ঈদ আসে ঈদ যায়

পুজোঁ,বড় দিনে দিন ফুরোয়

পৃথিবীতে কেবল বেচে থাকতে
মানুষ;
মনুষত্ব বিকিয়ে বেড়ায়।

 

এবারে কোরানীর ঈদটি যাবে দেশ এবং বহি বিশ্বে বেশ ঘটনাবহুল ঘটনার মধ্যে দিয়ে।দেশ এক মহা আতংকে আছে।ডেঙ্গু জ্বর এর সাথে যুদ্ধ করছেন দেশের বেশ কিছু মানুষ।কখন কাকে আবার ডেঙ্গু জ্বরে পেয়ে বসে সেই আতংকে দিন কাটাচ্ছে আপামর জনগণ।সরকারী দায়ীত্ব প্রাপ্ত সংস্থাগুলোর দূর্ণীতি আর জনতার অসচেনতায় আজ এডিসের নিকট পরাজিত বাংলার জনগণ।অন্য দিকে নারীর টানে গ্রামে ফেরা মানুষগুলো যাতায়াতে ভোগান্তির শেষ নেই,নেই পরোয়া জীবনের।রাষ্ট্রীয় সঠিক পরিকল্পনার অভাবে কখনো কখনো যানবাহনের চাকায় পিষ্ট হচ্ছেন জনতা।
দেশের সাম্যহীন অর্থনীতিতে যার অর্থ সম্পদ আছে তার আছেই আর যার নেই তার কিছুই নেই।দিন এনে দিন খেয়ে না খেয়ে কোন মত পৃথিবীটাকে পাশ কেটে যেতে পারলে যেন বেচে যায়।আর একদল জীবনের সকল স্বাধ আহলাদ লন্ডন আমেরিকা হতে ক্রয় করেও যেন তার স্বাধ মিটে না।হাজারো লক্ষ কোটি ডলার বৈধ অবৈধ আয়েও যেন তার মনের খায়েস মিটে না।তবুও ভাবে না একটুও এ জীবনটা কিছুই নয় দম ফুরালে সব শেষ।

পৃথিবীর বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার, ফ্যাশন ব্লগার, সেলিব্রেটি লেখক কিরজেইডা রডরিগুয়েজ🌹

ক্যান্সারে (৪০ বছর বয়স) মারা যাওয়ার আগে নিজেকে নিয়ে লিখে যাওয়া একটি নোট,,

“পৃথিবীর সবচেয়ে দামী ব্রাণ্ডের গাড়িটি আমার গ্যারাজে পড়ে আছে। কিন্তু আমাকে বসে থাকতে হয় হুইল চেয়ারে। সব রকমের ডিজাইনার কাপড়, জুতো, দামি জিনিসে আমার গৃহ ভরপুর। কিন্তু আমার শরীর ঢাকা থাকে হাসপাতালের দেয়া সামান্য একটা চাদরে। ব্যাংক ভর্তি আমার টাকা। কিন্তু সেই টাকা এখন আর আমার কোনো কাজে লাগেনা। প্রাসাদের মতো আমার গৃহ কিন্তু আমি শুয়ে আছি হাসপাতালের টুইন সাইজের একটা বিছানায়। এক ফাইভ স্টার হোটেল থেকে আরেক ফাইভ স্টার হোটলে আমি ঘুরে বেড়াতাম। কিন্তু এখন আমার সময় কাটে হাসপাতালের এক পরীক্ষাগার থেকে আরেক পরীক্ষাগারে। কত শত মানুষকে আমি অটোগ্রাফ দিয়েছি- আর আজ ডাক্তারের লেখা প্রেসক্রিপশানটাই আমার অটোগ্রাফ। ব্যক্তিগত জেট বিমানে আমি যেখানে খুশী সেখানেই উড়ে যেতে পারতাম। কিন্তু হাসপাতালের বারান্দায় যেতেও এখন আমার দুজন মানুষের সাহায্য নিতে হয়। পৃথিবী ব্যাপী ভরপুর নানা খাবার আর পানীয় থাকলেও দিনে দুটো পিল আর রাতে কয়েক ফোঁটা স্যালাইন আমার খাবার। আমার চুলের সাজের জন্য সাতজন বিউটিশিয়ান ছিলো-আজ আমার মাথায় কোনো চুলই নেই। এই গৃহ, এই গাড়ী, এই জেট, এই আসবাবপত্র, এতো এতো ব্যাংক একাউন্ট, এতো সুনাম আর এতো খ্যাতি এগুলোর কোনো কিছুই আমার আর কোনো কাজে আসছে না। এগুলোর কোনো কিছুই আমাকে একটু আরাম দিতে পারছে না। শুধু দিতে পারছে- প্রিয় কিছু মানুষের মুখ, আর তাদের স্পর্শ।”

উপরের নোটটি পৃথিবী বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার, ফ্যাশন ব্লগার, সেলিব্রেটি লেখক কিরজেইডা রডরিগুয়েজ ক্যান্সারে (৪০ বছর বয়স) মারা যাওয়ার আগের লেখা। সেজন্য বিত্ত, বৈভব এসব নাই বলে যেন আপনার অনুশোচনা না হয় এবং এসব না থাকায় কেউ কাউকে যেন অবজ্ঞা না করে। বরং আপনার যা আছে তাই যেন আপনাকে সুখী করে। মাথার ওপর যদি একটা ছাদ থাকে তাই যথেষ্ট। ছাদের নীচে কত দামী আসবাবপত্র আছে সেটা মূখ্য নয়। দামী গাড়ী, দামী যে কোনো বাহনের চেয়ে নিজের পা দুখানা যদি সচল থাকে সেটাই আসল ব্যাপার। আর বস্তুগত জিনিস যত মূল্যবান হোক না কেন- তার কোনো মূল্য নেই যদি ভালোবাসা, মায়া, মমতা, পারষ্পরিক সহমর্মিতা না থাকে। আপন মানুষগুলোকে কোনোদিন অবহেলা, তুচ্ছ করতে নেই। বরং যত বেশি পারো তাদের সঙ্গ উপভোগ করো। কারণ- এমন একটি সময় আসবে যেদিন টাকা-পয়সা, ধন-দৌলতের চেয়ে তাদেরকেই বেশি দরকার হবে। আর একদিন হঠাৎ করে দেখবে তাদেরও কেউ কেউ আর নেই-ওরাও এক অন্য দুনিয়ায় চলে গেছে।(এই অংশটুকু নেয়া হয়েছে একটি ফেবুক পোষ্ট হতে)

তাই

আসুন

ত্যাগের মহিমায়

জেগে উঠি মনুষত্বের

মহিমায়।

৩১৯জন ১৬৬জন
29 Shares

১৯টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য