মারজানা ফেরদৌস রুবা

###"আমার দেশ আমার অহংকার"

###"মুক্ত করো ভয়, আপনা মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়"

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ৫ বছর ৬ মাস ১ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ২১৪টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ১৮৪০টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৩০৬১টি
নিম্ন আয়ের মানুষ! প্রতিদিন যাদের দিন শুরু হয় জীবিকার সন্ধানে পথে নেমে ‘দিন আনি দিন খাই’ নিয়মে। করোনা এখনও আঘাত হানেনি হয়তো, কিন্তু ক্ষুধার আঘাত ইতিমধ্যে তাদের দুয়ারে কড়া নেড়ে চলেছে। *স্বল্প আয়ের দিনমজুর *রিক্সাওয়ালা *ভ্যানওয়ালা *মতিঝিল এলাকায় খোলা আকাশের নিচে খাবার বিক্রেতা *পার্কের কোণে দাঁড়িয়ে চটপটিওয়ালা *ফুটপাতে বসে জুতোসেলাই চাচা *গুলিস্তানের ফুটপাতে প্রতিদিন শ’খানেক [ বিস্তারিত ]
শিক্ষিত হলেই সুশিক্ষিত হওয়া যায়না। সার্টিফিকেটদারী শিক্ষা শিক্ষিত করে আর সুশিক্ষা মানুষ বানায়। পুঁজিবাদের ঘেরাটোপে পড়ে আমরা সার্টিফিকেটদারী শিক্ষা অর্জনের পথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত কিন্তু মানুষ হয়ে ওঠার প্রতি কারো মনযোগ নাই। ফলে শিক্ষিত হয়ে উঠলেও প্রজন্ম প্রজ্ঞাবান হচ্ছেনা। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে সুশিক্ষিত জাতি গঠনে অমনোযোগিতায় এ পরিস্থিতিটা এখন সমাজে খুব বেশি প্রকট হয়ে দেখা [ বিস্তারিত ]
ভাই-বন্ধুসহ সকল পুরুষগণ, করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় লকডাউনে প্রায় সকলেই আপনারা এখন ঘরবন্দী। এ পরিস্থিতিতে বাড়িতে গৃহ পরিচালনায় খুব স্বাভাবিকভাবেই একটা বাড়তি চাপ পড়েছে। তার উপর যদি আবার নিরাপত্তার প্রয়োজনে গৃহপরিচারিকাকে ছুটি দেয়া হয়ে থাকে, তবে তো কথাই নেই। এ প্রেক্ষাপটে ঘরের প্রতিটা কাজ পরিবারের নারী সদস্যের পক্ষে একহাতে করা ভীষণ কষ্টকর। বিবেচনা করে দেখুন (বিবেচনা [ বিস্তারিত ]
আগামীকাল থেকে টানা দশদিনের ছুটিতে কারাবাসে আবদ্ধ হবো। সাপ্তাহিক ছুটি দুইদিনের জায়গায় বাড়তি একদিনই যেখানে যন্ত্রণাদায়ক ঠেকে সেখানে টানা দশদিন কাটানো খুবই কষ্টকর। তবুও সংক্রমণ থেকে বাঁচতে আর বাঁচাতে এখন বাধ্যতামূলক গৃহবাস আবশ্যক। এ পরিস্থিতিতে প্রত্যোকেই বিরাট এ অবসর সময়টিকে উপভোগ্য করে তুলতে পছন্দমতো একটি ছক সাজিয়ে ফেলুন, নইলে অকারণ ভয় বা অস্বস্তি তাড়া করবে। [ বিস্তারিত ]
একা মানুষ মানুষ নয়, সম্মিলিত মানুষই মানুষ। বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস আজ মানুষে মানুষে একে অপর থেকে দুই ফিট দূরত্বে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। কাছাকাছি, পাশাপাশি হলেই মরণকামড়। এই দুই ফিট দূরত্বে দাঁড়িয়েও কী আপনি নিশ্চিত হতে পারছেন যে আপনি নিরাপদ? আপনারা হাতে হাত রেখে হাঁটতে পারেননি, ক্রমশ বিচ্ছিন্ন হতে হতে এতোটাই আত্মকেন্দ্রিক হয়ে ওঠেছিলেন যে, কেবলই [ বিস্তারিত ]
হঠাৎ দেখা এমন একটা দৃশ্য যেন চোখ বিশ্বাসই করছিল না। আটাত্তর বছর বয়সী এক বৃদ্ধা কাছাকাছি বয়সের আরেক বৃদ্ধাকে মুখে তুলে খাইয়ে দিচ্ছেন। পাশে বসা কন্যাসম আরো দুজনও পাতে বাড়া খাবার রেখে মুখে খাবার নেয়ার অপেক্ষায় বসে। কী? ভাবা যায় এমন দৃশ্য? হ্যাঁ, তেমনই এক বিরল দৃশ্য দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল গত কয়েকদিন আগে। নিরিবিলি শান্ত [ বিস্তারিত ]

করোনা! স্যালুট তোমায়।

মারজানা ফেরদৌস রুবা ১৭ মার্চ ২০২০, মঙ্গলবার, ১০:৪৮:৪৯পূর্বাহ্ন কবিতা ১৪ মন্তব্য
বিধির বিধান আইলো এক নিদান। পৃথিবীর মানুষ আজ স্বেচ্ছা কারাবাসেই খুঁজে পেল; বেঁচে থাকার অমোঘ বিধান। অর্থ-বিত্তের বড়াই ছেড়ে ক্ষমতা প্রতিপত্তির খোলস ঝেড়ে, দাঁড়িয়ে সকলে; কাতারে কাতারে। মাতম করছে আজ বাঁচো রে, বাঁচারে। হিংসা, প্রতিহিংসা ক্রোধ আর ঘৃণা সব ছেড়ে ছুঁড়ে মানবিকতার দুয়ারে। দাঁড়িয়েছে বিশ্ব আজ হাতে হাত রেখে। হায়! করোনা, কত নিধন করবে জানিনা। [ বিস্তারিত ]
‘মোহিনী মালদ্বীপ’ সাহিত্যানুরাগী চিকিৎসক মোরশেদ হাসানের লেখা একটি ভ্রমণকাহিনি বিষয়ক গ্রন্থ। দ্বীপদেশ মালদ্বীপকে নিয়ে লেখা এ গ্রন্থটি লেখালেখির জগতে লেখকের প্রথম প্রকাশ। তবে আমার পড়া এটি তাঁর দ্বিতীয় বই। মূলত আমি মোরশেদ হাসানের দ্বিতীয় বইটিই প্রথম পড়েছি। #ব্যাকরণ_ও_বিবিধ’ নামের বইটি গতবছর মেলা চলাকালীনই নজরে আসে। দারুণ উপকারী একটি বই। পরবর্তীতে একসময় ‘মোহিনী মালদ্বীপ’ বইটিও হস্তগত [ বিস্তারিত ]

সময়টা এখন হিরো আর নুরুর!

মারজানা ফেরদৌস রুবা ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, ০২:৩৯:০০অপরাহ্ন কবিতা ১২ মন্তব্য
সময়ের ফোকাস এখন হিরো আর নুরু! তাদের দিয়েই কী শেষ? নাকি শুরু? সিদ্ধান্ত যে নিতে হবে রে গুরু। আলমের হিরোইজমে হিরো যায় হারিয়ে। রাখাল তার গরুকে, খুঁজে পায় বিদ্যালয়ে। চারিদিকে কলরব, গোলটেবিল বৈঠক, অবশেষে দেখা যায় বারোয়ারী নাটক! মিডিয়া/সংবাদকর্মী দৌড়ঝাঁপ চারদিকে! যেদিকে ক্যামেরা ছোটে সব সেদিকে। ধাপেধাপে খবরও রচিত হয় সেদিকেই। শিক্ষার্থী পাঠ খুঁজে মাহফিলে [ বিস্তারিত ]

অভিনন্দন গুলতেকিন!

মারজানা ফেরদৌস রুবা ১৪ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১০:১৮:৪০পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৮ মন্তব্য
হুমায়ুন আহমেদ এবং গুলতেকিন দুজনে একটা সময় আলাদা হয়ে গেলেও তাদের কাউকেই একের বিরুদ্ধে অন্যজনকে তেমন অভিযোগ করতে শোনা যায়নি। এটাই সুন্দর ব্যক্তিত্বের মান। মর্যাদাবোধ সম্পর্কে সচেতনতা এটাই অথচ আমরা তাদেরকে কেন্দ্র করে একজনকে ভালোবাসি বলে আরেকজনকে ছোট করছি, কেনো? কেউ কেউ তো দেখছি রাগের বশে কথার লাগামও হারিয়ে ফেলছেন! আহা! বি কুল। সমালোচনা করুন, [ বিস্তারিত ]

Quality is better than quantity!

মারজানা ফেরদৌস রুবা ৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ০৭:৩০:১১অপরাহ্ন সমসাময়িক ১৫ মন্তব্য
Quality is better than quantity! গতকাল ফেসবুকে লিখেছিলাম, “পঙ্গপালের মতো যে চক্রবৃদ্ধিহারে ইতর বাড়ছে দেশে, বুঝা যাচ্ছে তো? ইতরের পাল্লা কোনদিকে ভারী বেশি, ফেসবুকের পাতায় একটু মনযোগ দিলেই দেখতে পাবেন। দুজনের মৃত্যুতে একজনের বেলায় হা হা রিএক্ট একটাও খুঁজে পাবেন না। আর আরেকজনের বেলায় হা হা রিএক্ট বেশ কয়েকটাই দেখা যাচ্ছে। সমীকরণটা এখানেই স্পষ্ট।” পাবলিক [ বিস্তারিত ]

আমি নুসরাত বলছি!

মারজানা ফেরদৌস রুবা ২৪ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১১:৪৯:১৮অপরাহ্ন কবিতা ৯ মন্তব্য
তোমরা যদি বলতে চাও, মানুষের পৃথিবীতেই আমি জন্মেছিলাম, তবে শুয়োরকে তোমরা শুয়োরের খাঁচাতেই পুরে রাখবে। যদি বলো, তোমাদের পৃথিবীতে অমানুষের স্থান নেই তবে উন্মাদ শুয়োরগুলোর বেড়ে ওঠা রুখে দেবে। যদি বলো, পুরুষ কখনো ধর্ষক নয়, তবে নিশ্চয় ধর্ষকের বিনাশ ঘটাতে বেঁচে থাকা নুসরাতেদের সাথে হাতে হাত ধরে একতাবদ্ধ হবে। যদি বলো, তোমাদের সমাজ মানবিক তবে [ বিস্তারিত ]

আমি আবারও অসুস্থবোধ করছি!

মারজানা ফেরদৌস রুবা ২৩ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, ১১:৪৭:১৬অপরাহ্ন কবিতা ৬ মন্তব্য
আমি আবারও অসুস্থবোধ করছি! কিছু ঘটনা আমাকে স্থির থাকতে দেয় না। কতোক্ষণ একটানা দম মেরে ছিলাম, টের পাইনি। হবে হয়তো; বিশ কিংবা ত্রিশ মিনিট। চোখের কোল বেয়ে গড়িয়ে নামছে লোনাজল, আমার নারী জন্মের যন্ত্রণাকর উপলব্ধি। আহা, মেয়েটি! কতোই বা বয়স ছিলো তার? সতেরো বা আঠারো হবে হয়তো। ছিঁড়ে খুবলে সবটুকু তার নিংড়ে নিয়ে ফেলে চলে [ বিস্তারিত ]
আবরারকে পিটানোর ঘটনাগুলো টেলিভিশনে শুনলে খুব যন্ত্রণা হয়। কিভাবে পারলো প্রায় একই বয়সী ছেলেটিকে এতোগুলো ছেলে মিলে এমন নিষ্ঠুরভাবে পিটাতে? কতো খবরই আসতেছে। কতো খবরই ভাসতেছে। কিন্তু ঘুরেফিরে একটি কথাই বারবার মনে আসছে, এক মারা যাওয়া আবরার এবং তার হত্যাকারী আরও ১৯ টি আবরার আজ ধ্বংসের মুখে। অথচ এরা জাতির সম্পদ হতে পারতো। যে ছেলেগুলো [ বিস্তারিত ]
২০১৩ সাল থেকে ভিন্নমত পোষণকারীদের নির্মমভাবে কুপিয়ে মারার ঘটনা এদেশে ব্যাপক আকারে শুরু হয়েছিলো। একেকটা হত্যাকাণ্ড ঘটনোর পরই ধর্মের নামে চারদিকে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেয়া হতো হত্যাযজ্ঞটিকে জাস্টিফাই করার জন্য। ব্লগাদের হত্যার পর তাকে ‘নাস্তিক’ ট্যাগ দেয়া হতো হত্যাটিকে জায়েজ করার জন্য। আর আপনারা সাধারণেরাও নিশ্চুপ থেকেছেন ধর্ম রক্ষার নামে। অথচ আপনাদের একবারও ভাবনায় আসেনি, মত [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য