মূল লেখায় যান

রংধনু ও আমি

মেহেরী তাজএকান্ত অনুভূতি৪৬টি মন্তব্য

আমার জীবনের অনেক গুলো বিচ্ছিরি ঘটনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আজকের ঘটনা। কি ঘটনা একটু খোলাসা করি….

গতকাল থেকে খুব চেষ্টা করছি একটু ফেসবুক বা ব্লগে ঢু মারি। কিন্তু আমি তো আবার জিপি সিমের সাথে সাত পাঁকে বাঁধা পড়েছি। সেই জন্য সে আমায় খেতে দিলে খাই, না দিলে না খেয়ে থাকি।

তারপর অনেক চেষ্টা মেষ্টা করে মোট চার বেলা উপোস দিয়ে খাবার পেলাম মানে নেট কানেকশন পেলা্ম। প্রথমেই ব্লগে লগইন হলাম। অনেক গুলো অসাম লেখা পড়ে মন্তব্য করলাম। কিন্তু একটা লেখা পেলাম টপিক হলো ” রংধনু ” ।  লেখাটা ( রংধনু রঙয়ের ছোঁয়া ) মজায় ভরপুর। এই লেখার একটি জায়গায় “এই পেজে” বলে একটা লিঙ্ক দেওয়া আছে। তার নিচে লেখা আপনাকে দেখতে কেমন লাগে গিয়ে একবার দেখে আসুন টাইপের কথা । আমি গেলাম। স্বাভাবিক তো তাই না? গিয়ে দেখলাম। ঘুরে আসবো কিন্তু ফোনে টাচের হালকা পাতলা প্রব্লেম বলে “মেক ইট প্রোফাইল পিকচার” এ চাপ লেগে গেছে। এর কয়েক মিনিটের মাথায় নেট ও চলে গেলো। আমি এর পরে কি হতে যাচ্ছে তার কিছুই জানতে পারলাম না।

কয়ে মিনিট পরে “দুনিয়ামে কিতনি হ্যায় নাফরাতে? ফিরভি দিলো মে হ্যা চাহাতে” আমার গত কালের সেট করা রিংটোন।
:- হ্যালো!?
:- হ্যা হ্যালো তাজ?
: হ্যা!
: তুমি এমন? আগে জানতাম না তো?
:(পুরাই টাস্কিত হয়ে) আমি কেমন?
: নতুন প্রোফাইল পিকচার দিছো।
: আজ কে?
: হ্যা। বন্দুক হাতে নিয়ে। ছিঃ আমি এটা আশা করি নি।
: বলে কি? বন্দুক হাতে নিলেই মানুষ খারাপ হয়ে যায়? মাথা নষ্ট?
: হ্যা তোমার। আমায় আর কোন দিন ফোন দিও না!
: ক্যানো?????  ^:^

একটু পরে ম্যাসেঞ্জারে বিদেশি ফ্রেন্ডের ম্যাসেজ
: hey Taz!
: hello  🙂

: how r u?
: yea I m OK!
: why didn’t u tell me that u r a L….
: no I m not.
: yes u r! Why do u want to hide this.
: what the hell r u talking about. I m not like that.
: your profile picture?
: what???

ততক্ষনে আমি বুঝে গেছে। রংধনু ছবি দেখতে গিয়ে সেটা আমার প্রোফাইলে সেভ হয়ে গেছে। কেউ আমায় দানা বিষ দে। এ অপমান আমি কই রাখি   ;(    ;(

বি:দ্র: ১। যাক বাবা জানা তো গেছে আমার প্রোফাইলে কেউ একজন ছিলো। যে কি না ইয়ে।
২। কারোর সাজেশনে বিদেশি মেয়ে ফ্রেন্ড এড করতে আমি নারাজ।
৩। সব দোষ দাদার। গ্রররররররররররর………

মোট পড়েছেনঃ ৮৭১জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৪৬টি মন্তব্য

  1. আরে সর্বোনাশ
    সব দোষ আমার একার কেন হবে? আমি কি তোমাকে ক্লিক করে প্রফাইল পিক বানাতে বলেছি?
    সব দোষ তোমার আঙ্গুলের , সে টাচ না করলেই পারতো
    এর পর গ্রামীন ফোনের
    আমি নির্দোশ 🙂

    মজা পাইছি খুব
    তোমার প্রফাইল কেউ একজন ছিল যে কি না ইয়ে :D)

  2. ইশ কি অবস্থা ওস্তাদের 🙁 ওস্তাদে যা না,তাই ভেবেছে কত মানুষ 🙁 জিসান ভাইয়ার ঐ পোষ্টের কারনে এই অবস্থা,দোষ সব জিসান ভাইয়ার।আমরা জিসান ভাইয়ার বিরুদ্ধে সোনেলার মডুদের কাছে নালিশ করবো 😀

    ওস্তাদ বহুত চেষ্টা করেও হাসি থামাতে পারলাম না :D)
    ঐ ফটোটা দেখতে মঞ্চায় :p

    1. শিষ্য তুমি কাকে নালিশ করবে?? আমার তো হেভি ডাউট, জিশান ভাইয়াই মডু।
      আমাদের এদিকে একটা কথা প্রচলিত আছে” বেড়া যখন ধান খায় বেড়া দিয়ে লাভ কি?” আমার হইছে সেই দশা ;?

      আর সবাই যখন হাসতেছে তো তুমিই বা বাদ যাবে কেন?? হাহহাহাহাহ

  3. ওরিইইইইইইইই জিপির সংগে দেখি তোমার ঘর সংসার ভালোই হচ্ছে আপু 🙂
    জিসান ভাইয়ার লেখাটাতে দেওয়া “এই পেজে” লিঙ্কে আমিও গিয়েছিলাম, কিন্তু যাওয়ার আগেই প্রতিজ্ঞাবন্ধ ছিলাম যে অন্য আর কোথাও আমি ক্লিক করবো না 🙂

    যাক সমবেদনা রইলো তোমার জন্য :p সেই সাথে দোয়াও যে সব ভুল বুঝাবুঝির অবসান হোক 🙂

  4. হা হা হা হি হি হি :D) ওরে তাজ এইটা কি শুনাইলি? আমার হাসি বন্ধ হচ্ছেনা। গ্রামীণফোনের সাথে সাত পাঁকে বাঁধা? সে খাইতে দিলে খাও,না দিলে না খাও? একি নির্দয় স্বামী 😉
    প্রথম ফোনটা কে দিছিলো মাইয়া না পোলা আমার কিন্তু সন্দেহ লাগতেছে ;?
    ছিলো আমার এক প্রিয় প্রিয় বিষ্ময়কর সৃষ্টি, রংধনু। এইবার সেইটাও গেলো।
    বিচ্ছিরি ঘটনা হইলেও আমরা হ্যাপ্পি পড়ে 🙂

  5. আমিও নেট যন্ত্রণায় অস্থির। বাংলালায়ন (বাংলাকচ্ছপ হলেই বেশি মানাতো) মাসের দশদিন ঝিমায়, টিকটিকির লেজ খেয়ে অজ্ঞান থাকে পাঁচদিন, দশদিন খুঁড়িয়ে হাঁটে বাকি পাঁচদিন দৌড়ে চলে। গিপিও তথৈবচ।
    হা হা হা হা। প্রোফাইল পিকচারে রেইনবো! তায় আবার ফোন আর মেসেঞ্জারে অন্যদের জিজ্ঞাসাবাদ তথা ইজ্জতের ফালুদা!
    অনাহূত ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ(!) আর গভীর সমবেদনা রইলো। :p
    বি: দ্র: পিচ্চির রেইনবো ফোডুখানি দেখতে মুঞ্চায়। :D)

    1. বেপার না আপু যেখানে আপনাদের মত প্রিয় ব্লগার আছেন সেখানে ইজ্জত আর ফালুদার একটা নিবিড় সম্পর্ক থাকবে না তা কি করে হয়।!? ^:^ :p
      ফোডু খান দেখানো যাবে না আপু, সে আর এক বিচ্ছিরি জিনিস।

  6. আপনি দেখছি ভালই হ্যাপায় পড়েছেন!!
    অবশ্য সত্যি! হলেও সমস্যা নেই। আমরা তো আমরাই।
    আমরা আপনার কথা বিশ্বাস করি, এখন অন্যেরা করলেই হয়।
    সাবধানের মার নেই।

  7. তিন বার কুলি করে মুখের পানি দিয়ে রংধনু বানিয়ে তা আবার গায়ের করে দে।
    তারপর সব ভুলে যা।

    বাংলা মায়ের কোল ভুলিস না, তাতেই চলবে। ওসব রংধনু ফংধনু সব গায়েব হয়ে যাবে। সবাই হাসছে, তুইও হাস। 😀

  8. হায় হায় কি অবস্থা! তবুও ভাগ্য ভালো যে ফোন করে জিজ্ঞেস করেছিলো।নতুবা সবাই তো তোমাকে লেসু ভাবতো।কবে কোন মেয়ের কাছে থেকে প্রেমের অফার পেয়ে বসতে :p
    কোন মেয়েকে হার্ট এর ইমো দেয়াও এখন বিপজ্জনক হয়ে গিয়েছে।খুবই মজা পেয়েছি তাজ,এমনি উপস্থাপনা করো কিভাবে?

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।