মূল লেখায় যান

ফাল্গুন এসেছে ফিরে !

সুপায়ন বড়ুয়াকবিতা২৬টি মন্তব্য

ফাল্গুন এসেছে ফিরে আনন্দ বার্তা নিয়ে
দ্বীন কাঙালের ঘরে।
মায়ের আঁচল মোড়ানো স্নেহ মমতায়
ফাল্গুন এসেছে ফিরে।

পৌষ – কার্তিকের খড়ার আগুনে
পুড়েছিল ফসলি জমি।
পানির অভাবে শুকিয়ে যাওয়া
চৌচির উর্বর ভুমি।

নদী শুকিয়ে জেগে উঠেছিল
ধু-ধু বালুচর।
জেলে তার জাল তুলে রেখেছিল
দীর্ঘশ্বাস ফেলে কুঁড়ে ঘর।

কৃষক তার লাঙলখানি সযতনে
রেখে যায় তুলে।
হতাশায় তার চোখ ভিজে যায়
বেদনার লোনা জলে।

ক্ষুধার তাড়নায় আশা নিভে যায়
স্বপ্নের জাল বুনে।
ষোড়সী মেয়েটির পাত্র খুঁজে বেড়ায়
সাজাবে আপন মনে।

গোয়ালার গরুর উঠে যায় দুধ
বাছুর পায়না খেতে।
চৌধুরী বাড়ির বউয়ের দাবী
দুধ ও পায় না দিতে।

দুধের শিশুটিও পায় না খেতে
রোগে শোকে আজ ভোগে।
মায়ের আঁচলে মুখ লুকে যায়
নীরবে নিভৃতে কাঁদে।

ফাল্গুন এসেছে ফিরে সুদিনের বার্তা নিয়ে
দ্বীন কাঙালের ঘরে
আমের মুকুলে ভরে উঠে বাগান
প্রাণ পেয়েছে ফিরে

ফসলের মাঠ ভরে উঠে আজ
বীজ বুনেছিল ঋণে
মায়ের মুখে হাসি ফিরে পায়
স্বপ্নের জাল বুনে।

পূর্ণিমার রাতে তারায় ভরে উঠে
নদীতে জোয়ার আসে
ও পাড়ার জেলে মাছ ধরে যায়
ডিঙি নৌকায় ভাসে।

মোট পড়েছেনঃ ১৩৭৭জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২৬টি মন্তব্য

  1. গোয়ালার গরুর উঠে যায় দুধ
    বাছুর পায়না খেতে।
    চৌধুরী বাড়ির বউয়ের দাবী
    দুধ ও পায় না দিতে।

    দুধের শিশুটিও পায় না খেতে
    রোগে শোকে আজ ভোগে।
    মায়ের আঁচলে মুখ লুকে যায়
    নীরবে নিভৃতে কাঁদে।

    তুলনামুলক কবিতা।চমৎকার অনুভুতি।

  2. গোয়ালার গরুর উঠে যায় দুধ
    বাছুর পায়না খেতে।
    চৌধুরী বাড়ির বউয়ের দাবী
    দুধ ও পায় না দিতে।

    দুধের শিশুটিও পায় না খেতে
    রোগে শোকে আজ ভোগে।
    মায়ের আঁচলে মুখ লুকে যায়
    নীরবে নিভৃতে কাঁদে।

    কি চমৎকার ফাল্গুন পূর্ব রহস্য।

    তবে ফাল্গুন আসুক- প্রকৃতিতে
    আসুক খরা লাগা সমস্ত হৃদয়ে।

    দারুন

    1. কার্তিক মাসের মঙ্গা, যা এখন অতীত
      কল্পনায় আকঁতে চেষ্টা করছি।
      ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য
      খরা আক্রান্ত হৃদয়ে
      আসুক ফিরে বসন্ত
      আসুক ফিরে প্রাণ।
      শুভ কামনা।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।