মূল লেখায় যান

আবেদন পত্র

মেহেরী তাজঅন্যান্য৩৪টি মন্তব্য

বরাবর,
মডুগন (????)
আপনার আমার সবার প্রানের ব্লগ,
সোনেলা।
বিষয়: একটা বন্দুক চেয়ে আবেদন।

জনাব/ জনাবাগন,

সবিনয় নিবেদন এই যে আমি সোনেলা ব্লগের একজন নিয়মিত ব্লগার ও পাঠক। প্রায় একবছর ধরে আমি নিজ ব্লগিং এর দায়িত্ব নিষ্টার সাথে পালন করে যাচ্ছি। গত এক বছরে এই ব্লগের সাবার কাছ থেকে আমি এতো এতো নাম পেয়েছি যে নিজেরে আসল নামটা প্রায় ভুলতে বসেছি। এখানে সদ্য একটা নাম পেয়েছি আর তা হলো” পাড়ার মোড়ে গুলতি হাতে দাড়িয়ে থাকা সেই মেয়েটা”। আমার কাছে গুলতি না থাকলেও একটা বন্দুক আছে আর আছে গোটা পনেরো গুলি। আমরা এ পাড়ায় অনেক দিন যাবত সুখে শান্তিতেই বসবাস করছিলাম।
কিন্তু কিছুদিন হলো এপাড়ার কিছু পুরাতন বাসিন্দা ফিরে এসেছে। তাতে আমরা সবায় অনেক খুশিই ছিলাম।কিন্তু তার মধ্যে একজন( নীতেশ বড়ুয়া) কেমন করে যেনো আমার সেই একনলা বন্দুক খানা দেখে ফেলেছে। তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন আমার বন্দুক খানা চুরি করে নিয়ে যাবেন। শুধু কি তাই সেই বন্দুক দিয়ে তিনি আমারই এক বড় আপুকে( লীলাবতী) তাড়া করবেন। সেই থেকেই আমার আর আমাদের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। এমন কি সময় ভেদে আমরা পালা করে ঘুমাচ্ছি। আমি বন্দুক কোথাও রেখে শান্তি পাচ্ছি না। আর সেই শান’ত শিষ্ট বড় আপু কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজেও পাড়া ছেড়ে বেরুতে পারছেন না। ঝামেলার এখানেই শেষ নয়। মরার উপর খাঁড়ার ঘা এর মত কোন অজ্ঞাত কারনে এ পাড়র আর এক বড় আপু( শুন্য শুন্যালয়) সেই একজন ( নীতেশ বড়ুয়া) কে ব্রাজিল- আর্জেন্টিনার পাগলা সাপোর্টারের মত সাপোর্ট করেই যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।

অতএব জনাব/ জনাবাগন আমার বন্দুক ও বড় আপুর মূল্যবান প্রাণ বাঁচাতে অনাতিবিলম্বে কোন অঘটন ঘটার পূর্বেই(যাতে সাপও মরবে লাঠি ও ভাংবেনা) সোনেলা তাহবিল থেকে কিছু অর্থ ব্যায় পূর্বক সেই একজনা ( নীতেশ বড়ুয়া) কে একটা খেলনা বন্দুক কিনে দিতে আপনার একান্ত মর্জি হয়।

নিবেদীকা
একান্ত বাধ্যগত
ব্লগের পিচ্চি তাজ।

মোট পড়েছেনঃ ১৩৮২জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৪টি মন্তব্য

    1. আমার কিন্তু এখন খুব সন্দেহ হচ্ছে আপনিই মডুদের একজন নয় তো? ??
      তা না হলে এত বড় কথা বলেন কি ভাবে???? :p :p

      নু পাল্টা পাল্টি। আপনার গুলতি আপনার আছেই থাকে আমার বন্দুক আমার আছেই থাকবে। আমি বন্দুক দেবো না প্রয়োজনে প্রাণ দিয়ে দেবো। ;( :p

  1. ওস্তাদ, আপনাকে আর লীলাপুকে হুমকি ধামকি?আমরা আছিনা? ভয়ের কিছু নেই।শুন্যাপু একটা পচা।আজ আমাকে কেমন পচিয়ে দিলো।সুযোগের অপেক্ষায় আছি ওস্তাদ।

    1. হুম শিষ্য তোমরা আছো বলেই তো একটু স্বস্তি।
      শুন্য আপু পচাঁ নয়। উনার কি যেনো প্রব্লেম হয়েছে। আমার তো মনে হয় নীতেশ দা উনাকে হিপনোটাইজ করে ফেলছেনন। তাই আর কি। তুমি সুযোগ পেলে উনাকে অল্প করে পচিয়ে দিয়ে। বেশি না কিন্তু হ্যা???

  2. তাজ, কি চাইলি এটা! বন্দুক চাইলে কি বন্দুক দিবে তোকে? এপ্রোভাল প্রসেসে কিছু কাটাকাটি মাথায় রাখলে ভাল হতো, হয়তো বন্দুকই দিতো। আমি চিন্তায় আছি বন্দুক পাবি কি না! ;? চাওয়া উচিত ছিল কামান। নীতেশ দা তোপ চালানো নিয়ে ব্যস্ত থাকতো, তোর কাজ ঠিক হয়ে যেতো।
    যাগগে, আরেকটা অপশন আছে। যদি খুব কম বাজেটের মধ্যে কিছু দিতে চায়, তাহলে সুপার গ্লু চেয়ে নিস। অনিকেত নন্দিনী দেখলাম ফিরেছে। উনাকে একটু চিকন করে বুঝিয়ে বলবি নীতেশ দার আঙ্গুলের চিপায় লাগায় দিতে। ব্যস। তোর আর চিন্তা নাই। একটু সাবধান থাকিস। অনিকেত নন্দিনীকে আবার কিছু অফার করতে যাস না যেন, হিতে বিপরীত হয়ে যেতে পারে সে ক্ষেত্রে!
    তোর দরকার কাজ। 🙂 নে, এবার ঘুমা। (y)

    1. এহে সামান্য ভুল হয়ে গেছে! ^:^
      কিন্তু চিন্তা কি আমার ভাইয়া তো সাজেশন দিয়েই দিছে আর আর চিন্তা নাই? কিন্তু সুপার গুল আইডিয়া আবার ফ্লপ হবে না তো? আর নন্দীনি আপু উনার ফিরে আসা প্রথম লেখায় যে তাড়া টা দিছেন আমারে আমি তো ভয়ই পাইছি। 😮

  3. পিচ্চি আপু এতো বড়ো সাহস সেই একজনের!!! :@
    আমি আছি আমার এই আপুটার সাথে। -{@ (3

    “নাই, নাই ভয়”
    আমরাই করবো জয় (y)

    আর এই যে সেই একজন(নীতেশ) সাবধান কিন্তু, আমার পিচ্চি আপুর বন্দুক চুরী করলে খবরই আছে। :@

  4. তাজের হাতে অবৈধ অস্ত্র রাখা এবং তার হাত থেকে সেই যে একজনের জোরপূর্বক সেই অস্ত্র হাতিয়ে নেয়া – দুইই ঘোর অন্যায়। অরণ্য কিনা বুদ্ধি দিচ্ছে আমাকে চিকন বুদ্ধিতে পটিয়ে সেই যে একজনের হাতে সুপার গ্লু লাগিয়ে দিতে! :@
    আমি মোটা মানুষ, চিকন বুদ্ধি মাথায় খাটেনা। আমার মাথায় যেইটা খাটে তা হলো এসব কুবুদ্ধি যে বা যারা করে এবং লেখালেখির মাধ্যমে তা ছড়িয়ে দেয় তার বা তাদের হাতের আঙুলের চিপায় সুপার গ্লু দিয়ে দেয়া উচিত! না থাকবে বাঁশ, না বাজবে বাঁশরী না হইয়া হইবে – বাঁশরী আছে কিন্তু সুপার গ্লু দ্বারা ছিদ্র বন্ধ বলিয়া উহা পেঁ পুঁ করিয়া বাজিপেনা। :D)

      1. লাইসেন্স আসল না নকল? লাইসেন্সের মেয়াদ আছে তো? যদি কাগজপত্তর ঠিকঠাক থাকে তো সেই একজনের মোটিভ কী তা খুঁজে বের করতে হবে। এসবের মাঝে চিকন বুদ্ধিতে আমাকে পটিয়ে অরণ্যরই বা কী ফায়দা তাও খুঁজে বের করতে হবে। চক্রান্তের গন্ধ পাই মনে হয়! ;?

    1. সুপার গ্লু আমার আঙ্গুলের চিপায় এমনিতেই লাগিয়া গিয়াছে। আমার অফিসের নেট হইতে আমি যেন আর কাউকে এরূপ কুবুদ্ধি না দিতে পারি তাহার জন্যই তাহারা আমার ল্যাপটপে ‘সোনেলাকে’ ব্লক মারিয়াছে। ইহা তাহারা আসমান থেকে খবর পাইয়াছে। শুধু ইহাতেই তাহারা ক্ষান্ত হননাই; তাহারা আমার নিকট হইতে ইউটিউবও ছিনাইয়া লইয়াছে। অনিকেত নন্দিনী যাহা যাহা চাহিয়াছে তাহারা সবকিছুই উজাড় করিয়া পূর্ণ করিয়াছে। 🙁

      আর তাজ, তোকে বলি। তেলে নাক দিয়ে ঘুমা। তোর কাজ হয়ে গেছে। তবে নেক্সট টাইম নিজের দূর্বলতা নিয়ে মডুদের কাছে যাবিনা। অল্পতেই প্যাঁ-ভ্যাঁ করার সময় তুই পার করে এসেছিস। ভাল থাকিস। (y)

      1. হায় হায় ভাইয়া বলেন কি? অফিসে বসে কাজে ফাঁকি দিয়ে আপনি ব্লগিং করতেন??? ;?

        হুম মডুদের কাছে আর যাওয়া হবে না। এরা কোন কাজের না। আমার কাজ হয়েই গেছে। এবার লম্বা ঘুম দেবো। 🙂

  5. আমারে কি কিছু কইলা? ভত্তাবতী মহা ফাঁকিবাজ, তাকে বাগে আনতে তার হৃদয় বরাবর বন্দুক মারতে আমি পাগলা সাপোর্টার হইতে রাজি। নীতেশ দা কই আপনি? ঘুষ টুষ কিছু দিবেন? নাইলে কিন্তু পাল্টি খেয়ে তাজের পক্ষ নিমু। ;?

    1. আপু আমি কোন ঘুষ টুষ দিতে পারবো না। আপনি আমার দলে আসবেন কি না বলেন। তা না হলে আমি আপনার হার্ট বরাবর বন্দুক চালাবো বলে দিলাম।
      বি:দ্র: আমার বন্দুক থেকে খালি (3 বের হয়।

      আপনাকে ২/ ৪ টা (3 দেওয়া যেতেই পারে। 🙂

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।