নৌকায় ফিরছি, চিলমারী আমার গন্তব্য। নৌকায় এক বাবা তার মেয়েকে খুব সাবধানে আগলে রেখে সূর্যাস্ত দেখাচ্ছে। ক্ষণে ক্ষণে এটা ওটা খাওয়াতে ব্যস্ত। আমি যদিও এসব দৃশ্য দেখে একবুক দীর্ঘশ্বাস নিয়ে মুখ ফিরিয়ে নেই সব সময়। কারণ, আমার জীবনে এমন কোনো দৃশ্য নেই৷। না এতিম নই। আমার বাবা নামক মানুষটি পৃথিবী থেকে এখনো বিলীন হয়নি। তিনি… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
বশির সাহেব আজকের পত্রিকাটা হাতে নিয়ে বেলকনিতে গিয়ে বসলেন । দুবছর হয় চাকরীতে অবসরে গেছেন । অলস সময় টা প্রতিদিনের অভ্যসে পরিণত হয়েছে, বেলকনিতে বসে পত্রিকা পড়ার । পত্রিকার ভাঁজ খুলতে খুলতেই উচ্চ স্বরে স্ত্রী কে ডাক দিলেন, " রাবেয়া এক কাপ চা দিয়ে যাও তো । " তারপর মনোনিবেশ দিলেন পত্রিকার পাতায় । হঠাৎ… [বিস্তারিত]
রমজান আলি নামে এক লোক। গত তিনবছর ধরে মেয়ের বিয়ের জন্য টাকা ওঠায়। জোয়ান তাগরা চেহারার রমজান আলি কেন কাজ করে না জানতে চাইলে বলে, হার্টে সমস্যা, ব্রেইন স্ট্রোক করেছে। দু কথার বেশি জানতে চাইলে হু হু করে কাঁদে। লোকজন কান্নায় হতবিহ্বল হয়ে তাকে টাকা দান করে। কেস স্টাডিতে জানা যায়, রমজানের দুটো ছেলে মেয়ে।… [বিস্তারিত]
গোছাপরা মুখে মাঝে মাঝে পবিত্র শব্দের এলার্জি ধরে; পশ্চিমা গোলাপের ঘ্রাণ বুঝে না প্রতিবাদির কৃষ্ণচূড়া মিছিল রাস্তার মোড়ে মোড়ে রাঙিয়ে যায় সেটাও বুঝে না- ঈশ্বরের ভয় নেই- কি করে থাকবে তারা তো গোছাপরা প্রাণী; আমাদের বিচার আছে কি দরকার? পাপের দুর্গন্ধ সুবাস কাউকে ছাড়বে না- একদিন অনলে ভ্রষ্ট হবে গোছাপরা মন। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ ১১… [বিস্তারিত]
নিত্তি রাতে ছয়টি বিড়াল ছানা, চোখ না বেঁধেই আমায় বলে কানা মাছির কানা! করলে ডেকে মানা? ঘরে বসেই ভাগ করে নেয় আমার পাতের খানা। সোহাগ ঢেলে দিই যদি বা আড়ি! মাছ খেয়ে সব কাঁটা ছুঁড়ে নোংরা করে বাড়ি। চাইলে যেতে ছাড়ি! লাফ দিয়ে কয় মাথায় উঠে করতো খবরদারী! কষ্ট সয়েই আঁকছি ভোরের ছবি, চাইলে কি… [বিস্তারিত]
কে বলে ভাই কেউ আপনার নয়? সখ্য বিনে প্রাণ কি সুখের হয়? ভাই বলো বা বন্ধু স্বজন সবাই করে বাঞ্ছা বপন, বাপ-মা সে তো মরেও পাশে রয়! কে বলে ভাই কেউ আপনার নয়? কও তো বেঁধে ভাবনাটারে কষে, বিপদ দেখে রয় কি সবে বসে? পড়লে ঢেলে এক বেলা ভাত কেউ বা না কেউ নেয় টেনে… [বিস্তারিত]
আসো, বৃষ্টিতে ভিজি তোমার ভেজা আঁচলে মুখ লুকিয়ে বুকের উষ্ণ গন্ধ শুকি । রেশনি চুড়ির ঝনঝনানিতে নেচে উঠি দুটি প্রাণ । ভেজা চুলের স্পর্শে জেগে উঠি নতুন উদ্যেমে । সারা অঙ্গে বৃষ্টির উষ্ণতা মেখে অষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকি অনাদি কালের বাঁধনে দুজন । বৃষ্টির ফোটায় ফোটায় শিহরিত হই ভালবাসার পরম আবৃতে । মেঘের গর্জনে, অঝর বর্ষণে… [বিস্তারিত]
তারপর একদিন বহুদিন পর তুমি একটা বাদামী রঙের শাড়ি পড়ে আসবে, বড় কোন নদীর মতো হাহাকার বুকে তুলে সারিবদ্ধ নৌকোর ঘরে ফেরার মতো করে, তুমি আসবে। চারপাশে অযত্নে বেড়ে ওঠা আগাছার ছাউনি নীরব বাতাস। এদিকটায় জনসমাগম নেই, এদিকটায় কেউ আসেনা, এদিকটায় গুমরে কাঁদে আকাশ। এদিকটায় বৃষ্টির মতো করে নেমে আসে দীর্ঘশ্বাস। খানিক বসে নরোম ঘাসে… [বিস্তারিত]
কবি নই, নই লেখক কিংবা সাহিত্যিক মনের খোরাক মিটাতে কলমের ডগায় আসে কিছু কথা লিখে যাই আবোল তাবোল কথকতা এ নিয়ে পাঠকের না না রসিকতা । বিরহের কবিতা যদি হয় লেখা পাছে লোকে বলে কত কথা , আহা জীবনে খাইছে বহুত ছ্যাকা প্রেম না করলে আসে কি বিরহের কবিতা ! কেউ বলে আহ্ ! তোমার… [বিস্তারিত]
মানুষ নামের ফুল গো তুমি মানুষ নামের ফুল! তোমার তরেই বুক বেঁধে রয় গুল বাগিচার কুল। কালের চাকা বাতাস ঘুরে চক্রাকারে পানি, তোমায় যেচে বঙ্গের এ রূপ রোজ গড়ে হাতছানি। দেখে মেঘের ভালোবাসা চুপটি বুনে সুখের বাসা গায় সুরে বুলবুল - মানুষ নামের ফুল গো তুমি মানুষ নামের ফুল! ব্যাকুল আশায় নদ-নদী বয় গায় আষাঢ়ে… [বিস্তারিত]
ছোটো গল্প 'অতন্দ্র জাগরণলিপি ' দীপেন একদম একা এখন। স্ত্রী ওর গত হয়েছে মাস কয়েক হলো। দিনের ব্যস্ত সময় পার করে বিকেলটা বড্ড কেমন যেনো লাগে। লাগারই তো কথা! এরকম বিকেল এর আগেও আমি ওর বাড়িতে কয়েকবার এসেছি তখন বৌদি বেঁচে ছিলেন। গল্প আড্ডায় চা পানে আন্তরিকতার কমতি ছিলো না কখনো। আজও দেখি ও বসে… [বিস্তারিত]
বুক পুড়ে অন্তদহে ~~~ ~~~ কামরুল ইসলাম এক ঝাঁক উপমার ডানা মেলে তুমি এসে ছিলে কবিতার খাতায় অব্যক্ত কথা মালায় জুড়ে ছিলে প্রতি নিশিতের স্বপ্ন ধারায় । রাত গুলো আজ শূণ্য পড়ে রয় অলস সময়ের বিরহে সব আছে ঠিক, শুধু তুমি নাই কবিতার বুক পুড়ে অন্তদহে ।। রচনা কাল ঃ ০৫/০৬/২০২২ [বিস্তারিত]
দমের তালে খুঁজ রে ভোলা কে তোর আপনজন! হেলায় জনম বৃথা যাবে হারবে শেষে পণ - দমের তালে খুঁজ রে ভোলা কে তোর আপনজন! গড়িস নে তুই মনের কোণে তার তরে রে ঘর, মাপলো না যে একবারও তোর গহর কানার জ্বর। নরম বিছান না জেনে কার অলীক স্বপন দেখিস নে আর ভেবে পরম ধন -… [বিস্তারিত]
আমার সামনে তিন তিনটি মৃতদেহ পড়ে আছে। আমি বসে আছি বেঞ্চিতে। রাত প্রায় অনেকটা বেজে গেছে বোধহয়। হাতে ঘড়ি নেই। তাড়াহুড়ো করে বাড়ি থেকে বের হতে গিয়ে ঘড়িটা আনা হয়নি। আমি পকেট থেকে মোবাইল বের করে সময় দেখলাম। রাত সোয়া দশটা বাজে। মোবাইলের আলো দিয়ে এবার মৃতদেহগুলোকে ভালভাবে দেখলাম। নিথর দেহগুলো পড়ে আছে। কিছুক্ষণ আগে… [বিস্তারিত]
গাও পোড়া গায়ে কবির আর্তনাদ আর কবিতার মনে রক্তাক্ত বুক; হাট বাজারের মুখে কি যে হট্টগোল যত অরাজনীতিক বাক্য মেঘের দর কষাকষি বৃষ্টি বাদল এতো বুঝেই না যত বিদ্বেষী চিন্তা কবিতার এক গলা আমজনতার মনে প্রেম নদে বালুচর আর রাস্তার মোড় ধূলি বালি মিছিলের রব! বর- বর ভাঙ্গছে মাটি ঝর্ণাধারার পাশে কবির হলো চৌকাঠে ঠিকানা!… [বিস্তারিত]























