শামীম চৌধুরী

প্রকৃতিকে ভালোবাসি। প্রকৃতির সাথে থাকতে ভালো লাগে। প্রকৃতির সব বণ্যপ্রাণী ও পাখি যেন আমার নিজ সন্তান। শখের ছবিয়াল হয়ে ওদের পিছু ছুটে বেড়াই। তাই-
আমি এই সুন্দর প্রকৃতিকে ভালোবাসি
তুমিও ভালোবাসো।

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ৫ মাস ২৩ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ৪৫টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ৭৮২টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৯৩৩টি
জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ। বন্যপ্রাণী গবেষক ও আলোকচিত্রী আদনান আজাদ আসিফ এবং অভিনেত্রী, উপস্থাপিকা ও ফটোগ্রাফার ফারজানা রিক্তাসহ রাত দেড়টায় রওনা হলাম ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার মুহুরী বাঁধে। ভোর ৬টায় মুহুরী পৌঁছলাম। ছোট্ট একটি বিল। বিলের পানি নিয়ন্ত্রণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই বাঁধ। বাঁধের মাধ্যমে শীতকালে বিলে মাছ চাষের জন্য পানি আটকে রাখা হয়। বলা [ বিস্তারিত ]

দৃষ্টিভঙ্গি বদলান।

শামীম চৌধুরী ৬ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, ০৪:১০:২৩পূর্বাহ্ন গল্প ২৫ মন্তব্য
জামালপুর জেলার অষ্টগ্রামের ছেলে সোহান। শৈশব থেকেই মেধাবী। স্কুল ও কলেজে সকলের কাছে সোহানের ভালোবাসা,আদর ও স্নেহ ছিলো অপরিসীম। বাবা একজন কৃষক। নিজেদের যতটুকু জমি-জমা আছে তাতেই কৃষি কাজে ব্যাস্ত থাকেন সোহানের বাবা। সোহান ও তার বোনকে নিয়ে জলিল শেখের সংসার। পাড়া গাঁয়ের স্কুলে লেখা-পড়া শেষ করে এস,এস,সিতে জিপিএ-৫ পেয়ে গ্রামের কলেজেই ভর্তি হয়। পাশের [ বিস্তারিত ]

লেজকাটা টিয়া

শামীম চৌধুরী ৪ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার, ০১:২৫:৫৬পূর্বাহ্ন পরিবেশ ১৪ মন্তব্য
ছোটবেলা থেকেই নতুনত্বের প্রতি আগ্রহ ছিল বেশি। তাই সবসময় নতুন কিছু পাওয়ার জন্য অনেকটাই মোহগ্রস্ত হয়ে পড়তাম। বন্যপ্রাণী গবেষক ও আলোকচিত্রশিল্পী আদনান আজাদ আসিফের হাত ধরে প্রথম সাতছড়ির সবুজ বনে যাই। ভোর ৬টায়  আমরা সাতছড়ি পৌঁছলাম। নতুন বন ও বনের রাস্তা দেখে ভালো লাগল। সবুজে ঘেরা বনে প্রকৃতির সঙ্গে মিশে গেলাম। প্রায় ৮৯টি সিঁড়ি বেয়ে [ বিস্তারিত ]

রাখেন আল্লাহ মারে কে?

শামীম চৌধুরী ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, ০১:৩৮:৩১পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৯ মন্তব্য
গনতন্ত্রের মানসকণ্যা জননেত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আজ ৭৩তম জন্মদিন। তাঁর জন্মদিনে জানাই শুভেচ্ছা। পাশাপাশি মহান আল্লাহর দরবারে উনার সুন্দর স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ূ কামনা করি। শুভ শুভ শুভদিন শেখ হাসিনার জন্মদিন।

গভীর রাতে গহীন বনে সাপ খোঁজা।

শামীম চৌধুরী ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ০১:৫৯:৫০পূর্বাহ্ন ভ্রমণ ২৮ মন্তব্য
ফটোগ্রাফীর শুরুটা ছিলো শখের বসে। ধীরে ধীরে নেশায় পরিণত হয়। একজন ফটোগ্রাফারের ছবিটাই শুধু ফ্রেমে ভেসে উঠে। অথচ ছবির পিছনের গল্পটা কেউ জানে না বা ফটোগ্রাফার বলতে চায় না। একটি ভালো মানের ছবির শট নিতে, যে পরিশ্রম ও ধৈর্য্যের প্রয়োজন তা সবার অজানা থেকে যায়। আমি ফটোগ্রাফী শুরু করি ওয়াইল্ডলাইফ দিয়ে। প্রথমে পাখির ছবির জন্য [ বিস্তারিত ]
আমরা একটি পরিবারের সদস্য। সদস্যদের বেঁধে রেখেছে পরিবারের শির সোনেলা। সোনেলা জন্ম হয়েছিলো বলেই আমাদের জন্ম। পরিবারে যেমন সকল সদস্যদের এক সাথে আগমন হয় না। তদ্রুপ সোনেলার সদস্যদেরও আগমন আগে পরে হয়েছে। আর সকল সদস্যকে বেঁধে রেখেছে সোনেলা নামক উঠানে। এই উঠান নিরন্তর ভালোবাসার উঠান। এই উঠান মিলনমেলার সন্ধিক্ষন। এই উঠান হাসি-তামাশার বায়োস্কপ। সারাদিন কর্মের [ বিস্তারিত ]

খোঁপাডুবুরির মাথায় খোঁপা।

শামীম চৌধুরী ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, ১২:৪৪:১৪পূর্বাহ্ন পরিবেশ ২৩ মন্তব্য
আগের দিন রাজশাহী কুয়াশায় আচ্ছন্ন  ছিলো। সকালে হোটেলের বারান্দায় বসে চা পান করছি। হঠাৎ সোনা-ঝরা রোদে মনটা ভরে উঠলো। কারণ চিত্রশিল্পী ছবি আঁকে রং-তুলি দিয়ে। আমরা ছবি তুলি আলো দিয়ে। তাই আলো যদি না থাকে তবে ছবির মান ভালো হয় না। ক্যামেরাটা নিয়ে হোটেল থেকে বের হলাম। রওনা দিলাম টি-বাঁধ সংলগ্ন ঘাটে। নৌকায় এদিক-ওদিক ঘুরছি। [ বিস্তারিত ]

আমার যত কল্পনাঃ শেষ পর্ব

শামীম চৌধুরী ২০ আগস্ট ২০১৯, মঙ্গলবার, ১২:৪৯:৫৫পূর্বাহ্ন গল্প ১৪ মন্তব্য
এক যুগ পর কুদ্দুস বয়াতীর পরিবার এবার ঈদের আনন্দ  নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে পালন করলো। ফারাহ অসুস্থ থাকায় ননদ বানু ও শ্বাশুড়ি মা’ রান্না থেকে শুরু করে সব কিছু নিজেরাই করেছেন। রহিমের অফিস কলিগ ও বন্ধু-বান্ধবদের আপ্যায়নের সময়টায় ফারাহ উপস্থিত থেকে মনোযোগ সহকারে সকলের প্রতি নজর রেখেছেন। ফারাহ কখনই অনুভব করেনি তাঁর একটি অঙ্গ দেহ [ বিস্তারিত ]
দেশের বিপন্ন পাখি প্রজাতির মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিপন্নের তালিকায় রয়েছে শকুন। অতীতে শত শত শকুন নেত্রকোনা ও সুনামগঞ্জের হাওরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা এবং বড় বড় গাছের মগডালে দেখা গেলেও এখন তেমন একটা দেখা মিলছে না। এক সময় শকুন ছিল গ্রামবাংলার চিরচেনা পাখি। সে সময় পশু বা জীবজানোয়ার মারা গেলে দলবেঁধে হাজির হতো শত শত শকুন। [ বিস্তারিত ]

লালচে বাদামি চোখের লালশির।

শামীম চৌধুরী ১৬ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, ১২:৪৮:৪৫পূর্বাহ্ন পরিবেশ ১২ মন্তব্য
লালচে বাদামি চোখের লালশিরঃ * ভোরে হাতিয়া লঞ্চ ঘাটে পৌঁছলাম। সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে রওনা দিলাম নিঝুম দ্বীপের কালামচর সুইস বাজার ঘাটে। সকাল ৯ টায় পৌঁছে নাস্তা শেষে নৌকায় উঠলাম। মাঝি তাজুদ্দিন পূর্ব পরিচিত থাকায় আমাদের গন্তব্য তার জানা ছিলো। আমরা যাচ্ছি বিরবিরিয়া চরে। সাগরে তখন জোয়ার চলছে। বিভিন্ন প্রজাতির পাখি সাগর পাড়ে বিশ্রাম নিচ্ছে। নৌকা [ বিস্তারিত ]

সাদা চশমার শ্বেতাক্ষী

শামীম চৌধুরী ১০ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, ১২:৫৯:৪৬পূর্বাহ্ন পরিবেশ ১৮ মন্তব্য
পাখির ছবি তোলা অনেকটা নেশায় পরিণত হয়েছে। সুযোগ পেলেই ছুটে যাই নতুন নতুন প্রজাতির পাখির সন্ধানে। এ উদ্দেশ্যে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে মহাখালী থেকে বাস ধরে সকালে রওনা দিলাম হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের উদ্দেশ্যে। দুপুরের আগেই সাতছড়ি পৌঁছে যাই। স্থানীয় ত্রিপুরা বস্তির বাসিন্দা সুনীল ত্রিপুরাকে সঙ্গে নিয়ে সরাসরি চলে যাই বনের ট্রেইলের পথে। [ বিস্তারিত ]

ক্যামেরার পিছনের গল্প।

শামীম চৌধুরী ৮ আগস্ট ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ০১:৩২:৫১পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৮ মন্তব্য
ছবি তোলা আমার শখ। এই শখটা পূরনের জন্য জীবনে অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতাও অর্জন করেছি। বেশীর ভাগ পাখির ছবির জন্য ঢাকার বাহিরে যেতে হয়। যখন কোন অজানা অচেনা গ্রামের উদ্দেশ্যে  রওনা হই তখন কোন চিন্তা থাকে না, কোথায় থাকবো? কি খাবো? ইত্যাদি ইত্যাদি। ক্যামেরা ব্যাগ কাঁধে নিয়ে বের হয়ে পড়ি। গন্তব্যের বাস বা ট্রেন ধরে যাত্রা [ বিস্তারিত ]
কটকা জামতলার খালে নৌকায় ঘুরছি। চোখের নজর দুইধারের গাছ-গাছালিতে। কখন কোন পাখি টুপ করে বসে সেই লোভটাই কাজ করছে। সবুজাভ প্রকৃতির সঙ্গে মিশে আছে সু্ন্দরী,কেওড়া, গড়ান ও গোলাপাতা গাছ। চোখ ফেরানো অসম্ভব। ভোরের সূর্যের আলো সেই সুবাজাভের রূপ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। গাছের ফাঁকে ফাঁকে হরেক প্রজাতির পাখির কিচিরমিচির শব্দ যেন তানপুরার সূরকেও হার মানায়। সব [ বিস্তারিত ]
ছুটি বা অবসর সময় পেলেই ছুটে যাই বনে। রাজধানী ঢাকার খুব দূরে নয়। ফলে হবিগঞ্জ জেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান আমার খুব প্রিয় একটি জায়গা।  হবিগঞ্জের রাতের বাস ধরে খুব ভোরে পৌঁছানো যায় সেখানে। ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসের শেষের দিকে রওনা হলাম সাতছড়ির উদ্দেশ্যে। খুব ভোরে নেমে পড়লাম জগদীশপুর মোড়ে। ভোরের আলো ফোটার পর একটি সিএনজি [ বিস্তারিত ]

আকাশে উড়ে শিকার খোঁজে ‘ছোটবাজ’

শামীম চৌধুরী ২ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, ০২:৪৮:৩২পূর্বাহ্ন পরিবেশ ২০ মন্তব্য
রাজধানী ঢাকা শহরের পাশেই পূর্বাচল, জায়গাটি ৩০০ফিট হিসেবেও পরিচিত। ছবি তোলার জন্য খুব ভোরে রওনা হলাম পূর্বাচল। কুড়িল ফ্লাইওভার অতিক্রম করে বসুন্ধরার পাশ দিয়ে পূর্বাচল বালুর ব্রিজ পার হলেই বাঁ দিকে রাজউকের পূর্বাচল প্লট। কোনো জনবসতি নেই। সারি সারি বৈদ্যুতিক খুঁটি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। তার নিচে স্থানীয় এলাকাবাসী নানা ধরনের সবজির বাগান করেছেন। [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য