নীরব থাকতে পৃথিবী ভালবাসে! আলোকময় জ্বালানি রাতের আকাশ ঘাম ঝরান দিনের উত্তাপ অথচ কোথায় জানি ইটভাটার অনল জ্বলছে খোঁজে পাওয়া যায় না- এ নীরব জেনো মৃত্যুর মজলিসের স্বাদ সারি বদ্ধ কলা গাছের দুইসারি বাঁধ! তারচেয়েও ঘুম জানি মাটির নীরবতা আশ; সমস্ত ভালবাসা একমুঠো জল- অতঃপর ভালবাসা মানেই সবুজ রাঙা নীরবতা। 20 ভাদ্র ১৪২৮, ০4 সেপ্টেম্বর… [বিস্তারিত]

আলমগীর সরকার লিটন
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৬ বছর ৮ মাস ৬ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ২১৮টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ৩৬১৭টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১৫৫৪টি
রাজনৈতিক মানে ভেজা বিড়াল হাতের মুড়ানো দুধে ভেজা বাঁশ কাটা খাড়াল দুধ ছানার পিটে রসগল্প বিদ্যুৎ চমকে উঠে না অল্প আর অল্প সৌহার্দ্য মৌচাকে চিনির গ্লাস মধু নেই শুধু লালসার ফিরতি গান আর গান কলেমা পড়া ঠোঁটের বাকে অভিনয় করার স্লান- দীর্ঘসারি গলাগাছের লাশ আর লাশ অথচ রাজনৈতিক বুঝে মাটির বুকে ঘাস দুল দুল হাসে… [বিস্তারিত]
কবিতার গায়ে সিগারেটের গন্ধ রোজ ধোঁয়ার মধ্যেই বসবাস অথচ ক্যান্সার ভয় পায় না ! শুধু ডাক্তার চোখেই ক্যান্সার; এতো বুঝার পরও বদ অভ্যাস কাটে না- রোদবিরল হেঁটেই চলছে বর্ণমালার রঙিন প্রেম- নীল জোছনার গায়ে আধার ফ্রেম- তবুও বুঝে না গন্ধ, সিগারেটের গায়ে ক্যান্সার ধোঁয়ার পিচে চিরদিনের আধার। ১১ ভাদ্র ১৪২৮, ২৬ আগস্ট ২১ [বিস্তারিত]
আমরা কোথায় হারিয়ে যাচ্ছি নিজেরাই ভাল করে জানি না- খাড়াই- পাকিস্তান, আফগান, তালেবান এমনকি ইন্ডিয়া কলকাতা, আমিরেকা অথচ লক্ষ কোটি রক্ত গড়া- দেশ মা ভাাবিই না! শুধু শুধু ভাইয়ে- ভাইয়ে বিদ্বেষ মারামারি, ফাটাফাটি, দলাদলি- এই নিয়েই চলছি- কোথায় আছি? তাও সঠিক জানার চেষ্টাও করি না; এই তো স্বপ্নের ঘুমে বিভোর রাত্রি জেগে জেগে রস মঞ্জরি… [বিস্তারিত]
নিজ দেহের ঘ্রাণ নেয় না কারণ সুলভ সুগন্ধী পায় না- অন্যের ঘ্রাণ খুব ইচ্ছা হয় প্রাণ ভরে নিতে; সচ্চরিত্রের গুণাবলি ভাবি না অন্যে চরিত্রে দেখি দুনিয়া এই হলো দেহ মন পবিত্র ঠিকানা- তবু মাটির গুণাগুণ বুঝি না, পিট বেকা করি হিংস খুঁজি অন্যেরটা- আর কত বৈরি ভাব; সোজা হবে- মাটির নেই অভাব সুন্দর ঘাস দোলবে,… [বিস্তারিত]
চোখ বন্ধ, মুখ বন্ধ বন্ধ দেহের ঘাম- তবু আধার দেখে কল্পনাতে র্ফসার নাম- চুপ থাক চোখ দেখ সজা চল- ঘর বন্দি মুরগীর ফার্ম ! অথচ পুষা বিড়াল থাকতে কষ্ট- কুকুরের উঠন বেযাই নষ্ট- যে সর্ব জনের মনে পষ্ট; এযে নিত্যক্ষণের কাম বুঝা নেই- শুনা নেই তিনবেলা ভাত- কোন মতে কেটে যাক রাত! ভাবতে পার গলায়… [বিস্তারিত]
জীবনের শুরুতে যদি অবহিলত বাতাস বয় নিত্যক্ষণ- তাহলে তো শেষটাতেও অবজ্ঞা থাকবেই ! তাই নয় কি? হয় তো প্রশ্ন করার সময় থাকবে না- তার আগেই মাটির ঘাসে ঘুমিয়ে পরবে; উত্তর শুধু তারার মেঘ জলজল করবে পূর্ণিমা রাত কিংবা অনুশোচনা! তাই নয় কি? প্রণয়ের অরণ্যভূমি বেদনাময় বাতাসের সু-ঘ্রাণ নেই, প্রাণচঞ্চলতা নেই- পাখিদের গান শুনা নেই এভাবে… [বিস্তারিত]
হায় রে আমরা কি উল্টো পান্ডে ও দেখিকে স্বাধীনতার উল্লাস আর আমার বুকে বুলেটের রক্ত নদ! কি বিবেক শূন্যময় আকাশ; কোনদিন জাগ্রত হবে না? একটি প্রশ্ন, ভাবনার অন্তরায় বয়ে যায় হাজার নদ নদী খালবিল। ধিকার জানাই ঐ হায়নাদের; উত্তরসূরিদের কথায় ভাবলে কবিতার লোম ঘেমে বৃষ্টি ঝরে সত্যই আহত, আমরা শোকাবহ অথচ নিজ রক্তশিরায় বিদ্বেষী মনোভাব… [বিস্তারিত]
অভিন্ন ভালবাসা গুলো নেকড়ের মতো চলমান- কখনো হিংস্র- কখনো নীরবতা আাকাশময় যেনো ঝাঁঝল পূর্ণিমার চাঁদ! তবুও ভালবাসার সময় এখন অগুণতিক অথচ কাঠ পোড়া মন বুঝলোই না; বনও নেকড়ের মতো আচরণ করল শোকাহত সময়ের উঠনেও ঘৃণা এ এক অন্যজীবন তিক্তময় বিণা! ফলে এক রক্ত নদ, রক্ত বালুচর সৃষ্টি হলো অতঃপর নেকড়ে মন আজও রয়েই গেলো। ২৮… [বিস্তারিত]
এ ভাববার কোন বিষয় থাকে নারকেলের গাছের উপরে কিংবা চিন্তার রস ঝরা খেজুর গাছে- চাঁদের ঝলক যেনো ডালিমের গায়! পূর্ণিমার রোমান্টিক কি আসে যায়; এভাবে আর কতদিন- গল্প শেষ- কবিতার বেশ- উপন্যাস শুধু ইতিহাস- সৃষ্টির উল্লাস কথায় জানি ধর্ষণের আর্তনাদ পাপের ভাবনা রাত- ঈশ্বরের কাছে থাক! এ ভাববার বিষয় কিছু পুণ্য ভরা থলি- অথচ তরুলতার… [বিস্তারিত]
এই মাটির জন্ম নেই ঘর নেই- সংসার নেই- জাত নেই- সমাজ নেই পাড়ায় হৈ হৈল্লর নেই অঘোর প্রাণ একটা; বাবা নেই, মা নেই, ভাই নেই, বোন নেই- বন্ধু বান্ধব নেই, স্কুলের সহপাঠী নেই- ছবি নেই স্মৃতি নেই, স্বজন নেই- কারণ অঘোর প্রাণ একটা! বউ নেই- সন্তান নেই- দুমুঠো খাওয়ার থাল নেই- মৃত্যু নেই- মাটি নেই,… [বিস্তারিত]
ঘাত প্রতিঘাত এর মাঝে বন্ধুত্বের সৃষ্টি সাগর বয়! রক্তের সম্পর্ক না থাকলও আত্মার আত্মীয় ঘর বাঁধন ঘর হয়; মহতের গুণের নাম কি বন্ধু- ত্যাগের মহিমান্বিত এনে দেয় বন্ধু থেকে বন্ধুত্ব- চাঁদের আলো যতদূর দু’চোখ যায় তার চেয়েও বন্ধুত্বের আলোই সীমাহীন সু-গাঢ়! বুঝা পুরা সময় তৈরি হয় মন মন হাটের মাঝে আরেকটা হাটের নাম বন্ধু! অতঃপর… [বিস্তারিত]
জলের মাঝে জল ছন্দে করে খল খল- পুকুরের মাঝে মাছ সাঁতার কাটে খল বল! ব্যাঙের ডাক বর্ষার বাগ হেমন্ত মাথায় রঙিন ফুল- মৌমাছি উড়ে বানায় চাক; এই তো জীবন বেলার ডাক। ঘাসের বুকে ফড়িংর মেলা মাটিতে ঘুম ঘুম সারা বেলা- অরণ্যতে পাখি গানের খেলা সুখে দুখে দেখো তারার ভেলা; সবই ভাবো ডাকে ডাকে কাক এ… [বিস্তারিত]
হাসিতে কান্দিতে ছন্দ খাইতে ঘুমাতে ছন্দ চলা ফিরা- কথায় নাই ছন্দ ছন্দ না থাকিলে অন্ধ; পড়িতে লেখিতে মারামারি ধরাধরি খেলা ধুলাই হাটবাজারে ছন্দ না হলে চলে মৃত্যুই হলেই বন্ধ। প্রসাব পায়খানা স্বামী স্ত্রী সন্তান সন্তাদী কথায় নাই ছন্দ ঘরে বাহিরে সহবাসে বুক জ্বলা পুড়াতেও ছন্দ কবি সাহিত্যেও চলন্ত চোখ খুললেই বাঁশিতে ছন্দ প্রেমের সুখে দুখে… [বিস্তারিত]
ত্যাগের রক্ত করে মহিমান্বিত- বাতাসে মাংসের ঘ্রাণে ঈদ! ভ্রাতৃত পরিবেশ মানে আনন্দ যদি না থাকে হিংসা ভরা ইস সবাই বলি ঈদ মোবারক ঈদ। নামাজই ধর্ম- বেঁচে থাকাই কর্ম; সকল কাজে হোক সহজ সরল মর্ম অথচ পাপিষ্ঠ ভাবনা- বিদ্বেষী মন - ভালই চলছে বাঘ বন্ধী খেলা- ঈদ মোবারক অতঃপর ত্যাগের রক্তে ঈদ। ২১/৭/২১ [বিস্তারিত]















