মূল লেখায় যান

সে এবং সে

জিসান শা ইকরামএকান্ত অনুভূতি৮০টি মন্তব্য

সে

আর সে একসাথেই ২০১২ সনের অক্টোবরে পদার্পন করেছিল এই সোনেলায়, ইচ্ছের আকাশ ছুঁয়ে দিতে। যদিও ব্যাকগ্রাউন্ডে গান বাজেনি তখন সে যে কেন এলোনা কিছু ভাল লাগে না, এবার আসুক তারে আমি মজা দেখাবো। এমনি খুশিতে ঠেলায় ঘুরতে এসেছিল, ভালো লাগায় তাবু টানিয়ে গ্যাট হয়ে বসেছিল। বাঙালীদের যা স্বভাব, বসতে দিলে শুতে চায় – তো সে বসা শোয়ার পর্ব সমাপ্ত করে একেবারে দালান কোঠা বানিয়ে স্থায়ী বসতি স্থাপন করেছে, মজা দিচ্ছে নিচ্ছে।

সারে তিন যুগের বেশি সময় হাতে হাত রাখে একসাথে অতিক্রম করেছি শত সহস্র আনন্দ বেদনার পথ। বিভিন্ন চড়াই উৎরাইয়েও হাত বিচ্ছিন্ন হয়নি কখনো, অবিছিন্ন অবস্থায়ই জীবনেই শেষ দিন পর্যন্ত থাকতে চাই।
সংসার ত্যাগী হয়ে একই সাথে হেঁটেছি থোল্লাকান্দির বালুচরে। বালুচরের প্রবল উজ্জ্বল মুক্তো কুড়িয়েছি। আবার একই সাথে গৃহী হয়েছি।

অনলাইনে লেখা লেখিটা আরম্ভ একই সাথে সাথে ব্লগে। আড্ডাবাজ ব্লগার হিসেবে আমার এবং কবি হিসেবে তার তুমুল নাম ডাক। ঈর্ষান্বিত, আতংকিত হায়েনাদের থাবায় পরিশ্রম করে গড়া সাজানো বাগান তছনছ। বন্ধুর অপমান সহ্য করতে না পেরে সে চলে এসেছিল আগেই, আর ও মুখো হয়নি। অত:পর সোনালী স্বপ্নের বীজ বপন সোনেলায়। বন্ধুর বন্ধু আমার,

লেখা তার নেশা। নিজের আনন্দের জন্যই লেখে সে। সে আনন্দের ভাগ দেয় পাঠকদের। লেখা লেখিতে আমার সাথে তুলনায় তাকে ছোট করা হবে। কারণ আমি লেখকই না। সে লেখক, কবি। সোনেলায় দিনে একটির বেশি লেখা দেয়ার নিয়ম নেই, এই নিয়ম তার লেখায় শিকল। যদি নিয়মটি শিথিল হয় তার লেখা শৃংখল মুক্ত হয়, পাঠকগন আরো লেখা পেতেন তার কাছ থেকে।

এই ছোট ব্লগটিতে এমন একজন আছেন যিনি স্থির অবিচল থেকে লেখায় মগ্ন থাকেন, ধ্যানী ঋষির মত। বসে আছেন আসন গেরে, দুহাত লেখা মগ্নতায়, চোখ বুজে। ধুপ চন্দন কাঠের আদিম সুগন্ধে ‘লেখা দেবতার’ ধ্যানে। ভাবতে ভাল লাগে এমন।

আজ তার ৪০০ তম লেখা এই সোনেলায়। সোনেলার অগুনতি পাঠক, ব্লগার, শুভাকাংখী ও ব্লগ টিমের পক্ষ হতে তাকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

২৩ মার্চ, ২০১৯

মোট পড়েছেনঃ ১৯৪৭জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

৮০টি মন্তব্য

  1. একটু দেরিতে পোস্টটা দিলেও, যেভাবে লিখেছেন বন্ধুত্ব বলেন আর সহযোগী ব্লগার বলেন, অভিনন্দন জানাতে গিয়ে যে নিটোল সম্পর্কের প্রকাশ ঘটিয়েছেন তা সত্যি অসাধারণ।

    আজকাল বন্ধু কোথায় পাওয়া যায়! সবতো দুধের মাছি কিংবা বসন্তের কোকিল। এসবের মাঝেও যে বন্ধুত্বকে শেকলবন্দী করে রেখেছেন তা উদাহরণস্বরূপ। যুগ-যুগ শতাব্দী ধরে বেঁচে থাকুক এমন বন্ধুত্ব।

    চারশতম পোস্টে সবার আগে আমিই উনাকে জানিয়েছি অভিনন্দন। এই পোস্টেও সবার আগে আমি জানিয়েছি। অলওয়েজ ফার্স্ট হয়ে যাই আমি।

      1. যারা পোলাপাইনদের মিথ্যে বলা শেখায়, বকাবাদ্য তাদের দেয়ার কাম। দিব্যি আমার সামনে শিখায় দিলো প্রহেলিকার মন্তব্যই প্রথম। শুন্য বইলা কেউ চোখেও দেখেনা। :/

    1. ব্যস্ততার কারনে প্রহেলিকার এত সুন্দর মন্তব্যের জবাব দেয়া হয়নি।
      অর্থাৎ আমি দেইনি, তবে দিয়েছেন তো হেলাল আর শুন্য, একজনে দিলেই হয়। সব আমরা আমরাই তো 🙂

      বন্ধত্বকে যেন এমনি শেকলবন্দী করে রাখতে পারি আমৃত্য, দোয়া করো ছোট ভাই।
      শুভ কামনা।

  2. ফিচার ছবিটা কিন্তু খুব মানিয়েছে লেখার সাথে, ধ্যানমগ্ন লেখক, জাত লেখকের প্রতিচ্ছবি। উনার সাথেই যায় এমন ছবি।

  3. কে এই ধ্যানী ঋষি কবি গুড় !!! হেলাল ভাই! আরে উনি চারশত কুবিতা পাঠক কে গিলিয়ে ফেলেছেন! তাই তো বলি মাথার শর্ট সার্কিটে এতো ঝি ঝি শব্দ কেনো! 🙂
    সত্যিকার বন্ধু যে আসলে কেমন দেখতে হয় বাস্তবে তাঁর দেখা পাইনি তবে সিনেমা গল্প উপন্যাসের কল্যাণে একটা অবয়ব চোখের পাতায় ভেসে ওঠে কখনো কখনো, সেই অবয়বের বাস্তব রুপ তাহলে আমাদের এই সোনেলায় ভীত স্থাপণ করেছেন! বাহ! কত কিছু ই পেয়ে যাচ্ছি এই সোনেলায়!!! হেলাল ভাই আপনাকে অনেক অনেক অভিনন্দন আর দোয়া এবং আপনার মত বাস্তব ঋষি কে সচক্ষে দেখার তীব্র একটা বাসনা নিয়ে বেঁচে থাকলাম…. ভালো থাকবেন সব সময় ♪♪♪

    1. খাছ দোয়া টুকুই শুধু চাই, আর কিচ্ছু না,
      স্বজন প্রীতি স্বজনের হাতেই থাকে ঘাব্ড়াবেন না।
      সচক্ষে দেখবেন!! দেখুন, বাঁচুন কুটি বর্ষ, তাহলে আমিও বাঁচতে পারি।
      তবে আমার চোখ তো আপনাকে দেখানো যাবে না। সব দেখে ফেলব কিন্তু, সাবধান। এক্স রে কিন্তু!

      তাও এলেন এ সুবাদে, ধন্যবাদ।
      আমাদের সাবিনা জি এর খবর কী!!

    2. অনেক ধন্যবাদ এমন সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকে মায়াবতী।
      আপনিও আমাদের অনেকের বন্ধু হয়ে উঠছেন, দেখা হয়ে যাবে কোন এক সময় বন্ধুত্বের বাগানে।
      শুভ কামনা।

  4. সে এবং সে !! একজন সে টাকে চিনলাম, যিনি পোষ্ট লিখেছেন। আরেকজন সে কেও চিনতে পেরেছি ৪০০তম পোষ্ট উৎসবে। সোনেলায় আসা অব্দি এই -সে- শিরোনাম একটি রহস্যময় ব্যাক্তিত্ব ছিলো পাঠকের কাছে। আজকের লেখায় রহস্য উন্মোচন হলো। সে-রা ভালো থাকুক অজস্র ভক্ত পাঠকের ভালোবাসা আর শুভ কামনায়। অভিনন্দন -সে-যুগোল কে। 🌹🌹

    1. উহ আরো কিছু সে আছে, যা থাকে লেখাদের মাঝে, লেখার মাঝে,
      এই ভর রাতে লিখছেন নিশাচরের বেশে,
      অভিনন্দন আপনাকে ও,
      মোবাইলে লেখা শিখতেছি তাই জড়তা, কেটে যাবে, ভাল শিক্ষক পেলে,

  5. আপনি একদম সঠিক জিনিস ধরে ফেলেছেন, এবং তাকে ঠেকানোর জন্য ২৪ কে ৪৮ ঘন্টায় একটি পোস্ট করার দাবী জানায় গেলাম। আমরা যেদিন ৪০০ করুম, নিয়ম আবার আগেরমতো করে দেয়া যাবে, কী বলেন!
    এমন বন্ধুত্বে প্রবল ঈর্ষা, এই আকালে।

      1. আপনি সত্যিই জ্যোতিষ নাকি বলুন তো! অফিসের কাজে হাটতে হাটতেই ভাবছিলাম রক্তাক্ত হৃদয় সম্বলিত একটা লেখা লেখুম সাথে থাকবো আমার লাল গাড়ি।
        আপনি তো আমার সব পথ বন্ধ করে দিচ্ছেন, কাহিনী কী!
        আপনার কবিতাখানি নিয়ে মন্তব্য পরে। অফিসের কাজ চুরি করে এর বেশি এই কবিতায় লেখা ঠিক হইবে না। গভীর চিন্তার ইমো।

      2. রক্ত শপথ মেনে চলেনা, রক্ত পাহারাও তোয়াক্কা করেনা। রক্তাক্ত হতে হলে ছেঁড়াকাটা ছাড়াও হয়, তাকে বলা হয় ইন্টারনাল ব্লিডিং। সামান্য ফুলে টুলে যায় অন্তর, অভিমানে, যার নাম আবার সফট টিস্যু সোয়েলিং।
        কবিরা রক্ত দেয়া নেয়া করে মৃত্যুর মতো, বিষের মতো, অব্যবহার্য হৃদয়ের মতো, আমার মাথায় ঘোরে ব্লাড ডোনেশন।
        তাই বলে ভাববেন না, হৃদয় বেঁচে দিয়েছি। রক্ত বা রক্তহীনতার কোন রঙ নেই..

      3. রক্ত শপথ মেনে চলেনা,
        রক্ত পাহারারও তোয়াক্কা করেনা।
        রক্তাক্ত হতে হলে ছেঁড়াকাটা ছাড়াও হয়,
        বলে তাকে ব্লিডিং ইন্টারনালি।
        ফুলে যায় অন্তর, অভিমানে,
        যার নাম সফট টিস্যু সোয়েলিং।

        কবিরা রক্ত দেয়, নেয়-ও, করে মৃত্যু-খেলা,
        বিষের মতো, অব্যবহার্য হৃদয়ের মতো,
        আমার মাথায় ঘোরে ব্লাড ডোনেশন।
        তাই বলে ভাববেন না, বেচেছি হৃদয়;
        রক্ত বা রক্তহীনতার কোন রঙ নেই..
        তবুও রক্তাক্ত রক্ত লাল-ই হয়।

    1. শুন্য শুন্যালয়, আপনার ৪৮ ঘন্টার প্রস্তাব বিবেচনার জন্য সংসদে উত্থাপিত হলো 🙂
      ইর্ষা করা ভালো না,
      আপনিও আমার ও আমাদের তেমনই বন্ধু, যুগ যুগান্তরের ( হবে বিশ্বাস করি )
      শুভ কামনা 🌹🌹

  6. কাওকে অভিনন্দন জানাতেও এত সুন্দর পোস্ট, তা কেবল সোনেলাতেই সম্ভব।
    আর কবির জন্য রইলো একরাশ অভিনন্দন। আরো লিখুন, লিখা আমাদের মনের খোড়াক জোগায়।

    1. আসলে সোনেলার এটি রেয়াজ, কখনো কখনো ছাদ পড়ে যায়, আবার চালু হলো,
      আপনার জন্য- ও হয়ত অপেক্ষা করছে এমন কিছু।
      দেখুন এখানে আমাকে নিয়ে লিখছে এটিই আসল কথা নয়, এটি একজন লেখকের প্রাপ্য স্বীকৃতি,
      যা তাকে দিতেই হয়, দেয়া উচিত।
      আমার জন্য দোয়া করবেন সবাই, যেন লিখে যেতে পারি।

  7. স্যালুট জানাই আপনার প্রকাশকে জিসান ভাউ। বন্ধু হিসাবে আপনি যে শ্রেষ্ঠতম তা আমি নিজেই প্রমাণ পাই। সাড়ে তিনযুগ পরে আমিও আপনার বন্ধুত্ব নিয়ে লিখে দিবোনে। যদিও আপনার মতো এতো অসাধারণ প্রকাশ আমাকে দিয়ে হবেনা।
    লেখা দেবতার নামকরণে কী সুন্দর করে মিলিয়েই না ছবি বাছাই করেছেন, যা করেনও সবসময়।
    আমাদের হৈ হট্টগোলের আড়ালে আপনি যে অনেক ভালো একজন লেখক আবডালেই লুকিয়ে থাকেন, সময়ে তার বিস্ফোরণ কিন্তু ঠিকই হয়। নিয়মিত লেখা দিন, সব কাজ ফেলে। নিজেকে নিয়েই লিখুন, ধীরে বহে দিনের মতো। অপেক্ষায়,

    1. বাহ্‌, দারুণ করেই বলেছেন, যেমন বলেন, একটু ফুলিয়ে!!
      সব-ই ঠিক আছে/ছিল, তবে লেখক যে বিষয়ে/বিষয় বলতে গিয়ে এ সুন্দর লেখাটির অবতারণা করেছেন,
      সেদিকটা উপেক্ষিতই রাখলেন!! হিংসে করে!!
      ব্যাপার না ভাইয়া!!

      1. হিংসে যে কার করে তাতো দেখছিই।
        শুভেচ্ছা কী দেব? আমিতো হতাশ হয়েছিলাম মাত্র ৪০০ দেখে। আর শুভেচ্ছা কিন্তু ভাউ আমরাও পাই, এই বছর ছয়েক ধরে আপনার এই অত্যাচার সহ্য করছি বলে।
        আর ১০০ দিন অপেক্ষা করুন, পাট্টি দিবোনে 🙂
        আর হ্যাঁ, নিয়ম বলে আপনি যে একবারো যে পোস্ট দিলো তাকে একটা ধন্যবাদ বাক্যও লিখলেন না? সব বাক্য ইনবক্সে পাচার করলে তো হবেনা।

      2. ১০০ দিন!! এত্ত দিন অপেক্ষা করাবেন!! পাথর প্রাণ!
        আপনি দশ দিন করে দিন, ৫০০ বানিয়ে ফেলি, আর একটি লেখা তৈরি করে ফেলুন।
        আপনি দুয়ায় রাখলে কুন ব্যাপার না,ভাইয়া।
        আপনাকে ধন্যবাদ দিয়ে অবশ্যই একটি লেখা লিখতে হবে।
        খুব বেশি দেরি হবে না কথা দিচ্ছি।

    2. শুন্য অর্ধ যুগেই কিন্তু আপনি একজন সত্যিকারের বন্ধু হয়ে উঠেছেন আমার,
      আপনিও সময়ের সেরা বন্ধু হয়ে উঠবেন এটি আমার আন্তরিক বিশ্বাস এবং হবেনও।
      সারে তিন যুগ পরে আপনার সেই পোষ্টের জন্য দিন গননা আরম্ভ করলাম 🙂

      আপনাদের মত লেখকদের কাছাকাছি থাকি,
      ক্রিকেটের নেট প্রাকটিস বয়, বা লন টেনিসের বল বয়েরাও কিন্তু খেলা শিখে যায় খেলোয়ারদের কাছাকাছি থেকে,
      আমিও তেমনি ভাউ।
      মন্তব্য করে প্রেরনা দেয়ার জুড়ি নেই আপনার, এটি আমরা সবাই জানি।
      আপনার অপেক্ষার অবসানে সাধ্যমত চেষ্টা করছি।
      ধন্যবাদ এত সুন্দর প্রেরণামূলক মন্তব্যের জন্য
      শুভ কামনা রাশি রাশি 🌹🌹

  8. আপনাদের এত সুন্দর বন্ধুত্ব, এর ফসল এই সোনেলা ও সোনেলার কারনে আমরা। ৪০০পোষ্ট, আমিতো কল্পনা করতে পারি না আর ভাইয়া লিখে ফেলেছেন। অসাধারণ এই কবির জন্য রইল একরাশ অভিনন্দন।

  9. অভিনন্দন মন মাধুরী মগ্ন কবিভাইকে। তার লেখায় সেই গতিবানে ধাবিত হোক। তাঁর লেখা পড়ে অনেক অনেক মন মাধুরীতে আন্দলিত হয়েছি, অনেক স্বাপ্নিক ইচ্ছা পুরন করেছি। তাঁর ৪০০ তম লেখা আরো বেড়ে সহস্রতম ছেড়ে কুটি কুটিতে পোছাক প্রত্যাশা রাখি।

  10. অভিনন্দন প্রিয় কবি ভাইটিকে।কেমনে কেমনে চলে গেল এতোটা বছর টেরই পেলাম।আসলে কখনো কখনো রক্তের বন্ধনের চেয়েও অধিক পুক্ত হয় মায়ার বন্ধন।সোনেলা আমাদের সেই মায়ার বন্ধন।আর এ বন্ধনের কারিগর প্রিয় কবি হেলাল ভাইয়াও একজন।তার এমন খুশির দিনে জানাই শুভ কামনা।আর জিসান ভাইতো জিসান ভাইই যাষ্ট অপূর্ব।ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন দীর্ঘজীবি হউন স্রষ্টার কাছে এই কামনা।

  11. জিসান ভাই বলেছে আমি খাটি সোনা!! লজ্জা পেলাম জিসান ভাইজান। আপনাদের মত পরশ পাথরে নিজেকে খানিক ঘষামাজা করছি কেবল।☺

    পাশে থাকবেন সবাই।

    সে আর সে দুজনকেই ভালোবাসি। সত্যিই মন থেকে।🌹🌹

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?