দুপরের এ বিষণ্ণ খাঁ খাঁ রোদে পাখিরা ছায়া খুঁজে। নৈশব্দের মতো পাহাড়ের গা বেয়ে নামে ঝর্ণা। বসন্ত আসতে না আসতে সবুজাভ পাহাড় জুড়ে শুকনো পাতার মরসুম। লালমাটির বুক ছুঁয়ে হরিরলুটের মতো ঝরে পড়ে আছে অজস্র শুকনো পাতা। শিমুল ফুটে গিয়েছে। পলাশ সবেমাত্র রঙ ধরেছে। বসন্ত পঞ্চমী আসতে ঢের দেরী হলেও বিনুদের পুকুর পাড়ের গাছে অজস্র… [বিস্তারিত]
বিভাগ: একান্ত অনুভূতি
ঘুমে আছি দীর্ঘসময়ের বিছানায়। ঘুমুতে দাও আমায়। অতি যত্ন করে লালন করছি কিছু ক্ষয় না হওয়া দুঃখবোধ। জেগে গেলেই ওরা দূরে সরে যাবে। আমাকে জাগিয়ো না। এ আমার মিনতি তোমাদের কাছে। ভেঙে দিওনা কোনো টেবিল ঘড়ি'র সতর্ক সংকেত দিয়ে। নৈরাজ্যের কালো অন্ধকারের গহ্বরে আমাকে তলিয়ে থাকতে দিও নিশ্চিন্তের পাশবালিশে ভর দিয়ে। দ্বিতীয় -তৃতীয় -চতুর্থ বারের… [বিস্তারিত]
আমার রোদ, কতদিন তোমাকে দেখি না,তুমি জানো,এই শীতে লেপ,কাঁথা,কম্বলের উসুম উসুম উস্নতা স্বত্বেও তোমাকে আমি মিস করি। তোমার তীব্র ক্ষরতায় গাঁ ভাসাতেই আমার খুব ভালো লাগে। এই শীত এসে যাওয়াতে তোমায় আরও বেশি করে মনে পরছে। তোমার আর শীতের কারনে আমি নিজেই তোমার কাছ থেকে দূরে সরে গিয়েছি, যখনি আমি তোমাকে ছুঁতে যাই ঠিক তখনি… [বিস্তারিত]
হাতে পেয়ালা দেখে সুন্দরী - এ মা আপনি তো মাতাল! - ভালবেসেছেন কখনো! - বুঝলাম না! - মদের চেয়েও বেশী নেশা ভালবাসায়। - বুঝলাম না! - কলিজা ছিড়ে ফেলে উপহার দিতে ইচ্ছে করে! কিংবা একটু কন্ঠ শোনার জন্য বা দেখা পাবার জন্য মৃত্যুকে মেনে নিতে পারেন! - সত্যিই আপনি মাতাল হয়ে গেছেন। - ভালবাসার চেয়ে… [বিস্তারিত]
কাজের বুয়া এ ঘরের কথা লাগায় অন্য ঘরে। আর আপনি তা শুনেন রসিয়ে রসিয়ে। তার মুখে দু 'খিলি পান দেন ঢুকিয়ে নিজেও খান পান দু 'খিলি। কার বউ কার সাথে করে ফষ্টিনষ্টি আপনাকে কত রকমের দেয় ফিরিস্তি। কার ছেলেটা বাপ মায়ের অমতে কার মেয়েকে করেছে বিয়ে শুনতে লাগে বেশ চমৎকার। মেয়েটার বিয়ের বয়স গেল চলে… [বিস্তারিত]
আমি সেই নারী, শতাব্দীর পর শতাব্দী অপেক্ষারত সেই নারী। যে অপেক্ষার প্রহর কেটে সুন্দর রক্তিম সকালের আভা জাগেনি। আমি সেই দিন ও নির্লিপ্ত ছিলাম যখন আমায় নিক্ষেপ করা হয়েছিল অগ্নিকুন্ডে সতীত্ব প্রমানের জন্য। আমি তখনও নির্লিপ্ত ছিলাম, যখন আমার দেহ থেকে কেড়ে নেয়া হয়েছিল রঙিন বস্ত্র, মুছে দেয়া হয়েছে সব রঙ। আমি হয়েছি কারো ঘরের… [বিস্তারিত]
কল্পনা ও স্বপ্নের মাঝামাঝি বসন্ত উঁকি দেয়, লুকানো অনুরাগে, হৃদয়-রসদের থলে হাতে, সৌন্দর্য-আত্মায়। বরাবরের মত অমৃত বা হলাহলের হাতছানি শক্ত-পোক্ত চোয়ালে, চেখে, দেখে বুঝে নিতে চাই; অবাধে বিলাবো, নেব কবিতার মত করে, উড়ে যাব বন-পর্বতের নিশানায়, শর্তহীন আশীর্বাদে; হৃদয়-পাথরে বিশ্বাসের মুক্তো নেবো কি নেব-না হাজার প্রশ্নবাণে বিদ্ধ হতে -হতে, বসন্তের সরব-নীরব গুটি-বাজি, সে কিন্তু বুঝে… [বিস্তারিত]
আমরা মানুষগুলো অনেক ব্যাস্ত থাকি। ব্যাস্ততার কারণে চারপাশের মানুষগুলোকে নিয়ে ভাববার অবকাশ পাইনা, ভাবি দূর কোন অচেনা সম্মোহনী নিয়ে। এভাবে ভেবে ভেবে একসময় নিজেকে একা করে ফেলি। এটাই হল প্রকৃতির প্রতিশোধ। প্রকৃতি খুবই ক্রূরমতি কিংবা দুর্বোধ্য। মানুষ তার পাপ হয়তো ভুলে যায়, কিন্তু প্রকৃতি সময়মত যার যা প্রাপ্য কড়ায়গণ্ডায় হিসেব করে সব উশুল করে দেয়… [বিস্তারিত]
অসম্পূর্ণ জীবনের ক্ষণিক হাসি-কান্না বিস্তৃত লোকায়তিক দর্পণের এপারওপারে। বিচিত্র দোলায় দোদুল্যমান চিন্তা-চেতনারা তরঙ্গবীণার উচ্ছ্বাসিত আবহে - নবচেতনায় উদ্বুদ্ধ করে, আন্দোলিত হয়; এ যেন কুমন্ত্রণার আড়ালে সুক্ষ্ম মায়াবী হাতছানি। অনুভূতিপ্রবণ স্পর্শকাতরতার দ্বন্দ্বে পলাতক আখ্যানশৈলীর শিশির মাল্য আজও পৃথিবীর বুকে অপরুপ মাধুর্যের সাক্ষী। ভুলে যাই, মাত্র আর ক'টা দিন! এরপরে গন্তব্য সেই অনাদি অনন্তের পথে। অতীন্দ্রিয় এ… [বিস্তারিত]
সুমধুর মধুরতম প্রতিশ্রুতির ঘন নিঃশ্বাস কেড়ে নেয় হাজারো হৃদয়, গতানুগতিক রং-ঢংয়ের স্বভাবে, বিলাপের এলোমেলো ছিন্নবস্ত্র পড়ে থাকে পথের প্রান্তে, চাঁদমুখ পীড়াপীড়ির অতিমানবীতার আড়ালে; বসন্ত সে আমার চাই-ই। বসন্ত বারে বারে ফিরে আসে স্ব-মহিমায় প্রীতিময় প্রেমে প্রেমে প্রেম মেলে, বসন্ত তুমি কী চাও? প্রতি বসন্তের মত এবারেও? কীসের এই অতি সাময়িক আকুলতা? ফিকফিকে হাসি-দাঁত লুকিয়ে স্পিকটি… [বিস্তারিত]
একটা লেখায় বাসি বিয়ে নিয়ে একজন তার মতামত ব্যক্ত করেছে। সে নাকি আবার ভিডিওম্যানের কাজ করতো। বাসি বিয়ের পর বা বিয়ের পরদিন সকালে বর বউকে একসাথে স্নান করায় এইটা নাকি তারকাছে খুব অশ্লীল লেগেছে। কুতকুত করে হেসে হেসে এই কথা বলছে। ৫০ জনের সামনে নাকি স্নান করায় সবাই তাকায় তাকায় বউরে দেখে! এই বেটার কমেন্ট… [বিস্তারিত]
ক্রুদ্ধ ক্ষুব্ধ হিংসুটে বদমায়েশ,স্বনিয়োজিত বদ-নজরে কোতোয়াল, কেঁদেকেটে বিলাপ! এমন শীত পেরিয়ে এসেছে/যাচ্ছে সবুজের বনভূমি, সাধুতা ও মেধা নিয়েই। শীত-যাতনার কথা ভুলে; এই যে বিস্তীর্ণ সোনা সোনা-ধানের হাতছানি কৃষকের ডেরায়। আসন্ন উন্মুখ হৃদয় দীক্ষা নেয় দীক্ষা দেয় বদলে ফেলা সময়ের বসন্ত ডাকে। পুরনো কালে নূতন করে কেউ কী শুনতে পাচ্ছি বসন্ত-ডাক? বিশ্বস্ত বন্ধুত্বের প্রগাঢ় প্রাণে? সুবেহ… [বিস্তারিত]
দ্রোহের আগুনে জ্বলি বার বার। উচ্চকিত হয়ে উঠে মুষ্টিবদ্ধ দু’হাত। নিমেষেই চোখ পড়ে মাঠির ওপর। দ্রোহের আগুন যায় নিভে। শিথিল হয়ে পড়ে মুষ্টিবদ্ধ হাত দু’খানি। চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। গড়িয়ে পড়ে অশ্রু। ফিরে যেতে হবে একদিন। নিশ্চিত এবং অবধারিত সেই মাটির ঘর। সেই মাটির বিছানায়। কেন আমরা বুঝেও বুঝিনা। মানুষ তুমি কেন করো এতো দম্ভ… [বিস্তারিত]
: হ্যালো ! কে বলছেন ? : আমি ! : আমি কে? নাম কি? : আলিফ। : চিনলাম না। তো এতো সকালে? কোন দরকার? : আপনি কিন্তু ভালো কবিতা লিখেন! : সেটা জানাবার প্রয়োজন আছে কি? প্রশংসা ভালো লাগে না। আপনি মোবাইল নং পেলেন কীভাবে? : আপনার বাবা আর আমার বাবার প্রতিদিন দেখা হয় সুরভি… [বিস্তারিত]
গেলাম তবে; যে পথটা মরা পাতারা বেজন্মার মত দখল নিয়েছে: শত চেষ্টায় হার মেনে জেনে গেছি, ওর নিচে মাটিও পচে গেছে। হারিয়েছে উর্বরতার অহংকার। একপয়সার কানাকড়ি সম্বল করে খেয়াপারের ভাবনায় নদীর ঘাটে এসে দাঁড়াই; ঘাটমরাদের সোল্লাসে জল ঘোলা করতে দেখলাম ঘৃণার চোখে। জলে ডুবিয়ে মারছে নিরাপরাধ এক বউঝি'কে; বারবার চিৎকার করে আকাশ -জলে তুফান উঠিয়ে… [বিস্তারিত]























