মারজানা ফেরদৌস রুবা

###"আমার দেশ আমার অহংকার"

###"মুক্ত করো ভয়, আপনা মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়"

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ৬ বছর ৭ মাস ২৯ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ২২৩টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ১৮৬৬টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৩১৪২টি
একটা সময় ছিল, যখন মানব চরিত্রের বৈশিষ্ট্য ছিল জানের থেকেও মান বড় (গুরুত্বপূর্ণ)। সেসময়টায় এই ওএসডি নামের শাস্তিটা ছিল রীতিমতো অপমানজনক। পদ আছে কিন্তু পদের ব্যবহার নাই! কী লজ্জা, কী লজ্জা! ওএসডি হওয়া লোকটি তখন নিজেকে অপাংক্তেয় ভাবতেন। ভেবে ভেবেই মরমে মরে যেতেন। সরকারি চাকুরেদের জন্য সেসময় ওএসডিটা ছিল চরম রকমের এক মনস্তাত্ত্বিক শাস্তি। ব্যক্তির [ বিস্তারিত ]
"রূপা-বৌদি রূপা-বৌদিকে কবরই দেওয়া হল। রূপা বৌদি যে জাত হারিয়েছিল। এতদিন মুসলমানের ঘরে থেকে কি জাত রাখা যায়? আসলে রূপা-বৌদির জাতটা সেদিনই চলে গিয়েছিল। মাঝরাতে চা-খাওয়ার নাম করে তিনজন শয়তান যেদিন তুলে নিয়ে গিয়েছিল হাইওয়ে রোডের ধারে। চা-ওয়ালি রূপা-বৌদি পারেনি নিজেকে বাঁচাতে। সকালে বিধ্বস্ত দেহে বাড়ি ফিরলে সোনাদা মুখে থুতু দিয়ে বলেছিল " বেশ্যা মাগি, [ বিস্তারিত ]
আমার কথা! প্রতিটা মা'য়েরই শৈশব থেকে কৈশোরের দিকে বেড়ে ওঠাকালীন ছেলেশিশুকে বুঝতে দিতে হবে, তার জন্মের প্রবেশদ্বার হচ্ছে মায়ের যোনি আর এ পথ বেয়ে পৃথিবীতে এসে তার বেঁচে থাকার একমাত্র উপাদানই ছিল তার মায়ের বুকের দুই মাংসপিণ্ড থেকে নিঃসৃত দুগ্ধ। তবেই বেড়ে ওঠা এ ছেলের মগজে যৌনতার অনুভূতি ক্রিয়াশীল হওয়া শুরু হলে সে নারী চরিত্রটিকে [ বিস্তারিত ]
সময়ের কথা! মাত্র দু'দিনের বৃষ্টিতেই আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ছাড়া বাকি সব ঘর ভেঙে পড়ল। ভাগ্যিস এখনো বসবাস শুরুই হয়নি, হলে হতাহতের ঘটনাও ঘটতো। প্রতিটা ঘরেই কেউ না কেউ মারা পড়তো বা আহত হতো। ঘটনাটি ঘটেছে বগুড়ায় নির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্পে। বলি, প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহারের ঘরগুলো কি প্রধানমন্ত্রী নিজে গিয়ে বানিয়ে দেয়া দরকার ছিল? যদি বলেন হ্যাঁ, [ বিস্তারিত ]
সময়ের কথা! খুব করে খেয়াল করে দেখলাম,পরীমনি ইস্যুতে বিশিষ্ট সাংবাদিকদের হাতের কলম টনকে টন কালি খরচ করে চলেছে পরীমনির অভিযোগকে মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য। আর এই একই সান্মাদিকদল মুনিয়ার বেলায়ও প্রায় একই ভূমিকা রেখেছিলেন। কেউ অবশ্য আবার এসময়গুলোতে সুশীল ভূমিকায়ও থাকেন। অথচ এই এনাদের কাউকেই মাদ্রাসায় বলাৎকার নিয়ে তেমন লিখতে দেখা যায়নি। কখনো তাঁদের কলম [ বিস্তারিত ]
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানের ক্ষেত্রে নারী কর্মকর্তাদের বেলায় আপত্তি তুলেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কেন? কারণটা কী? শুধুই নারী বলে? সমাজটা যে পুরুষ দ্বারা কীভাবে শাসিত হয় এবং নারীর মাথা তোলায় পুরুষের আপত্তি কিভাবে স্থানে স্থানে খাঁড়া হয়, দেখা যাচ্ছে কী? নানা ওজর আপত্তি দাঁড় করিয়ে কোনো না কোনোভাবে দমিয়ে [ বিস্তারিত ]
"বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন সুমাইয়ার পড়ালেখা ও পরে চাকরি করার ইচ্ছা মেনে নিতে পারছিল না। এ কারণেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। প্রায় ছয় মাস আগেও তাঁকে ঘরে আটকে রেখে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল।" এটি সুমাইয়ার মায়ের বক্তব্য। খেয়াল করুন, মেয়েকে ঘরে আটকে রেখে মেরে ফেলার চেষ্টার পরও সেই মেয়েকে মা স্বামীর সাথে বসবাস [ বিস্তারিত ]
স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে ক'জন-ই বা সত্যোচ্চারণ করতে পারে বা অসঙ্গতির বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে। বেশিরভাগই গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে পথ হাঁটে সুবিধা প্রাপ্তির আশায়। পারলে তেলবাজিও করে বাড়তি আনুকূল্য লাভের আকাঙ্ক্ষায়। সামাজিক অধঃপতনের এটা একটা বিশেষ কারণ। জানতাম, অসির চেয়ে মসি শক্তিশালী। কথাটা সত্যতা পায় তখনই যখন মসি হয়ে ওঠে সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার। সমাজের সমস্ত অসঙ্গতির [ বিস্তারিত ]
শ্বাপদ সংকুল এদেশে নারী বা কন্যাশিশু কেউই নিরাপদ নয়। কাকে দোষ দেবো বুঝে উঠতে পারছি না! ওই কিশোর ছেলেগুলোকে? কিশোরী মেয়েটিকে? সমাজ কাঠামোকে? রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে? পুরুষতান্ত্রিক কাঠামোকে? ছেলেগুলোর বেড়ে ওঠা পরিবারের অভিভাবকদের? নাকি মেয়েটিকে নানাবাড়ির জিম্মায় রেখে যাওয়া অভিভাবকদের? নাকি ঈশ্বরকেই? কিশোরীর মা ঢাকায় ক্যান্সার আক্রান্ত স্বামীর চিকিৎসায় সেবা দিতে এসে লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরেন। [ বিস্তারিত ]
গত দুদিন আগে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডে একজন  করোনা নেগেটিভ রোগীর কাছে তাঁর পুত্রবধূর লেখা চিঠিতে রোগী এবং রোগীর পরিবার এই দুর্যোগকালীন সময়ে উভয়ের অপেক্ষার এক করুণ আর্তি উঠে এসেছে। দেশের প্রায় সবগুলো হাসপাতাল নিয়েই অভিযোগ আছে তবে অন্যসবগুলোর মত এই বিলাসবহুল  হাসপাতালগুলোর ক্ষেত্রে তো অন্তত সরঞ্জামাদি বা সেবাদানকারীদের নিয়ে অভিযোগ থাকার কথা নয়। পর্যাপ্ত অর্থ [ বিস্তারিত ]
যদি যোদ্ধা হন তবে টিকে যাবেন। বিশাল দেহের অধিকারী হয়েও ডাইনোসর টিকে থাকতে পারেনি, পেরেছে তেলাপোকা। কাজেই প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে টিকে থাকার শক্তি সঞ্চয় করতে হবে। করোনার থাবার খবর এখন কাছাকাছি গণ্ডির মধ্যে চলে এসেছে। প্রায়ই নিজেদের পরিচিতিজনদের কেউ করোনাক্রান্ত হয়ে মারা পড়ার খবর ভেসে আসছে। জানা যাচ্ছে টুপটাপ ইনি-উনি চলে যাচ্ছেন। অন্যদিকে আমরা দেখছি এদেশের [ বিস্তারিত ]
এখনও পুরুষতান্ত্রিকতায় আচ্ছন্ন মানুষেরা বিবাহিত নারীর নামের লেজ কেটে জোড়া লাগাতে গর্ববোধ  করেন ভেবে আশ্চর্য হই! এখনও? এই সময়ে এসেও? একটা সময় ছিল, যখন এটা একটা ফ্যাশন ছিলো। সত্তরের দশক পর্যন্ত এটি ছিল তথাকথিত এলিট শ্রেনীর ফ্যাশন। বলা যায়, প্রচলিত সামাজিক ধারা। পরবর্তীতে আস্তে আস্তে এর প্রভাব মধ্যবিত্তের মাঝেও পড়তে শুরু করে। উল্লেখ্য যে, হিন্দু [ বিস্তারিত ]
বলেছি না, এদেশে ধর্ষকের বিচার হয়না সহযোগীদের সহযোগিতার কারণে। এখনো বেশিরভাগ নারী নষ্টপুরুষদের গতিবিধি চিনতে পারেনা বলে প্রায়শই ধোঁকা খায়। ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি, নারী ছলনাময়ী। কিন্তু এই ধর্ষণ সংক্রান্ত প্রায় কেইসেই দেখা যায়, ছলনার আশ্রয় নিয়েই পুরুষটি নারীটিকে ফাঁদে ফেলে। খোলা মনে পথ চলে নারীটি হয় প্রতারিত। বরগুনার ঘটনাটি আরও তিনদিন আগেই পত্রিকায় পড়ি। [ বিস্তারিত ]

পঙ্গপাল! ফসল বাঁচানোর উপায় কী?

মারজানা ফেরদৌস রুবা ৩০ এপ্রিল ২০২০, বৃহস্পতিবার, ০৭:৩২:৫১অপরাহ্ন সমসাময়িক ৬ মন্তব্য
পঙ্গপাল! এক ধরনের পতঙ্গের দল। এরা সাধারণত একাই থাকে কিন্তু বিশেষ অবস্থায় একত্রে জড়ো হয়। যখন দলবদ্ধ হয় তখন তাদের আচরণ ও অভ্যাস পরিবর্তিত হয়ে সঙ্গলিপ্সু এবং যাযাবর হয়ে পড়ে। তখন ব্যাপক হারে বংশবৃদ্ধিও কতে। পূর্নবয়স্ক পঙ্গপাল শক্তিশালী উড়ুক্কু, তারা অনেক দূর পর্যন্ত উড়তে পারে আর পথে পথে যেখানেই থামে সেখান থেকেই ফসল খেয়ে শক্তি [ বিস্তারিত ]
নিশ্চুপ পৃথিবীটা আবার কর্মচাঞ্চল্যে জেগে উঠুক খোদা। আর তো ভালো লাগছে না। কর্মহীন জীবন যে বড়ই কষ্টের। আমরা মানুষেরা পৃথিবীটাকে অসুস্থ বানিয়ে ফেলেছিলাম। আমাদের দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষায় পৃথিবী তার স্বাভাবিক রূপ হারাতে বসেছিল। প্রকৃতি রুগ্ন হয়ে গিয়েছিল। আমরা ভুলেই গিয়েছিলাম পৃথিবীতে আরো আরো আরো প্রাণীর অধিকার আছে। ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অনুজীব করোনা ভাইরাস আমাদের গৃহবন্দী করে প্রকৃতিকে জেগে [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ