মূল লেখায় যান

করোনার ভজ:ঘট !

সুপায়ন বড়ুয়াকবিতা৩৪টি মন্তব্য

বস্তি পাড়ায় আগুন  দিয়ে
বাটপার বলে আলু পোড়
দে শালার কোমরে দড়ি
গোঁফ পাকানো রিলিফ চোর।

লোভে পড়ে যারা গরীবের টাকা
করে যায় নয় ছয়
ত্রানের চাল চুরি করে তারা
ঐ শালাদের করুণা হয়।

কাজের বুয়াকে বেতন দিয়ে
দিলাম তাদের ছুটি
রিলিফ নিয়ে তারা খুলে বসে
পাড়ার দোকানদারি।

তাদের মাঝে পাইনা খুঁজে
এমন কোন তফাৎ
সুযোগ পেলেই তারাই আজ
দিনকে বানায় রাত।

করোনার রাতে শ্রমিক এনে যারা
বানায় মানব বোমা
মুখোশ তাদের খুলব মোরা
নাইকো তাদের ক্ষমা।

নেত্রীর পিছে লোক জড়ো করে
মিছিল করেছিল যারা
ঝুঁকির মুখে ফেলে যায় তারা
করোনায় দিশেহারা।

মানুষ বাঁচার শপথ নিয়েছি
বিবেকের ডাক শুনব
আম জনতা বাঁধছে জোট
করোনাকে রুখব।

ছবি নেট থেকে।

মোট পড়েছেনঃ ১২২৫জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৪টি মন্তব্য

    1. ক্ষুধার ছেয়ে ও গৃহবন্ধী টা বড়ই কষ্টের।
      কুঁড়ে ঘরে ৪/৫ জনের সংসার তাদের দিন রাত কিভাবে কাটে না দেখলে বুঝা যায় না।
      ভাল থাকবেন। শুভ কামনা।

  1. এরা কেমন মানুষ
    এদের কি লজ্জা শরমের বালায় নেই?
    কিংবা মৃত্যুর ভয়?
    এমন বিপর্যয়ে চুরি ডাকাতের কথা মাথায় আসে কি করে?
    ছিঃ ছিঃ

    দারুণ লিখেছেন দাদা। এদের উচিত শিক্ষা দেওয়া দরকার

  2. একটা কথা যথাযথ তুলে ধরেছেন দাদা। কাজের বুয়া, ড্রাইভার বা এই লেভেলের মানুষদের হটকারিতার নমুনা দেখে আসলেই তাজ্জব হয়েছি। তারা তাদেরকে এ্যাডভান্স দেয়া সহায়তা গুলোকে মূলধন হিসেবে নিয়ে দোকানদারীতে নেমেছে। কেউ কেউ সব্জির ব্যবসায় নেমেছে। অথচ এই সহায়তা দেয়ার মূললক্ষ্য ছিলো তারা যেন তাদেরকে ঘরে রাখে। কিছু মানুষের লোভ বেঁচে থাকাকেও ছাড়িয়ে যায়। ত্রান চুরি, ওষুধ চুরি, দান-অনুদান আত্মসাৎ করা এখন নিত্তনৈমিত্তিক ব্যপার হয়ে গেছে। তবুও আমরা আশাবাদী হয়তো অচিরেই তারা তাদের ভুলের সাজা পাবে। সৎ সাহসী মানুষদের সহায়তায় আমরা আলোকিত দিন ফিরে পাবো।

    শুভ কামনা 🌹🌹

    1. মুলধন হিসেবে ব্যবসা করলে ভাল।
      তারা এখন ত্রান চতুর্দিকে কালেকশান করে
      সেটাই বিক্রী করছে এখন।
      আপনার সাথে সম্পুর্ণ একমত।
      সৎ সাহসী মানুষদের সহায়তায় আমরা আলোকিত দিন ফিরে পাবোই।
      শুভ কামনা 🌹🌹

    1. কি বলবো দাদা দায়িত্ব জ্ঞাননিয়ে এই নেতৃত্ব
      রমনা হয়ে মগবাজার ফ্লাইওভার দিয়ে ১০ মিনিটের পথ চিপা গলি দিয়ে ১.৫ ঘন্টা সময় নিয়ে আসে শো ডাউন করার জন্য।
      আজ মানুষ মৃত্যু ঝুঁকিতে পড়লো।
      ভাল থাকবেন। শুভ কামনা।

  3. গরীবদের এসব হঠকারিতা চলবেই, এরা ত্রাণ নিয়ে ব্যবসা করে। সত্যি বলতে এসব কারনেই এদের জন্য কিছু করতে মন চায়না‌ । নেত্রীকে চেহারা দেখাতে আসা এরা নেত্রীর কাছে নাম কামাতে এসেছিলো। সত্যি গুলো সাহসিকতার সাথে তুলে ধরার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা

    1. সহমত দিদি। এরা ত্রান কালেকশান করে বিক্রী করে ফলে অনেক সময় নতুন সংকট সৃস্টি হচ্ছে

      আার দায়িত্ব জ্ঞানহীন এই নেতৃত্বের কথা কি বলবো
      রমনা হয়ে মগবাজার ফ্লাইওভার দিয়ে ১০ মিনিটের পথ চিপা গলি দিয়ে ১.৫ ঘন্টা সময় নিয়ে আসে শো ডাউন করার জন্য।
      আজ মানুষ মৃত্যু ঝুঁকিতে পড়লো।
      ভাল থাকবেন। শুভ কামনা।

  4. গরীবের হক যারা মেরে খাচ্ছে তাদের ক্ষমা নেই। আবার অনেকেই ত্রাণ জমা করে বিক্রিও করছে। দুঃখজনক। কেউ খেতে পারছেনা আবার কারও জন্যে অন্যরা খেতে পারছেনা।

    1. ঠিক বলেছেন ভাইজান। গরীবের হক যারা মেরে খায় এরা পশুর ছেয়ে অধম। এরা ভুলে গেছে এটা একবিংশ শতাব্দী ওদের ক্ষমা করা হবে না।
      আবার ওদের কি বলব আপনিই সুন্দর বললেন।
      ভাল থাকবেন। শুভ কামনা।

  5. মানুষ বাঁচার শপথ নিয়েছি
    বিবেকের ডাক শুনব
    আম জনতা বাঁধছে জোট
    করোনাকে রুখব। … চমৎকার লেখনীতে সমাজের সমসাময়িক বাস্তবতা ফুঁটিয়ে তুলেছেন খুব ভালোভাবে।

    লোকজনের বিবেক জাগ্রত হোক। নতুন পৃথিবী সুস্থ মানসিকতার হোক। এটা সবার চাওয়া।

    1. ৬৪ হাজার জনপ্রতিনিধি নিয়ে ত্রান কার্য চলছে
      ১০/১২ জন চোর চুরি করে ধরা পড়েছে। একজন ও রেহাই পাবে না। এটা ডিজিটাল বাংলাদেশ। সবার হাতে মেবাইল আর পুলিশের নান্বার আছে।
      কিন্তু সব কিছুই চলছে কলখারখানা ছাড়া এবার একটু আস্তে আস্তে স্বাভাবিকের দিকে যাওয়া দরকার না হইলে করোনার ছেয়ে অভাবেই রোগে শোগে মরবে মানুষ
      ভাল থাকবেন। শুভ কামনা।

    1. কি বলে যে ধন্যবাদ জানাবো আামার লেখায় মন্তব্য করে অনুপ্রেরণা দেয়ার জন্য?
      সত্যিইতো আপনি আমার পরিচিত সুনামধন্য আলম ভাই যার লেখা আমি পড়ি কোন কাগজে আজকে প্রোফাইল গিয়ে নিশ্চিত হলাম।
      ভাল থাকবেন সবসময়। শুভ কামনা।

    1. কিছু ইতর শ্রেনীর প্রাণী আছে।
      যারা লোভ সামলাতে পা্রে না।
      নীচ থেকে উপরে সব জায়গায় আছে
      এরা সমাজের প্রতিনিধিত্ব করে না এদের
      কাউকে ছাড়া হবে না।
      ভাল থাকবেন আপু। শুভ কামনা সবসময়।

  6. লোভে পড়ে যারা গরীবের টাকা
    করে যায় নয় ছয়
    ত্রানের চাল চুরি করে তারা
    ঐ শালাদের করুণা হয়।

    সারাবিশ্বে চলমান করোনা সংকটময় সময়ে আপনার কবিতার মাঝে আমি এখানেই থেকে গেলাম। আপনার সঠিক ভাবনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। সাথে এই সময়ে সপরিবারে ভালো থাকার জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করছি।

    1. ধন্যবাদ দাদা সাথে থাকার জন্য
      ৬৪ হাজার জনপ্রতিনিধি নিয়ে ত্রান কার্য চলছে
      ১০/১২ জন চোর চুরি করে ধরা পড়েছে। একজন ও রেহাই পাবে না। এটা ডিজিটাল বাংলাদেশ। সবার হাতে মেবাইল আর পুলিশের নান্বার আছে।
      কিন্তু সব কিছুই চলছে কলখারখানা ছাড়া এবার একটু আস্তে আস্তে স্বাভাবিকের দিকে যাওয়া দরকার না হইলে করোনার ছেয়ে অভাবেই রোগে শোকে মরবে মানুষ
      ভাল থাকবেন। শুভ কামনা।