সাইবেরীয় চুনিকণ্ঠী বা Siberian rubythroat পাখিটি উত্তর এশিয়ার খুবই পরিচিত একটি ছোট পাখি। শীত মৌসুমে সুদূর সাইবেরিয়া থেকে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে আমাদের দেশে আসে। এরা পরিযায়ী পাখি। আমাদের দেশে মূলত খাদ্য সন্ধানে আসে। এখানে তিন থেকে চার মাস অবস্থান করার পর প্রজননের জন্য আবার চলে যায় নিজ আবাসে। এরা মূলত ঠান্ডা থেকে দূরে… [বিস্তারিত]
বিভাগ: পরিবেশ
কাও ধনেশ বা পাকড়া ধনেশ বিউসেরোটিড (Bucerotidae) পরিবার বা গোত্রের অন্তর্গত একটি মোটামুটি বৃহদাকার ধনেশ প্রজাতির পাখি। ভারতীয় উপমহাদেশের পূর্বাংশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উত্তর-পূর্বাংশের বিভিন্ন দেশ কাও ধনেশের প্রধান আবাসস্থল। বাংলাদেশ, ভারত (উত্তর-পূর্বাঞ্চল), ভুটান, নেপাল, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড , ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, লাওস, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, সিঙ্গাপুর এবং চীন (দক্ষিণাঞ্চলে ইউনান প্রদেশ) কাও ধনেশের প্রধান আবাসস্থল। এরা… [বিস্তারিত]
বসন্ত বাউরি বিভিন্ন নামে পরিচিত। যেমন বসন্ত বউরি, বসন্ত বাওড়ি, বসন্ত বৌরি ইত্যাদি। এই পাখির গড় দৈর্ঘ্য ১৬-১৭ সেন্টিমিটার। কপাল, বুক পরিষ্কার লাল। চোখের দুই পাশ থুতনি ও গলা হলুদ। মুখাবয়ব কালো। পিঠ ঘাসরঙা সবুজ। নিচের দিকে খাড়া খাড়া মোটা রেখা। ওড়ার পালক কালচে। বুক উজ্জ্বল লালের সঙ্গে সোনালি হলুদের পট্টি। লেজ খাটো। লেজের শেষ… [বিস্তারিত]
চামচঠোঁটি পাখিটির দৈর্ঘ্য ১৭ সেন্টিমিটার। ডানা ১০ সেন্টিমিটার, ঠোঁট ২ দশমিক ২ সেন্টিমিটার, ঠোঁটের চামচের মতো অংশ ১ দশমিক ১ সেন্টিমিটার, পা ২ দশমিক ১ সেন্টিমিটার ও লেজ ৩ দশমিক ৮ সেন্টিমিটার। এর উপরের অংশের রঙ অনেকটা ফিকে ধূসর ও নিচের অংশটা সাদা। আকারে চড়ুই পাখির থেকেও ছোট। ভেজা বালি-কাদার ওপরের স্তর থেকে এরা খাদ্য… [বিস্তারিত]
সাপপাখি বা গয়ার চিকন দেহ ও লম্বা গলার বড় জলচর পাখি। ঠোঁট লম্বা, সরু ও সুচালো এবং চ্যাপ্টা। দেখতে অবিকল চাকুর মতো। পৃথিবীতে দুই প্রজাতির সাপপাখি দেখা যায়। কিন্তু আমাদের দেশে এক প্রজাতির সাপপাখির বসবাস। এরা Anthinga melanogaster গোত্রের অন্তর্ভূক্ত ৯০ সে.মি. দৈর্ঘ্যের বড় দেহের জলচর পাখি এবং ওজন ১.৫০০গ্রাম থেকে ১.৭০০গ্রাম। লেজ লম্বা অনেকটা… [বিস্তারিত]
‘বড় গলা গগণবেড়’ Pelecanidae পরিবারে অন্তর্ভুক্ত একটি বৃহদাকার জলচর পাখি। পাখিটির দৈর্ঘ্য ১৮২ থেকে ১৮৫ সে.মি. এবং ওজন ১১ থেকে ১২ কেজি। বিশ্বে ৯ প্রজাতির Pelican বা গগণবেড় দেখা যায়। বর্তমানে বাংলাদেশে কোথাও এই পাখির অস্তিত্ব নেই। তবে গত ২০১৭ সালে নভেম্বর মাসের শেষ দিকে রাজশাহীর পদ্মার চরে এক ঝাঁক রাঙ্গা মানিকজোড়ের সঙ্গে একটি গগণবেড়… [বিস্তারিত]
মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহ। খোলা আকাশের নিচে হাঁটছি। বেশ ক্লান্ত। বিশ্রামের জন্য বাইক্কা বিলের টাওয়ারে উঠে বসে আছি। টাওয়ারের সামনে অল্প পানিতে পদ্মপাতা ভেসে আছে। সেই পাতার নিচে খুঁজে খুঁজে শৈবাল খাচ্ছে জলচর পাখি।। এমন সময় পাখির একটি ঝাঁক এসে বসলো জলজ উদ্ভিদের উপর। পাখিগুলো দেখে প্রথমে ভেবেছিলাম বক জাতীয় পাখি। পরে এই পাখির পরিচয়… [বিস্তারিত]
সপ্তদশ শতকে মুঘল সম্রাট শাহজাহান তার প্রয়াত স্ত্রী আরজুমান্দ বানু বা (যিনি মুমতাজ নামে পরিচিত) বেগম মুমতাজ মহলের স্মৃতির উদ্দেশে ১৬৫ একর জমির উপর গড়ে তোলেন রাজকীয় একটি সমাধিস্তম্ভ। যা বিশ্বে সপ্তম আশ্চর্য হয়ে আগ্রায় তাজমহল নামে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। আমার প্রয়াত বাবা মরহুম মোহাম্মদ হোসনে চৌধুরী তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রী (আমাদের মা)… [বিস্তারিত]
আমরা আকাশ-মেঘ,নদী-নালা,পাহাড়-পর্ব্বত,সাগর-সমুদ্র,গাছ-পালা ও ফল-মূলকেই প্রকৃতি মনে করি। যদিও এরা সবই প্রকৃতির অংশ। তারপরও কিছু প্রানী আছে যারা প্রকৃতিতেই বাস করে। মানুষ দ্বারা বা প্রকৃতির যে কোন নিষ্ঠুর আচরন তারা সহ্য করতে পারে না। ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে তাদের জীবন-যাত্রার মান, খাবার-দাবার, বাসা বানানো থেকে শুরু করে প্রজনন পর্যন্ত। সবচেয়ে বেশী বাঁধার সম্মুখীন হয় বংশ বিস্তার। তারমধ্যে… [বিস্তারিত]
মুনিয়া প্রজাতির গণ বা বংশ হচ্ছে Lonchura। পৃথিবীতে ৩৯ প্রজাতির মুনিয়া পাখি পাওয়া যায়। এই Lonchura গণে আবার ৩৯টি প্রজাতি আছে। আমাদের দেশে যে প্রজাতি মুনিয়া পাখি দেখা যায় তার বৈজ্ঞানিক নামগুলি পাঠকদের বলছি। Lonchura Amandava বাংলা নামঃ লাল মুনিয়া, Lonchura striata বাংলা নামঃ সাদা কোমর মুনিয়া, Lonchura punctulata বাংলা নামঃ তিলা মুনিয়া, Lonchura atricapilla… [বিস্তারিত]
দুষ্ট প্রকৃতির শিশু-কিশোরদের কাজই হচ্ছে খেলার ছলে নিজেদের মাঝে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়া। কিন্তু তারা নিজেরাই বুঝে না তাদের খেলার আনন্দ কারো জীবনাবসানের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। জুন মাসের ৮ তারিখে গিয়েছিলাম নীললেজ সুঁইচোরা পাখির ছবি তোলার জন্য ময়মনসিংহের বরুরা গ্রামে। সেখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ মোড় থেকে কিছুটা পথ নৌকায় যেতে হয়। নৌকায় বসেই দেখতে… [বিস্তারিত]
করোনায় আক্রান্ত পুরো পৃথিবী, হাতে গোনা কয়েকটি দেশ বাদে পুরো পৃথীবি এখন লকডাউন, বদলে গেছে এই বিশ্বের চরিত্র, মানুষ এখন বাঁচার তাগিদে ঘরে, হোম কোয়ারেন্টাইন মেনে চলেছে সারা বিশ্ব, সব কিছুই থমকে গেছে করোনার ভয়াল রুপে, যানবাহন হিন রাস্তা, শিল্প কারখানার কালো ধোয়া নেই এখন আকাশে, সব কিছুই এখন বন্ধ, পৃথীবির অর্থনীতি এখন করোনার করালগ্রাসে,… [বিস্তারিত]
গ্রীষ্মকালে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান রোদে খা খা করে। এই উদ্যানের চৌহদ্দিতে পানির কোনো উৎস নেই। ফলে বনের পাখ-পাখালীগুলোর পানির তীব্র সংকট দেখা দেয়। পাখিদের এই সমস্যা মেটাতে একজন পাখিপ্রেমী বনের মাঝখানে ছোট একটি ডোবা কেটে দেন। ডোবাটিই এখন বনের পাখিদের পানির একমাত্র উৎস। দুপুর দুইটায় আফজাল খানকে সঙ্গে নিয়ে সাতছড়ি বনের ভেতর সেই ডোবার ধারে… [বিস্তারিত]
বিস্তীর্ণ জলরাশি। যতদূর চোখ যায় শুধু পানি আর পানি। অনেক দূরে বিশালাকার পণ্যবাহী জাহাজ সমুদ্রের বুকে ভেসে আছে। কখনো কখনো স্পীডবোট বা ইঞ্জিনচালিত মাছ ধরার ট্রলারগুলো দ্রুত ছুটে যাচ্ছে। তার পেছনে সাদা-কালো মিশেল রঙ্গের গাঙ্গচিলের ঝাঁক আহারের খোঁজে উড়ে যাচ্ছে। যেন হাত দিয়েই ধরা যাবে। দূরে একখণ্ড ভূমি সমুদ্রের মাঝে জেগে আছে। আমরা হাঁটছি শুকনো… [বিস্তারিত]
নদী মরে গেলে দুই তীরের জনজীবনে নিশ্চলতা সৃষ্টি হয়। দখল প্রক্রিয়ার কারণে যেভাবে নদী মারা যাচ্ছে, তাতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে নদীমাতৃক বলা যাবে কি না, সে ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। প্রাথমিক হিসাবে বুড়িগঙ্গা, কর্ণফুলী, সুরমা, কীর্তনখোলা, রূপসা ভূমি আগ্রাসনে পড়েছে শহর তীরবর্তী প্রায় ৭০টি নদী। কেবল নদী নয়, শহরের ভেতর বা পাশের খালগুলো অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে… [বিস্তারিত]


















