির জিম্মায় রেখে যাওয়া অভিভাবকদের? নাকি ঈশ্বরকেই? কিশোরীর মা ঢাকায় ক্যান্সার আক্রান্ত স্বামীর চিকিৎসায় সেবা দিতে এসে লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরেন। [ বিস্তারিত ]
গত দুদিন আগে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডে একজন  করোনা নেগেটিভ রোগীর কাছে তাঁর পুত্রবধূর লেখা চিঠিতে রোগী এবং রোগীর পরিবার এই দুর্যোগকালীন সময়ে উভয়ের অপেক্ষার এক করুণ আর্তি উঠে এসেছে। দেশের প্রায় সবগুলো হাসপাতাল নিয়েই অভিযোগ আছে তবে অন্যসবগুলোর মত এই বিলাসবহুল  হাসপাতালগুলোর ক্ষেত্রে তো অন্তত সরঞ্জামাদি বা সেবাদানকারীদের নিয়ে অভিযোগ থাকার কথা নয়। পর্যাপ্ত অর্থ [ বিস্তারিত ]
যদি যোদ্ধা হন তবে টিকে যাবেন। বিশাল দেহের অধিকারী হয়েও ডাইনোসর টিকে থাকতে পারেনি, পেরেছে তেলাপোকা। কাজেই প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে টিকে থাকার শক্তি সঞ্চয় করতে হবে। করোনার থাবার খবর এখন কাছাকাছি গণ্ডির মধ্যে চলে এসেছে। প্রায়ই নিজেদের পরিচিতিজনদের কেউ করোনাক্রান্ত হয়ে মারা পড়ার খবর ভেসে আসছে। জানা যাচ্ছে টুপটাপ ইনি-উনি চলে যাচ্ছেন। অন্যদিকে আমরা দেখছি এদেশের [ বিস্তারিত ]
এখনও পুরুষতান্ত্রিকতায় আচ্ছন্ন মানুষেরা বিবাহিত নারীর নামের লেজ কেটে জোড়া লাগাতে গর্ববোধ  করেন ভেবে আশ্চর্য হই! এখনও? এই সময়ে এসেও? একটা সময় ছিল, যখন এটা একটা ফ্যাশন ছিলো। সত্তরের দশক পর্যন্ত এটি ছিল তথাকথিত এলিট শ্রেনীর ফ্যাশন। বলা যায়, প্রচলিত সামাজিক ধারা। পরবর্তীতে আস্তে আস্তে এর প্রভাব মধ্যবিত্তের মাঝেও পড়তে শুরু করে। উল্লেখ্য যে, হিন্দু [ বিস্তারিত ]
বলেছি না, এদেশে ধর্ষকের বিচার হয়না সহযোগীদের সহযোগিতার কারণে। এখনো বেশিরভাগ নারী নষ্টপুরুষদের গতিবিধি চিনতে পারেনা বলে প্রায়শই ধোঁকা খায়। ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি, নারী ছলনাময়ী। কিন্তু এই ধর্ষণ সংক্রান্ত প্রায় কেইসেই দেখা যায়, ছলনার আশ্রয় নিয়েই পুরুষটি নারীটিকে ফাঁদে ফেলে। খোলা মনে পথ চলে নারীটি হয় প্রতারিত। বরগুনার ঘটনাটি আরও তিনদিন আগেই পত্রিকায় পড়ি। [ বিস্তারিত ]

পঙ্গপাল! ফসল বাঁচানোর উপায় কী?

মারজানা ফেরদৌস রুবা ৩০ এপ্রিল ২০২০, বৃহস্পতিবার, ০৭:৩২:৫১অপরাহ্ন সমসাময়িক ৬ মন্তব্য
পঙ্গপাল! এক ধরনের পতঙ্গের দল। এরা সাধারণত একাই থাকে কিন্তু বিশেষ অবস্থায় একত্রে জড়ো হয়। যখন দলবদ্ধ হয় তখন তাদের আচরণ ও অভ্যাস পরিবর্তিত হয়ে সঙ্গলিপ্সু এবং যাযাবর হয়ে পড়ে। তখন ব্যাপক হারে বংশবৃদ্ধিও কতে। পূর্নবয়স্ক পঙ্গপাল শক্তিশালী উড়ুক্কু, তারা অনেক দূর পর্যন্ত উড়তে পারে আর পথে পথে যেখানেই থামে সেখান থেকেই ফসল খেয়ে শক্তি [ বিস্তারিত ]
নিশ্চুপ পৃথিবীটা আবার কর্মচাঞ্চল্যে জেগে উঠুক খোদা। আর তো ভালো লাগছে না। কর্মহীন জীবন যে বড়ই কষ্টের। আমরা মানুষেরা পৃথিবীটাকে অসুস্থ বানিয়ে ফেলেছিলাম। আমাদের দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষায় পৃথিবী তার স্বাভাবিক রূপ হারাতে বসেছিল। প্রকৃতি রুগ্ন হয়ে গিয়েছিল। আমরা ভুলেই গিয়েছিলাম পৃথিবীতে আরো আরো আরো প্রাণীর অধিকার আছে। ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অনুজীব করোনা ভাইরাস আমাদের গৃহবন্দী করে প্রকৃতিকে জেগে [ বিস্তারিত ]

ভিক্ষুক!

মারজানা ফেরদৌস রুবা ২২ এপ্রিল ২০২০, বুধবার, ০৯:৪২:৫৪অপরাহ্ন কবিতা ১৫ মন্তব্য
বিত্তহীনতার দুর্বলতা করেনি তাকে নিঃস্ব, মনের বিশালতা দেখে অবাক তাকিয়ে রয় বিশ্ব। শেরপুরের নাজিমুদ্দিন; ভিক্ষা করে সারাদিন, এক কড়ি এক আনা জমে জমে বারো আনা। মাসের পর মাস শেষে শুনতে পায় সে করোনা এসেছে দেশে। করোনা থেকে বাঁচতে ছোঁয়াছুঁয়ি রুখতে, সবাই গিয়েছে লকডাউনে বেরুতে পারছে না কেউ খাদ্যের প্রয়োজনে। দিন আনি দিন খাই দিনমজুর মানুষের, [ বিস্তারিত ]
গৃহবন্দিত্বের আজ ষোল দিন পার হলো। কেমন কাটছে সময়টা আপনাদের? আমার মন্দ কাটেনি। এখন পর্যন্ত বন্দিত্বের অস্থিরতা কাজ করছে না। তবে এই কয়েকদিন যাবত প্রায় দিনই ঘুমুতে যাওয়ার সময় মনে হচ্ছে খাওয়া আর ঘুমানো ছাড়া যেন কোনো কাজই করা হচ্ছে না। কেমন বেকার জীবন কাটছে। মাঝে মাঝে অনলাইনে অফিসের কিছু কাজ সেরেছি। আর এরমধ্যে একদিন [ বিস্তারিত ]
দিনশেষে আমার প্রতিদিনই মনে হয় করোনা এসেছেই পুঁজিবাদের ভিতে কুঠারাঘাত করতে। গত তিনমাসে এটা খুব স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে, করোনার থাবায় পুঁজিবাদী বিশ্ব আজ টলটলায়মান। কর্পোরেটবানিজ্য আর যুদ্ধবানিজ্য করে করে যে দেশগুলো আজ প্রাচুর্যপূর্ণ, ধনতন্ত্রের কৌশলী খেলা খেলে যারা পৃথিবীর সিংহভাগ দেশকে পর্যদুস্ত করে রেখেছিল, আজ তারা নিজেরাই করোনার থাবায় বিপর্যস্ত। যুগ যুগ ধরে তারা বিশ্বের [ বিস্তারিত ]
করোনাকে যারা যারা পাত্তা দেন নাই, তারাই সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ইউরোপ আমেরিকা পাত্তা দেয়নি প্রথমে, আজ তারা মাশুল গুনছে। ধর্মান্ধ হুজুরেরা পাত্তা দেননি, দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। আমাদের দায়িত্বশীলরা ইতালি ফেরতদের প্রতিবাদের মুখে তালগোল পাকিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে না রেখেই ছেড়ে দিয়েছেন। অথচ সোস্যাল মিডিয়াতে এই ভুলটা না করতে দায়িত্বশীলদের প্রতি বহু অনুরোধ ছিল। এখন ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে [ বিস্তারিত ]
আপনারা ঘরে থাকতে বলে আবার আপনারাই মানুষকে বাইরে ডেকে আনার ব্যবস্থা করছেন! গত দুদিন আগে গার্মেন্টস মালিকদের হটকারিতায় লাখ লাখ শ্রমিকের মধ্যে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়ে গেল। আগামী মাসের আজকের দিনে কেমন বাংলাদেশ দেখা যাবে কে জানে! দেশে কিছু একটা দুর্যোগ দেখা দিলেই তারা ভিক্ষার থালা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দরবারে হাজির হয়ে যান, প্রণোদনা দেন, প্রণোদনা দেন [ বিস্তারিত ]
কৃষিপ্রধান বাংলাদেশ আবার কৃষির দিকে বিশেষ মনোনিবেশ করুক। অচিরেই বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকট মারাত্মক পর্যায় ধারণ করতে যাচ্ছে, করবে। গ্রামের মানুষজন আজকাল কৃষিকাজে খুব অমনোযোগী হয়ে উঠেছিল। ছোটবেলায় দেখতাম, ঘরের পাশে উঠানের পাশঘেঁষে পুঁই/লাউয়ের মাচা, খালি জায়গায় বেগুন, কাকরুল যখন যে সীজন তাই আবাদ করা হত। বাড়ির কিনারে কিনারে পেঁপেগাছ ছিল। ওগুলো এখন চোখেচোখে ভাসে। আজকাল [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য